করোনায় ২৫৮ জনের মৃত্যুর নয়া রেকর্ড

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) জুলাই ২৭, ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:২৬ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

দেশে করোনায় প্রতিদিনই আগের রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটা মহামারিকালে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে চলতি বছরের ২৬শে জুলাই ২৪৭ জনের মৃত্যুর রেকর্ড ছিল। নতুন মৃত্যু নিয়ে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৭৭৯ জনে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৯২৫ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৫২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৪৩৯ জন এবং এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ২২ হাজার ৪১৪ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, ৬৩৯টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ হাজার ১৫৯টি নমুনা সংগ্রহ এবং ৫২ হাজার ৪৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচানয় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
এদিকে বিভাগ ভিত্তিক শনাক্তের হার বিশ্লেষণে দেখা যায়, একদিনে দেশের মোট শনাক্তের ৪১ দশমিক ৪৬ শতাংশ রোগী রয়েছেন ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৮৪ জন। শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ১৮৮ জন। এই বিভাগে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। ঢাকা জেলায় (মহানগরসহ) শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ। মারা গেছে ৪১ জন।

ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন ১১ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫৬৭ জন। শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। চট্টগ্রামে মারা গেছেন ৬১ জন। এ বিভাগে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৪৮৭ জন। শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। রাজশাহীতে মারা গেছেন ২১ জন। শনাক্ত হয়েছে ৮৮১ জন। শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৫০ শতাংশ। রংপুর বিভাগে মারা গেছেন ১১ জন। শনাক্তের সংখ্যা ৮৩৭ জন। শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। খুলনা বিভাগে মারা গেছেন ৫০ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৩৫ জন। শনাক্তের হার ২৮ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে মারা গেছেন ১৩ জন। শনাক্তের সংখ্যা ৮২২ জন। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। একই সময়ে সিলেট বিভাগে মারা গেছেন ৭ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭০৮ জন। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-২৭ ২০:১৮:১২

@ রুহুল আমীন যাক্কার সাহেব, লকডাউন দেয়ার পর থেকে সংক্রমণ বৃদ্দি পায় নাই। সংক্রমণ বেড়েছে সরকার লকডাউনে কঠোরতা দেখাতে ব্যর্থ হওয়ার কারনে এবং ঈদের সময়ে লকডাউন শিথিল করার কারনে। আর আপনি বলেছেন কওমি মাদ্রাসাগুলি খুলে দেয়ার জন্য। আমরাও চাই কওমি মাদ্রাসা সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হউক। কিন্তু কওমি মাদ্রাসার কতজন ছাত্র স্বাস্থবিধি (অর্থাত মাস্ক পরেছে বা পরবে?) মেনেছে বা মানবে? আল্লাহ আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন।

mozibur binkalam

২০২১-০৭-২৭ ১৯:৫৩:২২

প্রবাসী হয়ে বুঝতে পারলাম।আমাদের দেশের মানুষের জিবন যাপনে অনেক মানসিক পরিবর্তন আনা জরুরী।

রুহুল আমীন যাক্কার

২০২১-০৭-২৭ ০৬:৩২:২৩

লকডাউন দেয়ার পর থেকে করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিধায় লকডাউন প্রত‍্যাহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে গুরুত্বারোপ করা হোক এবং পবিত্র ক্বুরাআন তিলাওয়াতের মারকায তথা কওমি মাদ্রাসাগুলো খুলে দিলে আশা করা যায় আল্লাহপাক আমাদের প্রতি সদয় হয়ে দেশ -জাতিকে এ ভয়ংকর মহামারি থেকে রক্ষা করবেন।

LISA

২০২১-০৭-২৭ ১৯:২৯:৪০

যারা জরুরী প্রয়োজন ছাড়া যারা বাহির হয়। শুধু জরিমানা করলে হবে না প্রয়োজনে ১৪ দিনের জন্য জেল দিন। জরুরী প্রয়োজন বলতে নমুনা পরীক্ষা, অসুস্থতা, মনে রাখবেন কঠরতার মাধ্যমে ৭০%-৮০% সংক্রমণ কমানো সম্ভব।

LISA

২০২১-০৭-২৭ ১৯:১০:৪২

যারা জরুরী প্রয়োজন ছাড়া যারা বাহির হয়। শুধু জরিমানা করলে হবে না প্রয়োজনে ১৪ দিনের জন্য জেল দিন।

LISA

২০২১-০৭-২৭ ১৮:৪৫:৪৩

যারা জরুরী প্রয়োজন ছাড়া যারা বাহির হয়। শুধু জরিমানা করলে হবে না প্রয়োজনে ১৪ দিনের জন্য জেল দিন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-২৭ ১৮:৪২:০২

অজ্ঞ ও মুর্খ্যরা বিশ্বাসই করেনা যে দেশে করনা বলতে কিছু আছে। তারা এখনো মনে করে , করনা বড় লোকের রোগ, , করনা শহরের রোগ, , করনা গরীব বা গ্রামের মানুষকে কিছুই করতে পারবে না, , বস্তির মানুষের মধ্যে করনা রোগী পাওয়া যায় নাই,, মসজিদ-মাদ্রাসায় করনা প্রবেশ করতে পারে না, , মুসলিম দেশে করনা কিছুই করতে পারবে না ত্যাদি.......... ইত্যাদি। এক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা, মসজিদের ইমাম, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্দি করা জরূরী। বাস্তব সত্যটি হল করনায় এখন গ্রামের অনেক গরীব মানুষ মারা যাচ্ছে। করনায়0 মুসলিম মারা যাচ্ছেন। করনায় মসজিদের ইমাম, মুসল্লি মারা যাচ্ছে। করনায় আমার জানামতে আমার বাসার পাশের একটি মসজিদ কমিটির ২ জন সভাপতি মারা গিয়েছেন। বস্তিতে করনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে বস্তিতে করনা সনাক্তের হার ৭০%। অর্থাৎ করনা ধনী-গরীব, নামাজি-বেনামাজি কাহাকেও ছাড় দেয় না। আসুন সবাই মিলে মাস্ক পরি লকডাউনকে বিদায় করি। বৈজ্ঞনিকগন গভেষনা করে দেখেছেন মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) মাধ্যমে ৭০%-৮০% সংক্রমণ কমানো সম্ভব (ইনশাআল্লাহ্‌)।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

শনাক্ত হাজারের নিচে

করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ

‘আজকের ভুক্তভোগী, আগামী দিনের অপরাধী’ (ভিডিও)

DMCA.com Protection Status