ইউনিয়ন পরিষদে কেন্দ্র, জাতীয় পরিচয়পত্র দেখালেই দেয়া হবে টিকা

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) জুলাই ২৭, ২০২১, মঙ্গলবার, ৩:৩০ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৯:২১ পূর্বাহ্ন

টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৭ই আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পরিষদে কেন্দ্রে টিকা দেয়া যাবে । টিকা দিতে রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন হবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখালেই টিকা দেয়া হবে। আজ এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য জানান। বৈঠকে তারা ছাড়াও স্বাস্থ্য সচিব, আইজিপি, বিজিবি প্রধানসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ৫ই আগস্ট পর্যন্ত লকডাউন চলবে। এসময় পর্যন্ত শিল্প কারখানা বন্ধ থাকবে। লকডাউন বাড়ানো নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবকসহ সবাইকে টিকা কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা হবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Akhlaqur Rahman

২০২১-০৭-২৭ ১৮:০০:২৭

লকডাউন কোন সমাধান নয় ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে লকডাউন। যতবারই লকডাউন দিচ্ছে ততবারই লকডাউন ‘উপহাস’ হিসেবে নিচ্ছে। এ মহামারিকে কিছু সংখ্যক সচেতন মানুষ ছাড়া পাত্তাই দিচ্ছে না। লকডাউন পরিণত হয়েছে চোর-পুলিশ খেলায়। ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা (যথা, রাজশাহী, খুলনাসহ বেশ কয়েক জেলায় ভারতীয় সংক্রমণ ভাইরাসটি আঘাত এনেছে। এদেশের ৮০ শতাংশ মানুষই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। তবে যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি তাদেরকে আক্রান্ত করতে পারছে না। যারা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ও বয়সের ভারে ন্যুহ তাদেরই আক্রান্ত করছে, মুত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অনেকের ধারণা, লকডাউনের মতো কর্মসূচি দিয়ে কোন সমাধান নয়, এটিকে টিকা ও মাস্ক ব্যবহারের উপযোগী করতে পারলেই সমাধান আসবে, অন্যথায় লকডাউনে দিন আনে দিন খায় মানুষগুলোকে কর্মহীন করে খাদ্যহীন করে ঘরে রাখা যাবে না। লকডাউন কোনো সমাধান নয়। লকডাউন থেকে সরকারকে বের হয়ে বিকল্প পথ অবলম্বন করতে হবে।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-২৭ ১৭:০৪:৩৮

মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত বাদ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া উচিত। প্রতিটি পুলিশকে ২৫ জন করে মাস্ক অব্যবহারকারীকে জরিমানার টর্গেট নির্ধারিত করে দেয়া উচিত। জরিমানার পরিমাণ ২০০০, ৩০০০, ৫০০০ টাকা করা যেতে পারে (যাহা অন্যান্য দেশে ২০-৩০ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে)। জরিমানার একটি অংশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রদান করলে পুলিশ বেশী উতসাহ পাবে। এই পদ্ধতি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সফলভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিকগণ গভেষনা করে দেখেছেন মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) মাধ্যমে ৭০%৮০% সংক্রমণ কমানো সম্ভব। আসুন সবাই মিলে মাস্ক পরি লকডাউঙ্কে বিদায় করি।

SHOHEL MAHMUD

২০২১-০৭-২৭ ০৩:৪৯:৩৯

REG. করেছি প্রায় ২০ দিন ইগে এখনও ম্যাসেজ আসেনি?

Md.Salahuddin Bhuiya

২০২১-০৭-২৭ ১৬:৩৪:৩০

যাদের টিকাদেয়া পেনডিং আছে , তাদেরকেই টিকা দিতে পারতেছেননা ।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-২৭ ১৬:১১:০৮

টিকা কার্যক্রম দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার এবং সহজলভ্যও নয়। তাছাড়া সকল টিকা করনার সকল ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকরি কিনা এবং টিকায় অর্জিত এন্টিবডি দীর্ঘমেয়াদী কিনা তাহাও বৈজ্ঞানিকগণ এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেন নাই। তাই এক্ষেত্রে জরূরী ভিত্তিতে যেই বিষয়ের উপর ফোকাস করা উচিত ছিল তাহা করা হয় নাই। ঘনবসতিপূর্ন বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় করনা নিয়ন্ত্রণ ২টি বিষয়ের মধ্যে আটকে আছে। এই ২টি কে বাদ দিয়ে করনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সরকার শুধু লকডাউন দিয়ে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বাড়াচ্ছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করছে। ২টি বিষয়ের মধ্যে প্রথমতঃ করনা সংক্রমণ ‘০’ লেভেলে না আসা পর্যন্ত শতভাগ মানুষকে যেকোন মূল্যে নিয়মিত মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) আওতায় আনতে হবে। নিয়মিত সঠিকভাবে মাস্ক না পরলে ২০০০, ৩০০০ বা ৫০০০ টাকা জরিমানা আদায় ও জেলের ব্যবস্থা করলে মানুষ ভয়ে মাস্ক পরতে বাধ্য হবে (অন্যান্য দেশে ২০-৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে তারা সফল হচ্ছে)। দ্বিতীয়তঃ জনপ্রতিনিধি, মসজিদের ইমাম, আলেম-ওলামা সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং অলি-গলি, পাড়া-মহল্লা, গ্রামের হাট-বাজার সর্বত্র কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত ব্যাপক মাইকিং করতে হবে। এই ২টি বিষয়ের উপর দেশের চৌকস স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ(যেমনঃ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাইদুর রহমান, ডঃ আবু জামিল ফয়সাল (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপদেষ্টা), অধ্যাপক ডঃ নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা) বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এই দুইটি পয়েন্টের বাস্তবায়নের উপরই বাংলাদেশের করনা নিয়ন্ত্রণ আটকে আছে। সরকার এই ২টি বিষয়ের উপর কেন নজর দিচ্ছেন না তাহা রহস্যজনক। কোথাও প্রচারণা নেই। সরকার যদি জীবন ও জীবিকার ভারসাম্য একই সাথে রক্ষা করতে চান তবে এই দুইটি পয়েন্টের বাস্তবায়ন ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

দেশে ফিরলেন আ স ম রব

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

শনাক্তের হার ৪.৫৪

করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

সরকারকে আতংক তাড়া করছে: রিজভী

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status