টিকার বয়সসীমা ১৮ বছর হচ্ছে: স্বাস্থ্যের ডিজি

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) জুলাই ২৩, ২০২১, শুক্রবার, ৫:০৭ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

করোনাভাইরাসের টিকা নিবন্ধনের ন্যূনতম বয়সসীমা কমিয়ে ১৮ বছর করা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। শুক্রবার মুগদা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম। মহাপরিচালক বলেন, টিকা নেওয়ার জন্য নিবন্ধনের সর্বনিন্ম বয়স ১৮ বছর করে দেওয়া হবে। এটার ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয় সকাল বেলা আমাকে জানিয়েছেন। আমরা এটা আমাদের কমিটিতে আলোচনা করব এবং কীভাবে এটা করা যাবে সেটা আমরা জানাব। এক সপ্তাহ আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও টিকার নিবন্ধনের ন্যূনতম বয়সসীমা কমিয়ে ১৮ বছর করার পরিকল্পনার কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কারিগরী পরামর্শক কমিটি টিকার জন্য নিবন্ধনের বয়সসীমা কমিয়ে ১৮ বছর করার সুপারিশ করেছে।
খুরশীদ আলম বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে তারা দ্রুত সময়ের মধ্যেই তা ১৮ বছর করার বিষয়ে কাজ শুরু করবেন। গ্রাম পর্যায়ে প্রান্তিক মানুষকে কীভাবে আরো সহজ টিকা দেওয়া যায় সে বিষয়টি নিয়ে সরকার ভাবছে বলেও জানান তিনি। ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার থেকে নতুন করে লকডাউন শুরুর বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ঈদের আগে দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধে তেমন প্রভাব দেখা যায়নি। তবে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে সংক্রমণ কমেছে। আজকে থেকে যে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে, সেটা কয়েকদিন গেলে বোঝা যাবে। পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। আমাদেরকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। তবে এটা আমি জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, সরকারের ব্যবস্থাপনা যথেষ্ট ভালো আছে। খুরশীদ আলম বলেন, সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে দিনে ২০০ টনে পৌঁছে গেছে। স্বাভাবিক সময়ে অক্সিজেনের চাহিদা থাকে ৭০ থেকে ৯০ টনের মত। তবে দেশে এখনো অক্সিজেনের মজুদ আছে এবং ভারত থেকেও আমদানি হচ্ছে। কোভিড রোগীর চাপ সামলাতে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় ফিল্ড হাসপাতাল করার পরামর্শ এসেছে বলেও জানান তিনি। মুগদা হাসপাতালের পর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং মহাখালীর শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালও ঘুরে দেখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ২৬ জানুয়ারি টিকার জন্য নিবন্ধন শুরু হয়। শুরুতে ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টিকার জন্য নিবন্ধন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। পরে তা তিন ধাপে কমিয়ে ৩০ বছরে নামিয়ে আনা হয়। যাদের বয়স ৩০ বছর বা তার বেশি, কেবল তারাই এখন সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মের ওয়েবসাইটে গিয়ে টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারছেন। তবে মহামারী মোকাবেলায় সম্মুখসারির কর্মী, বেশ কিছু পেশাজীবী শ্রেণি, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, প্রবাসী কর্মী এবং প্রাধিকার তালিকায় থাকা ব্যক্তিরা নির্ধারিত বয়সসীমার বাইরেও নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Shahid

২০২১-০৭-২৩ ২০:২৮:২৩

ভ্যাকসিন গুরুত্বপূর্ণ নাকি এনআইডি ? যদি ভ্যাকসিন গুরুত্বপূর্ণ হয়, তবে দয়া করে ভ্যাকসিন নিবন্ধকরণের জন্য এনআইডি বাধ্যতামূলক নিয়মটি উপেক্ষা করার বিষয়টি বিবেচনা করুন। কারও কাছে যদি এনআইডি না থাকে তবে দয়া করে ভ্যাকসিন নিবন্ধনের জন্য জেলাভিত্তিক নতুন ডাটাবেস ব্যবহার করার কথা বিবেচনা করুন। ভ্যাকসিন রেজিস্ট্রেশনের জন্য এনআইডি নম্বর বাধ্যতামূলক করার চেয়ে সকল বয়সের নাগরিক, শিল্প কারখানার শ্রমিক এবং শিক্ষার্থীদের দেরি না করে টিকা দেওয়া খুবই জরুরি। নতুন এনআইডি তৈরির জন্য অপেক্ষা করার চেয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাকসিন দেওয়া আরও বেশি জরুরি, অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ । কারণ আমরা পরেও এনআইডি বানাতে পারি তবে একবার অমূল্য জীবন চলে গেলে আর ফিরে আসবে না। তবুও কি আমরা এনআইডি-র জন্য অপেক্ষা করব ? কোভিড ভ্যাকসিন নিবন্ধনের জন্য প্রধান মানদণ্ড এনআইডি হওয়া উচিত নয়। কোভিড ভ্যাকসিন নিবন্ধনের এনআইডি-র বিকল্প হিসাবে জন্ম নিবন্ধন নম্বর বা পাসপোর্ট নম্বরও বা অন্য কোনও বিশেষ স্থানীয় কোড নম্বর বিবেচনা করা উচিত !

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

শনাক্তের হার ৬.০৫

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

কুমিল্লা-৭ আসনে উপ-নির্বাচন

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন ডা. প্রাণ গোপাল

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status