বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করতে ব্লেন্ডিং হতে পারে দাওয়াই

 পিয়াস সরকার

শিক্ষাঙ্গন (৫ দিন আগে) জুলাই ২২, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:২২ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৪:৪৪ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের পর প্রায় সব কিছুই স্বাভাবিক হয়েছিলো দেশে। শনাক্তের হার নেমে এসেছিলো ৩ শতাংশের কাছাকাছি। তবুও খোলা হয়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রায় ৫০০ দিন যাবত বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ অববস্থায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্লেন্ডিং শিক্ষা পদ্ধতি চালু থাকলেও আমাদের দেশে করা হয়নি তা। ব্লেন্ডিং শিক্ষাপদ্ধতি হচ্ছে করোনার সংক্রমণ কমে গেলে চালু রাখা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আবার সংক্রমণ বৃদ্ধি হলে বন্ধ করে দেয়া হয়।
এই পদ্ধতি আবার এলাকা ভিত্তিকও করা হয়। এক এলাকায় করোনার সংক্রমণ বেশি থাকলে বন্ধ আর অন্য এলাকায় কম থাকলে খোলা রাখা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মার্চে প্রকাশিত ইউনিসেফের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বছরের মার্চ থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মতো এত দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে মাত্র ১৩টি দেশে। এই দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় রয়েছে শুধু বাংলাদেশ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় জটিলতা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে দিনকে দিন। ২০২১ সালের এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের ৪৪ লাখ পরীক্ষার্থী হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হয়েছিলেন ১৭ লাখ শিক্ষার্থী। তাদের কলেজে না গিয়েই কেটে গেছে দেড় বছর। ২০২০ সালে ‘অটোপাস’ পাওয়া ১৭ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি হবার আগেই পতিত হয়েছেন দেড় বছরের সেশনজটে। আর চলতি বছরের পরীক্ষার্থীরাও স্বভাবতই সেশনজটের কবলে পরবেন। এবছরে দেশে ৩ গুচ্ছে ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা, কৃষি গুচ্ছের সাত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রকৌশল গুচ্ছের তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বারবার সম্ভাব্য তারিখ দিয়েও পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার তারিখ দিয়েও পিছিয়ে দেয়। পিছিয়ে যায় সাত কলেজে ভর্তি পরীক্ষাও। উচ্চ মাধ্যমিকের পর শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ ভর্তি হন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। এতে ফলাফলের মাধ্যমে ভর্তি করানো হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা না হওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরও ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বাড়ছে নানা অপরাধ। বাড়ছে অনলাইন গেমিং আসক্তি । কর্মহীন সময়টায় জড়িয়ে পড়ছে মাদকে। ঝরে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে শিক্ষার্থীদের মাঝে। বিশেষ করে গ্রামে বাড়ছে বাল্যবিবাহ। আর আয়মুখী কাজে জড়িয়ে পড়ায় অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছেন। হতাশায় ডুবে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে আত্মহত্যার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md.Humayun kabir

২০২১-০৭-২৩ ১০:৩৪:০০

ভাই,তাড়াতাড়ি খোলার ব‍্যবস্থা।। মধ‍্যবিত্ত পরিবার।। মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ছি।। কি করব ভেবে পাচ্ছি নাহ।।

শেখ সাঈদ শেখ সাঈদ

২০২১-০৭-২৩ ০১:৩২:৩৩

আমি পরামর্শ দিচ্ছি শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় সকল কিছুই একটা সিস্টেমেটিক্যালি চালু করা যেতে পারে সেটা কিভাবে আমি বলছি শুনুন - আমরা যদি বাজার ব্যবস্থাপনার দিকে তাকাই সে ক্ষেত্রে এখন যে মার্কেটটি সকাল 10 টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে সরকার যদি ঘোষণা দেন যে সে মার্কেটগুলো 24 ঘন্টা উন্মুক্ত থাকবে আর এর জন্য নিরাপত্তা দিবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যদি নির্দেশনা দেয়া হয় যে,সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত সমস্ত প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে ।সেখানে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক পরিধান করে ব্যাচ টু ব্যাচ শিক্ষা সম্পাদন করবে। আর শিক্ষকগণ তাদের শিডিউলমাফিক দায়িত্ব পালন করবেন তবে দেখবেন বাজারেও কোন ভিড় নাই শপিংমলে কোন ভিড় নাই ।স্কুল-কলেজে কোন পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটবে না। অর্থাৎ আমাদেরকে কাজের পরিধি বাড়িয়ে দিতে হবে। ছয় ঘণ্টার জায়গায় 12 ঘন্টা । আর 12 ঘন্টার জায়গায় 24 ঘন্টা কাজ করতে হবে। এভাবেই করুনা প্রতিরোধ করে সেই সাথে দেশকেও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে উন্নত দেশে পরিণত করা সম্ভব ।আমি যে মতামতটি দিলাম প্রশাসন ভালভাবে উপলব্ধি করতে পারলে অবশ্যই দেশ ও দশের কল্যাণ হবে বলে আশা রাখি।

আতাউর রহমান

২০২১-০৭-২৩ ০১:২৮:১১

দেশের বড় বড় মার্কেট খোলা আছে।এ ঈদে আমাদের এখানে তিন ব্রীজ নামে একটি জায়গা আছে সেখানে প্রতিদিন বিকালে হাজার হাজার মানুষ জড়ো। হচ্ছে। কয়েক কোচিং সেন্টার আছে কঠৌর লকডাউন ও সাট ডাউনে সেগুলো বন্ধ হয়নি। মাছ বাজার চলছে তবে কেন বছরের পর বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে?

Md Mostofa kamal

২০২১-০৭-২৩ ০৯:১৩:৩৬

আমারা শিক্ষ থেকে পিছিয়ে আসছি আমাদের কিছু একটা ব্যবস্তা করা হোক

ইয়াছিন

২০২১-০৭-২২ ১৯:৫০:০৫

আমি একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।। না না দ্বাদশ শ্রেণির না না এখনো ঠিক করে বলতে পারব না।। আমার মতো আরও হাজারো শিক্ষার্থী এই উৎকন্ঠায় আছে।। আমি ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন প্লাস পায় আর ভর্তি হই একটি নামকরা কলেজে।। কিন্তু এই নামকরা কলেজে ভর্তি হওয়াটাই আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।। আমার এলাকার অন্যান কলেজে এই বন্ধের দিনগুলোতে ও আগের মতো কলেজে ক্লাস হচ্ছে।। সব মিলিয়ে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্তা একটা চরম বিশৃঙ্খলায় আছে।।। সরকারের উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য স্পষ্টভাবে একটা ঘোষণা দেওয়া না হয়তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলে দেওয়া।।

এ ছালাম

২০২১-০৭-২২ ১০:৪২:৩১

September আসতে আসতে করোনা পরিস্থিতি আবার ঊর্ধ্ব মুখি হবে। ঘোষণা করা হবে আবার নতুন কোনো তারিখ। এভাবে চললে বাঙালি জাতির মেরুদণ্ড একদিন শেষ হয়ে যাবে।

মোঃ জাকির হোসেন।

২০২১-০৭-২২ ০৯:১৮:২৩

গার্মেন্টস সহ দেশের সব কিছু যখন খোলা থাকতে পারে। তখন শিক্ষা- প্রতিষ্ঠান বন্ধ কেনো? জানতে চাই।।

মো. রহমত উল্লাহ্

২০২১-০৭-২২ ০৭:০৫:৩৭

আমি গত এক বছর ধরে বারবার বলছি ও লিখছে, যে সকল এলাকায় করোনা সংক্রমণ কম সে সকল এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হোক। প্রয়োজনে বন্ধ করে আবার খোলা হোক। আবার বন্ধ করা হোক, আবার খোলা হোক। যে কোন এলাকার একজন শিক্ষার্থীও যদি লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারে তো সেটি আমাদের দেশের জন্যই মঙ্গল জনক। বারবার বিলম্ব করে আরো ক্ষতি বৃদ্ধি করার পরে সরকার হয়তো সেই পদ্ধতিতে যেতে বাধ্য হবে। এই ক্ষতি আর জীবনেও পৌঁছানো যাবে না!

Mohamed Amin

২০২১-০৭-২২ ০৬:১৭:২৫

এটা একটা বেদনাদায়ক বিষয়। মে জাতি শিক্ষা নিয়ে কঠিন ও কঠোর নয় সেই জাতি বন্ধ ১৩ জাতির অন্তর্ভুক্ত হবেই। এটা নিয়ে আর কি কথা! অন্ধ জাতি‌ হাতির কানকে কুলাই বলবে! রাজতন্ত্রকে আরামতন্ত্র বলবে! অবকাঠাম নির্মাণকে উন্নয়ন বলবে! কাঙ্গালী ভোজনকে বিরানির দাওয়াত বলবে!

Sarun Barua

২০২১-০৭-২২ ০৬:১১:১৬

মতামত প্রকাশের ভাষাই হারিয়ে ফেলেছি। আমি একজন ছাত্রের পিতা হিসাবে ভূক্তভোগী। আমার ছেলেটা যে এখজন ছাত্র সে কথাটাই সে ভূলে গেছে। তাকে নিয়ে পরিবারে সমাজে কি যে বিরম্বনায় পড়েছি সেটা বলে বুঝাতে পারছিনা। আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবি শিক্ষাবিদগণ কেন চুপ করে আছেন?

শিহাব

২০২১-০৭-২২ ১৯:০০:২৩

ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত ই দেয়া হয় না যেন আমারা শিক্ষার্থী ই নই আমাদের ব্যাপারে কোন কথা বলতে কেউ নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিয়েছে। অনেক আশা স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়ে প্রথম পর্ব পার করতে পারলাম না দয়া করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হোক আর পারছি না আর কিছু দিন এভাবে চললে পাগল হয়ে যাবো

HumaunKabir selim ga

২০২১-০৭-২২ ০৫:৩৫:১৫

নাটকের শেষ কোথায়

কাজী মিনহাজুল আলম

২০২১-০৭-২২ ০৩:০৬:০৯

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা আর বন্ধের যতোবার দিন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে তা কোনো সাধারণ নাগরিকের পক্ষে সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। এখন আবার নতুন মাসের (সেপ্টেম্বর ) নাম এসেছে, এবার অন্তত আর বদলে যাবে না বলে বিশ্বাস করতে চাই।

Md Anwar

২০২১-০৭-২২ ১৫:৩৩:৪৪

Govt. should open school very soon.

আমিনুল ইসলাম আমিন

২০২১-০৭-২২ ০২:০৬:১৯

তাড়াতাড়ি এই পদ্ধতি চালু করা উচিত।নইলে আগামী প্রজন্ম অশিক্ষিত হওয়ার আশঙ্কা আছে।নইলে সরাসরি ঘোষণা দেয়া উচিত যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে কয়েকবছর তোমরা নিজেদের ঘরকে কারখানা বানাও।এতে করে কিছুটা হলেও আগামী লাভবান হবে চীনের মতো।নাটক করা উচিত না।

faysal ahmed

২০২১-০৭-২২ ০১:৫৯:৪৩

আমি একজন ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী, এতদিন আমি ডিপ্লোমা শেষ করে কিছু একটা করতে পারতাম।কিন্তু আমাকে এখনো ৭ম সেমিস্টার শেষ করে তারপর ইর্ন্টানি করে তবে কিছু করতে হবে,তাতে আমার এখনো ২০২২ সাল অব্ধি অপেক্ষা করতে হবে।কার বাবার এত অর্থ আছে যে ছেলেকে বসায়ে খাওয়াবে।

Professor Dr.Mohamme

২০২১-০৭-২২ ১৪:১৯:০৬

অবিলম্বে আমাদের দেশে ব্লেন্ডিং শিক্ষাপদ্ধতি চালু করা অতীব জরুরি । বর্তমানে অনেক সিখা প্রতিষ্ঠান অন লাইন ব্যবহার করেন জ্যা ব্লেন্দিং পদ্ধতির ভিত্তি হতে পারে এবং তাকে চলুস্তের করে তাকে আর বেগবান করা শম্ভব বলে আমার বিশ্বাস । শুরুতে হয়ত অনেক জটিলতা থাকবে কিন্তু , সময়ের সাথে সাথে তার পরিবতন, পরিবরধন, সংযোজন বা বিয়জন করলে, এর প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেয়া যেতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শুধু যে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তা নয় বরং গোটা শিক্ষক সমাজ অলস অবসরে থাকছেন যার পরিণাম হবে ভয়াবহ । কিছু দিন আগে, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় ব্লেন্ডিং শিক্ষা পদ্ধতি চালুর ব্যাপারে তাঁর মূল্যবান দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু, কেন যেন সে প্রক্রিয়ায় ভাটা পড়েছে । তাই, ব্লেন্ডিং শিক্ষাপদ্ধতি চালু সম্পর্কে তড়িৎ সিদ্ধান্তে আসা উচিত।

জাফর আহমেদ

২০২১-০৭-২২ ০০:৫৮:৪৯

সরকার কখনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ খোলা থাক এটা চায়না, কারন সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বন্দ করে মেধা হিন জাতী করার জন্য সুযোগ তৈরি করেছে, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বলে, তাদের ছেলে মেয়েরা ঠিকই বিদেশে লেখাপড়ার করছে, তারা আবার দেশে এসে যেন এ অশিক্ষিত মুরক্ষ জাতি কে শাসন করতে পারে সেই নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে,

কনক রায়

২০২১-০৭-২১ ২৩:৪৯:১০

সরকার সঠিক কাজটিই করছে। আগে বেচে থাকা। জীবনের চাইতে বড় কিছু নাই

Abdullah

২০২১-০৭-২১ ২২:৫১:২০

সরকার কর্তৃক তৈরিকৃত পরিস্থিতি তাদের নিজস্ব কোন উদ্দেশ্যে। করোনর জন্য নয়।

Shiam

২০২১-০৭-২১ ২১:৩২:০০

আমি নিজে একজন ডিপ্লোমাধারী শিক্ষার্থী। প্রায় 2 বছর হয়ে গেছে আজও পর্যন্ত সেমিস্টার আগানো হয়নি। যে জায়গায় আজ চারটি সেমিস্টার পার হয়ে যেত। আমাদের শিক্ষক থেকে শুরু করে স্টুডেন্ট গার্জিয়ান সবাই চায় প্রতিষ্ঠান খোলা হোক। কিন্তু কেন যে খোলা হয় না ওইটা শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কেউ জানে না।

Ramiz Uddin Khan

২০২১-০৭-২১ ১৪:১১:৫৮

এইজন্য দায়ী থাকবে সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বৃন্দ এবং একদিন তাদের জবাবদিহিতা আওতায় আনা বান্চনীয় বলে মনে করছি।

Kazi

২০২১-০৭-২১ ১৩:৩২:৫৯

যে সব দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হয়েছিল সেখানেই শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে কভিড ভাইরাস পরিবারে সংক্রমিত হয়েছিল। মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে পরিবারের অভিভাবকদের। উদাহরণ লন্ডনে আমার দুই আত্মীয়ের মৃত্যু । সন্তান স্কুল ( শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) থেকে আক্রান্ত হয়ে পরিবারে ছড়িয়েছিল । তারা বাঁচলে ও বাঁচেনি এক পরিবারের মা ও অন্য পরিবারের বাবা।

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

পরীক্ষা নিতে না পারলে অ্যাসাইনমেন্ট ও সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে মূল্যায়ন

পরিস্থিতির উন্নতি হলে নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা

১৫ জুলাই ২০২১



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



পরীক্ষা নিতে না পারলে অ্যাসাইনমেন্ট ও সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে মূল্যায়ন

পরিস্থিতির উন্নতি হলে নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা

DMCA.com Protection Status