টিকা নেয়ায় খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানালেন ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) জুলাই ২০, ২০২১, মঙ্গলবার, ৩:৩০ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৩০ পূর্বাহ্ন

করোনার টিকা গ্রহণ করায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ মঙ্গলবার তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, শুরু থেকে বিএনপি নেতারা নানান অপপ্রচার চালালেও শেষ পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়াও ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সকল অপপ্রচার মিথ্যা প্রমাণ করে দেশে একের পর এক ভ্যাকসিনের চালান আসছে, বাড়ছে সরবরাহ। গণটিকাদানের বয়সসীমা কমিয়ে এর আওতা বাড়ানো হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ভ্যাকসিন আসার সঙ্গে সঙ্গে বয়সসীমা আরও কমিয়ে আনবে শেখ হাসিনা সরকার।

জনগণকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আবারও আস্থা রাখার আহবান জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, সংকট ও দুর্যোগে তার দূরদর্শিতা ইতিমধ্যেই পরীক্ষিত। শেখ হাসিনা সংকট দেখলে জনমানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়েন, গ্রহণ করেন চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে কথামালার ভা-ার নিয়ে বিএনপি নেতারা সংকট দেখলে পালানোর পথ খোঁজেন এবং জনগণ থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করেন।।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৭-২০ ১৬:২৩:৫৫

সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অযোগ্যতা বা ষড়যন্ত্রের কারনেই হোক করনা নিয়ন্ত্রণে আসছে না। করনা নিয়ন্ত্রণে সামনে স্পষ্ট উপায়সমূহ থাকলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সেই সমাধাধানের পথে না যেয়ে উলটো পথে যাচ্ছেন যাহা রহস্যজনক। এইভাবে করনাকে দীর্থস্থায়ী করে বারে বারে লকডাউন দেয়া হচ্ছে। যার ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকাতে শিক্ষার্থীদের জীবন আজ ধ্বংসের মুখে, অনেকে ঘরে আবদ্ধ থাকাতে মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে যাচ্ছে, অভিজ্ঞ ডাক্তেরদের চেম্বার বন্ধ থাকাতে বিভিন্ন জটিল রোগের রোগীরা চিকিতসা নিতে পারছেন না, বেকার সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে সর্বপরী দেশ আর্থিকভাবে দূর্বল হচ্ছে। ঘনবসতিপূর্ন বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় ২/১ টি কাজ করলেই ইনশাআল্লাহ করনা নিয়ন্ত্রনে আসার কথা। প্রথমতঃ শতভাগ মানুষকে যেকোন মূল্যে নিয়মিত মাস্ক পরার (সঠিক নিয়মে) আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয়তঃ জনপ্রতিনিধি, মসজিদের ইমাম, আলেম-ওলামা সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং নিয়মিত ব্যাপক মাইকিং করতে হবে এবং অলি-গলি, পাড়া-মহল্লা ও হাট-বাজারে কঠোর নজরদারী থাকতে হবে। এই ২টি বিষয়ের উপর দেশের চৌকস স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ(যেমনঃ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাইদুর রহমান, ডঃ আবু জামিল ফয়সাল (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপদেষ্টা), অধ্যাপক ডঃ নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা) বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এই দুইটি পয়েন্টের বাস্তবায়নের উপরই বাংলাদেশের করনা নিয়ন্ত্রণ আটকে আছে। সরকার এই ২টি বিষয়ের উপর কেন নজর দিচ্ছেন না তাহা রহস্যজনক। সরকার যদি জীবন ও জীবিকার ভারসাম্য একই সাথে রক্ষা করতে চান তবে এই দুইটি পয়েন্টের বাস্তবায়ন ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। 

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

শনাক্তের হার ৬.০৫

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

কুমিল্লা-৭ আসনে উপ-নির্বাচন

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন ডা. প্রাণ গোপাল

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status