লক্ষ্মীপুরে ১১টি গ্রামে আগাম ঈদুল আযহা পালিত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

অনলাইন (১ মাস আগে) জুলাই ২০, ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৯:২৮ পূর্বাহ্ন

সামাজিক দুরত্ত বজায় রেখে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরে ১১টি গ্রামে আজ মঙ্গলবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা,  হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপা ও সদর উপজেলার বশিকপুরসহ ১১টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লী আজ ঈদুল আযহা উদযাপন করছেন।

সকাল ৮টায় রামগঞ্জ উপজেলার খানকায়ে মাদানিয়া কাসেমিয়া মাদ্রাসায় ও নোয়াগাঁও বাজারের দক্ষিণ-পূর্ব নোয়াগাঁও ঈদগাহ ময়দানসহ বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় ঈদের নামাজের অনেক গুলো  জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা রুহুল আমিন। এসব গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক মুসল্লী পৃথক পৃথক ভাবে স্ব-স্ব ঈদ গাঁ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেন। পরে পশু কোরবানি দেন তারা।

মাওলানা ইসহাক (রাঃ) অনুসারী হিসেবে এসব এলাকার মানুষ পবিত্র ভূমি মক্কা ও মদিনার সাথে সঙ্গতি রেখে ঈদ সহ সব ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছে। এসব গ্রামের মুসল্লীরা গত ৪০ বছর যাবত সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদ্যাপন করে আসছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

সোহেল

২০২১-০৭-২০ ০১:৩৩:২২

ইসলামিক ফাউণ্ডেশন কি করে? এসব বিদআতি দের দেশ ছাড়া করা উচিত।

তানভীর

২০২১-০৭-১৯ ২২:৪৮:০৬

যারা সৌদি আরব এর সাথে মিল রেখে ঈদ করে তাদের উচিত,সৌদি আরব এর সাথে মিল করে নামাজ পড়া ও রোজা রাখা,ওরা এই নিয়ম কোথায় থেকে আবিস্কার করলো এদের কে ইচ্ছা মত তাবড়ানো উচিত, জাহিলের দল।

Kazi

২০২১-০৭-১৯ ২২:৩০:০৮

Day after hajj is Eid. This is right day i think

সোহেল

২০২১-০৭-১৯ ২২:২৭:১৩

এরা হলো বাতিল আকিদাপন্থী।ওয়াজিব নামাজ সৌদিদের সংগে মিল রেখে পড়ে আর ফরজ নামাজ বাংলাদেশ সময়ে মিল রেখ পড়ে।আজব লাগে।

Mohammad Nurul Islam

২০২১-০৭-২০ ১১:১৯:৫০

সংবাদের শিরোনামটাই যদি ভুল বলি আপনারা আমাকে দোষারুপ করেন না। কারণ আগাম ঈদ নয়। তারা বরঞ্চ শুদ্ধ এবং সঠিক দিনেই ঈদ করছেন। আমরা যারা আজ ঈদ করছি না তারাই ভুল করছি। বাংলাদেশ-ভারত ছাড়া সমগ্র বিশ্বে আজ ঈদ হচ্ছে।আমরা করতে পারছি না কেনো? গতকাল ১৯ জুলাই সোমবার ছিলো আরাফা দিবস। এই আরাফা দিবস পৃথিবীতে একদিনই হয়। সে হিসেবে সোমবার আমাদের বাংলাদেশেও অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলিম রোজা রেখেছিলেন। বলা হচ্ছে চাঁদ দেখে ঈদ করো। প্রশ্ন আসতে পারে, পৃথিবীর ১৭০ কোটি মুসলিম সবাইকি চাঁদ দেখে ঈদ করেন? চাঁদ কেউ না কেউ দেখে তারপর সবার কাছে ছড়িয়ে দেন।সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেলো, ইন্দোনেশিয়া দেখা গেলো, মালয়েশিয়ায় দেখা গেলো, ইউরোপে দেখো গেলো, আমেরিকায় দেখা গেলো মাঝখানে শুধু বাংলাদশে আর ভারতে দেখা গেলো না? এটা কি চাঁদের দোষ না আমাদের? চাঁদতো একটা, ওটা যদি সৌদি আরবে দেখা যায়, এখানে দেখা যাবে না কেনো? সৌদি আরবের মসজিদুল হারামের গ্রান্ড মুফতি চাঁদ দেখেছে বলে এলান করেন। তখন সমগ্র সৌদি আরবের মানুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মানুষ চাঁদ না দেখে ঈদ করেন। কিন্তু আমরা ঈদ করতে পারি না কেনো? বাঁধাটা কোথায়? বিশ্বের ১৭০ কোটি মানুষ চাঁদ দেখেন না। চাঁদ দেখতে বলা হয়েছে তার অর্থ এই নয় যে, সবাইকে চাঁদ দেখতে হবে। পৃথিবীকে এখন বলা হচ্ছে গ্লোবাল ভিলেজ। ফলে কোনো প্রামাণ্য ব্যক্তি বা একাধিক ব্যক্তি চাঁদ দেখলে তার উপর একিন/ আস্থা রেখে অন্যরা সেটা ফলো করতে আপত্তি কোথায়? আল্লাহ আামদেরকে সহীহ বুঝ দান করুন।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

শনাক্তের হার ৬.০৫

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

কুমিল্লা-৭ আসনে উপ-নির্বাচন

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন ডা. প্রাণ গোপাল

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status