কোভিক কীটের আবিষ্কারক কোভিড আক্রান্ত, আছেন আইসিইউতে

ববি প্রতিনিধি

শিক্ষাঙ্গন (২ মাস আগে) জুলাই ২, ২০২১, শুক্রবার, ২:৫০ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট ড. রেহানা পারভীন। তিনি বায়োকেমিস্ট্রি ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত বছর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে কোভিক কীট (করোনা ভাইরাস কিলিং কীট) নামক ডিভাইস আবিষ্কার করেন। কীটটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

২৬শে জুন শনিবার রাতে তার শরীরে কোভিড উপসর্গ দেখা দেয়। এরপর তিনি চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউতে) আছেন।

ববি শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, বরিশালে হাসপাতালে থাকাকালীন ড. রেহানা পারভীনের করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
যতটুকু খবর পাচ্ছি তিনি বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। তার সুচিকিৎসার জন্য সবরকমের চেষ্টা আমরা করবো। পরিবারের সকলের সঙ্গে তিনিও যেন দ্রুত সুস্থতা লাভ করেন সেই কামনা করছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড.সুব্রত কুমার দাস জানান, একমাত্র শিশু সন্তানসহ রেহানা পারভীনের পরিবারের তিন সদস্যই করোনা আক্রান্ত। তবে তিনি বাদে বাকি দুজনের শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। নানা শারীরিক জটিলতার কারণে তাকে ভেন্টিলেশনে রেখে কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হচ্ছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

বুলবুল আকতার

২০২১-০৭-০৩ ০৭:২৪:৩২

আমাদের ছোট বোন।আমাদের স্যারের মেয়ে। খুব ব্রিলিয়ান্ট। সেই ছোট্ট মেয়েটা আজ দেশ সেরা, এক ডাকেই তাঁকে চিনে সবাই।আল্লাহ মাবুদ ই এলাহী।নিশ্চয় ই তার মাসুম বাচ্চার মাকে সুস্থ করে ফিরিয়ে দিবেন। সোনা আপুর জন্যে অনেক অনেক দোয়া।

Professor Dr.Mohamme

২০২১-০৭-০২ ১৯:২০:৩৯

করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে কেউ আক্রান্ত হয়েছেন তা আমাদের দেশে এই প্রথম । এর আগে গন স্বাস্থ্য করোনা ভাইরাস নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিল কিন্তু সরকার অনুমদন দেয়নি কারন, তাদের প্রয়োজনীয় বাইও সেফটি ল্যাব ছিলনা । কিন্ত আলোচ্য গবেশক কে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কত্রিপক্ষ অনুমোদন কি ভাবে দিলেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। এমতবস্থায়, তার পরিবারের সদস্যদের পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত । এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের ভয়ঙ্কর ভাইরাস নিয়ে গবেষণার পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কে অবশ্যই অবহিত করার দিক নির্দেশনা থাকা উচিৎ । অন্যথায় , আমরা বিনা কারনে খতিগ্রস্থ হতে পারি । আমি মনে করি একজন সহকারী অধ্যাপক এর পক্ষে এই ধরনের গবেষণা করা সম্ভব নয় যদি তার সঠিক প্রশিক্ষন না থাকে তাহলে, তিনি দুঃসাহস দেখিয়েছেন । অতএব, "safety first" আমি এই তারুন গবেষকের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি ।

Syed iqbal ali

২০২১-০৭-০২ ০২:৩৩:০১

Whether she was vaccinated or not we need to know. Sometimes half confused people like me. I am confused.

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

শুরুতে ছাড় মিলছে ইউনিফর্মে

১১ সেপ্টেম্বর ২০২১



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস

১২ই সেপ্টেম্বর খুলছে স্কুল-কলেজ

DMCA.com Protection Status