মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৮)

গোটা জাতি এক ভগ্নদশায় পতিত হতে চলেছে

স্টাফ রিপোর্টার

বই থেকে নেয়া ২৯ জুন ২০২১, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৪৮ অপরাহ্ন

তৃতীয় অধ্যায়
পশ্চাদোপসরণ: পলায়নের পথে
ক্ষমতা পুরোপুরিভাবে দখল করার লক্ষ্যে মাইনাস-টু থিওরি ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার ফলে সেনা সমর্থিত সরকার শেখ হাসিনার সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে নিজেদের নিরাপদে পলায়নের পথ নিশ্চিত করে।

শনিবার ১ নভেম্বর ২০০৮ দিন ৫৬৯
আমার রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছে। প্রায় ১৪ দিন পরে একজন ডাক্তার এসেছেন আমার রক্তচাপ পরীক্ষা করতে। দেশের পিজি হাসপাতালের একটি কেবিনে চিকিৎসা পাওয়া একজন রোগীর বেলায় এমন একটা পরিস্থিতি কি কেউ কল্পনাও করতে পারেন? সেবার মানের অবনতি ঘটেছে ঠিক এতোটাই। পানি সরবরাহ বন্ধ এবং গরম পানির কোনো ব্যবস্থাই নেই। অথচ সবকিছুর জন্য ব্যবস্থা রয়েছে। নেই শুধু এই উচ্চমানের হাসপাতাল যারা পরিচালনা করবেন তাদের দক্ষতা, ঐকান্তিকতা এবং অভিজ্ঞতা, আসলে এটা হলো ব্যবস্থাপনা, প্রতিশ্রুতি ও নেতৃত্বের এক ভয়াবহ সংকট।
শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের পুনঃপুন ঘোষণার পরেও নির্বাচনী তফসিল আগামীকাল ঘোষণা নাও করা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করতে পারেনি। নির্বাচনী সীমানা পুনঃনির্ধারণের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতা প্রদর্শন করতে পারেনি।
এসব অব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতিহীনতার প্রেক্ষাপটে কিছুতেই দাবি করা যাবে না যে, দেশ একটি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। আমি সবসময়ই বলেছি যে, সামরিক সমর্থিত একটি সরকার দেশে কখনোই একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তারা যা-ই করুক না কেন, এর পেছনে নিহিত থাকবে তাদের নিজস্ব স্বার্থ। এ অবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও তা মানসম্পন্ন এবং অবাধ বলে বিবেচিত হবে না।
মাইনাস-টু অভিযান বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে জেনারেলরা শেখ হাসিনার সঙ্গে সমঝোতায় এসে নির্বিঘ্নে পালাবার পথ বের করছে। এখন সামরিকদের পশ্চাদোপসরণের পালা।

রবিবার ২ নভেম্বর ২০০৮ দিন ৫৭০
আজ হাইকোর্ট ডিভিশন সীমানা নির্ধারণের বিরুদ্ধে আনীত রিট পিটিশন খারিজ করে দিয়েছে। কাজেই নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে আজ রাতে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে।
বেগম জিয়া প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করে এক কড়া বিবৃতি দিয়েছেন এবং সরকারকে নিরপেক্ষ নয় বলে অভিযুক্ত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি জরুরি অবস্থার পরিপূর্ণ প্রত্যাহার দাবি করেছেন ।
বিএনপি নির্বাচনের জন্য একেবারেই প্রস্তুত নয়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণভাবে তৈরি। সে অনুযায়ী ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেই এখন তা কাজে লাগানো হচ্ছে।
আমার নিজস্ব পরিস্থিতি খুবই অনিশ্চিত। একের পর এক আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে যাতে করে আমি বিএনপিকে সাহায্য করার ব্যাপারে কোনো ভূমিকা রাখতে না পারি।
এ সময়টাকে আমাদের ইতিহাসের সবচাইতে অন্ধকার সময় হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। এখন পুরোপুরিভাবে শুরু হয়েছে এক অবক্ষয়ের পালা যেখানে গোটা জাতি এক ভগ্নদশায় পতিত হতে চলেছে। বিচারকমণ্ডলী, আইনজীবী, শিক্ষক, সরকারি চাকরিজীবী ও সুশীল সমাজ- প্রায় সকলেই তাদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলেছেন।
গত ছয় মাসে হাসনা এক চমৎকার কাজ করেছে। সবরকমের দুর্ভোগ ও অসুবিধা সত্ত্বেও সে তার বই হোয়্যার উইম্যান রুল: সাউথ এশিয়া শেষ করে এনেছে। কম্পিউটারের মাধ্যমে বইটা ডা. হেলালের কাছে পাঠানোর পর আজই এসে পৌঁছেছে আমার হাতে। একনজর এতে আমি চোখ বুলিয়েছি। বইটিতে হাসনার মেধার যথাযথ পরিচয় পাওয়া যায়। এত তাড়াতাড়ি পাণ্ডুলিপি শেষ করলো কীভাবে? আমার মতো শ্লথ না হয়ে হাসনা লেখার ক্ষেত্রে অনেক বেশি দ্রুত। আমি হাতে লিখি এবং কিছু লিখতে গেলে প্রচুর সময় নেই। হাসনা তার ব্যতিক্রম।

সোমবার ৩ নভেম্বর ২০০৮ দিন ৫৭১
সর্বমহল থেকে বিএনপি’র ওপর রাজনৈতিক আঘাত ক্রমশ বাড়ছে যাতে করে দলটি আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে এবং নির্বাচনে অংশ নিলেও যাতে করে এর ভরাডুবি হয়। আওয়ামী লীগের সাথে মিলে এই ব্লু প্রিন্টই তৈরি করে রেখেছে মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দীন। আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যেই বলেছে যে, ক্ষমতায় গেলে তারা সরকারের অবৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করবে না। উপরন্তু হাসিনা বলেছেন যে, ক্ষমতায় গেলে তারা সরকারের সমস্ত অবৈধ কর্মকা-ের বৈধতা দেবে। অথচ বিএনপি’র অবস্থান এর সম্পূর্ণ বিপরীত। কাজেই এটা স্বাভাবিক যে, সরকার ও আওয়ামী অবস্থা লীগের মধ্যেকার সহযোগিতার ফলে বিএনপি নির্বাচনে পরাজিত হবে। তাছাড়া ভারতের পূর্ণ সহযোগিতা পাবে বলে আওয়ামী লীগ অন্যদিক দিয়েও রয়েছে সুবিধাজনক অবস্থানে।
সাময়িকভাবে উপজেলা পর্যায় থেকে আর্মি ক্যাম্প প্রত্যাহার করা হয়েছে ও রাজনৈতিক মিটিং-মিছিল অনুষ্ঠানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। তবে জরুরি আইনের স্বৈরাচারিতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় আমার নির্বাচনী এলাকা থেকে নেতা ও কর্মীদের আসা-যাওয়া বেড়ে গেছে এবং তারা জেল থেকেই নির্বাচন করার জন্য আমার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে।
নাইকো মামলায় আমার জামিনের ব্যাপারটি সহজতম একটি বিষয় হলেও বিচারপতি আনোয়ারুল হক সরকারি চাপে তা বাতিল করে দিয়েছেন। বেগম জিয়া মামলাটিতে মূল অভিযুক্ত থাকলেও তিনি যেখানে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, সেখানে আমাকে এখনো তা দেওয়া হয়নি। বিচারকদের নৈতিক অধঃপতনের আর শেষ নেই।

মঙ্গলবার ৪ নভেম্বর ২০০৮ দিন ৫৭২
মতিঝিল ফৌজদারি মামলা এবং কর ফাঁকির মামলায় পূর্বেকার নিষেধাজ্ঞা চেম্বার বিচারপতি আব্দুল মতিন সরকারের চাপে আবার বহাল রেখেছেন অথচ আমার সবসময়ই ধারণা ছিল যে, বিচারপতি মতিন একজন সাহসী ও সৎ বিচারপতি। এতে মনে হচ্ছে যে, আমি একজন মুক্ত নাগরিক হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবো না এবং কারাগারে থেকেই আমাকে নির্বাচনে অবতীর্ণ হতে হবে।
সরকারের সদিচ্ছার ওপরও এটা পুরোপুরিভাবে নির্ভরশীল, কারণ কারাগার থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গেলে হরেক রকমের আনুষ্ঠানিকতা পার হয়ে যেতে হয় এবং জেল কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান সহজেই তা রুখে দিতে বা বিলম্বিত করতে পারে। আমি এ নিয়ে কাজ শুরু করার আগেই মনোনয়নপত্রসহ অন্যান্য সব সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সত্যায়িত করে নিতে হবে।

বুধবার ৫ নভেম্বর ২০০৮ দিন ৫৭৩
সরকার ও আওয়ামী লীগের মধ্যেকার সমঝোতার ব্যাপারটি এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। নিজস্ব দলীয় সূত্র এবং প্রচার মাধ্যমের কাছে এখন তা খোলামেলা ও সর্বতোভাবে স্বীকৃত একটি বিষয়। একদিকে ভারতের সমর্থন ও অন্যদিকে এ ধরনের সমঝোতার অন্তরালে নির্বাচনের ফলাফল কী দাঁড়াবে তা নিয়ে অতি সহজেই ভবিষ্যদ্বাণী করে দেওয়া যায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অলৌকিক এক ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছে। প্রেসিডেন্ট জর্জ ডবিউ বুশের আট বছরের ভয়াবহতম দুঃশাসনের পর রিপাবলিকানরা যে শুধু জনসাধারণের কাছে প্রত্যাখ্যাতই হয়েছেন তা নয়, মার্কিন নাগরিকেরাতো প্রথমবারের মতো একজন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা বারাক ওবামাকে বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন। এতে এই প্রথমবারের মতো একজ নিরঙ্কুশভাবে শ্বেতাঙ্গ প্রভাবাধীন হোয়াইট হাউসে প্রবেশ শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র্রেই নয়, গোটা বিশ্বের একক শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মার্কিন গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এখানেই নিহিত। এভাবেই একটি সত্যিকারের গণতন্ত্র গর্বধারী হিসেবে এই বিজয় আমেরিকাকে করে তুলেছে মহিমান্বিত।
একজন মুসলিম বংশোদ্ভূত বারাক ওবামা ইতিমধ্যেই একজন সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। কেনিয়ার একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে তার উদ্ভব। কলাম্বিয়া ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি পড়াশোনা করেছেন। তার স্ত্রী মিশেলও পড়াশোনা করেছেন প্রিন্সটন ও হার্ভার্ডে। ওবামা প্রতিষ্ঠিত একজন লেখকও বটে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পরদিনও তিনি অন্যান্য বাবার মতোই তার দুই সন্তানকে স্কুলে ড্রাইভ করে নিয়ে গেছেন এবং সেখান থেকে ব্যায়াম করার জন্য গিয়েছেন এক বন্ধুর বাসায়। ধীরে ধীরে এখন তিনি তার ভবিষ্যৎ প্রশাসন গড়ে  তোলার কাজে মনোনিবেশ করবেন এবং তার সরকার কী ধরনের নীতিমালা অনুসরণ করবেন তা প্রণয়নে মনোযোগ দেবেন। ঐতিহ্য অনুযায়ী তিনি পদাভিষিক্ত হবেন ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে।

বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর ২০০৮ দিন ৫৭৪
শেখ হাসিনা দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ থেকে জামিন না পেলেও জেনারেলদের সাথে এক রাজনৈতিক সমঝোতার সুবাদে তিনি প্যারোলে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন। মেডিক্যাল চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে গেলেও তা ছিল একটি বাহানা মাত্র। চার মাস বাইশদিন পর তিনি দেশে ফিরেছেন। এতে বোঝা যায় সুপ্রিম কোর্ট এখন কতো দুর্বল ও শক্তিহীন হয়ে পড়েছে এবং এতে করে রাজনীতিবিদদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের অন্তঃসারশূন্যতাই শুধু প্রমাণ করে। দেশে ফিরে হাসিনা বিএনপি’র প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন যে, অন্য কোনো রাজনৈতিক দল অংশ নিক আর না নিক তফসিল অনুযায়ী ১৮ই ডিসেম্বরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। অথচ ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে ২০০৭ সালের জানুয়ারি অবধি তিনি ক্রমাগতভাবে বলে গেছেন যে, আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়া একপক্ষীয় যে কোনো নির্বাচন প্রতিহত করা হবে। সে সময়ে একই ইস্যুতে তিনি জেনারেলদের জরুরি আইন ঘোষণার যে কোনো চক্রান্ত চূড়ান্ত আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিহত করা হবে বলে সতর্কবাণী করেছিলেন।
আজ দু’বছর পর বেগম জিয়াকে একই দাবি উত্থাপন করতে দেখা যাচ্ছে। বিএনপি’র অংশগ্রহণ ছাড়া এককভাবে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের জন্য সমান্তরাল পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্বাচনী তফসিল বাতিল, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং নির্বাচন পরিচালনার জন্য নিরপেক্ষ একটি প্রশাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হলেও মনোনয়নপত্রের ফরম ও ভোটার তালিকা এখনো জেলা পর্যায়ে পৌঁছেনি। ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত শুরু করা সম্ভব হয়নি।

(চলবে..)

আপনার মতামত দিন

বই থেকে নেয়া অন্যান্য খবর

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৯২)

‘আমি ছিলাম এক দুরভিসন্ধিমূলক চক্রান্তের শিকার’

৪ জুলাই ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৯১)

‘প্রাণভরে মুক্তির বাতাস নেওয়ার অপেক্ষায় আছি’

৩ জুলাই ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৯)

‘আমাকে নিয়ে ওরা এত ভীত কেন?’

১ জুলাই ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৭)

‘আমার স্ত্রী হাসনা ১৮ মাস নিদারুণ অর্থকষ্টে ভুগেছে’

২৭ জুন ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৬)

‘আসল দেনদরবার হয় পর্দার অন্তরালে’

২৬ জুন ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৩)

‘রিমান্ডে ওবায়দুল কাদেরকে নির্দয়ভাবে প্রহার করে’

২৩ জুন ২০২১



বই থেকে নেয়া সর্বাধিক পঠিত



মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৬)

‘আসল দেনদরবার হয় পর্দার অন্তরালে’

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৬৫)

‘আমাকে কোনো খবরের কাগজ পড়তে দেওয়া হয়নি’

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮০)

‘এখন সবকিছু নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের ওপর’

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮১)

‘আমাকে জেলে আসতে হয়েছে অন্য লোকজনের দোষে’

DMCA.com Protection Status