একদিনে আরও ৮২ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) জুন ২০, ২০২১, রোববার, ৬:০৪ অপরাহ্ন

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩ হাজার ৫৪৮ জনে। নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪১ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ৮ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৮ জন। ২৪ ঘণ্টায়  ২ হাজার ৫০৯ জন এবং এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৮২ হাজার ৬৫৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে আরো জানানো হয়, ৫২৮টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায়  ২২ হাজার ২৬২টি নমুনা সংগ্রহ এবং ২২ হাজার ২৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৬-২০ ১৯:০৪:২৯

করনায় সরকার এবং অজ্ঞ জনগনের উদাসীনতার কারনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন ও ভবিষ্যত হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত। মনে হচ্ছে জাতিকে মেধাশূন্য করার চক্রান্ত চলছে। এর দায় সরকার এড়াতে পারবে না। কারন, করনা নিয়ন্ত্রনের সহজ উপায় সামনে স্পষ্ট থাকা সত্ত্বেও সরকার সেইদিকে যাচ্ছে না। সরকার বার বার লকডাউন দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখছে এবং অর্থনীতি ব্যাহত করছে। নিম্নোক্ত কিছু ব্যবস্থা নিলে আশা করি লকডাউন দেয়ার প্রয়োজন হবে না। (১) যাহারা মাস্ক পরবে না তাদের থেকে বড় অংকের অর্থ (যেমনঃ ২০০০, ৩০০০ বা ৫০০০ টাকা) আদায় করতে হবে এবং জেলের ব্যবস্থা করতে হবে। এমনকি যাহারা প্রশাসনকে ফাঁকি দেয়ার জন্য মাস্ক নাকের নীচে, থুঁতনির নীচে এবং পকেটে রাখবে তাদেরকেও একই সাস্তির আওতায় আনতে হবে । (২) ঘনবসতিপূর্ন বাংলাদেশের বাস্তবতায় "সারা বছর মাস্ক পরার অভ্যেস করি, ভাইরাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি"- এই স্লোগানকে ধারন করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। (৩) শুধু শহরের মুল রাস্তায়ই নয়, পাড়া-মহল্লা সহ সারা দেশের মানুষকে যেকোন মূল্যে মাস্ক পরার আওতায় আনতে হবে। সেইজন্য জনসচেতনতার জন্য নিয়মিত ব্যাপক মাইকিং করতে হবে। প্রয়োজনে প্রশাসনের পাশা-পাশি জনপ্রতিনিধিদের এই ব্যাপারে সম্পৃক্ত করতে হবে। (৪) স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে সরকারকে প্রতিশ্রুতি দিয়েও যেসকল দোকানে এবং গনপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হবে না সেইসকল দোকান ও পরিবহন বন্ধ করে দিতে হবে। এর জন্য নিয়মিত কঠোর নজরদারী চালু রাখতে হবে। (৫) যেসকল শপিংমল, মার্কেট, মেডিকেল ইত্যাদি খোলা থাকবে সেইসকল প্রতিষ্ঠানের ভিতর বা মুল গেইটে কিছুক্ষন পর পর মাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যপারে আগত মানুষজনের উদ্দেশ্যে ঘোষনা দিতে হবে। এমনকি যাহার মাস্ক নাকের নীচে, থুঁতনির নীচে এবং পকেটে রাখবে তাদেরকে মাইকে সতর্ক করে দিতে হবে। এই ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কঠোর নির্দেশনা থাকতে হবে। (৬) ৩টি বিষয় (যেমনঃ মাস্ক পরা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া) নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনে বদিউল আলম সাহেবের প্রতিষ্ঠান কর্তিক করনায় সফল পদ্দতিগুলি অনুসরন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে সরকারের অর্থ ব্যয় লোকসানের নয়, বরং লাভের। কারন, দীর্ঘ সময় ধরে করনাকে লালন করে সংক্রমনের সুযোগ করে দিলে মাঝে-মধ্যে লকডাউন দিতে হবে। এতে করে অর্থনীতির চাকা যেমন বন্ধ হয়ে যাবে তেমনি মানুষের জীবনও হুমকির মুখে পড়বে। (৭) সরকারের তরফ থেকে অজ্ঞ মানুষদের এই ঘোষণা দিতে হবে যে- "সবাই যদি ১২ মাসই মাস্ক পরে তবে সরকার লকডাউন দিবে না এবং দেয়ার প্রয়জন হবে না"।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৬-২০ ১৮:২৭:০৬

লকডাউন ঘোষণা মানেই জনগণ মনে করে মাস্ক পরতে হবে। তাই তারা মাস্ক পরা শুরু করে এবং করনা সংক্রমণ কমতে থাকে। আবার যখন করনা সংক্রমণ কমতে থাকে এবং মাস্ক পরার নজরদারিতে সরকার উদাসীনতা দেখায় তখন অজ্ঞ ও মুর্খ্য জনগণ মাস্ক পরা ছেড়ে দেয়। অতঃপর করনা আবার বৃদ্দি পেতে থাকে। এক্ষেত্রে করনা সংক্রমণ যতক্ষ না '০' লেভেল পর্যন্ত আসবে ততক্ষণ পর্যন্ত সকলকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে দিতে হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত বাদ দিয়ে জরূরী ভিত্তিতে পুলিশকে পূর্ন ক্ষমতা দিতে হবে অজ্ঞ ও মুর্খ্য জনগণকে সোজা করার জন্য। করনা নিয়ন্ত্রণে 'মাস্ক' একটি নিয়ামক শক্তি হিসাবে যে কাজ করছে তাহা বৈজ্ঞানিকগন্বও স্বীকার করছেন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৬-২০ ১৮:২৪:৩০

সরকার এবং অজ্ঞ ও মুর্খ্য জনগণের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে করনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের খেলা শুরু হয়ে গেছে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

শনাক্তের হার ৩০.০৪

করোনায় আরও ২২৮ জনের মৃত্যু

২৫ জুলাই ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status