সৌদি নারীদের একা বসবাসের যুগান্তকারী অনুমোদন

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ মাস আগে) জুন ১২, ২০২১, শনিবার, ১:১৪ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

নারীদের জন্য আরো একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরব। এখন থেকে অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়া একাই বসবাসের অনুমোদন দেয়া হয়েছে অবিবাহিত, বিচ্ছেদ প্রাপ্ত অথবা বিধবা নারীদের। এ জন্য তাদেরকে কারো অনুমতি নিতে হবে না। এ খবর দিয়েছে অনলাইন মিডলইস্ট মনিটর। সাধারণত, এসব নারীর ওপর অভিভাবকত্ব থাকে ঘনিষ্ঠ পুরুষ আত্মীয়ের। কিন্তু রক্ষণশীল সৌদি আরবের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ তাদের ‘ল অব প্রসিডিউর’-এর অনুচ্ছেদ ১৬৯-এর প্যারাগ্রাফ ‘খ’ বাতিল করেছে। সংশোধিত এই নিয়মের অধীনে এখন সৌদি আরবের কোনো ‘সিঙ্গেল’ নারী নিজের ইচ্ছামতো আলাদা কোনো বাসস্থান বেছে নিয়ে সেখানে অবস্থান করতে পারবেন। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, কোথায় বসবাস করবেন তা বেছে নেয়ার অধিকার আছে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর।
যদি ওই নারী কোনো অপরাধ করেন এবং এ বিষয়ে কোন তথ্যপ্রমাণ থাকে তাহলেই একজন নারীর অভিভাবক রিপোর্ট করতে পারবেন। অন্যদিকে যদি একজন নারীর জেল হয় তাহলে শাস্তি ভোগের পর তাকে তার অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে না। স্থানীয় পত্রিকা আইনজীবী নাইফ আল মানসিকে উদ্ধৃত করে বলেছে, যদি কোনো মেয়ে একা বসবাসের ইচ্ছা পোষণ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে পরিবার আর কোনো মামলা করতে পারবে না। গত বছর জুলাইয়ে সৌদি আরবের লেখিকা মরিয়ম আল ওতাইবী একা থাকার অধিকার অর্জনের লড়াইয়ে বিজয়ী হন। তার এমন ইচ্ছার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। তিনি তার পিতার অনুমতি ছাড়া একা ভ্রমণের অধিকার চেয়ে লড়াই করেছিলেন এর বিরুদ্ধে। তখন আদালত অপ্রত্যাশিত এক রায় দেয়। তাতে বলা হয়, ওতাইবা নিজের পছন্দমতো বসবাসের জায়গা বেছে নেয়ার অধিকার রাখেন।
সৌদি আরবের রাজধানী থেকে প্রায় ২৫০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে আল রাস এলাকায় পরিবারের কাছ থেকে তিন বছর আগে পালিয়েছিলেন আল ওতাইবি। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  তিনি পিতা ও ভাইদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন।
এ বছরের শুরুর দিকে অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়াই ১৮ বছর বয়সী ও তার চেয়ে বেশি বয়সী নারীদের পরিচয়পত্রে নাম পরিবর্তন করার অনুমতি দেয়া হয়। এ ছাড়া ২০১৯ সালে ভ্রমণের ওপর সৌদি নারীদের বিরুদ্ধে দেয়া বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে কর্তৃপক্ষ। এর অধীনে ২১ বছরের বেশি বয়সী নারীদেরকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন এবং মুক্তভাবে সফরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়। এর এক বছর আগে সৌদি আরবের নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়া হয়। এর ফলে কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Rabbi Badal

২০২১-০৬-১২ ০৫:৫৫:৪৪

যে ব্যক্তি নিজের নাম চৌধুরীর শুদ্ধ বানানটাও জানে না, সে তো আধুনিক যুগ ছেড়ে কয়েক হাজার বছর আগের বর্বরতাই পছন্দ করবে! ভাগ্যিস, বাংলাদেশটা সাংবিধানিক আইনে পরিচালিত হয়।

Khokon

২০২১-০৬-১২ ০৩:২৪:৪৯

Mr. Nasir has expressed his visions that a single woman in stay alone in saudia arabia it could be sign of domoosday ? He has belived that, but may be he does not belive that if somebody became a dictator, rule the country without peoples will, it is not a domoosday ? The dictator has been steal peoples money, peoples rights, peoples democracy, peoples liberty, is it not sign of domoosday ? But he need to think, domoosday is not somethings if somebody rules on something ? Domoosday is a day when Allah will wish ? Domoosday is a day when nature will not exist anymore but not on somebodies some works ?

আবুল এইচ ভুঁইয়া

২০২১-০৬-১২ ০১:৪০:১৭

সঠিক সিদ্ধান্ত, বর্তমান বিশ্বের সময় উপযোগী.

CHUWDHURI MD NASIR

২০২১-০৬-১২ ০১:১৫:২৬

খুশি হওয়ার কিছু নেই, কেয়ামতের আলামত ! স্বাধীনতা মানে যদি "যা খুশি তাই করার অধিকার" হয় তাহলে মানুষ আর কুকুর শেয়ালের মধ্যে পার্থক্য থাকে না। মানব জাতি যখনই রাস্ট্রীয়ভাবে স্রোস্টার বিধানের বিরুদ্ধে গেছে তখনই তার পরিনতিটাও তাদেরকে ভোগ করতে হয়েছে। বর্তমান বিশ্ববাসীও সেটা ভোগ করবেই করবে। সেটা সৌদি আরব হোক কিম্বা হোক বাংলাদেশ৷!!

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status