ফের বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষাঙ্গন (১ মাস আগে) জুন ১২, ২০২১, শনিবার, ১:১২ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৯:২০ অপরাহ্ন

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনের  চলমান ছুটি  আগামী ৩০শে জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা পরিস্থিতি আরো অবনতি হওয়ায় এবং দেশের কোন কোন অঞ্চলে আংশিকভাবে কঠোর লকডাউন কার্যকর থাকায়,  শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ি  ও কওমি মাদ্রাসাসমূহের     চলমান ছুটি আগামী ৩০ শে জুন ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে ১৩ই জুন ২০২১ তারিখে দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  খুলে দেয়ার কথা জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Nurun Nabi

২০২১-০৬-১২ ১৭:১৫:১৫

Is Education Minister getting her monthy SALARY ?

আবুল কাসেম

২০২১-০৬-১২ ০২:৪১:৫৮

হানিফ সংকেত একজন গুণী লোক। মোহনীয় উপস্থাপনার পরে তিনি মোহনীয় নাট্যকারও বটে। গতানুগতিক নাটকের বাইরে তাঁর পদচারণা শিক্ষা মূলক নাটকের জগতে। তাঁর অনেক নাটক দেখেছি। প্রত্যেকটা নাটক থেকে কোনো না কোনো কিছু শিক্ষা গ্রহণের বিষয় থাকে। তাঁর একটা নাটক আমি আগে একবার দেখেছি- আজ সকালে স্ত্রীর আগ্রহে আবারও দেখেছি। নাটকটির নাম 'ঘরের খবর পরের খবর'। এই নাটকের শিক্ষার দিকটা হলো, কোনো বিষয় আগে ভালো করে না জেনে মন্তব্য করা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ ঠিক নয়। তবে ২০২০ এর মার্চ মাসে আমরা কোনো কিছু ভালো ভাবে না জেনে না বুঝে মরণঘাতী করোনা ভাইরাস মহামারি নিয়ে অর্বাচীন মন্তব্য করতে দ্বিধা করিনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষা চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছি। প্রক্রিয়াটা মধ্যে একটা কৌশল আছে- বন্ধটা আগাচ্ছে ধাপে ধাপে। তাই চিরতরে বন্ধ কিনা বুঝা যাচ্ছেনা। টিকা নিশ্চিত করার পরে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হবে- কথাটায় মমতার গন্ধ আছে বটে- কিন্তু অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে 'নয় মন ঘিও ঝুটবেনা রাধাও নাচবেনা।' নাটকটির মধ্যে একটা শিক্ষা মূলক গান আছে। শিক্ষকের সঙ্গে গলা মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা গাইছেন। খুবই চমৎকার লাগছিলো। 'বিদ্যা বড়ো অমূল্য ধন- বিদ্যা ছাড়া মিথ্যা হবে এ জীবন। শোনো, বিদ্যা জাতির মেরুদণ্ড- বলে গেছেন গুণীজন- বিদ্যা ছাড়া মিথ্যা হবে এ জীবন।।' হানিফ সংকেত একজন গুণী লোক। তাই তাঁর কর্মও গুণী লোকের মতো। তবে এই করোনা বিপর্যয়ের মধ্যেও করিৎকর্মা গুণী লোকের অভাব নেই। আমাদের ছেলে মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে- এমন হৃদয়স্পর্শী কথামালা দিয়ে আর কতোকাল আমাদের আস্বস্ত রাখা হবে? এমন ম্যারাথন বন্ধের কবলে পড়তে হবে তা জানা ছিলোনা। বিদ্যা ছাড়া এ জীবন এখন মিথ্যা হতেই চলেছে। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। মস্তিস্ক কখনো থেমে থাকতে জানেনা। 'একবার চাবি মাইরা দিছে ছাইড়া জনম ভইরা চলতে আছে।' পাগলও কিছু না কিছু ভাবে আপন মনে- অপ্রকৃতিস্থ ভাবনা। আর কোমলমতি ছেলে মেয়েদের মস্তিষ্কতো একেবারে তরতাজা- উর্বর। তারা কিভাবে তাদের মস্তিষ্কের অলসতা মেনে নেবে? কাজেই তারা বুঁদ হয়ে পড়েছে মোবাইল ফোনে। ভালো মন্দ বুঝে উঠার জ্ঞান এখনো তাদের হয়নি। তাদের অবুঝ নিরপরাধ মনে রেখাপাত রেখে যাচ্ছে প্রযুক্তির উত্তেজক খারাপ দিকটা। বিপথগামী হচ্ছে। আবেগি মন কিশোর গ্যাংয়ের দিকে টেনে নিয়ে যায়। পরিনামে আমাদের কাছে তারা অবুঝ বয়সেই অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হচ্ছে। ৯-১২ বছরের শিশুদের হাতে তাদের বয়সী শিশুদের খুন হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। শিক্ষা বিচ্ছিন্ন শিক্ষার্থীরা ভয়ংকর মাদকের ছোবলে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর সকল দেশ করোনার তাণ্ডবে বিপর্যস্ত। কোনো দেশই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এভাবে একটানা বন্ধ করে দেয়নি। প্রথমে বন্ধ করেছে। সংক্রমণ কমে আসলে আবার খুলে দিয়েছে। সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবার বন্ধ করেছে। বই-বিদ্যা-বিদ্যালয় থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করেনি কোনো দেশ। ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজনেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে ছেলে মেয়েদের ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে বলছেন। কর্তৃপক্ষ কারো কথায় কর্ণপাত করছেননা। অভিভাবকরা করোনার আঘাত সামলাবেন নাকি ছেলে মেয়েদের বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করবেন তা ভেবে দিশেহারা। বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের অর্ধেক একদিন, আরেক অর্ধেক পরের দিন ক্লাসে আসলে দূরত্ব বজায় রেখে বসতে পারে এবং হোমওয়ার্ক দিয়ে ক্লাসের বাকি পড়া আদায় করা যায়। আসল কথা সদিচ্ছা থাকা চাই। কথায় বলে, 'ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।'

Md. Hasan Mamun

২০২১-০৬-১২ ১৫:১৬:৩৪

Let the Education Minister to resign. Unnecessary Nations pay for this Minister & the Ministerial staffs. And declared to shut down All School, College & University for next 10 Years.

MD. BILLAL HOSSAIN

২০২১-০৬-১২ ১৫:০৭:২৩

open all.

Kazi

২০২১-০৬-১২ ০১:১১:৫০

শহরে ইন্টারনেট সুবিধা আছে। তদ্রূপ করোনা ও বেশি। তাই শহরে অনলাইনে শিক্ষা চালু সম্ভব। গ্রামে ইন্টারনেট সুবিধা নাই সবার। তেমনি করোনা ও নাই। তাই গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে সরাসরি ক্লাস চালু করা যায়। পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিদ্ধান্ত নিন। স্কুল খুলে দিন । আর কত ? বেকার ঘরে বসে থেকে বাচ্চারা মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাবে। মানসিক রোগী হয়ে যাবে।

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

পরীক্ষা নিতে না পারলে অ্যাসাইনমেন্ট ও সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে মূল্যায়ন

পরিস্থিতির উন্নতি হলে নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা

১৫ জুলাই ২০২১



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



পরীক্ষা নিতে না পারলে অ্যাসাইনমেন্ট ও সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে মূল্যায়ন

পরিস্থিতির উন্নতি হলে নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা

DMCA.com Protection Status