যে ১১ স্টেডিয়ামে বাজবে ইউরোর বাঁশি

স্পোর্টস ডেস্ক

খেলা ১১ জুন ২০২১, শুক্রবার

ইউরোপের ১১টি দেশের এগারোটি ভিন্ন স্টেডিয়ামে ইউরোর বাঁশি। হতে পারতো সংখ্যাটা ১২। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন করোনা উদ্বেগে শেষ মুহূর্তে আয়োজন থেকে সরে এসেছে। একনজরে ১১ স্টেডিয়াম”।
ইয়োহান ক্রুইফ অ্যারেনা (নেদারল্যান্ডস)
আসন: ৫৫,৯০০। ডাচরা তাদের গ্রুপ ‘সি’র ৩টি ম্যাচ খেলবে ঘরের মাঠে। এছাড়া শেষ ষোলোর একটি ম্যাচ আয়োজিত হবে কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফের নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে।
বাকু অলিম্পিক স্টেডিয়াম (আজারবাইজান)
আসন: ৬৯,৮৭০। বাকু অলিম্পিক স্টেডিয়ামের পথ চলা শুরু ২০১৫ সালে। ‘এ’ গ্রুপের ৩টি ম্যাচ হবে এই স্টেডিয়ামে।
এছাড়া ৩রা জুলাই টুর্নামেন্টের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আজারবাইজানের রাজধানীতে।
বুখারেস্ট ন্যাশনাল অ্যারেনা, (রোমানিয়া)
আসন: ৫৫,৬৩৪। বুখারেস্ট ন্যাশনাল অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ গ্রুপের ৩টি ম্যাচ। এছাড়া শেষ ষোলোর একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রোমানিয়ার রাজধানী শহরের এই স্টেডিয়ামে।
পুসকাস অ্যারেনা (হাঙ্গেরি)
আসন: ৬৭,২১৫। ‘এফ’ গ্রুপের ৩টি ম্যাচ বুদাপেস্টের এই স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে। হোম টিম হিসেবে হাঙ্গেরি যেমন গ্রুপ পর্বের ২টি ম্যাচ এখানে খেলবে, তেমনই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালও পুসকাস অ্যারেনায় ২টি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে। এছাড়া শেষ ষোলোর একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই মাঠে।
পার্কেন স্টেডিয়াম (ডেনমার্ক)
আসন: ৩৮,০৬৫। ‘বি’ গ্রপে ডেনমার্ক তাদের গ্রুপ পর্বের ৩টি ম্যাচই খেলবে ঘরের মাঠ কোপেনহেগেনের পার্কেন স্টেডিয়ামে। এছাড়া এই স্টেডিয়ামে ২৮শে জুন অনুষ্ঠিত হবে শেষ ষোলোর একটি ম্যাচ।
হ্যাম্পডেন পার্ক (স্কটল্যান্ড)
আসন: ৫১,৮৮৬। ‘ডি’ গ্রুপের ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে গ্লাসগোর এই স্টেডিয়ামে। হোম টিম হিসেবে স্কটল্যান্ড এরমধ্যে ২টি ম্যাচ খেলার সুবিধা পাবে। ২৯শে জুন শেষ ষোলোর একটি ম্যাচও অনুষ্ঠিত হবে হ্যাম্পডেন পার্কে।
ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম (ইংল্যান্ড)
আসন: ৯০,০০০। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ আয়োজন করবে লন্ডনের অভিজাত এই স্টেডিয়াম। ‘ডি’ গ্রপের ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এখানে, যার মধ্যে ইংল্যান্ড তাদের ৩টি হোম ম্যাচই ওয়েম্বলিতে খেলার সুবিধা পাচ্ছে। এছাড়া শেষ ষোলোর ২টি ম্যাচ, জোড়া সেমিফাইনাল এবং ১১ই জুলাই ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে লন্ডনের এই স্টেডিয়ামে। সবমিলিয়ে টুর্নামেন্টের মোট ৮টি ম্যাচ আয়োজিত হবে ওয়েম্বলিতে।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনা (জার্মানি)
আসন: ৭০,০০০। ‘এফ’ গ্রুপে জার্মানির ৩টি ম্যাচ আয়োজিত হবে বায়ার্ন মিউনিখের ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়। পাশাপাশি ২রা জুলাই দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালেরও আয়োজক মিউনিখের এই স্টেডিয়াম।
স্তাদিও অলিম্পিকো (ইতালি)
আসন: ৭২,৬৯৮। ‘এ’ গ্রুপে ইতালি তাদের ৩টি ম্যাচ খেলবে এই স্টেডিয়ামে। এছাড়া ৩রা জুলাই চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনাল আয়োজন করবে রোমের স্তাদিও অলিম্পিকো।
ক্রেস্তোস্কি স্টেডিয়াম (রাশিয়া)
আসন: ৬৭,৮০০। রাশিয়ায় ২০১৮ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের আয়োজক ছিল সেন্ট পিটার্সবার্গের এই স্টেডিয়াম। ইউরোর ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ক্রেস্তোস্কি স্টেডিয়ামে। এর মধ্যে গ্রুপ ‘বি’র ৩টি এবং ‘ই’ গ্রুপের ৩টি। গ্রুপ ‘বি’তে থাকা রাশিয়া ঘরের মাঠে খেলবে ২ ম্যাচ। এছাড়া ২রা জুলাই শেষ আটের প্রথম ম্যাচটিও এখানে হবে।
এস্তাদিও দে লা কার্তুজা (স্পেন)
আসন: ৬০,০০০। বিলবাওয়ের সান মামেস স্টেডিয়ামের পরিবর্তে শেষ মুহূর্তে অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে এই স্টেডিয়ামের। তিনবারের ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো এই মাঠেই খেলবে। গ্রুপ ‘ই-র তিনটি ম্যাচের আয়োজক স্পেনের এই স্টেডিয়াম। এছাড়া রাউন্ড অফ সিক্সটিনের একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সেভিয়ার এস্তাদিও দে লা কার্তুজায়।

আপনার মতামত দিন

খেলা অন্যান্য খবর

জিম্বাবুয়েতে কোয়ারেন্টিন করতে হবে না তামিমদের

২৪ জুন ২০২১

সূচি চূড়ান্ত হয়েছে দু’দিন আগে। কাল জানা গেল জিম্বাবুয়ে সিরিজে নির্দিষ্ট কোনো কোয়ারেন্টিন প্রক্রিয়া নেই ...



খেলা সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status