ইসরাইলের জেরুজালেম পদযাত্রায় অনুমোদন

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ সপ্তাহ আগে) জুন ৯, ২০২১, বুধবার, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০৪ অপরাহ্ন

জেরুজালেমে উগ্র জাতীয়তাবাদীদের পদযাত্রায় অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইলে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার। আরো সহিংসতার আশঙ্কায় আয়োজকরা এর আগে এই পদযাত্রা বাতিল করেছিলেন। জেরুজালেমে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এই পদযাত্রা হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু যে পথ দিয়ে এই পদযাত্রা যাওয়ার কথা, তাতে অনুমোদন দেয়নি পুলিশ কর্তৃপক্ষ । ফলে ওই পদযাত্রা এখন আগামী মঙ্গলবার নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে গাজায় যোদ্ধা গোষ্ঠী হামাস। তারা বলেছে, যদি এই পদযাত্রা হয় তাহলে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পাবে।

পদযাত্রার বিষয়ে মঙ্গলবার বৈঠকে বসে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মন্ত্রীপরিষদ।
সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় আগামী মঙ্গলবার হতে পারবে ওই পদযাত্রা। ওদিকে ইয়ামুনা পার্টির নেতা নাফতালি বেনেট এবং ইয়েশ আদিত পার্টির ইয়াইর লাপিড মিলে নতুন সরকার গঠনের পথে। এরই মধ্যে তারা বাম, ডান, মধ্যপন্থি এবং ধর্মীয় দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নতুন সরকার গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের এই ঘোষণার পর আগামী রোববার ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেট-এ ভোটাভুটি হবে। যদি সেখানে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পান তাহলে চূড়ান্তভাবে বিদায় নিতে হবে ১২ বছর ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে। উল্লেখ্য, জাতীয়তাবাদী হিসেবে পরিচিত নাফতালি বেনেট এবং মধ্যপন্থি ইয়াইর লাপিডের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে, তারা নেতানিয়াহু সরকারের সিদ্ধান্তকে উল্টে দিতে পারেন। কারণ, তাদের হাতে দু’দিন সময় থাকবে। এরপরে মঙ্গলবার ওই পদযাত্রা হওয়ার কথা।

সাধারণত প্রতিবছর ১০ই মে জেরুজালেম দিবস পালন করা হয়। ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। এখানেই অবস্থিত ওল্ড সিটি এবং পবিত্র স্থানগুলি। এ উপলক্ষে শত শত পতাকা নিয়ে ইসরাইলি যুবকরা মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার ভিতর দিয়ে পদযাত্রা করে। এ সময় তারা দামেস্ক গেট অতিক্রম করে। তাদের মুখে দেশপ্রেমের স্লোগান আর দেশাত্ববোধক গান থাকে। তবে ফিলিস্তিনিরা এটা ইচ্ছাকৃত উস্কানি হিসাবে বিবেচনা করেন। এ বছরের পতাকা মিছিলটিও মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাসে হওয়ার কথা ছিল, যখন ইসরাইল এবং গাজার মধ্যে চরম সংঘাত চলছিল।

এরই মধ্যে গত মাসে ফিলিস্তিনের গাজা ও ইসরাইলের মধ্যে ১১ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। এ সময়ে নৃশংস উপায়ে গাজায় বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে বৃষ্টির মতো বোমা হামলা করে ইসরাইল। তারা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয় বেসামরিক মানুষজনের ঘরবাড়ি, স্কুল, আশ্রয়শিবির, বহুতল বিশিষ্ট মিডিয়া হাউজ। রক্তে ভেসে যায় গাজা। এতে কমপক্ষে ২৪২ জন মানুষ নিহত হন সেখানে। পক্ষান্তরে ইসরাইলে নিহত হয়েছে মাত্র ১৩ জন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

MD. BILLAL HOSSAIN

২০২১-০৬-০৯ ১৫:২৩:৫২

We want destroy Israil.

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status