অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, বাগেরহাটের ডিসি বদলি

সিরাজুস সালেকিন

প্রথম পাতা ১৮ মে ২০২১, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:২৭ অপরাহ্ন

নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ পিছু ছাড়ছে না মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের। জামালপুরের ডিসির আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের পর তাকে লঘুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল। ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাঠ প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। এবার এক নারী ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে বাগেরহাটের ডিসি আ. ন. ম. ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেছেন ওই নারীর স্বামী। এ অভিযোগ ওঠার এক মাসের মাথায় আ. ন. ম. ফয়জুল হককে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। আর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপ-সচিব মুহাম্মদ আজিজুর রহমানকে বাগেরহাটের নতুন ডিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। গত রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ই এপ্রিল প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত এক ব্যক্তি তার সংসার ভেঙে যাচ্ছে মর্মে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর প্রতিকার প্রার্থনা করেন।
ওই ব্যক্তি তার লিখিত অভিযোগে বর্ণনা করেন, ২০২০ সালের ৫ই আগস্ট তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফয়জুল হকের সঙ্গে তার স্ত্রীর ফেসবুকে পরিচয় হয়। এরপর থেকে ফয়জুল হক অফিস চলাকালীন ওই নারী ব্যাংক কর্মকর্তাকে কবিতা গান শুনিয়ে ক্রমাগত উত্ত্যক্ত করতেন। ফেসবুকসহ অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের চ্যাটিং চলতো। এ সময় ফয়জুল হক তাকে বিভিন্ন আপত্তিকর কথা বলেন এবং কুপ্রস্তাব দেন। তাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার এই পর্যায়ে ফয়জুল হক নটরডেম কলেজের পাশে রিও কফি শপে নানা অজুহাতে ওই নারীকে কফি খাওয়ার জন্য ঘন ঘন নিমন্ত্রণ করেন। সে বছর আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অফিস চলাকালে কফি পানের নামে তারা ঘনিষ্ঠভাবে আড্ডা দিতে থাকেন। পরবর্তীতে নিজের স্বামীকে ঘটনাগুলো অবহিত করেন ওই নারী।
১৩ই অক্টোবর বিকালে ফয়জুল হক ওই নারীকে পুনরায় কফিশপে ডাকেন। ওই নারী সেখানে পৌঁছলে ফয়জুল হক তাকে অসুস্থতার কথা বলে কমলাপুর রেল স্টেশনের পাশে রেলওয়ে রেস্ট হাউজে নিয়ে যান। পথিমধ্যে ওই নারীকে বলেন ‘আমি ওখানে শুয়ে রেস্ট নিবো আর তুমি বসে আমার সঙ্গে গল্প করবে’। ওখানে পৌঁছানোর আগেই ওই রেস্ট হাউজের কর্মচারীকে দিয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী কিনে আনেন ফয়জুল হক। রেস্ট হাউজের দোতলার একটি রুমে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ফয়জুল হক ওই নারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ওই নারী শারীরিক সমস্যার কথা বলেও যৌন নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই  পাননি। বিধ্বস্ত অবস্থায় অফিস হয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। ফয়জুল হক পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে ওই নারীর কাছে ক্ষমা চান। এরপর নিজের জন্মদিনের কথা বলে ১৮ই অক্টোবর পুনরায় ওই রেস্টহাউজে তাকে ডেকে নেন। রেস্টহাউজের পৌঁছা মাত্রই ফয়জুল হক রুমের দরজা বন্ধ করে দেন। ওই ব্যাংক কর্মকর্তা অনেক কান্নাকাটি ও প্রতিরোধ করা সত্ত্বেও তার ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। বিষয়টি নৈতিকভাবে তাকে আহত করায় স্বামীকে জানানোর হুমকি দেন তিনি। এ সময় ফয়জুল হক কাকুতি মিনতি করে বিষয়টি গোপন রাখার এবং বন্ধুত্ব চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে। ২৩শে অক্টোবর ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি তার স্বামীকে অবহিত করেন। অভিযোগে আরো বলা হয়, অপকর্ম ফাঁস হওয়ার ভয়ে ফয়জুল হক কৌশল পরিবর্তন করেন। তিনি ওই নারীকে তার স্বামীর কাছ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য নানাভাবে প্রলুব্ধ করে যাচ্ছেন। ব্যাংক কর্মকর্তা ওই নারী খুলনায় বদলি হওয়ার পর ফয়জুল হকও বাগেরহাটে জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান।  ইতিমধ্যে ওই নারী তার স্বামীর প্রতি বিদ্বেষপরায়ণ ও শত্রুভাবাপন্ন হয়ে পড়েন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। প্রশাসনের প্রভাব খাটিয়ে তার স্বামীকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকেন জেলা প্রশাসক ফয়জুল হক। অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মানবজমিনকে বলেন, তার স্ত্রী ও ফয়জুল হকের যোগাযোগের বাস্তব ও অকাট্য প্রমাণ তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দাখিল করেছেন। তার সংসারে ৯ বছর ও ৩ বছরের দুটি সন্তান আছে। স্ত্রীর এমন কর্মকাণ্ডে সন্তান নিয়ে মহাসংকটে পড়েছেন তিনি। পাশাপাশি নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত বলে জানান তিনি। আ. ন. ম. ফয়জুল হকের বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই নারীকে তার স্বামী ডিভোর্স দিয়েছিল। তাদের পারিবারিক সমস্যায় মধ্যস্থতা করতে গিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। ডিভোর্স দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ওই নারীর স্বামী বলেন, তিনি আদালতের মাধ্যমে ডিভোর্স স্থগিতের আবেদন করেছেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ডিভোর্সের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, আ. ন. ম. ফয়জুল হকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগটির বিষয়ে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Dr.Md Abdur Rahman

২০২১-০৫-২২ ০৩:৫৫:৩২

The Husband should be in Remand. Bustard why you are running after a morally corrupt and Fuc..d( not raped) lady ??????

shamsuirrahman

২০২১-০৫-২১ ১৭:৩২:১৬

একজন ডিসিকে পোষ্ঠিং দিতে সরকার কত কি দেখে তার আবার নামদেয় ডিসিদের ফিট লিষ্ট তৈরী। এখন মনে হয় এই ফিটনেসটাও দেখা হয়। তা না হলে ডিসিদের এই ফিটের খবর বার মাসে তের পার্বনের মত খবর আসে। বিচার হয় বদলী অর্থাৎ তার ফিটনেস থেকেই গেল। এটাই আমাদের দেশের ব্যবস্থা।

অনিচ্ছুক

২০২১-০৫-২০ ২৩:২৪:০৯

অভিযোগকারী স্বামীটি আমার পরিচিত। বাগেরহাট বাড়ি। একজন সাইকো টাইপের চরিত্র। মানসিক সমস্যার কারণে আগে এক কোম্পানি থেকে চাকরি হারিয়েছে। পরহেজগার স্ত্রীকে অযথা সন্দেহ করায় স্ত্রীই তাকে তালাকের নোটিশ দিয়েছেন। এরপর থেকে স্ত্রীকে নানাভাবে হয়রানি করে চলেছেন। এই রিপোর্ট তারই একটা অংশ।

Nh

২০২১-০৫-২০ ১০:৩৪:৫৫

স্বামী তালাক দিবে আবার তালাকের বিপরীতে আদালতে স্থগিতের আবেদন করবে, আর বউ চুপচাপ তার পিছনে ঘুরবে, আজব কথা

খন্দকার আসাদুজ্জামান

২০২১-০৫-২০ ০০:৫৭:০০

বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত ঐ মহিলা যদি সৎ হতেন তাহলে ওই ডিসির আমন্ত্রণে পুনরায় সেই রেস্টুরেন্টে কেন যাবেন? আসলে যেটা ঘটেছে সেটা হয়তো উভয়ের সম্মতিতেই হয়েছে ।

মোঃ সোহরাব হোসেন

২০২১-০৫-১৯ ২৩:৩৩:৫২

আমি বুঝিনা একজন লম্পটকে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় বদলি করে লাভ কী? আমার তো মনে হয় তাতে ঐ লম্পুটারই লাভ। ঘুরে ঘুরে সকল জেলার ফলফলাদি খেতে পারে।

SM.Rafiqul Islam

২০২১-০৫-১৮ ১৬:১৩:১৯

আমলা নির্ভর দেশে সর্ব শ্রেনির আমলারা যে সব দিক থেকে বেপরোয়া তা খুবই পরিষ্কার। এখান থেকে জাতিকে বের করে আনা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছাড়া সম্ভব নয়। আমরা কি তা আশা করতে পারি?

A. K. M. Khyrul Isla

২০২১-০৫-১৮ ২১:৫৬:৪৮

কোন বিষয়ে ভালভাবে না প্রমানিত না হাওয়ার আগে একজন dc লেভেলের মানুষকে দসারুপ করা যাবে না,

Md A Basit

২০২১-০৫-১৮ ১৮:০৬:০১

I know him. he was the best person in my life. maybe something happened wrong?

পাগল

২০২১-০৫-১৮ ১৩:২২:০৬

দুজনের সম্মতি ছাড়া কি মিলন হয়েছে?

Shahidul Islam

২০২১-০৫-১৭ ২১:৫৭:৪৩

আমলা বলে বিচার হয়নি। জামালপুরের সাবেক ডিসি যে জঘন্যতম অনৈতিক কাজটি করেছেন তা গোটা দুনিয়ার মানুষ জানার পরও তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দৃষ্টান্তমূলক সাজা না দিয়ে পুরস্কার হিসাবে তিরস্কার দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। কারণ এর বিচার তো তার সিনিয়র হামলারাই করেছেন। যদি বড় রকমের সাজা হত তাহলে বাগেরহাটের ডিসি এরকম অনৈতিক কাজ করার সাহস পেত না। আমলাদের ক্ষেত্রে আচরণবিধির প্রয়োগ আছে বলে মনে হয় না।

Md. Harun al-Rashid

২০২১-০৫-১৮ ১০:৫৪:০৬

দয়া করে এই সমস্ত নৈতিকভাবে দেউলিয়াদের প্রতি সদয় হবেন না। এরা সর্বদাই সুযোগের অপেক্ষায় ওৎ পেতে থাকা জ্ঞাত শত্রু। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন নইলে আরো বড় কোন অপকর্ম করে ফেলবে।

কাজি

২০২১-০৫-১৭ ২০:৪১:৩০

বদলি কোন সাজা নয়, বা সংশোধন প্রক্রিয়া নয়।এত সম্মানজনক পদে বসে যদি আত্মসম্মান না জাগে তা হলে আদর্শ ব্যক্তির মর্যাদা পাবে কি করে ? বিবাহিতা মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক করার দরকার আছে ? বাংলাদেশে অবিবাহিত মহিলা নাই? উনি কি বিবাহিত ? Conduct of ethics বলে বাংলাদেশে আইন নাই ? যে আইনে পদাবনতি করে শান্তি দেওয়া যায় ?

monju

২০২১-০৫-১৮ ০৯:২৪:০২

এগুলো ডিসি !! একজন ডিসি যদি এইসব করে বেড়ায়, তাহলে বাকিদের কি অবস্থা ? এই দেশের সম্মানিত মানুষদের কি কোনো আত্মসম্মান, আত্মমর্যাদা নেই? পরিবার নেই? ছেলে-মেয়ে নেই? মা-বোন নেই? একমাত্র কঠোর আইন ও শাস্তিই পারে এইসব কেলেঙ্কারী থেকে দেশ মুক্ত হতে।

আনিস উল হক

২০২১-০৫-১৭ ১৯:১৪:৪৩

কোনও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারীর শালীনতাহানী বিষয়ে কোন অভিযোগ এলে প্রথমে তাকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কার্য চালানো উচিৎ। যেমন এই ডিসি সাহেব হলেন একজন উপসচিব।তাকে চাকুরিতে বহাল রেখে তার বিরুদ্ধে তদন্ত বা অনুসন্ধান যাই করা হোক না কেন তা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ জাতীয় অভিযোগগুলো যেন আপোষ না হয়ে যায় সে বিষয়ে ও লক্ষ্য রাখা উচিৎ।অর্থের বিনিময়ে এ ধরনের কর্মকর্তারা পার পেয়ে গেলে তাদের অপরাধমূলক অনৈতিক কার্যকলাপ রাষ্ট্র কর্তৃক সুরক্ষা পাওয়ারই নামান্তর মাত্র হয়ে পড়ে।

দেশপ্রেমিক

২০২১-০৫-১৭ ১৩:৫৪:৩৪

নিজেদের শরীর বিক্রি করেন পরে ব্লাকমেইল করতে না পেরে একি কাহিনী বলে ধর্ষণের মামলা, আচ্চা মানলাম প্রথম বার হয়তো বিশ্বাস করে হোটেলে গিয়ে ধর্ষিত হয়েছে আর ঘটনার পর যদি এই মহিলা ভালো হতেন তাহলে ভুলেও এই লোকের সাথে দেখা করতেননা, আমার দৃষ্টিতে সম্পর্ক করে যারা দেহ বিলিয়ে দেয় তাদের ধর্ষণ বলেনা আর যদিওবা শাস্তি পেতে হয় তাহলে উভয়কে শাস্তি পেতে হবে,

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

অনুমোদন পেলো জনসনের টিকা

১৬ জুন ২০২১

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বেলজিয়ামে উৎপাদিত জনসনের টিকা দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। ...

রহস্যঘেরা অমির কর্মকাণ্ড

নাসিরকে নিয়ে বিব্রত স্বজনরা

১৬ জুন ২০২১

৫৩ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত

১৬ জুন ২০২১

দেশে সীমান্তবর্তী জেলায় করোনার সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে। এসব জেলায় মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি। দেশে একদিনে ...

পরীমনির মামলায় নাসিরসহ গ্রেপ্তার ৫, বিচার দাবি সংসদে

কী ঘটেছিল বোট ক্লাবে

১৫ জুন ২০২১

বাসায় যেমন আছেন

১৫ জুন ২০২১

মৃত্যু বেড়ে ৫৪

ফের শনাক্ত ৩০০০ ছাড়িয়েছে

১৫ জুন ২০২১

দেশে মৃত্যু ও শনাক্ত দুটোই বেড়েছে। শনাক্ত আবার ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। একদিনে শনাক্তের হার প্রায় ...

সংক্রমণ বাড়ছে, হাসপাতালে খালি নেই শয্যা

সীমান্তে অবাধে পারাপার

১৪ জুন ২০২১



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত



রহস্যঘেরা অমির কর্মকাণ্ড

নাসিরকে নিয়ে বিব্রত স্বজনরা

পরীমনির মামলায় নাসিরসহ গ্রেপ্তার ৫, বিচার দাবি সংসদে

কী ঘটেছিল বোট ক্লাবে

সর্বাত্মক লকডাউন, ট্রেন চলাচল বন্ধ

রাজশাহীতে ঘরে ঘরে সর্দি, জ্বর

সিলেট-৩ উপনির্বাচন

হাবিবের চমক

যুক্তরাষ্ট্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্লিনকেন ব্যস্ত, দেখা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ

ছড়াচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ৪২ জেলায় টিকাদান বন্ধ

ভ্যাকসিনে অচলাবস্থা কাটবে কবে?

সংক্রমণ বাড়ছে, হাসপাতালে খালি নেই শয্যা

সীমান্তে অবাধে পারাপার

DMCA.com Protection Status