মিতু হত্যা

রিমান্ড শেষে আদালতে বাবুল আক্তার

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন (১ মাস আগে) মে ১৭, ২০২১, সোমবার, ৩:০২ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪৫ অপরাহ্ন

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে বাদী থেকে আসামি হওয়া সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে। আজ সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার জাহানের আদালতে তাঁকে হাজির করে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মিতু হত্যার অভিযোগে করা মামলায় বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১২ মে রিমান্ডে নিয়েছে পিবিআই। পিবিআইয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রথম তিন দিনের জিজ্ঞাসাবাদে একরকম নিরুত্তরই ছিলেন বাবুল আক্তার। পরে কিছু কথা বলেছেন। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিচলিত বোধ করছেন তিনি। কথা বলার সময় দু-একবার কেঁদেছেনও।

অবশ্য স্ত্রী মিতু হত্যার কারণ-সম্পর্কিত সব প্রশ্নই এড়িয়ে গেছেন সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তিনি শুধু এটুকু বলছেন, ‘সবই তো জানেন, আমি কী বলব।’

পাঁচ বছর আগে স্ত্রী মাহমুদা খানমকে হত্যার অভিযোগে শ্বশুরের করা মামলায় ১২ই মে গ্রেপ্তার দেখানো হয় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে। এর দুই দিন আগে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে তাঁকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে যায় পিবিআই।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামে খুন হন মাহমুদা খানম।
সেদিন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে উঠিয়ে দিতে বাসা থেকে বের হওয়ার পর চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ের কাছে তাঁকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। তখন তাঁর স্বামী বাবুল আক্তার ছিলেন ঢাকায়। খুনের ঘটনার কয়েক দিন আগে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে বাবুল আক্তার চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার ছিলেন। খুনের ঘটনার পর অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেছিলেন তিনি। এজাহারে উল্লেখ করেছিলেন জঙ্গিরা তাঁর স্ত্রীকে খুন করতে পারেন। কিন্তু কিছুদিন পর পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

জামশেদ পাটোয়ারী

২০২১-০৫-১৭ ১৯:৫৮:৪৩

এই রিমান্ড এবং আসামী হলো পুলিশী ভার্সন। পুলিশ মানুষদের রাজা, তাই তাদের রিমান্ড এবং আসামীর ধরন ভিন্ন। সাধারণ মানুষের মত নয়।

Mohammad Nayyer Afro

২০২১-০৫-১৭ ০৪:৪৩:০৩

একজন খুনের আসামি, কিন্তু তার হাতে হাতকড়া নেই, অথচ আলেম ওলামাদেরকে হাত কড়া পরিয়ে আদালতে নিতে দেখলাম। আল্লার কাছে সবকিছুরই জবাব দিতে হবে।

mamun

২০২১-০৫-১৭ ১৫:১৯:০৮

দ্বিতীয় বিবাহ ও তালাক কঠিন হওয়ায় নারী ও পুরুষ উভয়েই নির্যাতিত হচ্ছে। এর দ্রুত সমাধান হওয়া উচিত।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আহ্ছানিয়া মিশনের অনলাইন আলোচনা বক্তারা

মাদকের আগ্রাসন কমাতে সর্বক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট জরুরি

২৪ জুন ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



কদমতলীতে পিতা-মাতা ও বোনকে হত্যা

মেহজাবিন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

DMCA.com Protection Status