'টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে আমরা চিন্তিত'

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) মে ১৭, ২০২১, সোমবার, ২:২৩ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫৩ অপরাহ্ন

চীন থেকে আসা সিনোফার্মের টিকার প্রথম ডোজ আগামী ২৫শে মে থেকে দেয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চীনের উপহারের যে ৫ লাখ ভ্যাকসিন এসেছে সেটির প্রথম ডোজ আগামী ২৫শে মে থেকে দেয়া শুরু হবে। এ ছাড়া আমরা রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলেছি ভ্যাকসিনের জন্য। ফাইনাল কিছু হলে জানতে পারবেন। দ্বিতীয় ডোজের জন্য ভারত, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কথা বলছি। প্রধানমন্ত্রী নিজেও চেষ্টা করেছেন। ভারতের কাছে অর্ডার আছে ৩ কোটি, পেয়েছি ৭০ লাখ।
দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে আমরা চিন্তিত।

তিনি বলেন, ‘যেকোনো ভ্যাকসিন তৈরি করতে হলে ওষুধ প্রশাসনের আবেদন লাগে। যারা আবেদন করে যাচাই-বাছাই করে। আমাদের সিদ্ধান্ত ক্রয়ও করব, প্রয়োজনে উৎপাদন করব। যাদের উৎপাদনের সক্ষমতা আছে তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রথমে তাদের আবেদন দেখে আমাদের কাছে আসতে হবে। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। সেরকম কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের কাছে প্রতিবেদন আসলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। টিকা ক্রয় করার চেষ্টা থাকবে, তাহলে তাড়াতাড়ি হবে। টিকা তৈরি করলে দীর্ঘসময় লাগবে। উৎপাদন করলেও পাঁচ-ছয় মাসের আগে করা সম্ভব না। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া ও স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ২২:১৪:৩৬

আল্লাহর রহমতে যখন করনা ভাইরাস থাকবে না তখনতো আমাদেরকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু পৃথীবির ভভিষ্যত অজানা আশঙ্কার আবরনে ঢাকা মনে হচ্ছে। পরাশক্তিগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ আর আগের মত প্রচলিত যুদ্ধ হবে না। হয়তো জীবানু অস্ত্র দিয়েই হবে। ইতিমধ্যেই বিশ্বের অনেক মানুষ মনে করছে জীবনু অস্ত্র হিসাবে করনা ভাইরাসকে চিন অথবা অন্য দেশ থেকে ছেড়ে দিয়েছে। যদি তাহাই সত্যি হয় তবে ভবিষ্যতে এর চেয়েও ভয়ংকর অজানা ভাইরাস পরাশক্তিগুলে ছেড়ে দিতে পারে কিংবা প্রাকৃতিকভাবেও আসতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের পূর্ব থেকে মাস্ক পরার অভ্যেস থাকাটা বিশেষ উপকারে আসবে। স্বাস্থ্যবিধি (যেমনঃ মাস্ক পরা, হাত দোয়া, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা) মানার বিষয়টি অজ্ঞ মানুষগুলোর জন্য প্রশিক্ষনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কোন দুর্যোগ দেখা দেয়ার আগেই যদি এই প্রশিক্ষন আমাদের রপ্ত করা থাকে তবে তাহা বিশেষ উপকারে আসবে। এমন অনেক শিক্ষিত লোকও আছেন যাহারা হাঁচি-কাশির শিস্টাচারও বুঝেন না। অথচ স্বাস্থ্যসম্পর্কিত মানুষের এই ধরনের আচরন পরিবর্তনের জন্য অর্থ ব্যয় হলেও সরকারের একটি প্রকল্প চালু করা উচিত (যাহাকে দেশের অর্থ অপচয় বিবেচনা না করে লাভজনক হিসাবেই বিবেচনা করা উচিত। করনায় এই ধরনের একটি প্রকল্প জনাব বদিউল আলম সাহেবের প্রতিষ্ঠান কর্তিক সফলভাবে চালু করা হয়েছে।

Md. Fazlul hoque

২০২১-০৫-১৭ ০৭:৪৭:৪৩

করোনা ভাইরাসের এই মহামারী তে মাস্ক ব্যবহার সহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই আমরা নিজেদের কে সুরক্ষা করতে পারি। কেউ তো মাস্ক ব্যবহারের বিরুদ্ধে বলছেন না । হয়ত অসচেতনতার কারণে অনেকেই মাস্ক ব্যবহারের গুরুত্ব বুঝতেছেন না। আমরা তো সবাই মাস্ক ব্যবহারের পক্ষে । কতসংখ্যক মানুষ কে কতযুগ পর্যন্ত লকডাউন এ রাখবেন, মাস্ক পরাবেন,handshake করা থেকে বিরত রাখবেন .........বর্তমানের এই ধম বন্ধ হবার মতো কি তাবৎ দুনিয়ার চিরচেনা concept? করোনা ভাইরাসের এই মহামারী ঠেকাতে সারা বছর মাস্ক ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে চলতে থাকলেই কি আপনি চিরচেনা পৃথিবীর পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবেন? তাই যদি হয় তবে আমাদের কে ধৈর্য ধারণ করে অপেক্ষা করতে হবে আল্লাহ্ কোন না কোন ভাবে আমাদের কে এ মহামারী থেকে রক্ষা করবেন ।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ২০:০৫:৫৬

হংকং, জাপানের concept ধরেই মাস্ক পরলে আমাদের সমস্যা কোথায় ? ঐ দেশগুলির মানুষতো শুধু ধুলা-বালি, দূষিত বায়ুর জন্যই মাস্ক পরে না তার বিভিন্ন ভাইরাস ও জীবানু থেকে সুরক্ষা পেতেও মাস্ক পরে।। তাইতো করনার সময়ে সেখানকার মানুষ একটা ভাল অবস্থায় ছিল। আর একবার যদি আমরা মাস্ক পরার অভ্যাস বা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারি তবে শুধু বর্তমান করনাই নয়, করনার নুতন-নুতন শক্তিশালী ভার্সন এমনকি ভবিষ্যতে অজানা অন্যান্য আরও ভয়ংকর ভাইরাস থেকেও মুক্তি পেতে পারি ইনশাল্লাহ। যতক্ষন পর্যন্ত কোন ওজর (যেমন মহামারী) থাকবে ততক্ষন পর্যন্ত মাস্ক পরাকে ইসলাম ধর্মে নিষেধ করা হয় নাই। তাছাড়া, মাস্ক পরিধানে ফুসফুসও ভাল থাকে (যাহা বিজ্ঞানীদের গভেষনায় প্রমানিত)। মাস্ক একটি বড় নিয়ামক শক্তি। যুগে-যুগে মহামারী নিয়ন্ত্রনে মাস্কের অবদান প্রমানিত হয়ে আসছে। আর আপনি কি নিশ্চয়তা দিতে পারবেন নুতন-নুতন ভ্যারিয়েন্টের শক্তিশালি করনার ক্ষেত্রে সবেমাত্র নুতনভাবে আবিস্কৃত ভ্যাক্সিন ১০০% সুরক্ষা দিতে পারবে ? বৈজ্ঞানিকগণও সকল ভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে ১০০% নিশ্চয়তা দিতে পারেননি। তবে হ্যাঁ, ভাক্সিন একটি সহায়ক শক্তি হিসাবে ভাল কাজ করতে পারে। আর

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ১৯:২৬:১০

@ Md. Fazlul hoque সাহেব, হংকং, জাপানের concept ধরেই মাস্ক পরলে আমাদের সমস্যা কোথায় ? ঐ দেশগুলির মানুষতো শুধু ধুলা-বালি, দূষিত বায়ুর জন্যই মাস্ক পরে না তার বিভিন্ন ভাইরাস ও জীবানু থেকে সুরক্ষা পেতেও মাস্ক পরে।। তাইতো করনার সময়ে সেখানকার মানুষ একটা ভাল অবস্থায় ছিল। আর একবার যদি আমরা মাস্ক পরার অভ্যাস বা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারি তবে শুধু বর্তমান করনাই নয়, করনার নুতন-নুতন শক্তিশালী ভার্সন এমনকি ভবিষ্যতে অজানা অন্যান্য আরও ভয়ংকর ভাইরাস থেকেও মুক্তি পেতে পারি ইনশাল্লাহ। যতক্ষন পর্যন্ত কোন ওজর (যেমন মহামারী) থাকবে ততক্ষন পর্যন্ত মাস্ক পরাকে ইসলাম ধর্মে নিষেধ করা হয় নাই। তাছাড়া, মাস্ক পরিধানে ফুসফুসও ভাল থাকে (যাহা বিজ্ঞানীদের গভেষনায় প্রমানিত)। মাস্ক একটি বড় নিয়ামক শক্তি। যুগে-যুগে মহামারী নিয়ন্ত্রনে মাস্কের অবদান প্রমানিত হয়ে আসছে। আর আপনি কি নিশ্চয়তা দিতে পারবেন নুতন-নুতন ভ্যারিয়েন্টের শক্তিশালি করনার ক্ষেত্রে সবেমাত্র নুতনভাবে আবিস্কৃত ভ্যাক্সিন ১০০% সুরক্ষা দিতে পারবে ? বৈজ্ঞানিকগণও সকল ভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে ১০০% নিশ্চয়তা দিতে পারেননি। তবে হ্যাঁ, ভাক্সিন একটি সহায়ক শক্তি হিসাবে ভাল কাজ করতে পারে। আর

Md. Fazlul hoque

২০২১-০৫-১৭ ০৪:৫৮:৪৮

মাস্ক ধূলাবালি,দূষিত বায়ু ইত্যাদি থেকে মানুষ কে নিরাপদ রাখে কথাটা 100% সত্য । তবে করোনা শুরু হবার পর যে concept এ মাস্কের ব্যবহার আমরা শুরু করেছি ( indoor & outdoor) এ মাস্ক আর হংকং বাসীর সারাবছরের মাস্ক ব্যবহারের concept এক নয়। scientifically proved যে vaccine এর মাধ্যমে শরীরের মধ্যে যে antibody তৈরী হয় সেটি করোনা ভাইরাস কে protect করে মানুষ কে রক্ষা করতে পারে। মাস্ক পরে সারাবছরই যদি থাকতে হতো তবে সৃষ্টিকর্তা আশরাফুল মাখলুকাত বানানোর সময় নাক/মুখ চামড়ায় আচ্ছাদিত করে পাঠাতেন। মাস্ক, social distancing এইসব সাময়িক ব্যবস্থা কিন্তু permanent solution হলো vaccination. তবে vaccine নেবার পরে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে আমাদের সবাইকে।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ১৭:২৯:২৫

ঘনবসতি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতায় বর্তমান করনা, ভবিষ্যতের রূপান্তরিত শক্তিশালি করনা এমনকি অজানা অন্য আরো ভয়ংকর ভাইরাস মোকাবিলায় "মাস্ক" পরার কোন বিকল্প নেই। তাই "সারা বছর মাস্ক পরার অভ্যেস করি, ভাইরাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি"- এই স্লোগানকে ধারন করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। করনা ভাইরাস যেহেতু ঘন-ঘন রূপান্তরিত হচ্ছে সেহেতু সকল ভাক্সিন সকল ভাইরাসের ক্ষেত্রে কার্যকরি নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে মাস্ক-কেই আমাদের অন্যতম ভ্যাক্সিন ধরে নিতে হবে।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ১৭:১৮:২৫

@ Md. Fazlul hoque সাহেব, হংকং সহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরা স্বাভাবিক অস্থায়ও সারাবছরই মাস্ক পরে থাকে। মাস্ক শুধু করনার জন্যই নয় ধুলা-বালি, দূষিত বায়ু থেকেও আমাদেরকে সুরক্ষা দেয়। তাই যাহারা অস্থির প্রকৃতির মানুষ তাদের কাছে মাস্ক পরাটা অস্বস্তিকর লাগবেই। তাই বলে প্রশাসনকে চুপ করে থাকলে চলবে না। দেশের স্বার্থে এই ধরনের অজ্ঞ মানুষদের মাস্ক পরতে বাধ্য করাতে না পারলে মাঝে-মধ্যে আমাদের লকডাউনে পরতে হবে। বিশেষজ্ঞগনের মতে "মাস্ক" ৭০%-৮০" সংক্রমন কমাতে সাহায্য করে। এটাকে আমরা অনেকটা স্বাভাবিক ধরে নিতে পারছি না ? স্প্যানিষ ভাইরাসের কারনে যখন পৃথীবিতে ৫ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটে তখন মাস্ক পরাকে বাধ্যতামূলক করাতে আমেরিকাতে মৃত্যু ও সংক্রমন ব্যাপকভাবে কমে এসেছিল। ঘনবসতিপূর্ন বাংলাদেশের বাস্তবতায় মাস্ক পরার অবদানকে অস্বীকার করা মানেই নিজের বিপদ নিজে ঢেকে আনার মত।

Md. Fazlul hoque

২০২১-০৫-১৭ ০৩:৩৮:৩০

সারা বছর যদি আমাদের কে মাস্ক পরে থাকতে হয় তাহলে কি পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া হলো? একমাত্র vaccine এর মাধ্যমেই হয়ত আল্লাহ্ আমাদের কে রক্ষা করতে পারেন, instant চাহিদা মেটাতে জরুরি ভিত্তিতে vaccine আমদানি করতে হবে কিন্তু সাথে সাথে দেশের অভ্যন্তরে vaccine উৎপাদনের জন্য পরিকল্পনা নিতে হবে এতে যদি ছয়মাস সময় ও লাগে। আঠারো কোটি জনগণের মধ্যে কমপক্ষে চৌদ্দ/ পনেরো কোটি জনগণ কে যদি vaccine এর আওতায় নিয়ে আসতে হয় তবে যে হারে আমদানি হচ্ছে তাতে কতমাস লাগবে এমনকি বছর ও পার হয়ে যাবে। 70-80% population কে vaccine এর আওতায় না আনতে পারলে ,দুই/ চার কোটি জনগণ কে টিকা দিয়ে করোনার নিয়ন্ত্রণ কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বাকী জনগণ কে vaccine দিতে দিতে এখন যাঁরা টিকা নিয়েছেন তাঁদের আবার টিকা নেয়ার সময় হয়ে যাবে কাজেই নিজেদের উৎপাদিত vaccine এর পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকলে বর্তমানের এই vaccine কার্যক্রম প্রহসনের রূপ নিতে পারে কারণ করোনা ভাইরাসের এই মহামারী সহজে আমাদের কে ছেড়ে যাবে না ।

Kazi

২০২১-০৫-১৭ ০৩:১৪:২৮

Use half as first dose and keep 1/2 for second dose. Canada faced embarrassment like this, thinking second dose was ensured in contract will arrive.

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ১৫:৩৩:৩৯

করনায় বাংলাদেশের এই বিপদের মুহূর্তে যাহারা মাস্ক পরবেন না তাদেরকে জাতির দুষমন হিসাবে ঘোষণা করা হউক এবং মাস্ক না পরলে তাদের থেকে বড় অংকের জরিমানা আদায় করে গরীবের জন্য ফান্ড তৈরী করতে হবে।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ১৫:১২:৩৪

শুধু টিকা দিয়েই করনা নিয়ন্ত্রন করা যাবে না। আগে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বিশেষ করে সকল মানুষকে মাস্ক পরতে বাধ্য করুন। সারাবছর মাস্ক পরানো এবং শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা ও হাত দোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা বা আচরন পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমর অনেকটা পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারব ইনশাআল্লাহ। অন্যথায় করনাকে এইভাবে জিইয়ে রেখে আমরা পারিবারিক, সামাজিক, শিক্ষা, কর্মস্থল কোন কিছুতেই পূর্বের মত স্বাভাবিক পরিবেশ আশা করতে পারি না। সময় নষ্ট করার আর সুযোগ নেই। দীর্গদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জীবন আজ ধ্বংসের মুখে। করনায় কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে মনে হচ্ছে জাতিকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা হচ্ছে।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১৭ ১৫:১১:২২

শুধু টিকা দিয়েই করনা নিয়ন্ত্রন করা যাবে না। আগে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বিশেষ করে সকল মানুষকে মাস্ক পরতে বাধ্য করুন। সারাবছর মাস্ক পরানো এবং শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা ও হাত দোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা বা আচরন পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমর অনেকটা পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারব ইনশাআল্লাহ। অন্যথায় করনাকে এইভাবে জিইয়ে রেখে আমরা পারিবারিক, সামাজিক, শিক্ষা, কর্মস্থল কোন কিছুতেই পূর্বের মত স্বাভাবিক পরিবেশ আশা করতে পারি না। সময় নষ্ট করার আর সুযোগ নেই। দীর্গদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের জীবন আজ ধ্বংসের মুখে। করনায় কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে মনে হচ্ছে জাতিকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা হচ্ছে।

কাজি

২০২১-০৫-১৭ ০১:৩৬:৫৬

তবু উৎপাদনে যাওয়ার দরকার। এ টিকা হয়ত বছরে একবার নিতে হবে। এখন ক্রয় করে তাড়াতাড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা ঠিক আছে। কিন্তু ভবিষ্যতে লাগবে। তাছাড়া আমাদের উৎপাদনে বিশ্ব চাহিদার জোগান বাড়াবে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আহ্ছানিয়া মিশনের অনলাইন আলোচনা বক্তারা

মাদকের আগ্রাসন কমাতে সর্বক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট জরুরি

২৪ জুন ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



কদমতলীতে পিতা-মাতা ও বোনকে হত্যা

মেহজাবিন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

DMCA.com Protection Status