যে যেভাবে পারছে ছাড়ছে ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন (১ মাস আগে) মে ১০, ২০২১, সোমবার, ১২:৪৫ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

সরকারের বিধিনিষেধের কারণে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ। চলছে না ট্রেন, লঞ্চও। নিরুপায় ঘরমুখো মানুষ ঈদ করতে যে যেভাবে পারছে ছাড়ছে ঢাকা। নাড়ির টানে ছুটছে গ্রামের দিকে। সামর্থ্যবানরা ভাড়া করছেন প্রাইভেট কার-মাইক্রো। নিম্নবিত্তরা যাচ্ছেন ট্রাক, পিকআপে গাদাগাদি করে। অনেকে আবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছেন। মাঝে-মধ্যে মিলছে দূরপাল্লার বাসও।
ঢাকার প্রবেশমুখের অদূর থেকে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে কৌশলে ছাড়ছে এসব বাস।
গাবতলী, হেমায়েতপুর ও সায়েদাবাদ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কয়েক হাজার মানুষ বাড়িতে যাওয়ার জন্য যানবাহন খুঁজছেন হন্যে হয়ে। অধিকাংশ মানুষই স্বাস্থ্যবিধি মানছিলেন না। গাবতলিতে গণপরিবহন না পেয়ে অনেককেই পায়ে হেঁটে বা অটোরিকশায় সেখান থেকে আমিনবাজারের দিকে রওনা হয়েছেন। আমিনবাজার এলাকায় ঘরমুখী মানুষের প্রচুর ভিড় দেখা গেছে।
লেগুনা, ট্রাক কিংবা মোটরসাইকেলে চড়ে অনেকেই দুই বা তিনগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। এমনকি অনেকে পায়ে হেঁটেও লম্বা পথ পাড়ি দিচ্ছেন।
এদিকে লঞ্চ ও ফেরি বন্ধ থাকায় সবচেয়ে ভোগান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। ভোর থেকেই মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ভিড় করছেন ঘরমুখো হাজারো মানুষ। মাঝে-মধ্যে এম্বুলেন্স পারাপারের জন্য ফেরি ঘাটে ভিড়লেই হুড়মুড়িয়ে উঠে পড়ছেন তারা। সকাল ১০টায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে তিন সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে গাদাগাদি করে ফেরি যমুনা বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
ঢাকার জুরাইন চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে শিমুলিয়া ঘাটে আসা মো. সজীব বেপারী জানান, তার বাড়ি মাদারীপুর। বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ করার জন্য খুব ভোরে রওনা হয়ে ঘাটে পৌঁছেছেন তিনি। কিন্তু ঘাটে এসে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও পার হতে না পেরে হতাশ তিনি। তিনি বলেন, ভাই আমি ব্যাচেলর মানুষ। আমি একা কী করে ঢাকায় ঈদ করি? তাই বাড়ি যাচ্ছি বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ করার জন্য।
ওদিকে পাটুরিয়া ঘাট থেকেও সকাল থেকে তিনটি ফেরি ঠাসাঠাসি করে কয়েক সহস্রাধিক যাত্রী ছেড়ে যায় দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১০ ১৪:০২:৫১

লকডাউন ঘোষনার আগে অজ্ঞ জনগন মনে করেছিল দেশে করনা নেই। তাই তারা মাস্ক পরা ছেড়ে দিয়েছিল। অতঃপর করনার ভয়াল থাভা আমরা লক্ষ্য করলাম। আবার যখন লকডাউন ঘোষনা করা হল (যদিও কার্যকরী লকডাউন আমরা দেখি নাই) তখন উক্ত অজ্ঞ মানুষগুলো মনে করল দেশে করনা আছে এবং তারা মাস্ক পরতে শুরু করল। এইভাবে মাস্ক পরার ফল স্বরূপ আল্লাহর রহমতে দেশে করনায় মৃত্যু ও সংক্রমনের সংখ্যা কমে আসছে। তাই সনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসলেও কোনক্রমেই মাস্ক পরা বন্ধ করা যাবে না। "সারা বছর মাস্ক পরার অভ্যেস করি, ভাইরাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি"- এই স্লোগানকে ধারন করতে হবে এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারের তরফ থেকে অজ্ঞ মানুষদের এই ঘোষণা দিতে হবে যে- "সবাই যদি ১২ মাসই মাস্ক পরে তবে সরকার লকডাউন দিবে না এবং দেয়ার প্রয়জন হবে না"।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১০ ১৩:৫৬:৩৩

* মাস্ক যেভাবে একটি বড় নিয়ামক শক্তি হিসাবে কাজ করে ! * করনাকে জিইয়ে রেখে আমরা পারিবারিক, সামাজিক, শিক্ষা, কর্মস্থল কোন কিছুতেই পূর্বের মত স্বাভাবিক পরিবেশ আশা করতে পারি না। তাই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় আল্লাহর রহমতে একমাত্র সঠিক নিয়মে “মাস্ক” পরিধানই পারে করনা মহামারী নিয়ন্ত্রন করতে এবং লকডাউনকে বিদায় করতে। তাই আসুন, “ সারাবছর মাস্ক পরার অভ্যেস করি, ভাইরাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি”-এই স্লোগানটিকে ধারন করি ও তাহা বাস্তবায়ন করি। জাতি হিসাবে মাস্ক পরার অভ্যেস যদি আমরা নিশ্চিত করতে পারি তবে শুধু বর্তমান করনাই নয়, করনার নুতন-নুতন শক্তিশালী ভার্সন এমনকি ভবিষ্যতে অজানা অন্যান্য আরও ভয়ংকর ভাইরাস থেকেও মুক্তি পেতে পারি ইনশাল্লাহ। তাছাড়া, মাস্ক পরিধানে ফুসফুসও ভাল থাকে (যাহা বিজ্ঞানীদের গভেষনায় প্রমানিত)। মাস্ক একটি বড় নিয়ামক শক্তি। যুগে-যুগে মহামারী নিয়ন্ত্রনে মাস্কের অবদান প্রমানিত হয়ে আসছে। হংকং সহ বিভিন্ন দেশে ১২ মাসই মানুষ মাস্ক পরে থাকে।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১০ ১৩:৪১:২৭

যাহারা এই মুহূর্তে শুধু ঈদ আনন্দের জন্য এখানে-সেখান ছুটাছুটি করছে তাদের আগে মানসিক চিকিতসা করা দরকার!

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১০ ১৩:৩৮:০৩

* করনায় অজ্ঞতা, অসচেতনতা ও ধর্মান্দতার লক্ষন * যাহারা নিম্নোক্ত উক্তিগুলি করেন বুঝবেন তাদের মধ্যে উপরোক্ত লক্ষন রয়েছেঃ ১। দেশে করনা নেই ২। আগের করনাই আমাদের কিছু করতে পারে নাই এখনো কিছু করতে পারবে না ৩। মুসলিম দেশে করনা কিছুই করতে পারবে না ৪। অন্যেরা মাস্ক পরে না আমি একা পরে কি লাভ ৫। মাস্ক পরে মসজিদে নামাজ পড়া হারাম। এতে ঈমান হাল্কা হয়ে যায় ৬। মৃত্যু হলে এমনিতেই হবে করনাকে ভয় করে লাভ নেই ৭। গরীব বা গ্রামের মানুষদের করনায় ধরবে না, করনা শহরের রোগ ৮। যাহারা করনাকে ভয় পায় তাদেরকে করনায় ধরে ৯। পেটে ভাত না থাকলে কিসের করনা ১০। করনার চেয়ে অন্যান্য রোগে মানুষ আরও বেশী মারা যায় ইত্যাদি.... ইত্যাদি।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৫-১০ ১৩:৩৪:৫১

করনায় বাংলাদেশের এই বিপদের মুহূর্তে যাহারা মাস্ক পরবেন না তাদেরকে জাতির দুষমন হিসাবে ঘোষণা করা হউক এবং মাস্ক না পরলে তাদের থেকে বড় অংকের জরিমানা আদায় করে গরীবের জন্য ফান্ড তৈরী করতে হবে।

আনিস উল হক

২০২১-০৫-১০ ০০:১৩:৩৮

ঈদ পরবর্তী দু'সপ্তাহ দেশে কারফিউ দিয়ে কঠোরভাবে লক্ ডাউন কার্যকরী করা হোক।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

ক্যাপশন নিউজ

১৮ জুন ২০২১

শনাক্তের হার ১৮.৫৯

একদিনে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু,শনাক্ত ৩৮৮৩

১৮ জুন ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা মামলা

নাসির উদ্দিনসহ গ্রেপ্তার ৩

DMCA.com Protection Status