জেরুজালেমে সংঘর্ষ চলছেই, হাসপাতালে ১৪ ফিলিস্তিনি

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ মাস আগে) মে ৯, ২০২১, রোববার, ৫:৪০ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৮ পূর্বাহ্ন

জেরুজালেমে পুলিশ ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে একটানা সংঘর্ষ চলছেই। দ্বিতীয় দিনেও বহু মানুষের আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে টার্গেট করে পাথর ছুঁড়ছে। জবাবে পুলিশও স্টান গ্রেনেড ও জল কামান ব্যবহার করে বিক্ষুব্ধদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করছে। সব মিলিয়ে টে¤পল মাউন্ট বা হারাম আল-শরীফ এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিদ্যমান রয়েছে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের বরাত দিয়ে বৃটিশ সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৮০ জন আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। এরমধ্যে ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। ইসরায়েলি পুলিশেরও এক কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।
পূর্ব জেরুজালেমে নতুন করে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এর ফলে উচ্ছেদের আশঙ্কায় থাকা ফিলিস্তিনিরা এর প্রতিবাদ করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় দিনের মতো এই সহিংসতার ঘটনা ঘটল। এর আগে শুক্রবার রাতে আল-আকসা মসজিদের কাছে সহিংসতায় দুইশরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং অন্তত ১৭ জন ইসরায়েলি পুলিশ আহত হয়েছেন।

সমগ্র জেরুজালেমকেই রাজধানী ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশ এরইমধ্যে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী মনে করেন ফিলিস্তিনিরা। এরমধ্যে জেরুজালেমের সবথেকে পুরোনো যে অংশটি আছে সেটি ইহুদি, মুসলিম ও খ্রিস্টান তিন ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র বলে বিবেচিত হয়। এই এলাকায় প্রায়ই দুই পক্ষের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। তবে শুক্রবারের সহিংসতা ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবথেকে বেশি ভয়াবহ। জেরুজালেমের পরিস্থিতি নিয়ে এরইমধ্যে উদ্বেগ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া এবং জাতিসংঘ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আনিস উল হক

২০২১-০৫-০৯ ০৭:৪০:১৯

জেরুজালেমকে আব্রাহামিক হোলি সিটি ঘোষনা করে এটিকে একটি রাষ্ট্র ঘোষণা করা উচিৎ। আল্ আকসায় মুসলিম ইহুদি খ্রিস্টান এই তিন ধর্মবিশ্বাসীদের জন্য বছরের তিনটি মাস নির্ধারণ করে দিতে হবে এক মাস থাকবে এক ধর্মবিশ্বাসীদের তীর্থ পর্যটনের জন্যে।মোটা ফী সেখানে নির্ধারণ করে দিতে হবে। যে আয় হবে তা দিয়ে সেই ছোট্ট রাষ্ট্রের ব্যয় নির্বাহ হবে। রাষ্ট্রটি চলবে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে। ইসরাইলের রাজধানী সেখানে থাকবে না। সেখানে এ জাতীয় একটা ব্যবস্থা নিলে সংঘাত অনেক কমে যাবে।ইসরাইল কে নিয়ণ্ত্রনে রাখতে সব মুসলিম দেশের ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্হাপন করতে হবে । এই ইহুদি রাষ্ট্রটিকে এখন তো আর উত্তর মেরুতেও সরিয়ে নেয়া যাবেনা বা তার অস্তিত্বও যখন বিলুপ্ত করা যাবেনা তখন এই রাষ্ট্রটির সাথে সম্পর্ক বজায় রেখেই রাষ্ট্রটির আগ্রাসী আচরণ কে নিয়ণ্ত্রন করতে হবে।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status