জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ নয়, ভারতের অনুরোধ খারিজ ইন্টারপোলের

অনলাইন (১ সপ্তাহ আগে) মে ১, ২০২১, শনিবার, ৪:২৪ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৬ অপরাহ্ন

ভারতের বিতর্কিত ধর্মীয় বক্তা ড. জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করার অনুরোধ খারিজ করেছে ইন্টারপোল। এর মধ্য দিয়ে এই নিয়ে তিনবার ভারত সরকারের অনুরোধ খারিজ করে দিল ইন্টারপোল।
আর্থিক দুর্নীতি এবং ঘৃণ্য মন্তব্যের জেরে এই অনুরোধ করা হলেও তা খারিজ হয়ে যাওয়ায় এতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমস এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ইন্টারপোল সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, 'ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে অর্থ রোজগার করা এবং তা অপ্রাসঙ্গিক জায়গায় খরচ করাকে আর্থিক দুর্নীতি বলা যায় না এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে ইন্টারপোল। আর তাই জাকির নায়কের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ খারিজ করা হয়েছে। এমনকি এনআইএ (ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী জাতীয় তদন্ত সংস্থা) যে তথ্যপ্রমাণ পেশ করেছিল ইন্টারপোলের সামনে তাও ফুৎকারে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আর বলা হয়েছে, ধর্মীয় বক্তব্য রাখার জন্য আর্থিক দান নেয়াকে অপরাধ বলে গণ্য করা যায় না।
এ বিষয়ে জাকির নায়েকের আইনজীবী এস হরি হারাণ জানান, ইন্টারপোল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার কপি তিনি হাতে পেয়েছেন। এই বিষয়ে অবশ্য এনআইএ’র মুখপাত্র কোনো প্রতিক্রিয়া জানান নি। তবে এনআইএ সূত্রে খবর, এনআইএ ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায়। তারপর তা পরীক্ষা করে ফের অনুরোধ জানাবে ইন্টারপোলকে।
এনআইএ’র সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে ইন্টারপোলের জেনারেল সেক্রেটারিয়েট ৫ ফেব্রুয়ারি সার্টিফিকেট দিয়ে জানিয়ে দেয়, জাকির নায়েককে ইন্টারপোলের নোটিশ জারি করার মতো কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, জাকির নায়েক বর্তমানে মালয়েশিয়া অবস্থান করছেন। সেখানেও তার চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Tuhin

২০২১-০৫-০২ ২১:৫৭:০৩

সকলের মন্তব্যের মধ্যে ফিরদাউস নামের একজন জাকির নায়েককে বিতর্কিত বলেছেন রেফারেন্স হিসেবে কওমি আলেমদের কথা উল্লেখ করেছেন। আমি তাকে বিনয়ের সাথে প্রশ্ন করতে চাই ভাই জাকির নায়েক যেভাবে সকল ধর্মের ওপর পড়াশোনা করে লক্ষ লক্ষ লোকের কাছে দেশে বিদেশে ধর্ম প্রচার করেছে কওমি কয়জন আলেম আছে যারা এ কাজ করছে? আমি কওমি আলেমদের সমালোচনা করছি না কিন্তু আমরা ইসলামকে এভাবেই বিভক্ত করছি যেটা উচিত নয়।

ফিরদাউস

২০২১-০৫-০২ ০৮:৫৮:৫০

জাকির নায়েক এর গোমরাহ পথভ্রষ্ট বিভ্রান্ত ।‌ কারণ সে বলেছে ১)ওযু ছাড়া কুরআন ধরা যাবে । ২)মাযহাব মানা যাবে না । ৩) নাভী নিচে হাত বাঁধার হাদীস সহীহ নয় । সঠিক উত্তর ১)ওযু ছাড়া কুরআন ধরা নিষিদ্ধ । চার মাযহাব একমত । ২) মাযহাব মানা ফরজ । ৩) নাভির নিচে হাত বাঁধার সহীহ হাদীস ইবনে আবি শাইবাহ ৩৯৫৯ আরো হাজার হাজার আছে । কওমী মাদ্রাসার ওলামায়ে কেরাম এর কাছে জেনে নিন ।

MD.Rezaul hasan Raja

২০২১-০৫-০২ ০৩:১৮:২২

ডঃজাকির নায়েক বিতর্কিত এইটা ভারতের কাট্টাহিন্দুদের কাছে হয়তো হতেপারে।কিন্তু্ু মানবজমিন কি করে তা বিশ্বাস করলো আমার কাছে বোধগমম্ন হলো না।ইন্টারপোল যে ভারতের আবেদন খারিজ করেছে এতেই প্রমানিত ভারত জুলুমকারীরাষ্ট্র।

Md Shahedul Islam Mo

২০২১-০৫-০২ ১৫:৩১:১০

আসলে মানবজমিনের কাছ থেকে বিতর্কিত শব্দটি আশা করিনি।ডঃ জাকির নায়েক ইসলামিক বিষয়গুলো কুরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে যাচাই-বাছাই করেই সঠিক ইসলামকে মুসলিম জাতির নিকট তুলে ধরেছেন।এখানে তো অনেকেই কমেন্ট করেছেন।তবে ফেরদৌস নামক এক ব্যাক্তিই শুধু বলেছেন জাকির নায়েক বিতর্কিত।আর তাকে নাকি কওমী আলেমদের নিকট থেকে এলেম নিতে হবে।আরে ভাই,কওমী আলেমদের মধ্যে অনেক ভেজাল রয়েছে।তাদের অধিকাংশ ফতোয়া মনগড়া ও জাল-দ্বঈফ হাদিসে পরিপূর্ণ।পরিশেষে সঠিক ও উপযুক্ত তথ্য তুলে ধরার জন্য ইন্টরপেলকে অশেষ ধন্যবাদ।

Babu

২০২১-০৫-০২ ০০:৪৫:৫৯

আজকে উনাকে বিতর্কিত বলছেন, একবার ভেবে দেখুন তার মাধ্যমে কতজন মুসলমান হয়েছে।আর আপনারা যারা উনাকে বিতর্কিত করতে চাচ্ছেন, আমার প্রশ্ন হল আপনাদের দ্বারা কয়জন মুসলিম হয়েছে।

Mir Hassan Ashkary S

২০২১-০৫-০২ ১২:২৭:০১

@ ফিরদাউস , ড. জাকির নায়েক ইসলাম ও শরীয়তের ভুল ব্যাখ্যা করেছেন এবিষয়ে যথাযথ প্রমান উপস্থাপন করলে আমরা সমৃদ্ধ হবো। নতুবা আপনার মতামতকে শুধু বিরোধিতার জন্যই বিরোধী বলে গন্য করা হইবে।

Mesba

২০২১-০৫-০২ ১১:২৩:৫৩

আহা মানব্জমিন।

জামশেদ পাটোয়ারী

২০২১-০৫-০২ ১১:১৭:১৮

ইসলামে ভিন্নমত থাকা দোষের কিছু না। এটা শত শত বছর ধরে ছিল আছে এবং থাকবে। ডা. জাকির নায়েক কে যাদের পছন্দ নয়, তারা তার হাসিদের ব্যাখ্যাকে নিজেরা যাচাই করে দেখেন না কেন? তার ব্যাখ্যা যদি ভূল হয় তাহলে তার বক্তব্য বর্জন করুন। কোন যাচাই বাছাই না করে তাকে 'না' বলা মুশরিকদের কাজ। উনি যা-ই বলেন তা মুশরিকদের বিপরীতে যাবে, তাই মুশরিকরা বলতে পারে তিনি যা-ই বলেন না কেন তা-ই অগ্রহণযোগ্য। কিন্তু মুসলিমদের উচিত তার বক্তব্য কোনআন হাদিসের সাথে পরখ করা বা যাচাই করে দেখা।

Badsha Wazed Ali

২০২১-০৫-০২ ১১:০৮:৩৩

মানবজমিন পত্রিকটি গণমানুষের পত্রিকা। নিরপেক্ষ পত্রিকা। কিন্তু, আজকের নিউজটি পড়ে পাঠককুল হতাশ হয়েছে। জাকির নায়েককে বিতর্কিত বরা হয়েছে। এটা তো একটা পত্রিকা সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। ভারত সরকার বিতর্কিত বলেছে। আমেরিকা, যুক্তরাজ্য একই মন্তব্য করেছে। তারা তাদের স্বার্থ দেখবে। তাদের পোষ্য তো মানবজমিন না। ধর্মীয় মৌলবাদ এবং সন্ত্রাসকে আমি সমর্থন করি না। কিন্তু, একচোখা নীতি পত্রিকার মানায় না।

AH.SHAREEF

২০২১-০৫-০২ ১০:৫২:৫৮

আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাহকে বিতর্কিত আখ্যা দেওয়া কোনো মুসলমানের কাজ নয়

ফিরদাউস

২০২১-০৫-০১ ২১:১৭:২৯

জাকির নায়েক অত্যন্ত বিতর্কিত । ইসলামের ভুল ব্যাখ্যাকারী । শরীয়তের অপব্যাখ্যাকারী । তার উচিত ছিল প্রশ্নকারীকে মাসআলা মাসায়েল কওমী মাদ্রাসার ওলামায়ে কেরাম এর কাছে জেনে নিতে বলা ।

আবুল কাসেম

২০২১-০৫-০১ ১৯:৪৪:১৮

ডাক্তার জাকির আবদুল করিম নায়েক তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের বিশ্ব স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ আহমেদ দীদাত- এর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯১ সাল থেকে ইসলাম ধর্মের প্রচারে মনোনিবেশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি ইসলাম ও অন্যান্য প্রচলিত ধর্মের তুলনামূলক বিশ্লেষণে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন।আল্লাহ তায়ালা মানব জাতিকে সৃষ্টি করে সত্য সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য পৃথিবীর এমন কোনো জনপদ নেই যেখানে নবী বা রাসূল পাঠাননি। এর ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ও চূড়ান্ত রাসূল মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তিরোধানের পর নবী রাসূলের আগমন বন্ধ করে আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক শতাব্দীতে ইসলামের পুনর্জাগরণের জন্য তাঁর বিশেষ মনোনীত কিছু ব্যক্তি প্রেরণ করেন। তাঁদের মধ্যে জাকির নায়েক অন্যতম। তাঁর বক্তব্যের প্রভাব ভারতীয় উপমহাদেশের সীমা ছাড়িয়ে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে। তিনি বহু আন্তর্জাতিক পুরষ্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ (১) ২০১৩ সালে ইসলামিক পারসোনালিটি অব শাইখ মোহাম্মাদ রাশিদ আল মাখতুম এ্যাওয়ার্ড ফর ওয়ার্ল্ড পিস২০১৩ডিস্টিংগুইশড ইন্টারন্যাশনাল পারসোনালিটি পুরষ্কারটি প্রদান করা হয়। (২) আজম, টুয়ানকু আব্দুল হালিম মুয়াদজাম শাহ, মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক ২০১৩ সালে ডিস্টিংগুইশড ইন্টারন্যাশনাল পারসোনালিটি এওয়ার্ড পুরষ্কার প্রদান করা হয়। (৩) ২০১৩ সালে শারজাহ এওয়ার্ড ফর ভলান্টারি- ওয়ার্কসুলতান বিন মোহাম্মেদ আল কাশিমি, শারজাহর শাসক কর্তৃক এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়। (৪)২০১৪ সালে ইন্সাইনিয়া অব দ্য কমান্ডার অব দ্য ন্যাশনাল অর্ডার অব দ্য রিপাবলিক অব দ্য গাম্বিয়া। (৫)গাম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া জাম্মেহ২০১৪ সালে অনারারি ডক্টরেট (ডক্টর অব হিউম্যান লেটারস) গাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (৬)মুসলিম বিশ্বের নোবেল পুরষ্কার খ্যাত ২০১৫ সালে বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার সৌদি আরব। এসকল আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রমাণ করে যে, ডাক্তার জাকির নায়েক একজন বিজ্ঞ ও পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব। ভারতের প্রসিদ্ধ ধর্মগুরু শ্রী শ্রী রবি শংকর সহ এমন কোনো ধর্মগুরু ও পণ্ডিত নেই যে, তাঁর কাছে ধরাশায়ী হয়নি। অক্সফোর্ড ইউনিয়নে তাঁর ক্ষুরধার যুক্তি পূর্ণ বক্তব্য শুনে সবাই হতবাক হয়ে যায়। তাঁর বিজ্ঞান ভিত্তিক বক্তব্যের কাছে অন্যদের বক্তব্য অন্তঃসার শূন্য প্রমাণিত হয়। তিনি বৈজ্ঞানিক যুক্তি দিয়ে ইসলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন এবং একইভাবে অন্যান্য ধর্মের অসারতাও বৈজ্ঞানিক যুক্তি সহকারে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। তাঁর প্রতি ক্ষেপে উঠার এটাই একমাত্র কারণ। সব ধর্মের লোকেরাই স্বীকার করে আল্লাহ তায়ালা হচ্ছেন মানব জাতির সৃষ্টি কর্তা। আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টি কর্তা স্বীকার করে নিলে তাঁর মনোনীত ধর্মও স্বীকার করে নেয়া কর্তব্য এবং আবশ্যকও বটে। কিন্তু, দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে কিছু মানুষ আল্লাহর দেয়া ধর্মকে নিজেদের স্বার্থে ও সুবিধাজনকভাবে বিকৃত করে নিয়েছে। আল্লাহ তায়ালার ধর্ম মুলত একটাই। মানুষ এটাকে বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত করে দিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিঃসন্দেহে জীবন ব্যবস্থা হিসেবে আল্লাহর কাছে গ্রহণ যোগ্য বিধান হলো ইসলাম। যাদেরকে আল্লাহর পক্ষ থেকে কিতাব দেয়া হয়েছিলো তারা নিজেরা একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ ও হিংসার বশবতী হয়ে মতানৈক্যে লিপ্ত হয়ে পড়েছিলো তাদের কাছে সঠিক জ্ঞান আসার পর। যে ব্যক্তি আল্লাহর বিধান অস্বীকার করবে- অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা দ্রুত হিসেব গ্রহণ কারী।" সূরা আলে ইমরানঃ১৯। একই সূরার অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন, "যদি কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো জীবন বিধান অনুসন্ধান করে তবে তার কাছ থেকে সে ব্যবস্থা কখনো গ্রহণ করা হবে না। পরকালে সে চরম ব্যর্থ হবে।" সূরা আলে ইমরানঃ৮৫। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। অন্যান্য ধর্মে শুধু আনুষ্ঠানিক কিছু পূজা অর্চনা আছে। মানুষের সামগ্রিক জীবনের কোনো দিকনির্দেশনা নেই। যেমন, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি ইত্যাদি। কিন্তু ইসলামকে আল্লাহ তায়ালা সমগ্র মানব জীবনের জন্য মনোনীত করে দিয়েছেন এবং এ বিধান মানব জীবনের সকল দিকের কথা আলোচনা করে। এজন্যই ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পরিপূর্ণ করে দিলাম। আর তোমাদের উপর আমার নেয়ামতও আমি পূর্ণ করে দিলাম। তোমাদের জন্য আমি জীবন বিধান হিসেবে ইসলামকেই মনোনীত করলাম।" সূরা আল মায়েদাঃ০৩। তাহলে বুঝা যাচ্ছে যে, ইসলাম আল্লাহর মনোনয়ন পাওয়া জীবন ব্যবস্থা। ইসলাম আল্লাহর নেয়ামত। ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান। ইসলামী ব্যবস্থার অনুপস্থিতির কারণে বিশ্ব থেকে আজ শান্তি উধাও হয়ে গেছে। যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী পৃথিবীর আলো মাটি বাতাস বিষাক্ত করে দিয়েছে দেশে দেশে, জাতিতে জাতিতে যুদ্ধ বিগ্রহ। সেজন্যই মানুষের জীবন রক্ষার সর্বশেষ আশ্রয় হচ্ছে ইসলাম। পাশ্চাত্যের প্রভাবশালী পণ্ডিত ব্যক্তিরা বলছেন আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর প্রধান সংখ্যা গরিষ্ঠ ধর্ম হবে ইসলাম। এখনই ইসলামের শান্তির ছায়াতলে দলে দলে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে। যা কিনা ভণ্ড তপস্যার ধব্জাধারীদের ভীষণ ভাবে ভাবিয়ে তুলছে। তাই তারা ডাক্তার জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু, আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা হলোঃ "এ লোকেরা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়। কিন্তু আল্লাহর সিদ্ধান্ত হলো তিনি তাঁর নূরকে প্রজ্বলিত পরিপূর্ণ করবেনই। অবিশ্বাসী কাফেরদের কাছে তা যতোই অসহনীয় হোকনা কেনো।" সূরা আস্ সফঃ০৮। বক ধার্মিক ও মিথ্যার ও ভণ্ডামির আশ্রয় নিয়ে এক শ্রেণির বিশ্ব নেতারা মানুষকে শোষণ করে যাচ্ছে এবং শাসনের যাঁতাকল পিষ্ট করছে। ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কায়েমী স্বার্থবাদীরা ইসলামের বিরুদ্ধে সবসময়ই এক কাতারে থাকে। মানুষকে শোষণ করার ব্যপারে তারা একে অন্যের পরিপূরক। ইসলামী ব্যবস্থায় রয়েছে অতি উচ্চমানের নৈতিক শিক্ষা। রয়েছে সাম্য, ন্যায় বিচার, সামাজিক সুবিচার ও মর্যাদা। হানাহানি মারামারি কাটাকাটি ইসলামে নেই। ইসলামে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব স্বীকার করা হয় বলে কারো অধিকার খর্ব হওয়ার সুযোগ নেই। আল্লাহ মহান, নিরপেক্ষ ও ন্যায়বিচারক। তাই ইসলামী ব্যবস্থাও মহান, নিরপেক্ষ ও ন্যায়য়ানুগ বিচার ফায়সালা করে। জাকির নায়েক এই ইসলামের সত্যতা মানবজাতির সামনে তুলে ধরেছেন। এই ইসলাম ব্যতিত মানব জাতির মুক্তির দ্বিতীয় কোনো পথ নেই। বৈজ্ঞানিক সূত্রেই ইসলামের সত্যতা প্রমাণিত। বর্তমান বিজ্ঞানের সঙ্গে ইসলামের কোনো বিরোধ তো নে-ই বরং বিজ্ঞান ও ইসলাম একটি অন্যটির পরিপূরক। আধুনিক কালের নোবেল বিজয়ী প্রখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছেন বিজ্ঞান ধর্ম ছাড়া পঙ্গু আর ধর্ম বিজ্ঞান ছাড়া অন্ধ। আধুনিক বিজ্ঞান ও ইসলাম ধর্মের সামঞ্জস্যতা ডাক্তার জাকির নায়েক তাঁর লেকচারে বহুবার প্রমাণ করেছেন। তাই বিশ্বের শাসকদের নিকট উদাত্ত আহ্বান ২০৫০ সালের আগেই ইসলামের বিধান অনুযায়ী বিশ্বের শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করুন। অযথা জাকির নায়েকের পেছনে লেগে থেকে সত্য গোপন করে বিশ্বের মানুষের জীবন আর অতিষ্ঠ করে তুলে পাপের বোঝা ভারী করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। পরিশেষে সূরা আল ইমরানের ১৯ ও ৮৫ নম্বর আয়াত দুখানা আবারো স্মরণ করতে চাই এ কারণে যে আল্লাহকে সৃষ্টি কর্তা মানলে তাঁর মনোনীত ধর্মকেও মানতে বাধ্য। নচেৎ হটকারীতাই প্রমাণিত হবে। আয়াত দুখানাঃ *নিঃসন্দেহে জীবন বিধান হিসেবে আল্লাহর কাছে ইসলামই একমাত্র গ্রহণ যোগ্য ব্যবস্থা...। *কেউ যদি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো জীবন বিধান অনুসরণ করে তবে তার কাছ থেকে সে ব্যবস্থা কখনো গ্রহণ করা হবে না। পরকালে সে চরম ব্যর্থ হবে। আরেকটি কথা প্রণিধানযোগ্য। জাকির নায়েক একজন ডাক্তার হিসেবে তাঁর জীবন ভালো ভাবেই চালিয়ে নিতে পারতেন। মানব জীবনের প্রকৃত সমস্যা ও সত্য তাঁর কাছে ধরা দিয়েছে। তিনি হয়ে গেলেন শরীরের ডাক্তার থেকে আত্মার ডাক্তার। হাজারো বিপদ মুসিবতের ঝুঁকি নিয়ে কিসের স্বার্থে তিনি ধর্ম প্রচারের গুরুদায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন? তা আর কিছু নয়। তাঁর সত্য প্রিয়তা। সত্য কারো জীবনে একবার ধরা দিলে পৃথিবীর অন্য কোনো কিছু দিয়ে তাঁর মন ভরানো সম্ভব নয়। মানব জীবনের জন্য যা কিছু সত্য তা বুঝে নিয়েছেন জাকির নায়েক এবং সেই সত্যই তাঁকে পাগল করে দিয়েছে। এই সত্য প্রচার থেকে কোনো কিছুই তাঁকে বিরত রাখতে পারবেনা। সুতরাং সত্য গ্রহণ বিমুখ কেনো ধরিত্রীর দাম্ভিক শাসকেরা? যতোটা তাড়াতাড়ি সত্য গ্রহণ করে নেয়া হবে ততোই মঙ্গল।

মোতাহার

২০২১-০৫-০১ ১৮:৩৩:৪৮

জাকির নায়েক কে বিতর্কিত বলে মানবজমিন নিজেকেই বিতর্কিত করল। শয়তানের সহচর হবেন না, প্লিজ।

মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম

২০২১-০৫-০২ ০৭:৩৩:৪২

হে আল্লাহ,তুমি মহান,তুমি শ্রেষঠ,তুমি ইহকাল এবং পরকালের মালিক কাজেই মহান এই দুনিয়াতে তোমার প্রিয় আলেমদের এবং ডঃ জাকির নায়েকদের মত পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলাম প্রচারক ও শ্রেষ্ঠ কিতাব কুরআনের বানীসমূহ মানুষের মাঝে পৌছে দেওয়া কারীকে হেফাজত করো। দুশমনরা যতই বাড়ুক,তাদেরকে আপনি উচিৎ শিক্ষা দিন,তবে দেরিতে হলেও সীমা লংঘনকারীদের ছাড় দেন না,এটাই আমাদের আকিদা ।

Monir

২০২১-০৫-০২ ০৭:৩২:৫১

Ya Allah bless and protect Dr Zakir Nayak from all evils .

A.R.Sarker

২০২১-০৫-০১ ১৭:২০:৪৪

ডাঃ জাকির নায়েক কে বিতর্কিত বক্তা বলা আমারও পছন্দ হয় নাই।

lalmia

২০২১-০৫-০২ ০৫:৫৯:৫৯

আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাহকে বিতর্কিত আখ্যা দেওয়া কোনো মুসলমানের কাজ নয়। এটা কাফেরদের কাজ

Yousuf sk

২০২১-০৫-০১ ১৬:০৩:১৩

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু, আমি এবং মুসলিম জাতি ভারতীয় সরকার নরেন্দ্র মোদিকে অনুরোধ জানাচ্ছি আপনি ডঃ জাকির নায়েককে নিজের দেশে ফিরেয়ে আনুন, তিনি একজন আপনার দেশের ই নাগরিক! তিনি একজন সৎ ব্যক্তি ও জ্ঞানী ব্যক্তি ইসলাম প্রচার করে এবং হক কথাগুলো বলছিল এজন্য তাকে অন্য দেশে চলে যেতে হয়েছে, আপনারা তাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন, দেশে গজব শুরু হয়ে গেছে করোনা মহামারী এবং অক্সিজেনের অভাব যেখানে সেখানে আগুন তার কারণ এই যে জ্ঞানী ব্যক্তিদের কে ইসলাম প্রচারক দের কে বিনা দোষে অপমান করতেছেন বিনা দোষে মিথ্যা অপবাদ দিতেছেন ইসলাম প্রচার করতে বাঁধা দিতেছেন, এমনকি মুসলিম জাতির উপর অত্যাচার করছেন ভারতে মুসলিমদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছেন এজন্য গজব গুলো আসছে, সামনে আরো বড় বড় গজব আসবে অপেক্ষা করুন, তাই সবাই আমার অনুরোধ জানাচ্ছি ভারতকে অবিলম্বে ডক্টর জাকির নায়েক কে দেশে ফিরিয়ে এনে আগের মতোই তাকে পারমিশন দেন, সেই ইসলাম প্রচার করবে ইসলাম প্রচার করা বাদ দিয়ে তিনি যদি খারাপ দেখে যান খারাপ কথা বলেন তবে তার ব্যবস্থা নেবেন কিন্তু তিনি তো খারাপ কথা বলেন না তিনি মানুষকে সঠিক পথে ডাকেন মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করেন, যাই হোক আপনার মান সম্মান বাঁচাতে ভারতের মান সম্মান বাঁচাতে নিজের দেশে ফিরিয়ে আনুন। হে আল্লাহ আপনি ডক্টর জাকির নায়েকে কে হেফাজতে রাখুন এবং সে যেন নিজের দেশে এসে ইসলাম প্রচার করতে পারে পুনরায় সেই তৌফিক দিন আমীন।

Mohammad Hoque

২০২১-০৫-০২ ০৪:৫৭:১২

Zakir Nayek is a scholar of comparative religion. He has freedom of speech and the listener has the freedom to listen or ignore him. But Hindu Fundamentalist government of India, with the assistance of anti-Islamic forces has been trying to muzzle him, harash him, insult him . The great Imams of Islam such as Imam Abu Hanifa was imprisoned. He knows that the preaching of Islam is a very difficult work. But Allah will grant him reward for his holy work. His lecturers serve as inspiration to many people and he would come out of his debacle Insha-Allah.

মোঃ সোহেল রানা

২০২১-০৫-০১ ১৫:৫৪:২৪

আলাহামদুলিল্লা। ইন্টারপোল ভারতের মৌলবাদী,কাফির, জালিম সরকারের মিথ্যা, বানোয়াট অভিযোগ বুঝতে পেরেছে। আশাকরি খুব দ্রুতই অন্ধ বিজেপি সরকারের উপর আল্লাহর শাস্তি বর্ষিত হবে।

Mohammad Islam

২০২১-০৫-০১ ১২:৩৬:২৫

আমি মানবজমিন পত্রিকার একজন নিয়মিত পাঠক এবং অনেক ভালো লিখবার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাই সম্পাদক সাহেবকে, কিন্তু মুসলিম উম্মাহর প্রানের চেয়ে প্রিয় ব্যক্তিকে বিতর্কিত বলা একজন মুসলিম সম্পাদক দ্বারা কেমন যেন লাগে.

মাহবুবুর রহমান খান

২০২১-০৫-০১ ১১:০৬:৪৮

বিতর্কিত শব্দের সাথে একমত নই।

Mohon

২০২১-০৫-০১ ১১:০৬:৪৩

জাকির নায়েকের নামের পাশে বিতর্কিত শব্দটা ব্যাবহার করা মোটেই উচিত হয়নি। আশা করি শব্দটা অপসারণ করা হবে। উনি বিতর্কিত নয়, সকল ধর্মের কাছেই সমাদৃত।

খলিফা মাসুম

২০২১-০৫-০১ ১১:০৫:১৩

জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ তার পেছনের মূল কারণ ইসলামফোবিয়া ও রাজনীতি এটা স্বচ্ছ জলের মত পরিষ্কার। ইন্টারপোলের সিদ্ধান্ত যথার্থ নতুবা ইন্টারপোলে বিশ্ব মানবতার কাছে বিতর্কিত সংগঠন হিসেবে পরিচিত হবে। আশাকরি ইন্টারপোল ধর্মবিদ্বেষী না হয় সত্যের পক্ষে অবিচল থাকবেন। এরকম একজন জ্ঞানী মানুষ। যিনি সকল ধর্মের মানুষের আলোকবর্তিকা। তাকে হেনস্থা করার দায় মোদি সরকার তথা ইন্ডিয়াকে অবশ্যই বহন করতে হবে। ইতিহাস দেরিতে হলেও প্রতিশোধ নেয় এটা সকলের মনে রাখা উচিত।

Jahangir

২০২১-০৫-০১ ১০:৪০:৩৮

Allhamdulliah allah Mohan

শেখ আমিন

২০২১-০৫-০১ ০৯:৫০:২৫

"শুনে রাখো। আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই আর তারা পেরেশানও হবেনা। " (সূরা ইউনুসঃ ৬২)

A.R.Sarker

২০২১-০৫-০১ ০৯:৪৫:৩৩

জনাব জেসমিন যথার্তই বলেছেন। আশা করি ভবিষ্যতে ডা: জাকির এর ব্যাপারে লিখতে বিতর্কিত শব্দ ব্যবহার বাদ দিয়ে প্রগ্যার পরিচয় দিবেন কারন থুতু উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা এসে নিজের মুখেই পরে।

Md.nurul alam

২০২১-০৫-০১ ০৯:৪৫:২১

আল্লাহ যেনো ড.জাকির নায়েক কে সুস্থ রাখেন এবং সহি সালা মতে রাখেন আমিন

Nirbak

২০২১-০৫-০১ ২২:৪৪:৩১

করোনাভাইরাস মনে হয় জাকির নায়েকের নিয়মিত লেকচার শুনে। আর এতে উজ্জীবিত হয়ে ভারতে হামলা করতে পারে বলে প্রমাণ আছে

Reza

২০২১-০৫-০১ ০৯:৪২:৩৩

মানব জমিন ও বর্তমানে বিতর্কিত সংবাদ প্রচার করে। নিরপেক্ষতা হারিয়েছে

Rana

২০২১-০৫-০১ ২১:৫৪:২১

আল্লাহ তুমি ডা. জাকির নায়েক এর মত এই মহান ব্যাক্তি কে হেজাত কর, উনি যেখানে থাকুন না কেন। আমিন

Jesmin

২০২১-০৫-০১ ১৯:৫৬:২৩

মাননীয় প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি, ধর্মীয় বক্তা ড. জাকির নায়েকের ব্যাপারে বিতর্কিত শব্দ ব্যাবহার না করার জন্য অনুরোধ করছি। কারণ তিনি মহান আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাহ, তার আলোচনা সর্বদায় আল্লাহর মহত্ব এবং আল্লাহর কিতাব কুরআনের পক্ষে, তাই তার সম্পর্কে একজন বিধর্মী বিতর্কিত শব্দ ব্যবহার করতে পারে, একজন মুসলিমের পক্ষে তা শোভা পায় না। মনে রাখবেন প্রতিটি নবী রাসুলকে নিয়েই তার জামানার মানুষেরা ঠাট্টা, বিদ্রুপ ও মানসিক নির্যাতন করেছে এবং মানব সমাজে নবী রাসুলদেরকে বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্কিত করে তুলেছিল। তাই আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাহকে বিতর্কিত আখ্যা দেওয়া কোনো মুসলমানের কাজ নয়। এটা কাফেরদের কাজ। কাফেররা তাদের এই কাজের বদলা পরকালে পুরাপুরি পেয়ে যাবে। আশা করি বিষয়টি পরিস্কার হয়ে গেছে।

সুলতান

২০২১-০৫-০১ ০৬:৩৪:৫৮

আলহামদুলিল্লা খুবই আনন্দের সংবাদ। ইন্টারপোলকে ধন্যবাদ। মহান আল্লাহ্র উনার সঠিক বৃন্দাদের সঠিক ভাবেই হেফাজত করেন। আল্লাহ্ হু আকবর

আবুল কাসেম

২০২১-০৫-০১ ০৫:১৯:৫১

যে কারোরই নিজের ধর্ম প্রচারের স্বাধীনতা রয়েছে। জাকির নায়েকও নিজের ধর্ম ইসলামের প্রচারে আত্মনিবেদিত। তিনি ক্ষুরধার যুক্তির কষ্টিপাথরে এবং বৈজ্ঞানিকভাবে বিভিন্ন ধর্মের সাদৃশ্যের আলোচনা করে থাকেন। এতে ইসলামের প্রতি অনুরাগী হয়ে অন্যান্য ধর্মের লোকেরা ইসলাম গ্রহণ করছেন। এটাতো জাকির নায়েকের কোনো অপরাধ হতে পারে না। অন্য ধর্মের পণ্ডিতরাও তাঁদের ধর্মের মর্মবাণী জনগণের কাছে তুলে ধরতে পারেন। যদি জনগণ ভালো মনে করেন তাহলে তাঁদের ধর্ম জনগণ গ্রহণ করতে পারে। ব্যর্থতার গ্লানি বহন করে নিতান্ত হিংসার বশবর্তী হয়ে জাকির নায়েকের পেছনে লাগা কোনো সমাধান নয়। হিন্দু ধর্মের মতো এতো অমানবিক ধর্ম পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই। এই সেদিনও সতীদাহ প্রথা প্রচলিত ছিলো তাদের সমাজে। বিবাহিত মহিলাদের সতিত্ব পরীক্ষার একটা নিষ্ঠুরতম ও জঘন্যতম পদ্ধতি ছিলো সতীদাহ প্রথা। মৃত স্বামীর জ্বলন্ত চিতায় ঝাঁপিয়ে পড়তে হতো অথবা ঝাঁপিয়ে পড়তে বাধ্য করা হতো একজন নিরপরাধ অবলা নারীকে। এরচেয়ে নিষ্ঠুর, বিভৎস ও হৃদয়বিদারক খেলা পৃথিবীতে আর কিছু হতে পারে না। রাজা রাম মোহন রায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিক আন্দোলন ও প্রতিরোধের মুখে অবশেষে ১৮২৯ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সীতে সতিদাহ প্রথাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করা হলেও ভেতরে ভেতরে ভারতের কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিন্দু মৌলবাদীদেরা এই বিভৎস প্রথা আরো অনেক সময় ধরে চালু রাখে। হিন্দু ধর্মের জাতপাতের করুণ ইতিহাস বলে শেষ করা যাবে না। হিন্দুরা এতোটাই অনুদার যে তারা মহান সৃষ্টি কর্তার মহান সৃষ্টি মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছে। বৈষম্যের এক জ্বলন্ত উদাহরণ হিন্দু সমাজ। ছোটো-বড়ো, অশিক্ষিত-শিক্ষিত ও গরীব-ধনী মানুষের মধ্যে তারা বৈষম্যের বিভক্তির দেয়াল তৈরি করে মানবতাকে পদদলিত করেছে। এক জাতের সাথে অন্য জাতের বিয়ে শাদী ও আত্মীয়ের সম্পর্কে তারা বাধা প্রদান করে। এমনকি স্রস্টার নিকট প্রার্থনা করতে মন্দিরেও উঁচু নীচু জাতের সহবস্থান তারা মানতে পারেনা। কথিত বড়ো জাতের সামনে মাথা নীচু করে ছোটো স্তরের লোকেরা সিজদাহ্ করা আবশ্যিক হিন্দু ধর্মে। সমাজ জীবনের প্রতিটি স্তরে বিভাজনের দেয়াল হিন্দু ধর্মের মূলকথা। বৈষম্য আর অশান্তি হিন্দু ধর্মে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। জাতের ছোটো বড়ো শ্রেণি তৈরি করে তারা ছোটোদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে যাচ্ছে। হিন্দু ধর্মের মূল গ্রন্থ সমূহে মূর্তি পূজা নিষিদ্ধ থাকলেও ব্রাহ্মণ্য জাতের হিন্দুরা তাদের শ্রেণি স্বার্থে মূর্তি পূজা চালু রেখে তারা বিশেষ মর্যাদা ভোগ করছে প্রতারণাকে আশ্রয় করে। ড. জাকির নায়েক বিভিন্ন ধর্মের তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে হিন্দু ধর্মের গোমর ফাঁস করে দিতে থাকেন। এটাই মৌলবাদী হিন্দুদের দীর্ঘদিনের প্রতারণামূলক কায়েমি স্বার্থে আঘাত করে। কথায় যুক্তি যেখানে অচল শক্তি সেখানে প্রবল হয়। ভারতের বাঘা বাঘা হিন্দু মৌলবাদী পণ্ডিতেরা যুক্তিতে ও বিতর্কে জাকির নায়েকের কাছে ধরাশায়ী হয়ে শেষ পর্যন্ত শক্তি প্রয়োগের পথ বেচে নিয়েছে। জাকির নায়েকের যুক্তির তীক্ষ্ণতায় হিন্দু ধর্মের অন্তঃসারশূন্যতার ইতিবৃত্ত প্রকাশ হয়ে গেলে ভারতের লাখ লাখ নিপীড়িত অধিকার বঞ্চিত হিন্দু মানুষ ইসলামের চির শান্তি ও মুক্তির ছায়াতলে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।এটাই ভারতের তথাকথিত উঁচু-জাতের হিন্দুদের গাত্রদাহের কারণ। তারা জাকির নায়েককে শায়েস্তা করার জন্য অনেক ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু যে মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ রব্বুল আলামীন জাকির নায়েককে বিপথগামী মানুষের হেদায়েতের জন্য মনোনীত করেছেন তিনিই তাঁকে হেফাজত করে আসছেন। আর ভবিষ্যতেও জাকির নায়েক ও তাঁর অনুসারীদের ভরসা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। মুমিনগণের ভরসা ও নির্ভরতা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা উপরেই। এধরণের মুমিনগণের অবস্থা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন মজিদে বর্ণনা করেছেন এভাবেঃ "তাদেরকে মানুষেরা যখন বললো, তোমাদের বিরুদ্ধে এক বিশাল বাহিনী জমায়েত হয়েছে, অতএব তোমরা তাদের ভয় করো। তখন একথা মুমিনদের ঈমানকে আরো বাড়িয়ে দিলো। তারা বললো আল্লাহ তায়ালাই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই সর্বোত্তম কর্মবিধায়ক। অতপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও নিয়ামত সহকারে এরা ফিরে এলো, কোনো রকম অনিষ্টই তাদের স্পর্শ করতে পারলোনা। এরা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথই অনুসরণ করলো। বস্তুত আল্লাহ তায়ালা মহা অনুগ্রহশীল।" সূরা আলে ইমরানঃ১৭৩-১৭৪। ভারতের কোটি কোটি মানুষ এখনো সামাজিক সুবিচার, আত্মমর্যাদা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত। অশিক্ষা, কুশিক্ষা ও কুসংস্কার কুরে কুরে খাচ্ছে দরিদ্র পীড়িত ভারতীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে। আল্লাহ তায়ালা একদিন না একদিন এসকল অসহায় বনী আদমদের সকল প্রকার নিপীড়ন থেকে মুক্তি দেবেন ইনশাআল্লাহ।

ওয়াদুদ

২০২১-০৫-০১ ০৫:১৬:৫২

হে কাগুজে বন্ধু প্রিয় ভারত,তোমাদের পরামর্শ দিচ্ছি এখনো সময় আছে মানবিক হওয়ার। নতুবা প্রকৃতির অপার পদ্ধতি সময়মতো সব কিছুই তোমাদের ফিরিয়ে দিবে।সংযত হও, মানবিক হও।

Mohd. Nazrul Islam

২০২১-০৫-০১ ১৭:২২:৫৫

Inshallah, Justice might be done for the pious Muslims.

MD Moynul Islam

২০২১-০৫-০১ ০৪:১৫:০০

যে ব্যক্তি ন্যায়ের পথে থাকবেন মহান আল্লাহ তাকে রক্ষা করবেন।

JULFIQUER ALI CHOWDH

২০২১-০৫-০১ ১৭:১৩:৫০

আল্লাহ তুমি ডা. জাকির নায়েক এর মত এই মহান ব্যাক্তি কে হেজাত কর, উনি যেখানে থাকুন না কেন। আমিন

shabir

২০২১-০৫-০১ ০৩:৩৮:৫০

মহান আল্লাহ জাকির নায়েক সাহেব কে হেফাজত করবে। দুশমনরা যতই বাড়ুক।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আলোচিত মিতু হত্যাকাণ্ড

সাবেক এসপি বাবুলকে প্রধান আসামি করে মামলা

১২ মে ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status