আইনজীবী- পুলিশের বাগবিতণ্ডা এবার প্রতিবাদলিপি দিল ঢাকা বার

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ২০, ২০২১, মঙ্গলবার, ৮:০৩ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

নার্গিস পারভীন মুক্তি নামে এক আইনজীবী ও পুলিশের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি। সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) প্রবেশের সময় মূল ফটকের সামনে আইনজীবী নারগিস ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার এ বাগবিতণ্ডা হয়। ঘটনাটির ১ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল বাতেন এবং সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মো. হযরত আলীর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে প্রতিবাদলিপি দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ১৯ এপ্রিল ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক কার্যকরী পরিষদের সদস্য এডভোকেট নার্গিস পারভীন মুক্তি ( সদস্য নং ১০২৮০) সিএমএম আদালতে প্রবেশের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে পরিচয় পত্র দেখানো সত্বেও তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। ঢাকা আইনজীবী সমিতি উক্ত ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে বিজ্ঞ আইনজীবীগণ এমন বিরুপ পরিস্থিতির সম্মুখীন না হন, এ ব্যাপারে সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করছি।

ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকার সিএমএম আদালতের সামনের সড়কে পুলিশ- আইনজীবীর তর্ক বিতর্কের ঘটনা ঘটে। এরপর আরেক আইনজীবী এসে বলেন, উনি এখাকার সিনিয়র আইনজীবী।
আমাদের ভার্চুয়াল কোর্ট চলছে। এরপর একাধিক আইনজীবী এসে ঘটনার রেশ টানেন।

পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার প্রসঙ্গে আইনজীবী নার্গিস পারভীন মুক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি সোমবার ভার্চুয়াল কোর্টে শুনানির জন্য বাসা থেকে বের হই। আমাকে একবার পোস্তগোলা ব্রিজের সামনে পুলিশ সিএনজি থেকে নামিয়ে দেয়। তারপর আমি অনেক পথ হেঁটে রিকশা নিয়ে রায় সাহেব বাজারের সামনে এলে আবারও রিকশা থেকে নামিয়ে দেয় পুলিশ। এরপর হেঁটে সিএমএম আদালতের মেইন গেটের সামনে আসি। তখন আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেয় না পুলিশ। জিজ্ঞেস করে আমি কে? অথচ আমার গলায় আইনজীবীর আইডি কার্ড। আমি ওই পুলিশকে বারবার বললাম আমি আইনজীবী, আমার গলায় আইডি কার্ড রয়েছে। তাছাড়া আমি অসুস্থ, অনেক পথ হেঁটে এসেছি। তারপরও আমাকে এভাবে তর্কে জড়ালেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের আদালত ভার্চুয়াল হলেও আদালতের পেপারস, ডকুমেন্টস শারীরিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে আদালতে জমা দিতে হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের আদালতে যেতে হয়। আমার প্রশ্ন, আইনজীবীদের আইডি কার্ড সঙ্গে থাকার পরেও পুলিশ কেন এত হয়রানি করবে?

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

রাজা

২০২১-০৪-২২ ১০:১৯:৩৬

আই ডি কার্ড থাকার পরও পরিচয় জানতে চায় ! তাইলে তো সে লেখা পড়া জানে কি না সন্দেহ ............... চাকরি পেল কিভাবে ?

SJ

২০২১-০৪-২০ ২২:১৫:২৩

লক ডাউন ইহার উৎপাদক। ইহা ছিলো এক অশুভ লগ্নের লকডাউন। মানব জাতির বুঝতে অনেকটা সময় লেগে যাচ্ছে। লক ডাউন কাজের নয়। লক ডাউন মানুষকে সুস্থ নয় অসুস্থ করবে। যদি কোনো বিজ্ঞ মানুষ লকডাউনের উপকারী ব্যাখ্যা দিতে পারে আমি তাহার পাল্টা ব্যাখ্যা দিবো অতঃপর যোগ বিয়োগ করা হবে, তারপর ফলাফল নির্ধারন করা হবে।

palashbishwas

২০২১-০৪-২১ ১০:১০:২৭

এখন যদি বাংলাদেশের সব আইনজীবি/ডাক্তার এটার প্রতিবাদ করে কর্মবিরতিতে যায়। দেশের পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে এটা আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি। তাই সকলকে নমনীয় হওয়ার আহবান জানাচ্ছি। “হাতে অস্ত্র থাকলে নিরীহ মানুষেরও চোখ পড়ে পশুপক্ষীর দিকে” এটা জাতি আজ জানে। কাজেই জনগণ আপনাকে অস্ত্র দিয়েছে জনগণকে পাহাড়া দেওয়ার জন্য। কারও সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলার জন্য নয়। বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ এসমস্ত ব্যাক ডেটেড পুলিশকে বিভাগ থেকে অবসরে পাঠিয়ে নতুন প্রজন্মের অফিসার সব জায়গায় নিয়োগ দিন।

Faruque Ahmed

২০২১-০৪-২১ ০৮:৫৬:৫৩

তোমার ভয় পাওয়া উচিত তাদের পিস্তল, বন্দুক রয়েছে। তোমার কি আছে ? শুধু আইডি কার্ড?

Imran

২০২১-০৪-২১ ০৮:৩৬:১৫

পুলিশি রাস্ট যখন হয়, আইন আদালত যখন চোখ বুজে সহ্য করেন তখন এটাই হওার কথা ।

কাজি

২০২১-০৪-২০ ১৯:২৫:৩৫

ছবিটি ভালো ভাবে লক্ষ্য করুন। পুলিশ মাস্ক পড়েছে নাকের নীচে।

কাজি

২০২১-০৪-২০ ১৯:২৩:৪৩

United you stand divided you fall. এখন সময় হল সম্মিলিত ভাবে করোনা মোকাবিলা করার। পুলিশ, আইনজীবী ও ডাক্তারের সঙ্গে বিতর্কে জড়ানো কাম্য নয়।

সালমান

২০২১-০৪-২০ ১২:৪১:২৫

ডাক্তার আইনজীবী কর্মজীবী পথ শিশু কেউ রক্ষা পাচ্ছেনা এদের হাত থেকে। দেশে লকডাউনের নামে কি চলের তাতো জনগণ ভালোই বুঝের। যেখানে করোনার সঙ্গে মানুষ লড়াই করের। সেখানে সরকার লড়াই করের হেফাজত নির্মুল করতে।

Abu Chy

২০২১-০৪-২১ ০১:০৪:০০

কিভাবে দেশের মানুষ আইন মেনে চলা ও প্রয়োগ করার সহায়ক সংস্কৃতি সৃষ্টি করবে বুজতেই পারিনা। নিরীহ , সাধারণ মানুষজনকে পুলিশ ধমকের উপর রাখে আর তুই তুকারি করে। আর নিরীহ সাসারণ মানুষজন তাদেরকে স্যার স্যার বলে সম্মুদন করে। তারপরও সবকিছু ঠিক থাকলে বলে ওঠিক, দাবি করে উৎকোচ। অপরদিকে আমাদের দাম্বিক ভাই বোনদের কাছে আইন প্রয়োগের সুবিধার্তে কাগজ দেখাতে চাইলে তাদের মান সম্মানের চরম আঘাত হয় আর তারা রেগে যান। হয়তো পুলিশ চোখে দেখেও কাগজ দেখাতে যখন বলে তখন একটু বিরক্তিকর মনে হয়। কিন্তু আইন প্রয়োগের স্বার্থে সমাজের সচেতনরাইতো সর্বাগ্নে এগিয়ে আসবেন এবং সবাইকে আইন মণ ও প্রয়োগে সহায়ক হবার সংস্কৃতি সৃষ্টি করবেন । পুলিশই বা কেন পরিচয় চোখে দেখেও উনাদের নিজ হাতে তুলে তাদেরকে দেখাতে হবে বুজিনা। মনে হয় বড় বড় কর্তা ব্যাক্তিদের দাম্ভিকদের ধমক আর তুই তুকারি শুনার জন্যে । হয়তো পুলিশ ভাইয়েরা তাদের সে অভ্যাস বদলাতে পারেনা যে অভ্যাস গড়ে তুলছেন। যেমন প্রতিদিন নিরীহ সাধারণ মানুষের কাছে বাড়তি কাগজ চেয়ে চেয়ে সব ঠিক দেখেও ঠিক নয় বলে কিছু উৎকোচ দাবি করার অভ্যাস।

মারুফ

২০২১-০৪-২০ ১১:৩৯:০৪

পুলিশের কাছে কি দেশটা ইজারা দেয়া হয়েছে? তাদের অাচরণে এমনটাই বুঝাযা।

Shakahan sazu

২০২১-০৪-২০ ১০:৪৪:১৮

কতিপয় পুলিশ সদস্য অতি উৎসাহি হয়ে সাধারন মানুষসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিদের সাথেও খুব খারাপ আচরন করছে ৷ এটার ভবিষ্যৎ শুখকর নয় ৷

Sajal Chowdhury

২০২১-০৪-২০ ১০:২৬:১৮

কিছুই বলার নেই।একে তো রমজান তার উপর যা গরম পড়ছে কার মাথা কতক্ষন ঠিক থাকে? আর আমাদের পুলিশের তো স্বভাবই হলো কাউকে ধরে আনতে বললে বৈধে আনে।

Unnamed

২০২১-০৪-২০ ০৯:৫০:১৫

State of police

Md. Altaf Hossain

২০২১-০৪-২০ ২২:৪৩:২০

পুলিশ আসলেই বাড়াবাড়ী করছে।

shahid

২০২১-০৪-২০ ২২:১৩:৫৪

আচ্ছা আমরা যারা নিরীহ মানুষ, যাদের উপরে কেউ নাই, নিচেও কেউ নেই । যারা গ্রেপ্তার হলে ছুটানোর কেউ নাই । যারা গুলিবিদ্ধ হলে হসপিটালে নেওয়ার কেউ নেই । তাদের জন্য কি রোহিঙ্গাদের মতো নিরাপদ কোন পুলিশ মুক্ত আবাসিক এলাকা করা যায় না? তাহলে অন্তত অবসর জীবনে ওই রকম একটা নিরাপদ এলাকায় থেকে এবাদত বন্দেগী করে বাকি জীবনটা কাটাতাম।

অনিচ্ছুক

২০২১-০৪-২০ ০৮:০১:০৫

আচ্ছা আমরা যারা নিরীহ মানুষ, যাদের উপরে কেউ নাই, নিচেও কেউ নেই । যারা গ্রেপ্তার হলে ছুটানোর কেউ নাই । যারা গুলিবিদ্ধ হলে হসপিটালে নেওয়ার কেউ নেই । তাদের জন্য কি রোহিঙ্গাদের মতো নিরাপদ কোন পুলিশ মুক্ত আবাসিক এলাকা করা যায় না? তাহলে অন্তত অবসর জীবনে ওই রকম একটা নিরাপদ এলাকায় থেকে এবাদত বন্দেগী করে বাকি জীবনটা কাটাতাম।

ক্ষুদিরাম

২০২১-০৪-২০ ০৭:৩৪:১০

ডাক্তারের সংগেও এমন আক্রমনাত্মক ব্যাবহারের কারনে গতকালই মানবজমিনে কমেন্টে লিখেছিলাম যে সারাদেশে পুলিশের আচরন সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছে। রাস্ট্রিয় অস্ত্র কাধে ঝোলানোর সাথেসাথে পুলিশ আর এখন কাওকেই কেয়ার করেনা। এমনকি নিজেদের হাতের সক্ষমতার পরিক্ষা করতে তারা অকাতরে মানুষ হত্যা করে পাখির মত। অথচ কিকারনে মানবজমিন আমার সে কমেন্ট ছাপেনাই তা কেবল তেনারাই বলতে পারে। তবে এটাও ঠিক তেনারাও কারোনা কারো তাবেদারী করে, যদিও তেনাদের স্লোগান ঠিক উল্টোটাই !!

Adv. N. I. Bhuiyan

২০২১-০৪-২০ ০৭:১১:১২

আপা দয়া করে কিছু মনে করবেন না ওই পুলিশকে ক্ষমা করে দিন কারণ কিছু পুলিশ আছে যারা অর্ধ শিক্ষিত অশিক্ষিত সিপাহী পদে চাকুরী নিয়ে অভিজ্ঞতা বয়সের কারণে কিছু বড় পদে এসেছে সে হয়তো আপনার গলার পরিচয় পত্রে যে আইনজীবী সমিতির নাম লেখা আছে তা পড়ার ক্ষমতা তার নাই তাকে মাফ করে দিন এজন্য জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত আমরা দুঃখিত

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

সরকারি নথি সরানোর অভিযোগ

প্রথম আলোর সাংবাদিককে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ

১৭ মে ২০২১

পুলিশের এএসআই বরখাস্ত

কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারতফেরত তরুণীকে ধর্ষণ

১৭ মে ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



জেরুজালেম পোস্টের মূল্যায়ন

ছোট যুদ্ধে ইসরাইল, দীর্ঘ যুদ্ধে জিতবে হামাস

DMCA.com Protection Status