পোল্ট্রি শিল্পে করোনার হানা

এম এম মাসুদ

প্রথম পাতা ২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৫ অপরাহ্ন

করোনায় দেশের যেসব খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো পোলট্রি খাত। করোনার কারণে গত বছরের অর্থনৈতিক ক্ষতির ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই নতুন লকডাউন ও করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ফের বিপাকে পড়েছে পোল্ট্রি খাতের খামারিরা। করোনার প্রথম ঢেউয়ে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ে অনেক ব্যবসায়ী ব্যবসা সংকুচিত করেন। অনেকের ব্যবসাই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে পোল্ট্রি খাতের কয়েক লাখ প্রান্তিক খামারির অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে পড়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়া ও সরবরাহ দু’টিই পড়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে।

জানা গেছে, গত বছর করোনার এই সময়ে সংক্রমণ বাড়ায় খামারি এবং একদিনের বাচ্চা উৎপাদনকারী হ্যাচারি মালিকরা বড় লোকসানে পড়েন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ একই পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে তাদের। গত কয়েক দিনে একদিনের মুরগির বাচ্চার দাম প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
এর প্রভাবে বাজারে মুরগির দাম বেশ কমেছে। ডিমের দামও কমেছে। এতে ক্রেতার স্বস্তি মিললেও খামারিদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, পোল্ট্রি ফিডের মূল্যবৃদ্ধি একটি বড় সমস্যা। পোলট্রি ফিডের অন্যতম উপকরণ ভুট্টার মৌসুম চলছে এখন। ভুট্টার মৌসুমে পোলট্রি ফিডের দাম বাড়াটা অযৌক্তিক।

এদিকে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আবারো বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান শুরু হতে থাকায় এবং পর্যটন খাত চাঙা হয়ে ওঠায় পোল্ট্রি মুরগি ও ডিমের চাহিদা বাড়তে থাকে। খামারিরাও লোকসান কাটিয়ে উঠতে বেশি দামে মুরগি বিক্রি করতে শুরু করেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে ফের একই আশঙ্কা ভর করছে তাদের মাঝে।
পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, মুরগির দাম হ্রাস: একদিকে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে কমেছে মুরগি ও ডিমের দাম। গত বছর পোল্ট্রি  ফিডের দাম টনপ্রতি ছিল ৩১ হাজার টাকা, তখন ডিমের দাম ওঠে ৭-৮ টাকায় আর এ বছর পোল্ট্রি খাদ্যের টন ৪১ হাজার টাকা, অথচ ডিমের দাম কমে নেমে এসেছে ৪-৫ টাকায়! লকডাউনে কমেছে মুরগির দাম। এ অবস্থায় দেশের কয়েক লাখ প্রান্তিক খামারি দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, সমপ্রতি ৫০ কেজি ব্রয়লার মুরগির খাবারের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। লেয়ারের দাম ৫০ কেজির বস্তায় বেড়েছে ৭৫ টাকা। প্রতি টন খাদ্যের দাম বর্তমানে ৪১ হাজার টাকা, যা গত বছর ছিল ৩১ হাজার টাকা। প্রতি টনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

কয়েক মাস আগে খামার পর্যায়ে প্রতি কেজি সোনালী মুরগির দাম ১৮০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়। আর ব্রয়লার মুরগির কেজি ১০০ টাকা থেকে হয়ে যায় ১৩০ টাকা। চলতি মাসের পাঁচ তারিখ থেকে ৭ দিনের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে সরকার। তখন থেকেই খুচরা বাজারে পোল্ট্রি পণ্যের দাম কমে যায়। বর্তমানে খামার পর্যায়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা ও প্রতি কেজি সোনালী মুরগি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এছাড়া লাল ডিম প্রতিটি ৫ টাকা চার পয়সায় ও সাদা ডিম ৪ টাকা চার পয়সায় বিক্রি হয়।

বিক্রেতারা জানান, লকডাউন শুরুর পরে চাহিদা কমেছে। এ কারণে দাম কমছে।
খামারি আশিক জানান, এক কেজি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে খরচ হয় ১২০-১২৫ টাকা। দেশে প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ৩০ লাখ মুরগির বাচ্চা তৈরি হয়। একেকটি বাচ্চা উৎপাদনে গড়ে খরচ ১৫ থেকে ২০ টাকা। মুরগির বিক্রি কম হওয়ায় নতুন করে বাচ্চা তুলতে তেমন আগ্রহ নেই খামারিদের। প্রতিটি এক দিনের ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা ২৮-৩০ টাকায় নেমেছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ৪৫-৪৮ টাকা ছিল।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত ১৪ই এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। একইদিন থেকে রমজানও শুরু হওয়ায় পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের আরো বেশি লোকসানে পড়তে হয়। স্বাভাবিক সময়েও রমজানে সাধারণত বেকারি ও কনফেকশনারিগুলোতে ডিমের চাহিদা কমে যায়। ফলে রমজানে দাম কমে যায় ডিমের।
পোল্ট্রি খামারি শিমুল হক বলেন, লকডাউনের কারণেও ডিমের বিক্রি কমে গেছে। প্রতি পিস সাদা ডিমে খামারিদের ৩ টাকা করে লোকসান হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পোল্ট্রি খাত ধ্বংস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের (বিপিকেআরজেপি) তথ্য অনুসারে, দেশে প্রায় ৯৮ হাজার পোল্ট্রি খামারি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৮ শতাংশ মহামারিকালে খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
উদ্যোক্তারা জানান, পোল্ট্রি ব্যবসায় ডিম ও মাংস উৎপাদন এবং হ্যাচিংয়ের মতো কয়েকটি ভাগ রয়েছে। বড় খামারগুলোতে সবগুলো কাজ করা হলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারগুলোতে সাধারণত এগুলোর একটি বা দুটি কাজ করা হয়।

হ্যাচারি ব্যবসায়ী মোতালেব সরকার বলেন, বাচ্চা ফুটানোর জন্য তিনি ১৮ টাকা দরে সোনালী মুরগির ডিম কিনেছেন। আর তার হ্যাচিং খরচ হয়েছে ৫ টাকা। সেই হিসাবে একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চা ২৫ টাকার মতো বিক্রি করা যাবে বলে ধারণা ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে একদিন বয়সী মুরগির বাচ্চার দাম নেমে এসেছে মাত্র ৮ থেকে ৯ টাকায়। ফলে শুধু এক ব্যাচ হ্যাচিংয়েই প্রায় ২ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে তাকে। দাম পড়ে যাওয়ার পর হ্যাচিং বন্ধ করে দিয়েছি।

পোল্ট্রি খামারি মিলন বলেন, মুরগির বাচ্চার দাম অনেক বেশি কমে গেছে। যদি খুচরা বাজারে মুরগির দাম ১০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে বাচ্চার দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। করোনার প্রভাব ছাড়াও মৌসুমি রোগবালাই ও মুরগির খাবারের দাম বাড়ায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামার ব্যবসায়ীদের ক্ষতি আরো বেড়েছে।

মুরগির বাচ্চা উৎপাদকদের সংগঠন ব্রিডার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বিএবি) সভাপতি মো. রাকিবুর রহমান টুটুল বলেন, গত বছর করোনার আগে থেকেই খারাপ অবস্থায় ছিল পোল্ট্রি খাত। করোনায় আরো বিপর্যয় নেমে আসে। এতে এ খাতে ১১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়। এর পরে বাজার স্থিতিশীল হয়। সরকারের প্রণোদনায় আবার অনেকটা ঘুরে দাঁড়ায়। ভালো দামে গত এক মাস বেচাকেনা হয়েছে। এখন আবার করোনা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে নতুন করে সংকটে পড়তে যাচ্ছে এ খাত।

বিপিকেআরজেপি’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন বলেন, অনেক খামারিই লোকসানের ধাক্কা সামাল দিতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত হয়তো ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হবে। তিনি বলেন, লকডাউনের পাশাপাশি মুরগির খাবারের দাম বাড়ায় ক্ষতির পরিমাণ আরো বেড়েছে।

টেস্টিং কিটের অভাব: টেস্টিং কিটের অভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রচুর মুরগির খাবার ছাড়পত্র পাওয়া যাচ্ছে না। খন্দকার মহসিন বলেন, ছাড়পত্র দেয়ার আগে এসব খাবার পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু টেস্টিং কিটের অভাবে গত ৪ থেকে ৫ মাস ধরে এগুলো পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। খাবার পরিবহন খরচ বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, এ প্রণোদনা হয়তো ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সাহায্য করবে। কিন্তু যদি করোনা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে থাকে, তবে পোল্ট্রি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটবে।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, করোনার প্রথম ওয়েভে ডেইরি খাতে ১৫ হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের সাহায্যের পদক্ষেপ নিতে সরকারের এক বছর সময় লেগেছে। কিন্তু তারপরেও অনুদানের অর্থ যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন তিনি। পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা গত বছরের লোকসান থেকে বের হয়ে এসে ব্যবসায় লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু নতুন লকডাউনে আবারো লোকসানে পড়তে হচ্ছে তাদের। এভাবে চলতে থাকলে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
অবশ্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ জানান, লকডাউনে প্রান্তিক খামারিরা যাতে ক্ষতির মুখে না পড়েন, সেজন্য ভিন্ন চিন্তা করা হচ্ছে। উৎপাদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে পণ্য বাজারজাতের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ সমপ্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে। তাতে বলা হয়, করোনায় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এমনিতেই উৎপাদন মূল্য পাচ্ছেন না তারা, তার ওপর পোলট্রি ফিডের দাম বস্তাপ্রতি ৫০-৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। স্মারকলিপিতে পোল্ট্রি ফিডের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।

বিপিআইসিসি’র হিসাবে, করোনায় লোকসানে সারা দেশে ৩০-৩৫ শতাংশ পোল্ট্রি ফার্ম বন্ধ হয়ে গেছে। আর এ খাতে ক্ষতি প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্রিডার্স ইন্ডাস্ট্রি খাতে ৪৫৮ কোটি টাকা, ফিড শিল্পে ৭৫ কোটি টাকা, বাণিজ্যিক পোলট্রি (ডিম ও মাংস) খাতে ৫০৩ কোটি টাকা, প্রসেসড্‌ ইন্ডাস্ট্রিতে ৩১ কোটি টাকা ও ওষুধ মিনারেল প্রিমিক্সসহ অন্যান্য খাতে ক্ষতি ৮৩ কোটি টাকা।

সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান বলেন, পোল্ট্রি খাত হচ্ছে ক্ষুদ্রশিল্প। এ খাতকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে নিজের ফেসবুক পেজে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে খামারি সোহেল রানা বলেন, খামারিদের গলা চাইপা মাইরা ফালান। ধীরে ধীরে মরার থেকে একবারে মরাই ভালো। আর সহ্য হয় না। খাবারের দাম বাড়ে আর ডিমের দাম কমে। হায়রে আজব দেশ! এই দেশ থেকে মন চায় অন্য কোথাও চলে যাই।
আরেক খামারি আলী আজাদ ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, চিন্তা করার টাইম নাই। খাদ্যের ব্যাগের (বস্তা) মূল্য ২৪শ’-২৫শ’ টাকা, বাচ্চার মূল্য ৬০-৬২ টাকা। অপরদিকে এক কেজি মুরগির মূল্য ১১০ টাকা, ডিমের হালি ৫-৮ টাকা। এরপরও বাচ্চা তোলাই লাগবে.. লোকসান গুনতে হবে।

বিপিআইসিসি সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, পোলট্রি ফিড তৈরির উপকরণ ভুট্টা ও সয়াবিনসহ সবকিছুর দাম ৩০-৩৫ শতাংশ বাড়ছে। কিন্তু সেভাবে বাড়েনি মুরগির মাংস ও ডিমের মূল্য। বেশি দাম দিয়ে খাবার কিনে ফার্মে মুরগি পালন করা কষ্টকর।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যপ্তি: পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের সংগঠনগুলোর তথ্যানুসারে, দেশের ৮৩ হাজার রেজিস্ট্রিকৃত পোলট্রি ফার্মে ৫৭ লাখ মানুষ কাজ করছে। এসব খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ৪২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, দেশে আড়াই লাখ রেজিস্ট্রারড ডেইরি ফার্ম আছে। প্রায় এক কোটি ২০ লাখ মানুষ এই খাতের সঙ্গে জড়িত।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০২১-০৪-১৯ ১৪:১৭:৪৩

সঠিক পরিকল্পনার অভাব। উৎপান ও বন্টন ব্যবস্থায় কোন বিধি নিষেধ আরোপ করা ঠিক হয়নি। নিজস্ব গাড়ি রাস্তায় চলাচল করোনা ছড়ায় না, যদি গাড়ি দরজা বন্ধ থাকে। পোলট্রি খামার সহ সকল খাদ্য সরবরাহ চালু রাখতে সব ধরণের চেষ্টা করা উচিত। পেটের ক্ষিদে নিবারণের ব্যবস্থা চালু রেখে বিধি প্রয়োগ করার আইন করত। Like medical, fire service, police service, food has priority above all 3.

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

আগাম প্রস্তুতির পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে

৯ মে ২০২১

খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া

সরকারি সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ

৯ মে ২০২১

প্রণোদনা নিয়েও গার্মেন্টের ২৫ ভাগ কর্মী ছাঁটাই

৯ মে ২০২১

করোনা মহামারির শুরুতে শ্রমিকের বেতন বাবদ প্রণোদনা নিয়েও ২৫ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করেছে পোশাক কারখানাগুলো। ...

সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ বাড়লো আরো ১৪ দিন

৯ মে ২০২১

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত বন্ধের মেয়াদ আরো ১৪ দিন বাড়ানো হয়েছে। শনিবার পররাষ্ট্র ...

ঘরমুখো মানুষ

৮ মে ২০২১

খালেদার বিদেশযাত্রা

২০ ঘণ্টা নানা তৎপরতা, অপেক্ষা

৭ মে ২০২১



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত



খালেদার বিদেশযাত্রা

২০ ঘণ্টা নানা তৎপরতা, অপেক্ষা

ভয়ের কারণ রয়েছে ভারতের প্রতিবেশীদের

সাতজনের একজন দক্ষিণ এশিয়ার

কয়েকটি দেশে সংক্রমণ কমাচ্ছে টিকা

‘১৫ কোটি লোককে টিকার আওতায় আনতে হবে’

DMCA.com Protection Status