রণক্ষেত্র বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র

শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ৫

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

অনলাইন (১ মাস আগে) এপ্রিল ১৭, ২০২১, শনিবার, ১:০৪ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৬ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের গুলিতে ৫ শ্রমিক নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন- শুভ (২৩), মো. রাহাত (২৪), আহমদ রেজা (১৯) ও রনি হোসেন (২২)। গুলিবিদ্ধ আরেক শ্রমিক হাবিবুল্লাহ (২৫)কে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও শতাধিক শ্রমিক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুলিবিদ্ধ ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টার পর এ ঘটনা ঘটে।  

আহত শ্রমিকরা জানিয়েছেন, এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন বাঁশখালীর কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিচালনায় ছিল চীনা নাগরিকরা।
দীর্ঘদিন ধরে চীনাদের সঙ্গে শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে মতবিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গতকাল শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করেন। আজ সকাল ১১টায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসময় শ্রমিকদের নিবৃত্ত করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস  ও রাবার বুলেট ছুড়ে। এসময় গুলিতে ঘটনাস্থলে ৪ শ্রমিক নিহত হন। আহত হন কয়েক শতাধিক শ্রমিক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুলিবিদ্ধ ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে হাবিবউল্লাহ নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন জানান, বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। ওই সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

millerrozario

২০২১-০৪-১৯ ১৬:২০:২৭

The nasty and dirty neighbouring country is directly involved in this agitation to hamper this Chinese project as they did with other Chinese project works and the police members already have infiltrators of that country; otherwise it is impossible for the local police to kill their own countrymen. It is now up to the Chinese govt to kick out all the free lunching, and cheap nationals and agents of the big neighbouring country, in their own way.

Zakir Hossain

২০২১-০৪-১৭ ২০:৫৩:৪৪

আল্লাহ রব্বুলআলামিনের punishment খুবই ভয়াবহ। খুন করলে মাফ পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

Ashraful Alam

২০২১-০৪-১৭ ১৮:০১:৪৯

করোনায় ১ জন মারা গেলে কত আহাজারি অথচ আওয়ামী বাহিনীর হাতে এ পর্যন্ত কত লোক নিহত হয়েছে এ ব্যাপারে কারও কোন কথা নেই

চিকন আলী

২০২১-০৪-১৮ ০৪:৩৫:০২

যে কোন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে যেখানেই চিনারা কাজ করতে যায়, সেখানেই শ্রমিকদের উস্কানি দিয়ে ভেজাল লাগানোর চেষ্টা করে একটা পক্ষ। আজকে বাঁশখালিতে যা হল একবছর আগে পায়রাতে তাই হয়েছিল। শুনেছি বড়পুকুরিয়াতেও একই ধরণের একটা ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে না পারায় পিডিবির জনৈক বড়বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজন সৎ অফিসারকে নাকি বদলি করেছিলেন।

Humayun

২০২১-০৪-১৭ ০৭:৫২:১৪

আমার মনে প্রশ্ন জাগে, বাংলাদেশের পুলিশ কি বাংলাদেশী!নিজ দেশের মানুষের বুকে কিভাবে গুলি করে।পাকিস্তানের পুলিশ যা করে নাই, তাই করে দেখাচ্ছেন আমার বাংলাদেশি পুলিশ ভাইয়েরা ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

২০২১-০৪-১৭ ০৬:২৯:২৭

কথায় কথায় গুলি চালায় আমার দেশের মানুষের বুকে, এরা কি সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের পুলিশ?

nasir uddin

২০২১-০৪-১৭ ১৭:৪৯:০৫

where lies the difference between Myanmar and Bangladesh?

জিলানী, লন্ডন

২০২১-০৪-১৭ ০৩:০৪:৫৭

খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

Borno bidyan

২০২১-০৪-১৭ ০২:৪৯:২৭

কথায় কথায় গুলি ! কিছুতেই থামছেনা এই দুর্বিসহ মৃত্যু ! পুলিশের আচরণ দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠছে! ব্রিটিশ আমলের ন্যায় পুলিশকে নিরস্ত্র করে হাতে লাঠি ধরিয়ে দেবার সময় হয়েছে !

md maleek

২০২১-০৪-১৭ ০২:৪৩:২০

Wow পুলিশের হাত বন্দুক আছে সবাইরে গুলি করি দাও৷ আমারেও গুলি করি দাও wow

আবুল কাসেম

২০২১-০৪-১৭ ০২:২৫:৪০

বৃটিশের রাজত্ব দেখিনি, তবে শুনেছি, ইতিহাসে পড়েছি। সুজলা সুফলা বাংলার সম্পদ লুণ্ঠন করে বৃটিশদের বিলাসবহুল ও আয়েশি জীবন। বৃটিশ নিয়োজিত জমিদার ও নীল কর দের অত্যাচারের নির্মম কাহিনি ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা নাটকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার দীন বন্ধু মিত্র 'নীল দর্পন' নাটকে নীল কর দের নিষ্ঠুরতার কাহিনী সফলভাবে চিত্রিত করেছেন। বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে বৃটিশরা বিদায় নিলো। শুরু হলো পশ্চিম পাকিস্তানীদের অত্যাচারের ইতিহাস। অর্থনৈতিক বৈষম্যের কশাঘাতে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের জীবন জীবীকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু কথায় কথায় গুলি করে স্বাধীন পাকিস্তানের জনগণের বুক ঝাঁঝরা করে দেয়ার ঘটনা ঘটেনি। বৃটিশরাও তা করেনি। তবে ৫২- এর ভাষা আন্দোলনে ছাত্ররা কার্ফু ভঙ্গ করলে পুলিশ গুলি করে। এরপর ৭০/৭১ সালে পুলিশের গুলিতে বাঙালিরা নিহত হয়েছে। কিন্তু কথায় কথায় নির্বিচারে গুলি করা এখনকার মতো তখনকার পুলিশের মধ্যে দেখা যায়নি। বলা হয়ে থাকে পুলিশ জনগণের বন্ধু। তাহলে বন্ধু বন্ধুর বুকের ওপর গুলি করতে কি একটুও হাত কাঁপছেনা? গুলি চালানোর আগে বিক্ষোভ কারীদের নিবৃত্ত করার সহজ কোনো পথে চেষ্টা করা যেতো না? সব নবী রাসূলগণ স. শ্রমিক ছিলেন। হযরত আদম আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়ার প্রথম চাষি ছিলেন। হযরত শুয়াইব ও হজরত হারুন আলাইহিমাস সালামের পেশা ছিল পশু পালন ও দুধ বিক্রি করা । হজরত মুসা আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন রাখাল ছিলেন। ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর রাদিআল্লাহু আনহু এবং মহানবি হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সৎ ব্যবসায়ী। তবে রাসুলুল্লাহ স. নবুওয়ত লাভের পূর্বে খাদিজাতুল ক্কুবরা রা. এঁর ছাগল, দুম্বা ইত্যাদির রাখাল ছিলেন। হযরত লুত ও হযরত শিস আলাইহিমাস সালাম ছিলেন কৃষক। হযরত ইদরিস আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন দর্জি। হযরত নুহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। হযরত ইবরাহিম, হযরত ইয়াকুব হযরত হুদ, ও সালেহ আলাইহিমাস সালাম ছিলেন ব্যবসায়ী। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- আল্লাহ দুনিয়াতে এমন কোন নবী পাঠাননি যিনি ছাগল ও ভেড়া চরাননি। তখন সাহাবিরা রা. জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল স. আপনিও? রাসূলুল্লাহ স. বললেন, হ্যাঁ! আমিও মজুরীর বিনিময়ে মক্কাবাসীদের ছাগল ও ভেড়া চরাতাম। এ থেকেই বুঝা যায় শ্রমিকের মর্যাদা কতোটা বেশি। হযরত আবু বকর রা.  থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ স. বলেন- ‘অধীনস্থদের সাথে দুর্ব্যবহারকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না।' ইবনে মাজাহ পৃষ্ঠা নংঃ২৬৯৭। শ্রমিকের অধিকার নবীজী স. আজ থেকে চৌদ্দশ বছর আগে দিয়ে গেছেন। হযরত রাসূল স. শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদার প্রতি গুরত্ব দিয়ে মালিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলেন-‘শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার পারিশ্রমিক পরিশোধ করে দাও’।  ইবনে মাজাহ, হাদীস নংঃ৮১৭। ঠুনকো অজুহাতে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা ভয়ংকর অপরাধ। মহানবী স. বলেন, কিয়ামতের দিন আমি তিন ব্যক্তির বিপক্ষে থাকব। ...তার একজন সে যে কাউকে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার পর তা থেকে কাজ বুঝে নিয়েছে অথচ তার প্রাপ্য দেয়নি। বুখারি, হাদিসঃ২২২৭। শ্রমিকের অধিকারের গুরুত্ব উপরিউক্ত আলোচনা থেকে পরিষ্কার হয়েছে। মানুষ হত্যা করা মহাপাপ। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, "যে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করলো সে যেনো পুরো পৃথিবীকে হত্যা করলো, আর যে একজন (নিরপরাধ) মানুষকে বাঁচিয়ে দিলো সে যেন পুরো পৃথিবীকে হত্যার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিলো।" (সুরা আল মায়েদাঃ৩২। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "আল্লাহ দুনিয়া ধ্বংস হওয়া সয়ে যাবেন, তবে একজন নিরপরাধ মুসলমান হত্যা সহ্য করবেন না।" তিরমিজি, হাদিস নংঃ১৩৯৫। আল্লাহ তায়ালা হেদায়েত নসিব করুন।

HM Hasan

২০২১-০৪-১৭ ০২:২০:০৯

আর কতো গুলি চালাবি হারামির দল।

রাজা

২০২১-০৪-১৭ ১৪:৩৮:২৮

এখন যে কোন মিছিল বা বিক্ষোভে পুলিশ এতো গুলি চালায় কেন ! জীবনের দাম নাই , নাকি গুলি বেশি থাকে।

sk selim

২০২১-০৪-১৭ ০১:১০:১১

পুলিশের গুলি করা ভাত খাওয়ার থেকেও সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে

ফরিদ আহম্মেদ

২০২১-০৪-১৭ ০১:০১:৫২

গুলি করে মানুষ মারলে এখন পুলিশের প্রমশন হয়! কারন দেশের এই মানুষ গুলা এখন সরকারের শত্রু।

Monir

২০২১-০৪-১৭ ১৩:৫২:৪৫

অসহায় দরিদ্র রোজাদার শ্রমিক মজদুর তো বেশি কিছু চায়নি । ওরাতো পে-স্কেল,উৎসব বোনাস চায়নি । কেন এত নির্মমতা ?

Monir

২০২১-০৪-১৭ ১৩:৫০:৫৮

অসহায় দরিদ্র রোজাদার শ্রমিক মজদুর তো বেশি কিছু চায়নি । কেন এন নির্মমতা ?

Tasmin

২০২১-০৪-১৭ ০০:৩৫:৫৬

কথায় কথায় গুলি। এগুলি তো প্রাণ। মানুষের প্রাণ। কোন দেশে বসবাস করছি!

খুদিরাম

২০২১-০৪-১৭ ০০:২৪:০০

মারো আরো বেশীকরে মানুষ মারো। মনে রেখো জনগনের টাকায় কেনা রাইফেলের গুলি জনগনের বুকে বেশীদিন বিধেনা। বুমেরাং হয়ে রাইফেলের সে গুলি ফেরত আসে ইতিহাস সাক্ষী।

Md. Shahid ullah

২০২১-০৪-১৭ ১৩:১৮:২৪

গুলির ব্যবহার সীমিত করা প্রয়োজন। একজন গুন্ডাও সর্ব দিকে খারাপ হয় না।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

সরকারি নথি সরানোর অভিযোগ

প্রথম আলোর সাংবাদিককে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ

১৭ মে ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



জেরুজালেম পোস্টের মূল্যায়ন

ছোট যুদ্ধে ইসরাইল, দীর্ঘ যুদ্ধে জিতবে হামাস

DMCA.com Protection Status