কঠোর লকডাউনেও চালু থাকবে শিল্প কারখানা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) এপ্রিল ১১, ২০২১, রোববার, ৬:৫৪ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী ১৪ই এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে এ সময়ে শিল্প-কারখানা সচল থাকবে।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মন্ত্রী পরিষদের সচিব আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়েছেন। লকডাউনে কারখানা চালু রাখা যাবে।

সভায় এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী অংশ নেন।

উদ্যোক্তারা দাবি করেন, কারখানা বন্ধ করলে ক্রয়াদেশ হারাবে বাংলাদেশ। তা ছাড়া শ্রমিকেরা ছুটিতে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দিলে সংক্রমণ আরো ছড়াবে।
এমন পরিস্থিতিতে সরকার লকডাউনে শিল্প কারখানা খোলা রাখার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা করছে।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত পরিবহনও চলবে।

অবশ্য সরকার এ বিষয়ে এখনো প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। আজ বা কাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

এর আগে আজ লকডাউনে পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা রাখার দাবি জানায় পোশাক খাতের চার সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও ইএবি।

বর্তমান ইস্যু নিয়ে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ ও ইএবি’র যৌথ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতসহ বস্ত্রখাতের অন্যান্য সহযোগী শিল্পসমূহকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান এ খাতের শিল্প উদ্যোক্তারা।

তারা বলেন, যেখানে ইউরোপ, আমেরিকা, ব্রাজিলের মতো রাষ্ট্রগুলো হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে আমাদের সমন্বয়ের অভাব নেই। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রেখেছি। সেন্টার ফর বাংলাদেশ, ইউকে বার্কলি ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপ মতে, ৯৪ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন, তারা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গাইডলাইন বিষয়ে সচেতন, ৯১.৪২ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন, কারখানা থেকে তাদের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। তাছাড়া শ্রমিকেরা ছুটিতে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দিলে সংক্রমণ আরও ছড়াবে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার লকডাউনে শিল্প কারখানা খোলা রাখার পক্ষে মত দেন তারা।

মহামারি করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী ১৪ই এপ্রিল থেকে জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার পরিকল্পনা ছিল সরকারের। তবে উন্নত বিশ্বে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত আছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Faruque Ahmed

২০২১-০৪-১২ ১৩:৩৫:৩২

Ok if you want close factory .. will you accept Lay Off ... 60% of basic salary. I can not accept as I have to take care My family with my parents.

MD SALIM SINHA

২০২১-০৪-১২ ১০:৩৩:৫৫

This is another idotic decision. It proves everytime that Garment owner never think of workers. Md. Hatem thinks us foolish. He said remaining open of Garments public movement will be controlled strictly. Is there any record of Govt to control peoples movement in previous days? This is eye wash. For the owner of Garments this lockdown will be failed. Is there proper safety in Garments. Even in this so called lockdown many factories keep their workers & official upto 10 pm. Who will see this ? So the so called strict lockdown is a bull sheet.

razib mir

২০২১-০৪-১২ ১০:০৩:২৬

amra to chand er desh theke gari niye office korbo....sala ra amader ke manus mone kore na....ar amra sala boka chu........da ......jara garments a job kore tader corona hobe na.....tader to ar family nai.....jara garments a job kore tara holo rohingga...refuji.....

Faisal

২০২১-০৪-১২ ০৯:৫৭:০৪

This can't be lockdown. You are thinking about the owner of Industries, not employees. You should also think about the helper and driver of public transport. What are their faults? You are thinking about the economy, are they out of our economy? If industries open, then how can they travel to their office? Industry owner says they have managed vehicles for their employee, is that true? Have you ever checked it? Everybody travelling with their own liability and they have to pay higher for this reason. Small businessman can't continue their business properly, how can they survive? During this covid-19 situation, lock down is very good decision, but not such like, here descrimanation araises. If lock down is mandatory, then you should strictly stop all the services. The loss will face industries during this 7 days, they can recover it by continuing overtime, but the losses facing by the general and low income people they can't recover it at any cost. So, is it clear that you are not concerned about the employee and low income people? You are just concerned about the higher income person and companes.

RUMA AKTER TASLIMA

২০২১-০৪-১২ ০৯:২৮:২২

If the factory is kept open, public transport will have to be kept running

ওমর ফারুক

২০২১-০৪-১১ ১৮:৫৩:৫৩

এটা কি প্রকার লক ডাউন? লকডাউনে কোন পরিবহন চলবে না। শ্রমিকদের কি নিজন্ব পরিবহন আছে? জনগনকে আর কত বোকা বানাবেন?

মো ঃ বেলাল

২০২১-০৪-১১ ১১:১৬:০৭

তাদের ট্যক্সের টাকায় মুজিব সাহেবের ছবি,আর আমাদের টাকায় কি লাদেনের ছবি?

SJ

২০২১-০৪-১১ ১০:১২:৪৭

বাংলাদেশ লক ডাউনের আওতায় পড়ার মতো দেশ নয়। বুঝবে না সকলে এ কথা যখনই লক ডাউন বলা হয় তখনই মানুষ আতঙ্কিত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারায়। যখনই লক দেয়া হয় তখনই সুযোগ সন্ধ্যানিরা বেরিয়ে যায়।

Mahmud

২০২১-০৪-১১ ০৯:৩৭:৫৫

কারখানা খোলা থাকবে , অতএব কারখানায় আসার জন্য পরিবহন খোলা রাখতে হবে । খাবার দোকান খোলা রাখতে হবে , দোকানপাট খোলা থাকতে হবে । রফতানীর জন্য ট্রাক , লড়ি চালু রাখতে হবে এবং খোলা রাখতে হবে ব্যাংক । আসলে লকডাউন বলতে শুধু সরকারী অফিস বন্ধ থাকবে এবং সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোন কাজ না করে পুরো বেতন পাবেন । পুরোটাই আসলে একটা তামাশা ।

জাফর আহমেদ

২০২১-০৪-১১ ০৭:১৭:৫৬

আবার একটা নতুন মশকরা, দেখতে হবে জাতি কে,

rimon

২০২১-০৪-১১ ০৬:৪৫:০৭

very good. now we can predict what is going to happen ........ what a funny

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

দেয়া হয় হোম ডেলিভারি

অনলাইনে ছদ্মনামে বিক্রি হচ্ছে মাদক

১৪ মে ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status