নিষেধাজ্ঞা না মানলে আমাদের সামনে নির্ঘাত অশনি সংকেত

ওবায়দুল কাদের

ফেসবুক ডায়েরি ১০ এপ্রিল ২০২১, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

ভাইরাস আবারো হিংস্র ছোবল মারছে আমাদের উদাসীন শহরে, চরম উপেক্ষার গ্রামীণ জীবনে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। হাসপাতালের বেডের জন্য সংক্রমিত মানুষের স্বজনদের হাহাকার। খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকার চাকা থেমে যাচ্ছে। থেমে যাচ্ছে জীবনের চিরচেনা সুর। থেমে গেছে সেই পাখির কলরব। থেমে গেছে নদীর কলতান। থমকে গেছে চন্দ্র-তারকা খচিত রাতগুলো।
বদলে গেছে প্রকৃতির রঙ, বদলে গেছে জীবনের রঙ, বদলে গেছে রাজনীতির রঙ,বদলে গেছে আমাদের আচার-আচরণের রঙ। শুধু বদলায়নি অনিয়মের নিরন্তর যাত্রা। বদলায়নি শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধ। মানুষের শত্রু ভাইরাসকে মানুষই জানাচ্ছে সাদর আমন্ত্রণ। অথচ এই প্রাণঘাতী ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে কত আপনজনের প্রাণ। নিভিয়ে দিয়েছে কত চোখের বাতি। তছনছ করে দিয়েছে কত সাজানো সংসার। এই জনপদের কত মানুষ আজ করোনার আঘাতে নিঃস্ব- রিক্ত। তবু কেউ মানে না স্বাস্থ্যবিধি। মাস্ক পরতে চায় না বেশির ভাগ মানুষ। লকডাউনের কড়াকড়িতে ঢিলেঢালাভাব। পাত্তাই দিচ্ছে না কেউ ভয়ঙ্কর করোনাকে। কিন্তু করোনা কাউকে করে না করুণা। জানি না আর কতকাল গুণতে হবে আমাদের নিজেদের অবহেলার, উপেক্ষার চরম মাশুল। আমাদের সচেতন হবার সময় কি এখনো আসেনি? দেশের জনগণের নিশ্চিন্ত ঘুমের জন্য যিনি সারারাত জেগে থাকেন তার বারবার উচ্চারিত সতর্কবাণী কি কানে পৌঁছায় না? নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করোনা নিষেধাজ্ঞা আমরা মানবো না? না মানলে আমাদের সামনে নির্ঘাত অশনি সংকেত।

(লেখাটি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ফেসবুক থেকে নেয়া)

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

SUJAN

২০২১-০৪-১০ ১৮:৪৫:৫৬

কি বলবো, লকডাউনে কি করবো, কেমনে পরিবারের খরচ যোগাবো সেই চিন্তায় পড়েছি। আর যাদের ব্যাংক বর্তি টাকা আছে তাদের তো সমস্যা নাই, আমার মতো গরিব মানুষ যারা আছে তারা কেমনে পরিবারের খরচ চালাবে। যার টাকা নাই সেই বুঝে একবেলার খরচের কি মূল্য।

simon

২০২১-০৪-১০ ১৮:৩৪:২৮

Vi saheb koth ta to valoi bolcen. ei ta je hobe ta to 3 rd week e suspect kora hoecilo. kono action nilen ta sobai gurlen tika r picone othoco jodi south africa r variation ei hoi tahole je tika anlen ta ki kono kaje asbe ? jekhane south africa ei tika reject kore diece. apnara kono vablen na korlen sobai mile celebration. je taka kharach korlen ta die koto tika ana jeto ta ki vebecen? truth is bitter. day n night sodo BNP r BNP. 12 years + upore power e acen ekhono sei BNP voi. ei duhai die r koto? self diagnostic centre open korle valo hoi. lockdown dilen kinto viti chorie abar sob kico open korlen. ekhon abar noton lockdown. vabte hobe ei lockdown er meaning ki?

তপু

২০২১-০৪-১০ ০২:১৫:১১

দেশের জনগণের নিশ্চিন্ত ঘুমের জন্য যিনি সারারাত জেগে থাকেন তার বারবার উচ্চারিত সতর্কবাণী কি কানে পৌঁছায় না? তিনি কি ঘুমান না?

Khan

২০২১-০৪-১০ ১৪:৪২:১৯

সব বিএনপির দোষ দিয়ে দেন। আপনি তো ঘুমের তালেও বিএনপির গীত গান।

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৪-১০ ১৪:২৬:৩৫

মাননীয় মন্ত্রী, আপনি বলেছেন "নিষেধাজ্ঞা না মানলে সামনে নির্ঘাত অশনি সংকেত"। এটাতো হতাশার কথা ! সামনে স্পষ্ট সমাধানের পথ দেখা গেলেও সরকার সেই পথে কেন হাঁটছে না ? বাংলাদেশের আর্থিক বাস্তবতায় ৩টি জিনিষ নিশ্চিত করতে পারলেই ইনশাআল্লাহ করনা নিয়ন্ত্রন করা অনেকটা সম্ভব। যেমনঃ (১) সকলকে সঠিক নিয়মে মাস্ক পরিধান (২) কমপক্ষে ৩ ফুট শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে চলা (৩) হাত দোয়ার ব্যাপারে জনসচেতনতা বৃদ্দি। তবে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্বের বাস্তবতায় শারীরিক দুরত্বের বিষয়টি একটু কঠিন হলেও মাস্ক পরার বিষয়টি ১০০% নিশ্চিত করতে হবে। করনা যুগে-যুগে মহামারী মোকাবিলায় মাস্ক পরিধান একটি কার্যকরী ব্যবস্থা হিসাবে প্রমানিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশের আর্থিক বাস্তবতায় জীবন ও জীবিকা একই সাথে রক্ষা করতে চাইলে মাস্ক পরার কোন বিকল্প নাই। সারাবছর মাস্ক পরার অভ্যেস গড়ে তুলতে পারলে সেটা শুধু বর্তমান করনাই নয় ভবিষ্যতে রূপান্তরীত করনা সহ আরো অন্যান্য অজানা ভয়ংকর ভাইরাসের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে অবধান রাখবে। তবে জনসচেতনতার জন্য স্বাস্থ্যবিধি ও আবেগময় গান তৈরী কর সারা দেশজুড়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে প্রতিদিন নিয়মিত মাইকে প্রচার করতে হবে। এর পাশা-পাশি বিদেশের মত সর্বদলীয় বৈঠক ডাকতে হবে। সকল দল সমর্থিত এই সংক্রান্ত বুদ্দিবীবিদের পরামর্শ নিতে হবে। আমরা দেখেছি ইতিমধ্যেই জনাব বদিউল আলম সাহেব তার প্রতিষ্টান থেকে করনার বিষয়ে একটি কর্মশুচী নিয়ে অনেকটা সফল হয়েছেন। তাঁরও পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। সময় কিন্তু দ্রুত চলে যাচ্ছে।

ক্ষুদিরাম

২০২১-০৪-১০ ১৩:০৭:৩৭

মাননীয় মন্ত্রী, আপনারা এক সপ্তাহ লকডাউন না দিয়ে সারা বছর লকডাউন দিয়ে দিন নিশ্চিত আপনারা জন সমর্থন পাবেন। যদি......... যাদের ব্যাং লোন আছে তাদেরকে লকডাউন যতদিন থাকবে ততদিন ও ততপরবর্তি একমাস কোন সুদ আরোপ করা যাবেনা ঘোষণা দিন এবং সেটা কার্যকর করুন। খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি বেলার কার্যকর দায়িত্ব নিন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, চিকিৎসা সামগ্রী ফ্রিতে মানুষের মানুষের ঘরেঘরে পৌছে দিন। তাদের জীবন যাপনের জন্য যাযা জরুরী তা রাষ্ট্রীয়ভাবে মিটিয়ে দিন। দেখবেন সবাই আপনাদের সাথে আছে, এমনকি আপনার শত্রুও !! কিন্তু তা যদি না পারেন তাহলে অন্তত নুন্নতম এই ঘোষনা দিন যে যেহেতু সাধারন ব্যাবসায়ী থেকে সবাই লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত আর যেহেতু তাদের প্রয়োজনে আপনারা তেমন কিছুই করতে পারছেন না এবং যেহেতু লকডাউনে সরকারি অফিস আদালতও বন্ধ থাকবে সেহেতু কোন সরকারী অফিস আদালতের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারিও লকডাউন চলাকালিন সময় বেতন বোনাস কিছুই পাবেনা। কারন রাষ্ট্রের কাছে সবাই সমান। এই ঘোষণা দিতে হয়তো আপনাদের সময় লাগবে কিন্তু ক্ষমতার পল্টি মারতে মুহুর্তও লাগবেনা। কারন আপনারা জানেন আপনাদের ক্ষমতার উৎস জনগন না, আপনাদের ক্ষমতার উৎস আমলা !!

আপনার মতামত দিন

ফেসবুক ডায়েরি অন্যান্য খবর



ফেসবুক ডায়েরি সর্বাধিক পঠিত



পিতার জন্মদিনে মেয়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস

‘মির্জা আলমগীরের সারাজীবনের রাজনীতি বৃথা যাবে না’

DMCA.com Protection Status