বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্ত করার দাবি প্রজ্ঞা’র

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (২ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ৭, ২০২১, বুধবার, ৭:৫৩ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ২:১৬ অপরাহ্ন

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ। দিবসটির এবছরের প্রতিপাদ্য,‘সকলের জন্য সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর বিশ্ব গড়ি’। ১৯৫০ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠা দিবস ৭ই এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সদস্য রাষ্ট্রসমূহ। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালা অতিসত্ত্বর চূড়ান্ত এবং বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে অ্যাডভোকেসি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)। হৃদরোগ ও তা থেকে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করার উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ থেকে শিল্প উৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাট নির্মূল করার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ট্রান্সফ্যাট মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে একটি খসড়া প্রবিধানমালা জনসাধারণের মতামতের জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। আগামী ৫ মে ২০২১ পর্যন্ত এই প্রবিধানমালার ওপর মতামত প্রদানের সুযোগ রয়েছে।



ট্রান্স ফ্যাটি এসিড (টিএফএ) বা ট্রান্সফ্যাট স্বাস্থ্যের জন্য একটি ক্ষতিকর খাদ্য উপাদান। মাত্রাতিরিক্ত ট্রান্সফ্যাট গ্রহণ উচ্চহারে হৃদরোগ, হৃদরোগজনিত মৃত্যু, স্মৃতিভ্রংশ (ডিমেনশিয়া) এবং স্বল্প স্মৃতিহানি (কগনিটিভ ইমপেয়ারমেন্ট) জাতীয় রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক ২০২০ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রান্সফ্যাটঘটিত হৃদরোগে মৃত্যুর সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।



বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০২১ উপলক্ষ্যে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা’র (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর জীবন সকলের অধিকার। ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রবিধানমালা চূড়ান্ত এবং বাস্তবায়ন করতে হবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

কাজি

২০২১-০৪-০৮ ০৩:৫২:৫৬

দেশের মানুষ কখনো সচেতন হবে না। জনগণের বদ্ধমূল ধারণা রোগ হলে ডাক্তার আছে। ঘরে টাকা আছে, না থাকলে প্রবাসী আত্মীয় স্বজন আছে। যেমন খুশি চলি। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা বনাজি চিকিত্সা ও বিশুদ্ধ খাবার খেয়ে এসব রোগ থেকে মুক্ত ছিলেন। দেশের আরেক শ্রেণীর সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী অত্যন্ত গরিব। যারা পেটের ভাত জোগাড় করতে ব্যস্ত। তাদের কাছে এসব কথা বোঝার শক্তি নাই। এখন ও বিশ্বাসের অনেক দেশে এই একই অবস্থা । তাই সচেতনতা জাগানো বড় কঠিন।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

‘অ্যাকুয়াকালচার সেক্টর স্টাডি বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা

করোনা পরিস্থিতিতে সঙ্কটে মাছ চাষীরা

২১ এপ্রিল ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



রণক্ষেত্র বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র

শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ৫

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত নেতাদের বৈঠক-

গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবি

করোনায় আক্রান্ত পুরো পরিবার

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

DMCA.com Protection Status