জনগণের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই লকডাউন: অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

অনলাইন (২ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ৭, ২০২১, বুধবার, ৫:২৯ অপরাহ্ন

করোনা মহামারি প্রতিরোধে জনগণের সেফটি সিকিউরিটির কথা মাথায় রেখেই লকডাউন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আজ বুধবার দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়ালি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

লকডাউনে দোকানপাট বন্ধ থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ সমস্যায় আছে, অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাদের জন্য কিছু করার পরিকল্পনা আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে সব কারণে লকডাউন দেয়া হয়েছে সেটা আপনারা জানেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা দেখে ব্যবস্থা নেবেন।

তিনি বলেন, করোনার প্রণোদনা প্যাকেজগুলো আমাদের মন্ত্রণালয় থেকেই ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু সবগুলো প্যাকেজই প্রধানমন্ত্রীর ধারণা ও পরিকল্পনায় হয়েছে। তিনিই সেসব করে দিয়েছে। আমরা শুধু তার হয়ে এগুলো বাস্তবায়ন করেছি।

বিশ্বব্যাংকের প্রজেকশন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক অথবা আইএমএফ বিভিন্ন দেশের জন্য প্রজেকশন করে থাকে, টাইম টু টাইম। বিশ্বব্যাংক আমাদের সম্পর্কে বেশ উচ্ছ্বসিত ধারণা দিলো, এর সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল আছে আমাদের? মূলত আমাদের কাজ আমাদেরই করতে হবে।

তিনি বলেন, উন্নয়ন যাতে আরো বেশি বেশি করতে পারি এবং আমাদের পলিসি পারসপেকটিভে আইডিয়া ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন যেন যথাযথভাবে করতে পারি সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণ হলে আমরা টাইম টু টাইম প্রজেকশন করি। কিন্তু তারা কিছু পসিবিলিটি ও অ্যাজামশনের উপর ভিত্তি কর প্রজেকশনটা করে।

এদিকে, আজ অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১২তম এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৪তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য ২টি এবং ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য ৮টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্রয় সংক্রান্ত কমিটিতে উপস্থাপিত প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ৪টি, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের ১টি, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১টি, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি এবং সেতু বিভাগের ১টি প্রস্তাব ছিল। এরমধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়নি। এছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপূর্ত অধিদপ্তরের অপর একটি প্রস্তাবে পুনঃদরপত্রের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। অনুমোদিত ৬টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ এক হাজার ৫৬৬ কোটি ৭১ লাখ ৭৯ হাজার ১৬০ টাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক মেসার্স পি কে অ্যাগ্রো লিংক প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চাল আমদানির একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতি টন চালের দাম পড়বে ৪১১.৯৩ ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে ১৭৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ২০০ টাকা।

অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেক বেশি চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে, সেই চাল ঠিকমতো দেশে ঢুকছে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, চাল আমাদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে আমাদের যতটুকু প্রয়োজন সেই পরিমাণ। কিন্তু সেখান থেকে যখন কোনো সাপ্লাইয়ার তা সময়মতো দিতে পারে না তখন আমরা এটাকে পরিবর্তন করে আরেক জায়গায় চলে যাই।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Tuheen

২০২১-০৪-০৭ ০৮:৩৪:৫১

এ আবার কেমন lock down. সবই চলছে সবই খুলছে এক এক করে। এমন lock down দুনীয়ায় কোথাও কি আছে। এ lock down এর অর্থ হচ্ছে শুধু আন্দলোন কে থামানো র হাতিয়ার।

Desher Bhai

২০২১-০৪-০৭ ২১:৩২:৫২

The illegal Indian RAWami Leaguers did not care about coronavirus when they were celebrating SHW's daddy's so called anniversary with people's money. They could have used that money to prevent coronavirus spread. But daddy's anniversary was more important than people's lives. Now the anniversary is over, the illegal Indian RAWami Leaguers are talking about coronavirus.

Abu imran

২০২১-০৪-০৭ ১৯:১৩:১৮

Share bazaar looter Lotus Kamal doesn't know what he was talking about .

Md. Abbas Uddin

২০২১-০৪-০৭ ১৮:৫৪:২৮

করনা মোকাবিলায় সরকারের কোথাও ঘাটতি রয়েছে। মনে হচ্ছে বিরোধীদলের ভাষায় বিরোধী দলকে হয়রানি ও মোকাবিলায় সরকারের সকল মেধাশক্তি সেইদিকেই ক্ষয় করছেন। এই সুযোগে করনা তার ভয়াল থাবার বিস্তার করে চলেছে। করনার প্রথম .ঢেউয়ের সময় স্বাস্থ্য ব্যবস্থ্যা ভেঙে পড়লেও সেই সময় পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মাঠে নামিয়ে কিছুটা কঠোর অবস্টহানের প্রমান রেখেছিল (যদিও মাইকিং করে প্রচারনার অভাব তখন লক্ষ্যনীয় ছিল)। কিন্তু নুতন শক্তিশালী করনার ক্ষেত্রে পূর্বেকার প্রশাসনিক কঠোর পদক্ষেপ দেখতে না পেয়ে সচেতন সমাজ দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে। এই অবস্থায় অন্ততপক্ষে জনগণকে মাস্ক পরতে ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখতে বাধ্য করার জন্য প্রশাসনিক কঠোর ব্যবস্থার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্দির জন্য সারা বাংলাদেশে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে জরূরী ভিত্তিতে ব্যাপক মাইকিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে "কবির বিন সামাদ নামক একজন শিল্পীর" করনার আবেগময় গানের ভিডিও-র মত গান প্রচারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

Jamal Ad Deen

২০২১-০৪-০৭ ১৭:৪৪:৩৭

Every economic package were the brainchild of the “Honorable Prime Minister “then why do we need rest of the ministers particularly a notorious money launder,pozni schemer,like you Mr.Kamal.

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

‘অ্যাকুয়াকালচার সেক্টর স্টাডি বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা

করোনা পরিস্থিতিতে সঙ্কটে মাছ চাষীরা

২১ এপ্রিল ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



রণক্ষেত্র বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র

শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ৫

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজত নেতাদের বৈঠক-

গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবি

করোনায় আক্রান্ত পুরো পরিবার

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

DMCA.com Protection Status