এটাও দেখতে হলো!

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

মত-মতান্তর ২৭ মার্চ ২০২১, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০০ অপরাহ্ন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে বাংলাদেশ। সরকারিভাবে ১৭ থেকে ২৬ মার্চ বিদেশি অতিথিদের নিয়ে পালন করা হলো স্বাধীনতা উৎসব, সাথে মুজিব জন্মশতবার্ষিকী। একে একে এসেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট, শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী, নেপালের প্রেসিডেন্ট, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। এই পর্যন্ত সবকিছু ভালই চলছিল। বীভৎস জ্যামের শহর ঢাকাতে রাস্তা বন্ধ করে গুটিকয় মানুষের উৎসব পালন ঢাকাবাসীকে আরেকটু নাকাল করেছিল সত্য, কিন্তু তার বেশী কিছু না। বিপত্তি বাধলো ২৬ শে মার্চ নিয়ে। ২৬ শে মার্চ সকালে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে আসলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি আসার কিছুদিন আগে থেকেই ক্ষণে ক্ষণে প্রতিবাদে মুখর হচ্ছিল ঢাকা।
ডান-বামের এমন মেলবন্ধন সচরাচর দেখা যায় না। অবশ্য মোদি আসা উপলক্ষ্যে করা প্রতিটি প্রতিবাদই সরকার শক্তভাবে দমন করেছে, যেভাবে তারা করে থাকে সবসময়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসার বিরোধীতায় সবচেয়ে শক্ত প্রতিবাদটি হয়েছিল তার আসার দিনে ২৬ ডিসেম্বর, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে। সেদিন বায়তুল মোকাররম, হাটহাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে। পুলিশের সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডার বাহিনী মিলে এক রকম ঝাঁপিয়ে পড়েছিল প্রতিবাদমুখর মানুষের ওপর।

এর আগেও ২৪ ও ২৫শে মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং শাহবাগ এলাকায় একই দাবিতে ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রতিবাদ সমাবেশ এবং মিছিলে ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছিল। এরাই হেলমেট পরে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে রাস্তায় নামা শিশুদের ওপর।      
যে কোনো ইস্যুতে জনগণের প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে আলোচনায় পরে আসছি, আপাতত আলোচনার খাতিরে ধরে নেই এসব প্রতিবাদে সত্যিই রাষ্ট্রের খুব বড় ক্ষতি হচ্ছিল। যদি সেটাই হয়ে থাকে তাহলে সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তো রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী আছে। এসব সমাবেশ-মিছিলে ছাত্রলীগ-যুবলীগের পাণ্ডারা হামলা করছে কেন? তাদের এমন ‘দায়িত্ব পালন’ কি ফৌজদারি অপরাধ নয়? এমন দায়িত্ব তাদেরকে দিয়েছে কে? দেশে কি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সমান্তরাল আর একটি ক্যাডারবাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে এই দেশের মানুষকে সময় সময় শায়েস্তা করার জন্য? একটা রাষ্ট্রের জন্য এর চেয়ে বড় অশনিসংকেত আর কি হতে পারে?  
বিভিন্ন কারণে এদেশের সাধারণ মানুষের ভারতের প্রতি এবং বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদি এবং তার দলের প্রতি বিতৃষ্ণা আছে। এমনকি তার নিজের দেশ ভারতের মধ্যেও স্বাভাবিকভাবেই তাকে নিয়ে আছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এমনকি আছে তীব্র প্রতিবাদের ঘটনাও। ২০২০ সালেই দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মোদির ক্যাম্পাসে আগমন প্রতিহত করার জন্য তীব্র আন্দোলন করেছিল। শুধু ভারতেই না, বিজেপির মুসলিমবিরোধী রাজনীতি, ঘৃণা ছড়ানো, বিভাজন এবং দুরত্ব তৈরি পৃথিবীর গণতন্ত্রপ্রেমী মানবতাবাদী কোনো মানুষই ভালো চোখে দেখেনি।
নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করা, প্রতিবাদ করা, মানুষের জন্মগত অধিকার। এমনকি কিছু বিধিনিষেধ সাপেক্ষে সংবিধানও মানুষকে এই অধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা দেয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসার আগে থেকে যে প্রতিবাদ চলছিল, এমনকি তার আসার দিন বায়তুল মোকাররমে যে প্রতিবাদ মিছিলের প্রস্তুতি চলছিল, তাতে আর যাই হোক মোদির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার ন্যুনতম কোনো সম্ভাবনা ছিল না। তারপরেও সরকারের এই যুদ্ধংদেহি মূর্তি তাদের ভীতি এবং অসহিষ্ণুতাই প্রমাণ করে।
গত কয়েক বছর জবাবদিহিতাহীনভাবে পুলিশ, প্রশাসন আর ক্যাডারবাহিনী ব্যবহার করে সকল প্রকার গণতান্ত্রিক আন্দোলন, প্রতিবাদ দমন করার ফল হয়েছে সরকার এখন এর বাইরে আর কিছু ভাবতে পারে না। প্রতিবাদের কোনো ভাষা তা যত গণতান্ত্রিকই হোক না কেন, সরকারের পক্ষে এখন তা মানা আর কোনোভাবেই সম্ভব না। আজকে যদি পুলিশ আর ক্যাডারবাহিনী ব্যবহার করে বায়তুল মোকাররমকে রণক্ষেত্রে পরিণত করা না হতো তাহলে হাটহাজারী কিংবা ব্রাহ্মণবাড়িয়াও উত্তাল হয় না। স্বাধীনতার এই সুবর্ণজয়ন্তীতে হাটহাজারীতেই নিহত হয়েছেন চার জন, আর ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে একজন। গুরুতর আহতদের যে সংখ্যার কথা জানা যাচ্ছে মিডিয়ার মাধ্যমে তাতে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এই সরকারের সময় অতীতেও দেখেছি মাদ্রাসা ছাত্রদের ওপর হামলা, দেখেছি রক্তপাত। হয়তো খুব সহজ তাদের মেরে ফেলা, হয়তো সরকার ভাবে এমন দুই-চারটা লাশের হিসেব তাদের না দিলেও চলবে।
এই রাষ্ট্র টিকে থাকলে স্বাধীনতা দিবস আসবে আরও, কিন্তু সুবর্ণজয়ন্তী আসবে না আর। কেমন হবার কথা ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী? এটি হয়ে ওঠার কথা ছিল দল-মত-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণী নির্বিশেষে এক প্রাণের উৎসব। কথা ছিল প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার মতো করে কর্মসূচি পালন করবে, আর সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করবে নানা অনুষ্ঠানের। কথা ছিল আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা পতাকার রঙে রঙিন নানা রকম সাজে নেমে আসবে রাস্তায়, খাবে আর উপভোগ করবে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এই দেশের স্বাধীনতা তো কারো দান নয়। ৩০ লক্ষ প্রাণ আর ২ লক্ষ মা-বোনের নির্যাতিত হবার বিনিময়ে অর্জিত যে স্বাধীনতা, লাল সবুজের পতাকা তার মালিকানা কোনো একক দল, গোষ্ঠী বা মতাদর্শের মানুষের নয়। দেশের কৃষক, শ্রমিক, কুলি, কামার,মজুর সবার রক্ত-ঘামের দাগ আছে এই পতাকায় আর আছে সমান অংশীদারিত্ব। আর তাই স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবস এ দেশের ১৭ কোটি মানুষের। এত বছর নানান বঞ্চনার পরও এই দিনগুলো ছিল সাধারণ মানুষের, এবার আর তা রইলো না।
 
এই লেখা যখন লিখছি তখন ফেসবুকে ঢোকা যাচ্ছে না। দেশের বেশ কিছু এলাকায় দ্রুত গতির ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়ার কথা সরকারই জানিয়েছে। অর্থাৎ সরকার চাইছে না মানুষ তার ঘটানো বীভৎসতা নিয়ে জানুক এবং অন্তত অনলাইনেও প্রতিবাদ জানাক। এদেশের মানুষ এমনিতেই এখন ভয়ে থাকে। লিখতে, বলতে এমনকি ফেসবুকে একটা লাইক, শেয়ার বা কমেন্ট করতেও দশবার চিন্তা করে। আছে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের রক্ত চক্ষু, আছে নানান জানা-অজানা আশঙ্কা। গত কয়েক বছরে এ দেশের মানুষকেতো কেবল আইনের মাধ্যমে ধরা হয়নি। তাদের গুম করা হয়েছে, তুলে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে, ঘটানো হয়েছে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড। মুক্তিযুদ্ধের মতো জনযুদ্ধকে সুপরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে জাতিকে বিভাজিত করতে।
বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য যে স্বাধীনতা, মানচিত্র, পতাকা আর নিজস্ব পরিচয়টি কেনা হয়েছিল লক্ষ মানুষের রক্ত-ঘামে। সবকিছুই আমরা দেখছি, শুনছি। কিন্তু বলছি না। কিন্তু সুবর্ণজয়ন্তীর দিনেও এটা দেখতে হলো।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Ahsanullah

২০২১-০৪-০৯ ০৬:৪২:২৪

Jantam pen is mighter than sward ekhon dekhi might is right.

আওয়াল খান

২০২১-০৪-০৮ ০১:০৭:৩৩

বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র যেখানে মুসলমানরাই হচ্ছে সবচাইতে নিগৃহীত।

Advocate Solaiman

২০২১-০৩-৩১ ০০:২৯:২৩

26 December will be replaced by 26 March

Citizen

২০২১-০৩-৩০ ০৬:০৬:৩৫

Jubo league, Chatra league reportedly have been always taking part with police and other security forces on the streets in restricting their opponent public gather to air any demands to the government. BJL, BCL use helmet, carry sticks, lethal weapons and beat, torture the people beyond imagination. This is no secret and has become a common regular phenomenon. In today’s situations it’s not possible to hide anything. Logically, it’s presumed that this activism must have been discussed, decided in their party forum and sheikh hasina as the chief must have given approval or else how come police allow BJL, BCL men to accompany them on the streets in public to rule on common people.

MAHMOOD

২০২১-০৩-৩০ ০০:৫৫:০১

কোন দলের নেতা যদি ফোন করে গাড়ি পুড়িয়ে ড়িয়ে দিতে বলে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী তে তাহলে আপনারা কোথায় আছেন তা বুঝার বাকি নেই ।আপনারা স্বর্গে গেলেও ঢেকীতে চড়বেন এটা একদম পরিষ্কার আপামর জনতার কাছে। সুতরাং স্বাধীনতা কি স্বাধীনতা জয়ন্তী উৎসবে বা কি আপনাদের । অবাক লাগে আল্লাহ আপনাদেরকে দেশের বাসিন্দা বানিয়েছে। আপনাদের কে আল্লাহ হেদায়েত করুক ।মুক্তিকামী জনতা সুন্দরভাবে সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করুক বাংলাদেশ মানুষ সুখে থাকুক এটাই কামনা করি।

A,K.M Nurul Islam

২০২১-০৩-২৯ ১১:৫৫:০০

It is surprising country celebrating 50th ANNIVERSARY of Independence but nothing tild about exiled GOVT headed by Syed Najrul Islam & Tajul Islam President and Prime Minister respectively. What signal and message being given to our present and future generation. Should they remain in confusion.

Mohammed Abdul Momen

২০২১-০৩-২৮ ১৪:০৭:৪৮

হেফাজত ভাইদেরকে বলছি- আপনার ইসলাম প্রেমিরা ১৯৭১ সালে কোথায় ছিলো ? আপনাদের এই ইসলাম যখন আমাদের ২লাখ মা-বোনের ইজ্জত নস্ট করেছিলো এবং ৩০ লাখ বাংগালীকে হত্যা করেছিলো ? তখন আপনারা কোথায় ছিলেন ?

আব্দুস সালাম

২০২১-০৩-২৭ ২৩:২৯:৪৩

এসব দেখে মানুষ বিষ্মিত হয়না। ৫০ বছরে যারা সময় সময় ক্ষমতায় ছিল তারা দেশকে গনতন্ত্রের নামে ভিক্ষুকের জাতিতে পরিনত করেছিল। আজ সে জাতি দেশ বিদেশে সন্মানের সাথে মাথা উঁচু করে এগিয়ে চলেছে।

Md.Shamsul Alam

২০২১-০৩-২৮ ১০:১২:৩৯

মধ্যরাতে ভোটারবিহীন নির্বাচনে যা হবার সেটাই হয়েছে । সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হলে বর্তমান সংসদের অধিকাংশ সদস্য নির্বাচিত হতে পারতো না । ভোটারবিহীন নির্বাচনে এ ধরণের ব্যক্তিরা নির্বাচিত হবেন, মন্ত্রী হবেন এবং দেশ পরিচালনা করবেন । জনগোষ্ঠী কী এজন্য বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন ? সব সময় সব ক্ষেত্রে মালকোঁচা মেরে নামলেই সফল হওয়া যায় না। বরং হাস্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। র‍্যাব কর্মকর্তাদের বিচারের সম্মুখীন করা হয়। বাংলাদেশ এখন আওয়ামী মুল্লুক।এই মুল্লুকে পুলিশ এবং আমলাদের পোয়াবারো। যে যেভাবে পারছে, লুটেপুটে খাচ্ছে এটি দেশ, জনগন, সরকার, আওয়ামী লীগের জন্য খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। very shameful …….. দুঃখ পেলাম। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে দুই দেশ সম্পর্কের ‘সোনালি অধ্যায়’ রচনার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে। এটি দেশ, জনগন, সরকার, আওয়ামী লীগের জন্য খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। দুঃখ পেলাম।

আর এম ফরহাদ

২০২১-০৩-২৭ ১৭:৪০:১৮

‘৭১ সালে ত্রিশ লাখ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে পাকিস্থানীরা ও তাদের এদেশীয় দোশর মিলে ! তাদের অধিকাংশই নিরিহ সরলমনা ঈমানদার মুসলমান ছিলেঅ । তখন তো তাদের জন্য কোনো মায়াকান্না দেখি নাই ! বরং এখনো হত্যাকারীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন ! এখন এতো দরদ কেমনে উথলে উঠে ! বিজেপি ভারতীয় মৌলবাদ ও মুসলিম নামধারী বাংলাদেশী মৌলবাদের মধ্যে পার্থক্য আছে কি ! ভন্ডামী আর কারে বলে ! মানুষ এখন অনেক বোঝেন । ধন্যবাদ

Shahab

২০২১-০৩-২৭ ০৩:৫০:২৮

Jubo leauge and chatro leauge now al shams and bodor bahini.

Ari Zaman

২০২১-০৩-২৭ ০২:৩৪:৫৬

ভারতে মুসলমানদের রক্ত খেকো মোদিকে বাংলাদেশের মুসলমানদের রক্তখেকো আওয়ামীলীগ মুসলমানদের রক্ত দিয়েই বরণ কর।

Mamun

২০২১-০৩-২৭ ০২:০১:০৯

রক্ষী বাহিনীর আদলে আর একটা বাহিনী হয়তো তৈরি হচ্ছে।

[email protected]

২০২১-০৩-২৬ ২০:৫০:১৫

এখন আপনারা ঐ সকল ধর্ম ব্যাবসায়ী দের দলে যোগ দেন ,কারণ আপনারা ও তো চোর অগ্নিসংযোগ করি

আপনার মতামত দিন

মত-মতান্তর অন্যান্য খবর

অশনি সঙ্কেত!

১৮ অক্টোবর ২০২১

থার্ড পয়েন্ট

সাকিবদের ‘টেস্ট’ ব্যাটিংয়ের ব্যাখ্যা কী?

১৮ অক্টোবর ২০২১

শনাক্তের হার ২.৩৪

করোনায় আরও ১৭ জনের মৃত্যু

১৩ অক্টোবর ২০২১

প্রধান শিক্ষকের দাঁত!

১০ অক্টোবর ২০২১

১৫ মাসে ১৫১ আত্মহত্যা

শিক্ষার্থীদের কেন কুঁরে খাচ্ছে মানসিক যন্ত্রণা!

১০ অক্টোবর ২০২১



মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত



দেখা থেকে তাৎক্ষণিক লেখা

কোটিপতিদের শহরে তুমি থাকবা কেন?

কাওরান বাজারের চিঠি

ছবিটির দিকে তাকানো যায় না

DMCA.com Protection Status