স্বাধীনতার ৫০ বছর: যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ জোরালো বন্ধন আরো বিকাশমান

আর্ল আর মিলার

ফেসবুক ডায়েরি ২৬ মার্চ ২০২১, শুক্রবার

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমি এই নিবন্ধটি নিয়ে কাজ করছি। তবুও আমি এটাকে ঠিকমতো গুছিয়ে আনতে পারিনি। অসাধারণ এই দেশের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানানোর সেরা উপায় কোনটা? এই অসামান্য দেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং একটি নতুন জাতি গঠনের গুরুত্ব, অনিশ্চয়তা ও তাৎপর্যকে আমি আমার লেখায় ধরতে পারিনি। তাই আমি আরেকজন প্রসিদ্ধ আলঙ্কারিক আমেরিকান, প্রয়াত সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির কথা ধার নেবো।
তার আগে আমি বিগত পাঁচ দশকে আমাদের এই দুই মহান দেশের জনগণের মধ্যে গড়ে ওঠা কিছু অপরিমেয় বন্ধনের বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই।
বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ৭৩ মিলিয়ন ডলারসহ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে এ পর্যন্ত আট বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছে।

আমাদের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ২০১৯ সালে ৯ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশী পণ্যের জন্য একক রপ্তানিস্থল হিসেবে বৃহত্তম দেশ এবং বাংলাদেশে বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগের সর্ববৃহৎ উৎস যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো দেশের প্রথম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি কেন্দ্র নির্মাণ ও দেশের বৃহৎ নদীগুলোর তলদেশ খননে সহায়তাসহ বাংলাদেশকে ডিজিটাল দেশে পরিণত করতে প্রযুক্তি আদান-প্রদান এবং বাণিজ্য ও ভ্রমণ ত্বরান্বিত করতে এখন বিশ্বমানের বিমান ও রেলইঞ্জিন সরবরাহ করছে। আমেরিকা ও বাংলাদেশের জনগণকে আরো ব্যাপক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে অনুপ্রাণিত করতে আগামী মাসে আমরা একসাথে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল উদ্বোধন করবো।
রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের উদারতা ও মানবতা বিশ্বের কাছে একটি দৃষ্টান্ত।
বাংলাদেশের আশ্রয়দানকারী জনগোষ্ঠী ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদানে আন্তর্জাতিক দাতাদেশ হিসেবে শীর্ষস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হলো এই সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে বাংলাদেশের সাথে কাজ করা।
জলবায়ু পরিবর্তন, শান্তিরক্ষা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ আরো বহু ক্ষেত্রে আমরা একসাথে কাজ করি। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যেকার এই বন্ধুত্ব প্রতি বছর আরো শক্তিশালী ও নিবিড় হয়।
১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হাজারো উল্লসিত শিক্ষার্থীর সামনে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্যেকার মিল বিষয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন। যারা ভবিষ্যৎবাণী করেছিলো যে, স্বাধীনতার পর আমেরিকার ধ্বস নামবে এবং বাংলাদেশের পরিণতিও একই হবে, তাদের বিষয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। স্বাধীনতাকামী শিক্ষার্থী নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যে গাছের নিচে একদা মিলিত হয়েছিলেন, সেই বিখ্যাত গাছটি পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক ধ্বংসের পর সেই স্থানে একটি নতুন বটগাছ রোপণে সহায়তা করেন সিনেটর। সেই গাছটি আজ মহীরুহ হয়ে বাংলাদেশের অদম্য চেতনা এবং আমাদের মহান দুই দেশের মধ্যেকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও সদাবর্ধমান অংশীদারিত্বের এক জীবন্ত প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
আমি বাংলাদেশে এসেছি আমেরিকার লক্ষ লক্ষ মানুষের শুভকামনা ও প্রত্যাশা নিয়ে। বাঙালীর আত্ম-পরিচয়ের সংগ্রামের প্রতীক ও কেন্দ্রভূমি এবং সেই স্বাধীনতা দমনেচ্ছুদের প্রথম লক্ষ্যস্থল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত।
আমেরিকার সর্বোত্তম ঐতিহ্য হলো স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যকে স্বাগত জানানো- তা পৃথিবীর যেখানেই হোক।

আমেরিকার জনগণ স্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও মানুষের মহোত্তম আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগ্রামশীল মানুষের পাশে দাঁড়াতে গর্ববোধ করে।
আপনারা জানেন, কিছু দেশের সরকার আপনাদেরকে স্বীকৃতি না দিলেও সারা বিশ্বের জনগণ আপনাদের স্বীকৃতি দিয়েছে। স্বৈরতন্ত্র ও নিপীড়ন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে আপনাদের সবার যে অর্জন, সেটাকে তারা স্বীকার করে নিয়েছে।
স্বাধীনতা অর্জনে আমরা ভাই ভাই। এমন কোন মানুষ, কোন নীতিমালা বা কোন সরকার নেই যারা এই সত্যের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। আমি বাংলাদেশে এসেছি, কারণ আমি আপনাদের সংগ্রামে সামিল হওয়ার প্রচেষ্টা নিয়েছিলাম। কয়েক মাস আগে আগস্ট মাসে আমি ভারতে আপনাদের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে হাঁটতে হাঁটতে জীবন্মৃত মানুষদের দেখেছি। দেখেছি অভুক্ত শিশুদের এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবারগুলোকে।
আমি বাংলাদেশেও আসতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক সরকার তাদের সীমানার ভেতরের দৃশ্য বিশ্ববাসীকে দেখাতে ভীত হয়ে আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলো। আমি কষ্ট পেয়েছি, আপনাদের দেশের মানুষের দুর্দশা দেখে সারা বিশ্ব কষ্ট পেয়েছে। আজ আমি আনন্দিত, পৃথিবীর বুকে স্বাধীনতার ইতিহাসে যে উজ্জ্বল নতুন অধ্যায় আপনারা রচনা করেছেন সেটা দেখে সারা বিশ্বই আজ আনন্দিত। বাংলার মহান কবি ও দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রার্থনায় তাই এসেছে: “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির, জ্ঞান যেথা মুক্ত, সেই স্বর্গে করো জাগরিত।”
এই স্বাধীনতা আপনাদের এবং নতুন এই দেশের মানুষের হাতেই এ দেশের ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের গল্প আগামী প্রজন্মের কাছে তথা বিশ্বের কাছে শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে। বাঙালী জাতির এই আত্মপ্রকাশ অন্যান্য ভূখণ্ডের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। জীবনের প্রতি আপনাদের ভালোবাসার অংশীদার হবে যারা এবং যারা আপনাদের সাহসিকতার চেতনাকে ধারণ করবে এবং এখনও যারা আপনাদের মতো স্বাধীনতা পায়নি তাদের সবার জন্য এটি একটি প্রতীক হয়ে থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বহু মিল রয়েছে। দুই শত বছর আগে, আজ আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেখান থেকে দশ হাজার মাইল দূরে আমেরিকায় অন্যান্য মানুষেরা ছিলো যারা আকাশে মুক্তির তারা অনুসরণ করতো। আমাদের শুরুটাও আপনাদের চেয়ে শুভ কিছু ছিলো না। আপনাদের এখানে যেমন ছিলো, তেমনি এক শক্তিশালী ও প্রতিষ্ঠিত সরকার আমাদের স্বাধীনতাকেও দমিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলো। আপনাদের মতোই যখন নতুন আমেরিকান জাতি আত্মপ্রকাশ করলো তখন একদল বলতে শুরু করলো, এরকম একটি দুর্বল ও দরিদ্র দেশ আধুনিক বিশ্বে টিকতে পারবে না। তারা ভাবলো, এই কঠিন পরীক্ষায় আমরা নিশ্চিত অকৃতকার্য হবো।

কিন্তু আমরা তাদের সকল ভবিষ্যদ্বাণীকে ব্যর্থ করে এসেছি। আমরা সবকিছুতেই দরিদ্র ছিলাম, তবে আশা ও সাহসিকতায় ছিলাম শক্তিশালী।
আমাদের সম্পত্তি ছিলো না, তবে যে  সম্পদ আমাদের ছিলো, তা ছিলো আরো বেশী মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ। দেশকে শক্তিশালী করে তোলার জন্য আমাদের ছিলো উদ্যমী ও অঙ্গীকারবদ্ধ জনগণ এবং আরো ছিলো সেই পথ দেখার মতো ও মানুষকে তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা দেবার মতো দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃবৃন্দ।
আমেরিকার বিপ্লব ১৭৭৬ সালে শেষ হয়নি। ওয়াশিংটন ও জেফারসনেই এর মৃত্যু ঘটেনি। কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গসহ আমাদের সকল নাগরিকের জন্য স্বাধীনতা ও সমতা প্রতিষ্ঠায় লক্ষ্যে আমাদের প্রচেষ্টার মধ্যে সেই চেতনা আজও বেঁচে আছে। অন্যান্য দেশের নিপীড়িত মানুষের মধ্যে আশা জাগানোর মধ্যেও আমাদের সেই চেতনা বহমান।
সে কারণেই বাংলাদেশের মানুষের সংগ্রাম আমেরিকার বিবেককে এতো গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। এর ফলে আমাদের অতীতের মহোত্তম স্মৃতিগুলো জাগ্রত হয়েছে এবং আমাদের জাতিগোষ্ঠী, বর্ণ, ধর্ম বা জাতীয়তার সকল ভাবনাকে ছাপিয়ে স্বাধীনতার প্রতি আমাদের ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে।

বিগত কয়েক মাসে আমেরিকার জনগণ আপনাদের পক্ষে থাকলেও আমাদের সরকার আপনাদের পক্ষে ছিলো না। এখন আমরা চেতনাগতভাবেই আপনাদের সাথে আছি এবং আমেরিকার নেতৃবৃন্দও আর পেছনে পড়ে থাকবে না।
আমেরিকার প্রকৃত পররাষ্ট্র নীতি হলো নাগরিকদের মধ্যে, বন্ধুতে বন্ধুতে, মানুষে মানুষে বিভিন্ন দেশের সাথে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে তোলা যা কোন স্বৈরতন্ত্রের পক্ষে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। এক অর্থে আমরা সবাই বাঙালি, আবার আমরা সবাই আমেরিকান এবং আমরা সকলেই মানবতার মহান মৈত্রীর অংশ। আজকের বিশ্বে কাজের জন্য স্বাধীনতা ও আত্মপরিচয় যে সবচেয়ে বড় শক্তি তাতে যারা এখনো সন্দেহ পোষণ করে তারা যেন বাংলাদেশে এসে দেখে যায়।
আমি আজ এখানে এসেছি এ কথা বলতে যে, আমেরিকা এ বিষয়ে যত্নশীল। আপনাদের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে আমি শিখতে এসেছি। শরণার্থী শিবিরগুলোতে যারা বহু কষ্ট সহ্য করেছেন, তাদের সাথে আমি আবার কথা বলতে এসেছি। আমি জানতে চাই, যারা বেঁচে আছেন এবং স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য বহু ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁদের যন্ত্রণা লাঘবে আমার সহসাথী দেশবাসীরা ও আমি কী করতে পারি।
একজন আমেরিকানের যে শব্দমালা আপনাদের এই গভীর ক্ষত সারিয়ে তুলতে এবং আপনাদের মধ্যে যারা বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন তাদেরকে আপনজনদের সাথে পুনর্মিলিত করতে সহায়তা করতে পারে সেটা এক শতাব্দী আগে আমাদের মহান গৃহযুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে আব্রাহাম লিংকন বলেছিলেন।
প্রেসিডেন্ট লিংকন বলেন, “কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়, সবার জন্য সহায়তার মনোভাব নিয়ে আমরা সত্যের প্রতি অবিচল থাকবো, কেননা ঈশ্বর আমাদেরকে সত্য প্রত্যক্ষ করার শক্তি দিয়েছেন। আমরা যে কাজের মধ্যে আছি সেটা শেষ করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা নিতে হবে- জাতির ক্ষতগুলো সারিয়ে তুলতে হবে- যারা যুদ্ধের ভার বহন করেছে, কিংবা বিধবা হওয়া স্ত্রী এবং এতিম হওয়া সন্তানদের যত্ন নিতে হবে। আমাদের নিজেদের ও আমাদের সকল জাতির মধ্যে আকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের সম্ভাব্য সবকিছু করতে হবে।”
আমেরিকার সর্বোত্তম চেতনা থেকে এবং আমাদের সংবিধান ও আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণার চেতনা থেকে আমি আপনাদের মহান স্বাধীনতার প্রতি অভিবাদন জানাই এবং বাংলাদেশের বিজয় উদযাপনে বলতে চাই- জয় বাংলা!
ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে কর্মরত আমেরিকান ও বাংলাদেশীদের পক্ষ থেকে আমি বলবো: বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ৫০তম বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা! আমরা আপনাদের সাথে দিনটি উদযাপন করে আনন্দিত। আমরা বাংলাদেশকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের প্রতি শ্রদ্ধা এবং এদেশের জনগণের অসামান্য অগ্রযাত্রার প্রতি অভিবাদন জানাই। বাংলাদেশের সকল ত্যাগ ও এর প্রতিষ্ঠাকালীন গণতান্ত্রিক মূলনীতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এদেশের জনগণের উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনায় আমাদের সর্বোত্তম শুভেচ্ছা জানাই।
আমার প্রিয় কবিতা “নাই বুঝি পথ”-এ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেমন লিখেছেন,
“পুরাতন ভাষা মরে এল যবে মুখে
নবগান হয়ে গুমরি উঠিল বুকে
পুরাতন পথ শেষ হয়ে গেল যেথা
সেথায় আমারে আনিলে নূতন দেশে।”
তেমনি আগামী পঞ্চাশ বছর বা আরো পরে প্রতিদিন এভাবেই আমাদের আশাবাদ জেগে উঠুক এবং সেই নতুন দেশ নতুন নতুন বিস্ময় নিয়ে আমাদের কাছে ধরা দিক।

(লেখক: বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, লেখাটি দূতাবাসের ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া)

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi Golam Kabir

২০২১-০৩-২৬ ০২:৪৮:৪৭

Thank you and best wishes to the Emassador of USA.

আপনার মতামত দিন

ফেসবুক ডায়েরি অন্যান্য খবর



ফেসবুক ডায়েরি সর্বাধিক পঠিত



পিতার জন্মদিনে মেয়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস

‘মির্জা আলমগীরের সারাজীবনের রাজনীতি বৃথা যাবে না’

DMCA.com Protection Status