সাহস হলো না লন্ডন যাবো এটা ভাবার

আসিফ নজরুল

বই থেকে নেয়া ২৫ মার্চ ২০২১, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:২১ অপরাহ্ন

আমি এসএসসি পরীক্ষা দেই ১৯৮০ সালে। রেজাল্ট বের হলে আব্বা এসে জানালেন দ্বিতীয় বিভাগে পাস করেছি। খুব মন খারাপ করলাম। একটু বোধহয় কেঁদেছিলামও। স্কুলে প্রায় সব ক্লাশে ফার্ষ্ট হয়েছি। আমার স্কুল (ওয়েষ্ট এন্ড হাই স্কুল) তখন নামকরা স্কুল ছিল। অংকে জুনাইদ স্যার, ইংরেজীতে রশীদ স্যার আর বাংলায় আশরাফ স্যারসহ বহু খ্যাতিমান শিক্ষক ছিলেন সেখানে। সেখানকার ফার্ষ্ট বয় হয়ে কেন আমি দ্বিতীয় বিভাগ পাবো?
আমরা তখন থাকতাম পুরানো ঢাকার লালবাগে।
নানার একটি একতলা বাড়িতে। আমার গৃহশিক্ষক ছিলেন আমার বড় ভাই। কি কারণে জানিনা, তাকে ডাকতাম ভাইসাব বলে। তিনি শিক্ষক হিসেবে নির্দয় প্রকৃতির ছিলেন। তার কাছে বসে ক্লাশ সিক্স থেকে আমাকে রাত দশটা পর্যন্ত পড়তে হতো। ঘুমে ঢলে পড়ে গেলে মার খেতাম, খারাপ রেজাল্ট করলে মার, পড়া না পারলে মার। কিন্তু আমার এসএসসি-র রেজাল্ট শুনে তিনি মারলেন না, তিরস্কারও করলেন না। তার বরং সন্দেহ হলো। আব্বা আমার রেজাল্ট জেনেছেন রাস্তায় একজন শিক্ষকের কাছ থেকে শুনে। তার মনে হলো আমার জন্য এই রেজাল্ট স্বাভাবিক। ফলে কষ্ট করে আর বোর্ড অফিসে গেলেন না জানতে।
আমার বড় ভাই গেলেন। বকশীবাজারের বোর্ড অফিস থেকে ফিরে এসে জানালেন, আমি আসলে প্রথম বিভাগ পেয়েছি। খুশী মনে ফুটবল খেলতে চলে গেলাম। বুড়িগঙ্গার বুক ঠেলে ওঠা কামরাঙ্গিচরে তখনো মানুষের বসতি শুরু হয়নি সেভাবে। সেখানে খেলতে খেলতে চরের বন্ধুদের রেজাল্ট জানালাম। পড়াশোনা নিয়ে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই তাদের। ফলে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া হলো না।  
দু’দিন পরে ঘুরতে গেলাম পুরানো ঢাকায় আমলীগোলায় খালাম্মার বাসায়। সেখানে গেলে খালুর শিকার করা বকের মাংশ খাওয়া যায়, বড় বারান্দায় ফুটবল খেলা যায়, ক্যাসেট প্লেয়ারে বনিএম আর এ্যাবার গান শোনা যায়। কিন্তু সেদিন গিয়ে দেখি আমার আড়াই বছরের বড় খালাতো ভাই রেগে আছে আমার উপর। সে কয়েকবার ফেল করে ক্লাশ নাইনে পড়ছে তখনো, আর আমি ম্যাট্রিক পাস করে ফেললাম! এই ‘অপরাধে’ কুন্ঠিত হয়ে কিছুক্ষন এদিক সেদিক ঘুরে বেড়ালাম। আমার সাথে খেলার মুড নেই তার। চলে আসবো যখন, দেখি বড়ঘরের খাটের উপর পুরানো পত্রিকা।
পেপারটা জুড়ে এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের খবর ছাপা হয়েছে। তখন বিজ্ঞান বিভাগে ২০ জন আর মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে ১০ জন করে সেরা ছাত্রের তালিকা বের হতো। তাদের বলা হতো ষ্ট্যান্ড করা ছাত্র। আমি ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়েছিলাম উদয়ন স্কুলে। পাশে সীট পড়েছিল তখনকার দেশসেরা বিদ্যালয় সরকারী ল্যাবরেটরী স্কুলের ছাত্রদের। ঠিক পাশে ছিল টিটু (এ.এইচ.এম. আহসান, এখন অতিরিক্ত সচিব) আর তার সামনে সুজা (কাজী শরীফ কায়কোবাদ, এখন মেজর জেনারেল)। তাদের জ্ঞানীভাব আর চালচলন দেখে তখনি মুগ্ধ হয়েছিলাম। মানবিক বিভাগের তালিকা খুজলাম তাদের নাম দেখার জন্য। যা ভেবেছিলাম তাই। ঢাকা বোর্ডে প্রায় চল্লিশ হাজার ছাত্রের মধ্যে সেরা দশে আছে তারা। টিটু চার নম্বরে, আর সুজা ঠিক তার পরে।
এমন সোনার টুকরো ছেলেদের পাশে বসে পরীক্ষা দিয়েছিলাম ভেবে পুলকিত হলাম। তালিকায় ল্যাবরেটরী স্কুলের আর কার নাম আছে দেখতে দেখতে দশ নম্বরে এসে চোখ আটকে গেল। মানবিক বিভাগে দশ নম্বর সেরা ছাত্রের নাম মো: নজরুল ইসলাম, স্কুল: ওয়েস্ট এ্যন্ড হাই স্কুল, রোল: ঢাকা ৩০৮২ ! আমার নাম, আমার স্কুল, রোল নম্বরটাও আমার। তাহলে এটা আমি!
বিমুঢ় হয়ে পত্রিকার তালিকাটা দেখি বারবার। এটা সত্যি কিনা কাউকে জিজ্ঞেস করা দরকার। মুখ তুলে দেখি খালাতো ভাই আগুন চোখে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। স্কুল জীবনে খুব দুর্বলদেহী ছিলাম। টিফিন টাইমে কাছেই তাদের বাসায় গিয়ে ভাত খেয়ে আসতাম। আমাকে দেখলে খালাম্মা পড়াশোনা নিয়ে গঞ্জনা দিতো তাকে। রেগে গিয়ে সে একবার আমাকে মারতে মারতে স্কুল পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল। ক্ষুধার যন্ত্রনায় কয়েকদিন পর সেখানে আবারো যাওয়া শুরু করি। সে চোখে পাকিয়ে তাকিয়েছিল। ভয়ে তার নামে কোন নালিশ দেইনি। সেও আমাকে এরপর আর ফুটবল খেলার সময় ছাড়া আর মারেনি। কিন্তু মনে হলো, আজ যদি রেজাল্টের কথা বলি তাহলে মেরে ভর্তা বানিয়ে ফেলবে।


মানে মানে কেটে পড়ি। আমলীগোলা থেকে আমাদের বাসা পোস্তা-য় (ওয়াটার ওয়ার্কস রোড) হেঁটে আসতে লাগতো আধাঘণ্টা। হেঁটে আসতে আসতে রাস্তার পাশের সাইনবোর্ড পড়তাম। কয়টা সাইনবোর্ড ‘সুনীল আর্ট’ আর কয়টা আলীজানের সেটা গুনতে গুনতে আসতাম। পানিফল নিয়ে পুরানো বাসার রকে বসা ফেরীওয়ালা, উকুন বাছতে থাকা মহিলা আর অলস মানুষের আড্ডা দেখতাম। লোভী চোখে তাকাতাম বেবী আইসক্রীমের গাড়ী, চটপটিওয়ালার দোকান আর ফুলে ফুলে ওঠা ‘গুলগুলা’ ভরা হোটেলের কড়াই-এর দিকে।
সেদিন আশেপাশে না তাকিয়ে উড়তে উড়তে পার হলাম কিল্লার মোড়, মোচর ঘুড়ে মজিদগঞ্জ তারপর শাহী মসজিদের পাশ দিয়ে পোস্তার মোড়। পোস্তার পোষ্ট অফিসের পাশে অতি সরু গলিতে আমাদের বাসা। পোষ্টঅফিসের পাশে চামড়ার গুদামে বিনা পয়সায় পেপার পড়তে যাই মাঝে মাঝে। সেখানে গিয়ে হাতেপায়ে ধরে আগের দিনের পত্রিকা বের করলাম। দেখি সেই পত্রিকাতেও ষ্ট্যান্ড করা লিষ্ট আছে। সেখানেও ছাপা হয়েছে আমার নাম। মো. নজরুল ইসলাম। স্কুল: ওয়েষ্ট এ্যন্ড হাই স্কুল।
বাসায় এসে মিনমিন করে এই সংবাদ দিলাম সবাইকে। আমার বোনরা সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকালো। বড় ভাই একটু অবাক হলো। কাউকে খুব একটা খুশি মনে হলো না। তবে বিকেলে বাবা একসের মিষ্টি আনলেন পাড়ার দোকান থেকে। রেজাল্টের জন্য নাকি অন্য কারণে বোঝা গেল না। একসাথে সাদা রঙ্গের দুটো মিষ্টি পেলাম। আমাদের দু:খী ও চরম মিতব্যায়ী পরিবারে এটাও ছিল একটা ঘটনা।
একবছর পর আমার মামাতো ভাই এসএসসি পরীক্ষা দিল। সে আমার ২৬ দিনের বড়। ধনবান পরিবারের সন্তান। ছোটবেলায় ঈদে মামার বাড়িতে গেলে আজিমপুরের সাগর সম্ভারে নিয়ে যেত, ঠান্ডা কোকা কোলা খাওয়াতো। বিনিময়ে সারাবছর তার লেজুড়ের মতো হয়ে থাকতাম। ক্লাশ নাইনে ওঠার পর আমি টিউশনি শুরু করি। পঞ্চাশ টাকা মাসে পেতাম। কোক খাওয়ার ছ্যাবলামো কমলো আমার। কিন্তু তার প্রতি ভক্তি না।
মামাতো ভাইও প্রথম বিভাগ পেয়েছিল, তবে তা বিজ্ঞান বিভাগে। তখন মানবিক বিভাগ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ফার্স্ট ডিভিশন পাওয়া অনেক সহজ ছিল। তবু ফার্স্ট ডিভিশন উপলক্ষে তার বাসায় বিরাট খাওয়া দাওয়ার আয়োজন হলো। চকচকে ও দামী কাপড় চোপড় পড়ে সে ডাইনিং টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে। তার আলো গায়ে মেখে আমিও হাসি হাসি মুখে পাশে দাঁড়িয়ে আছি। বড় মামা এসে তাকে জড়িয়ে ধরলেন। বললেন বংশের মুখ উজ্জ্বল করেছে সে। নিস্প্রভ আমার দিকে একবারো ফিরে তাকালেন না তিনি। উনি কি জানেন আমি স্ট্যান্ড করেছি গতবছর? তাকে দেখে মনে হলো জানেন না। আমি যে পাশে দাঁড়ানো, এটাও বোধহয় চোখে পড়লো না তার। মামাতো ভাইয়ের অসাধারণ রেজাল্ট নিয়ে তুমুল উচ্ছাস তখন খাবার টেবিলে। অন্ধকার বারান্দায় এসে জীবনের এসব রহস্য বোঝার চেষ্টা করলাম। মনে হয়না খুব একটা বুঝেছিলাম তখন।
মামার পরিবার এরপর ঘুরতে গেল লন্ডনে। সেই লন্ডনে, মুহাম্মদ আবদুল হাই-য়ের বিলেতে সাড়ে সাতশো দিন পড়ে যা মনে হয়েছিল রূপকথার রাজ্য। আকাশের মেঘ ছুঁয়ে ছুঁয়ে, অন্ধকার গুহা থেকে গোঁ গোঁ করে বের হয়ে আসা পাতাল রেলের পেটে ঢুকে, সাদা সাদা মেমসাহেব দেখে এলো তারা লন্ডন থেকে। লন্ডনের চকলেটের একটা টুকরো খেয়ে নিশ্বাস বন্ধ হয়ে এলো আনন্দে। লন্ডনের গল্প শুনতে মন চায় তার কাছে। কিন্তু সে বিরক্ত ধরনের তরুন। আমার অতিরিক্ত মুদ্ধতা ভালো লাগলো না তার।
আমি তাতেও খুশী। লন্ডনে যাওয়া একটা ছেলে আমার মামাতো ভাই! এটা ভেবেই মন ভরে উঠতো গর্বে। বিমান দুরের কথা, তখনো আমি ট্রেনেই চড়িনি। ছোটবেলায় লঞ্চে চড়ে গেছি কুমিল্লায় দেশের বাড়িতে। সেও লঞ্চের পেটের ভেতর বসে বসে।

সাহস হলো না লন্ডনে কোনদিন যাবো এটা ভাবার।

(আসিফ নজরুলের আলোচিত গ্রন্থ ‘পিএইচডির গল্প’ থেকে। এবারের বইমেলায় গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে বাতিঘর থেকে।  দ্বিতীয় পর্ব আগামীকাল।)

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Hafiz uddin Ahmad.

২০২১-০৬-০৭ ১০:০১:৫৭

Heart touching,captivating story of a great son of the soil. Please keep writing and keep readers spell bound.Regards and best wishes.

Mahbubur Rahman Chow

২০২১-০৩-২৯ ০৬:৩০:৫৩

Fantastic! Wish to read more ! My respect & Love for Asif .

প্রকৌশলী সাইফুল্লাহ

২০২১-০৩-২৮ ২৩:৩৬:৫০

Exquisite ! এগুলো পড়ে অনেক ছাএরা উতসাহ পাবে , বিশেষ করে গরীব ছাএরা। আপনার জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল ।

Md. Anwarul Haque

২০২১-০৩-২৮ ০৮:২৪:১১

অনেক সুন্দর একটা কাহিনি ভালো লাগলো খুব

সালেহ আহমদ খান

২০২১-০৩-২৭ ০৫:৫৮:১৪

খুব ভালো লেগেছে।

এডভোকেট এম মাহমুদ হো

২০২১-০৩-২৬ ২১:৩০:১৮

ভালো লাগলো

মো: মিজান

২০২১-০৩-২৬ ০১:৫৪:৫৭

আমি গল্পের বেতর প্রায় টুকে পড়েছি। পড়ে অনেক ভাল লাগলো ধন্যবাদ স্যার কে

বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজ

২০২১-০৩-২৫ ২৩:২৮:৩৯

খুব ভালো লাগলো নজরুল। ধন্যবাদ।

কামরুল হাসান

২০২১-০৩-২৫ ২২:৪৮:২৬

অনেক ভাল লাগলো পড়াটা পড়ে,

Kazi Afsar

২০২১-০৩-২৫ ২২:৪৩:৫৮

আসিফ নজরুলের লেখা ঠিক তার বাচন ভঙ্গীর মতই।স্পস্ট,পরিস্কার।

তোফায়েল অর্ণব

২০২১-০৩-২৫ ২০:২৩:৫৬

সুন্দর লিখেছেন স্যার, ধন্যবাদ আপনাকে।

মোহাম্মদ হাবিবুর রহম

২০২১-০৩-২৫ ১৮:৪৮:১৯

খুবই জীবন ঘনিষ্ঠ কথামালা। শুধু গ্ৰামের মধ্যেবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পড়ালেখা করতে অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয় তা নয়, শহরেও হয়! পড়ে ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনাকে।

রাশেদ

২০২১-০৩-২৫ ১৮:২৫:৪৫

ভাল লাগে আপনাকে।" প্রিয় স্যার"

আহমমদ রেজা খান

২০২১-০৩-২৫ ১৮:০১:১৫

খুবই সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন । স্যারের এই জীবনী থেকে নুতন প্রজন্ম কে অনেক কিছু শিখতে হবে ।

Bedaura Sultana

২০২১-০৩-২৫ ১৫:৩৩:৫৭

মন ছুঁয়ে গেল, বইটা পড়তে হবে, কিন্তু কিভাবে

লতিফ বেপারী

২০২১-০৩-২৫ ১৫:১৫:১১

পড়ে ভালো লাগল

অসাধারণ লিখেছেন

২০২১-০৩-২৫ ১৫:১১:২৪

আপনার লেখাগুলো পড়লে মনে প্রান ফিরে পায় ভাল থাকুন শুভ কামনা

Abu Taher misbah

২০২১-০৩-২৫ ১১:২৭:৫৩

পড়ি, আর বিমোহিত হই! আল্লাহ আপনার মর্যাদা আরো বাড়িয়ে দিক।

রিমন ইসলাম

২০২১-০৩-২৫ ১০:৩২:৪৩

অসাধারণ মুন্সিয়ানায় গল্পটি লিখেছেন ড:আসিফ নজরুল। আর বোর্ডে স্টেন্ড করার পরও কেন কোন মাতামাতি হলো না বুঝলাম না? তবে সে সময়ের ঢাকার একটা নস্টালজিক বর্ননা পেয়ে খুব আবেগতাড়িত হয়েছি। কারণ আমার জন্ম ও বেড়ে উঠা আজিমপুর এ। আজ ঢাকা কত বড় ও আধুনিক শহর হয়েছে। কিভাবে সময় চলে গেছে ৪০ বছর? হায়রে সময়? আজ আমরা জীবনের এক অধ্যায় এ দাঁড়িয়ে আছি। ভাল লেগেছে, বইটা পড়বো।

Abdul Mazid Biswas

২০২১-০৩-২৫ ১০:১৮:৪০

স্যারের জন্য শুভকামনা।

আসমাউল হোসনা ,

২০২১-০৩-২৫ ১০:০৭:১৩

আসিফ স্যার আমার পছন্দের বক্তা।স্পষ্টভাষী আর বাস্তববাদী মানুষ।পছন্দের মানুষের জীবনের গল্প জানার আগ্রহ আমার মনে হয় সবারই থাকে।খুবই ভাল লাগল।

M Wahid Rahman

২০২১-০৩-২৫ ০৯:৫৮:৫৬

নিম্নবিত্ত, নিম্মমধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে উঠা আমাদের জীবনের গল্পগুলো কস্টের, দুখের, এবং নাপাওয়ার বেদনায় মাখামাখি।স্যারের স্কুল জীবনে আর্থিক টানাপোড়ন , তার ঐ জীবনের সাথে ঘর সংসার করি নাই এ কথা অনেকেই অস্বিকার করার সাহস রাখিনা।তবে তার এসএসসি ফলা ফলির পর তার সাথে তার পরিবার আচারন আমার সাথে একেবারেই অপরিচিত যা বেদনার উদ্বেগ এবং কৌতুহলের বিষয়! তাইতো স্যারের সেই বেদনার সাথে আমি সমব্যথায় ব্যথিত।

মোহাম্মদ মনির হোসাইন

২০২১-০৩-২৫ ০৯:৫৫:৩১

সব সময় কারো ব্যক্তিগত জীবনী পড়তে বিরক্ত লাগতো। কিন্তু, কেন যেন আজ এত ভালো লাগল বলে বুঝানো যাবে না। এটা কি সুন্দর লেখার দরুন নাকি কারো প্রতি বিশেষ ভালবাসার জন্য ?

Amir Al Hossain Al A

২০২১-০৩-২৫ ২২:৪৫:২৩

অসাধারন লিখনি, আসিফ নজরুল স্যারের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা এবং দোয়া রইল আল্লাহ তালা যেন ওনাকে নেক হায়াত করেনঃআমিন

মোঃ এমামুল মোস্তফা

২০২১-০৩-২৫ ০৮:৪১:১৫

অসাধারন লেখা, আমিও দুই বছর পড়েছি ওয়েস্ট এন্ড হাইস্কুলে ক্লাস সিক্স ও সেভেনে, সত্যিই মনে পরে সেই দিনগুলি।

Syed Aftabuddin Ahme

২০২১-০৩-২৫ ০৮:৩৪:৩৪

দারুন লেখা, বহুদিন পরে পড়লাম, খুব ভালো লাগলো. একই স্কুলের ছাত্র বলে মনটা আরো ভরে গেলো.

Md Habibur Rahman Ma

২০২১-০৩-২৫ ০৮:২৭:৩৪

বলার কোন ভাষা নাই। আপনার কথা যতই শুনি ততই আবেগ আপ্লুত হই। আপনার মুখে গণমানুষের কথা শুনি।

Mominul Islam

২০২১-০৩-২৫ ০৮:২৭:১২

অনেক ভালো লাগলো। আমার পছন্দের এক জন মানুষ আসিফ নজরুল স্যার। বইটা কোন ষ্টোল এ পাওয়া যাবে?

Russell Maahmuudd

২০২১-০৩-২৫ ০৮:১১:৪৩

লেখাগুলো পড়ে অনেকটাই অনুপ্রাণিত হই ! অসংখ্য ভালোবাসা রইলো আসিফ নজরুল স্যারের প্রতি! আল্লাহ আপনাকে নেক ও দীর্ঘ হায়াত দান করুক ! আমিন!

মোহাম্মদ সহিদুল আলম

২০২১-০৩-২৫ ০৮:০০:০৭

বড় ভালো লাগলো।

Shohel Mahmud

২০২১-০৩-২৫ ০৭:৪৪:৫৬

Best wishes for you dear sir

মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর

২০২১-০৩-২৫ ২০:৩৬:৫৭

জীবনে কত ঘটনা-ই তো ঘটে! কিছু মনে থাকে, আর কিছু হারিয়ে যায়। কিন্তু কিছু ঘটনা, কিছু মজার স্মৃতি কখনোই হারিয়ে যায় না। কারণ এসব স্মৃতিগুলোই আমাদেরকে নিয়ে যায় পেছনে, ঘুরে দেখায় সেইসব দিনগুলোকে। এক কথায অসাধারণ |

Shimul

২০২১-০৩-২৫ ০৭:২৮:৫১

অসাধারন লেখা। নিখুঁত এবং সাবলিল।

Rtn.S.M.Monir Hossai

২০২১-০৩-২৫ ২০:১১:০৭

Nice sir, you are really a great teacher .I Love You So Much.

Engr kamrunnnesa

২০২১-০৩-২৫ ০৭:০৮:০১

পড়ে বিমোহিত হই।

Md.anamul haque

২০২১-০৩-২৫ ০৭:০২:০৪

অসাধারন লিখনি, আসিফ নজরুল স্যারের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা এবং দোয়া রইল আল্লাহ তালা যেন ওনাকে নেক হায়াত করেনঃআমিন

Rashad

২০২১-০৩-২৫ ০৬:৫১:২১

Genuine person with his super genuine story

Farhadul Alam

২০২১-০৩-২৫ ০৬:৪২:৫৭

গ্রামে জন্ম আর বেড়ে উঠা আমার। কিন্ত লেখকতো ঢাকায় জন্মেছেন। তারপরেও কি যে মিল খুঁজে পাই নিজের ছেলেবেলার সাথে! এইতো বড় লেখকের গুণ, বলবেন নিজের কথা কিন্ত বাধবেন সবাইকে। এমন অবলোকন আর বর্ণনা শুধু বিভুতিভূষণের লেখায় মিলে।

Iliass Mohan

২০২১-০৩-২৫ ০৬:৩০:১১

পড়ে বিমোহিত হই।

Shaikat Sharp

২০২১-০৩-২৫ ০৬:২৭:১৯

এখন তো জানতে ইচ্ছে করছে, স্যার এখন কেমন অনুভব করেন যখন জানতে পারেন লন্ডনে বছরের পর বছর থেকে ব্যারিস্টার হয়ে আসা বা দেশে জাজ মানুষেরাও উনাকে "স্যার" এড্রেস করেন?

Md Mahbub Alam Murad

২০২১-০৩-২৫ ০৬:১২:১৮

খুব ভালো লাগলো,নিজের ছোটবেলায় হারিয়ে গিয়েছিলাম।মধ্যবিত্তদের এরকম ছাপ থাকে তা জেনে নিজের কষ্টটা ভুলে গেছি।অাপনার বক্তব্য শুনি এবং ভাবতাম এতোবড়ো মানুষ কিন্তু মানসিকতা এতো সুন্দর কেনো? অাসলে যারা নিজের জীবনে কষ্টের স্বাদ পেয়েছে তারা জীবনের প্রতিটা ধাপ ফেলে হিসেব করে যাতে একটি পিঁপড়া পায়ের তলায় পড়লো কিনা। এই দেশ, সমাজ, জাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যখন শিক্ষিত মানুষের নষ্টামীর কারনে সেখানে অাপনি ব্যাতিক্রম এটা ভেবে ভালো লাগছে।ইনশাআল্লাহ সুযোগ অাসবে তখন না হয় এই জাতীর হাল ধরেন পরিপূর্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার।এই কাৃনা রইলো।

Mohammed Saiful Isla

২০২১-০৩-২৫ ০৫:৫২:৫১

দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘ জীবি করুন। আমিন।

Nannu chowhan

২০২১-০৩-২৫ ০৫:৫১:৩১

Its fact ,real life story of of lower middle class family ,thanks for sharing us....

রাসেল নুর ইসলাম

২০২১-০৩-২৫ ০৫:২০:০৭

আমি প্রবাসী, দেশে ছুটিতে গেলে আব্বু বললো নারিকেল গাছয়ালা বাড়ি আপনাদের আর আর টকশোর সেই লোকই নাকি আপনি, আপনার বোনের সাথে চেহারা মিলিয়ে ধরে নিলাম কথা সত্যি, আজ বিস্তারিত জানলাম, আমিও সেই সরু গল্লির ছেলে। ধন্যবাদ।

আল আমিন

২০২১-০৩-২৫ ০৫:১২:৪৬

স‍্যালুট জানাই আসিফ নজরুল স‍্যারকে।।।

Mahmud

২০২১-০৩-২৫ ০৪:৫৮:২০

চমতকার লিখেছেন আসিফ নজরুল সাহেব । উনি আর আমি সমসাময়িক । একটা বিষয় আমার খুব খটকা লাগলো যে দুইদিন পর্যন্ত উনি জানলেনই না যে উনি স্টেন্ড করেছেন । আমরা যারা তখন ঢাকায় পড়েছি এবং বড় হয়েছি , তাদের কাছে স্টেন্ড করার বিষয়টি ছিলো বিরাট সাফল্যের , আনন্দের এবং পরিবার , পুরো মহল্লায় , স্কুলে উল্লাসের হিরিক পড়ে যেতো । কিন্তু উনার বিষয়টি পড়ে খুবই অবাক হলাম ।

হাবিবুর রশীদ বাবু

২০২১-০৩-২৫ ০৪:৫৭:১৭

বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি। মধ্যবিত্ত পরিবারের বেকে না যাওয়া প্রতিটি ছেলের জীবনের আত্নকীহিনীর রং অনেকটা এমনি হয়।

JAHIDUL ISLAM

২০২১-০৩-২৫ ১৭:৩০:০৪

love you sir

Mizan

২০২১-০৩-২৫ ০৪:১৮:০৩

মনে হয় এটা আমার জীবনের গল্প , অসাধারণ ,

মাসুদুল হক

২০২১-০৩-২৫ ০৪:০৪:০৫

অসাধারন লেখা। আসিফ ভাই কে আল্লাহ হেফাজত করুন এবং নেক হায়াত দান করুন আমিন।

Md Mushfikur Rahman

২০২১-০৩-২৫ ১৬:৫০:৪৬

I am reading your story and felling Nostalgic in my childhood memories.

Hasan

২০২১-০৩-২৫ ১৬:৪২:৫৭

really very realistic life and nicely writing .

Ahmed noor

২০২১-০৩-২৫ ০৩:৪১:৩৬

ধন্যবাদ স্যার, খুব ভাল লাগল পড়ে। তবে অবহেলিতরা একদিন বিখ্যাত হয়। যেমন আপনি।

Md. Alauddin

২০২১-০৩-২৫ ১৬:৩৪:২৬

পড়লাম, বুজলাম, নিজের জীবনের সাথে ও কিছুটা মিলিয়ে নিলাম। ভালো লেগেছে।

mh feroz

২০২১-০৩-২৫ ০৩:২৪:৪৬

It’s not only story it’s a real life story thank you sir

Md shyful hafiz jung

২০২১-০৩-২৫ ১৬:১১:৪৬

Very nice your real life story Sir...

দয়াল মাসুদ

২০২১-০৩-২৫ ০৩:০৭:৩৮

কি লিখব, ভাষা নেই স‍্যার। মন থেকে দোয়া করি সুস্থ থাকুন এবং দীর্ঘজীবি হোন।

পলাশ

২০২১-০৩-২৫ ০৩:০১:০৩

এই লোকটাকে কেন যে এত ভাল লাগে !

অনেক ভালো লাগলো স্যা

২০২১-০৩-২৫ ০২:৫৭:২৩

অনেক ভালো লাগলো স্যার অপেক্ষায় রইলাম আগামীর কালের জন্য। ধন্যবাদ ধন্যবাদ

সাইফুল্লাহ

২০২১-০৩-২৫ ০২:৪৫:৩৫

অসাধারণ,

M Saiful islam

২০২১-০৩-২৫ ০২:৩৮:৩০

একদমেই পড়ে ফেললাম।খুব ভালো লাগলো। পরবর্তী চুম্বক অংশ পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।

খাদিজাখাতুন

২০২১-০৩-২৫ ০২:৩৩:৩৯

আপনার লেখাগুলো অসম্ভব রকমের ভালো লাগে স্যার।

আসমা আকতার

২০২১-০৩-২৫ ০২:২৫:২৭

চমৎকার অনুভুতি। ধন্যবাদ স্যার।

Mhafuz

২০২১-০৩-২৫ ০২:০৭:৩৪

ভালো লাগলো,

Shakhawat Hussain Ch

২০২১-০৩-২৫ ১৪:০৯:৩৫

ধন্যবাদ আসিফ স্যার-কে সুন্দর একটি রিয়েল স্টোরি লিখার জন্য. আমার ছোট বেলার কথা মনে হয়ে গেলো. কিছক্ষনের জন্য লিখা গুলোর মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেললাম.

Md. Harun al-Rashid

২০২১-০৩-২৫ ১৪:০৬:৫৪

মানুষের পর্যবেক্ষন ক্ষমতা কত জীবন ঘনিষ্ট হলে নিজের অভিজ্ঞতাও অন্যের অনুপ্রেরণর উৎস হতে পারে। জনাব অধ্যাপক আসিফ নজরুল স্যার বয়সে অনেক বুদ্ধিজীবির অনুজ হলেও বুদ্ধিবৃত্তিক মানব সম্পদে তিনি সত্যিই ব্যতিক্রম ও অগ্রগামি।

Md. Sulaiman

২০২১-০৩-২৫ ১৩:৪০:৩৫

Asif Nazrul Sir, I was also a student of West End High School and Living at Amligola. I became nostalgic to read this artical and become interested to read your book. Can I know where I will get this book?

Muhammad Farhad Hose

২০২১-০৩-২৫ ১৩:২১:১৫

Nice sir, you are really a great teacher.

Masuma Chowdhury

২০২১-০৩-২৫ ০০:১৬:৪৪

Nice story.

shimul ahmed

২০২১-০৩-২৫ ১২:৫৮:৩৯

Love you

Anwar Hossain

২০২১-০৩-২৫ ১২:০৫:৪১

Nice Person, Everything I find nice about him....

আপনার মতামত দিন

বই থেকে নেয়া অন্যান্য খবর

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৯২)

‘আমি ছিলাম এক দুরভিসন্ধিমূলক চক্রান্তের শিকার’

৪ জুলাই ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৯১)

‘প্রাণভরে মুক্তির বাতাস নেওয়ার অপেক্ষায় আছি’

৩ জুলাই ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৯)

‘আমাকে নিয়ে ওরা এত ভীত কেন?’

১ জুলাই ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৮)

গোটা জাতি এক ভগ্নদশায় পতিত হতে চলেছে

২৯ জুন ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৭)

‘আমার স্ত্রী হাসনা ১৮ মাস নিদারুণ অর্থকষ্টে ভুগেছে’

২৭ জুন ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৬)

‘আসল দেনদরবার হয় পর্দার অন্তরালে’

২৬ জুন ২০২১

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৩)

‘রিমান্ডে ওবায়দুল কাদেরকে নির্দয়ভাবে প্রহার করে’

২৩ জুন ২০২১



বই থেকে নেয়া সর্বাধিক পঠিত



মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮৬)

‘আসল দেনদরবার হয় পর্দার অন্তরালে’

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮১)

‘আমাকে জেলে আসতে হয়েছে অন্য লোকজনের দোষে’

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৬৫)

‘আমাকে কোনো খবরের কাগজ পড়তে দেওয়া হয়নি’

মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮০)

‘এখন সবকিছু নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের ওপর’

DMCA.com Protection Status