সুইস ব্যাংকে কার কত টাকা, তালিকা চান হাইকোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১, রোববার, ৭:৫১ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:১৭ পূর্বাহ্ন

সুইস ব্যাংকসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে গোপনে কার কত টাকা পাচার করে পাঠানো হয়েছে বা আছে তার তথ্যসহ তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পাচার হওয়া ওইসব টাকা ফেরত আনতে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। প্রতিবেদন দাখিলের পরে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৩০শে মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম খান ও এডভোকেট সুবীর নন্দী দাস। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। রুলে অর্থপাচারের ঘটনাগুলো তদন্তের জন্য কেন একটি আলাদা তদন্ত টিম গঠনের নির্দেশ দেয়া হবে না এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না কিংবা অর্থ ফেরত আনতে প্রয়োজনে নতুন কোনো আইন করতে বলা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পানামা ও প্যারাডাইস পেপারে যাদের নাম এসেছে তাদের বিষয়ে তদন্ত করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনতে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, অ্যাটর্নি জেনারেল, অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট ১৫ জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পরে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, গত বছর ২২শে নভেম্বর অর্থপাচারকারী, দুর্বৃত্তদের বিষয়ে আদালত যে স্বপ্রণোদিত রুল জারি করেছিল এ রিট আবেদনে একই ধরনের আরজি জানানো হয়েছে। দুদকের পক্ষ থেকে রুল জারির বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছিল। কিন্তু আদালত রুল জারি করেছেন। তবে স্বপ্রণোদিত রুল ও আজকে জারি করা রুলের শুনানি একসঙ্গে হবে। ৩০শে মার্চ আদেশের জন্য ধার্য্য করা হয়েছে।
গত ১লা ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বাংলাদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সুইস ব্যাংকসহ গোপনে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ অবিলম্বে ফেরত আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম খান ও এডভোকেট সুবীর নন্দী দাস। রিটে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, অ্যাটর্নি জেনারেল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ১৫ জনকে বিবাদী করা হয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

khokon

২০২১-০২-২৮ ০৯:৫৯:৪৯

Is it goverment control high court or high control goverment ?

ezana huda

২০২১-০২-২৮ ২০:৫৪:০০

Sajib Wazed Joy alone is the owner of 1 lakh crore. High Court of Bangladesh is now backboneless after ousting Chief Justice S.K.Sinha.

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আরো ৯৪ জনের মৃত্যু-

করোনায় প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়াল

১৫ এপ্রিল ২০২১

ওলামা-মাশায়েখদের বিবৃতি-

জেল জুলুম বন্ধ না হলে আল্লাহ’র গজব থেকে কেউ রেহাই পাবে না

১৫ এপ্রিল ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



সব অফিস, গণপরিবহন, মার্কেট বন্ধ, কলকারখানা চালু

সাতদিনের কঠোর বিধিনিষেধের ঘোষণা

আল্লামা শফীকে হত্যার অভিযোগে মামলা-

বাবুনগরীসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন

DMCA.com Protection Status