কাদের মির্জা-বাদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

বসুরহাটে ১৪৪ ধারা

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন (৩ দিন আগে) ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১, সোমবার, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৫৬ অপরাহ্ন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ডাকায় সোমবার বসুরহাটে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার রাত ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউল হক মীর আদেশ জারি করেন। সোমবার ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।  রাতেই বসুরহাট বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মুজাক্কির হত্যাকা-ের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাদের মির্জা-বাদল গ্রুপের পক্ষ থেকে একই দিন একই স্থানে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কাদের মির্জার অনুসারীরা সাংবাদিক মুজাক্কিরের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তাকে তাদের কর্মী দাবি করে শনিবার রাতে এ হত্যাকা-ের জন্য তাদের প্রতিপক্ষদের দায়ী করে গ্রেপ্তার দাবিতে বসুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে কাদের মির্জার পক্ষ থেকে সোমবার দুপুর আড়াইটায় বসুরহাট রূপালী চত্বরে শোক ও প্রতিবাদ সভার কর্মসূচির ঘোষণা করেছে।

এর পূর্বে শনিবার সকালে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সোমবার বিকাল ৩টায় একই স্থান বসুরহাট রূপালী চত্বরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কটূক্তি, অশালীন ভাষায় বক্তব্য এবং তারাসহ দলীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক মীর জানান, দুই পক্ষ বসুরহাটে পাল্টাপাল্টি একই স্থানে সমাবেশ ডাকায় সমগ্র বসুরহাট পৌর এলাকায় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এ সময় সব ধরনের সভা সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Nejam Kutubi

২০২১-০২-২২ ১১:১৫:০৪

শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে দু'গ্রুপের কর্মসুচিই বিএনপি-জামাতের দেশ বিরোধী কর্মকান্ডের বিরোদ্ধেই!!

আবুল কাসেম

২০২১-০২-২১ ২২:০০:৫৪

বিরোধী দলের সঙ্গে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতে খেলতে তা যে কখন নিজ দলের সঙ্গেই শুরু হয়ে গেছে তার হিসেব করার সময় কি এখনো হয়নি? এটাই কি প্রকৃতির প্রতিশোধ? সাপকে বিশ্বাস করা যায়না। সাপের ছোবল থেকে অনেক সময় ওঝাও রেহাই পায়না। সাপের উৎপাদন, বংশবৃদ্ধি, লালনপালন বিপদজনক। রাজনীতির সাপখেলার অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবে সকল সুকৃতি। জনগণের দৃষ্টি উন্নয়নের দিক থেকে মারামারি কাটাকাটি গোলাগুলি হানাহানির দিকে যারা ফিরিয়ে দিতে চায় তাদের দমন করা উচিত। এরা বিষাক্ত সাপের মতো। কথায় আছে, কাকের মাংস কাকে খায়না। কি লজ্জা! কাকের চেয়েও নিকৃষ্ট আমরা! অথচ, আমরা দাবি করি মুসলমান। ঈমানদারের পরিচয় ও গুণাবলি দলে দলে ভাইয়ে ভাইয়ে অসহিষ্ণুতা ও সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া নয়। রাজনীতির খেলা, নির্বাচনের খেলা। অতপর সাপের খেলা। একজন ঈমানদার মুসলমান হিসেবে এসকল ঈমান বিধ্বংসী খেলা থেকে বিরত হওয়া আবশ্যক এবং গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে আজ হোক, কাল হোক আমাদের মৃত্যু হবে। আমাদের সকল কাজের হিসেবের খাতা আল্লাহর দরবারে খোলা হবে। কঠোর ভাবে জবাবদিহি করতে হবে। নেক আমলের পাল্লা ভারি হলে আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করবেন। মিলবে জান্নাত। আর খারাপ কাজের পাল্লা ভারি হলে আল্লাহর রোষানলে পড়তে হবে। নিক্ষিপ্ত হতে হবে জাহান্নামে। পুঙ্খানুপুঙ্খ সকল কাজের হিসেব আল্লাহ তায়ালা নিয়ে ছাড়বেন। তিনি বলেন, "সেদিন মানুষ দলে দলে ভাগ হয়ে যাবে যাতে করে তাদেরকে তাদের কর্মকাণ্ড দেখানো যায়। অতএব, যে ব্যক্তি অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে তাও সে দেখতে পাবে। আবার কোনো মানুষ যদি অণু পরিমাণ খারাপ কাজ করে তাও সে দেখতে পাবে।" সূরা আয যিলযালঃ৬-৮। কেয়ামতের ভয়াবহতা এবং বেহেশত ও দোজখ লাভের কারণ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "মহা দুর্ঘটনা! কি সেই মহা দুর্ঘটনা! তুমি কি জানো সেই মহা দুর্ঘটনাটি কি? সেদিন যখন লোকেরা ছড়িয়ে থাকা পতঙ্গের মতো বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে এবং পাহাড়গুলো রং বেরঙের ধূনা পশমের মতো হবে। তারপর যার পাল্লা ভারি হবে সে মনের মতো সুখী জীবন লাভ করবে। আর যার পাল্লা হালকা হবে হাবিয়া দোজখ (গভীর গর্ত) হবে তার মা। তুমি কি জানো সেটি কি? তা হচ্ছে প্রজ্জ্বলিত আগুনের একটি কুণ্ডলী।" সূরা আল ক্কারিয়াহ্ঃ১-১১। মা যেমন নিজের সন্তানকে কোলে নিয়ে নেয় এবং বুকের সঙ্গে জড়িয়ে রাখে তেমনি হাবিয়া দোজখও দুষ্কৃতকারী অপরাধীদের মায়ের মতো বুকের সাথে জড়িয়ে রাখবে। এই জাহান্নামটি একটি গভীর গর্ত। যা থেকে বের হওয়া অসম্ভব। সুতরাং ঈমানদার লোকেরা সাবধান। মৃত্যুর পরেই শুরু হয়ে যাবে জান্নাতের সুখ শান্তি অথবা জাহান্নামের আগুনে পোড়ার কঠিন আজাব। ১৪৪ ধারা এবং আইনী কর্তৃপক্ষকে আমরা কতোই না ভয় করি। তাহলে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কঠোর শাস্তিকে ভয় করা উচিত নয় কি?

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

মুশতাকের আইনজীবীর স্ট্যাটাস

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১

টিকা নিয়েছেন সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status