প্রথম পাতা
নিম্নমুখী সংক্রমণে আশা
স্টাফ রিপোর্টার
২০২১-০২-১২
আশঙ্কা ছিল, ছিল সতর্কতা। বলা হয়েছিল, শীতে বাড়তে পারে সংক্রমণ। দেশে দেশে অভিজ্ঞতাও তাই। কিন্তু বাংলাদেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনার সংক্রমণ বেশ নিম্নমুখী। রোগী শনাক্তের হার টানা তিন সপ্তাহ ৫ শতাংশের কম। মৃত্যুহারও কমেছে আগের তুলনায়। এতে বাড়ছে আশা। এরইমধ্যে দেশে করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। যদিও জনসংখ্যার ৭০-৮০ ভাগ মানুষকে টিকা দেয়া চ্যালেঞ্জিং বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেশে যখন এই পরিস্থিতি তখন দুনিয়াব্যাপীই কমে আসছে করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাটা অনুযায়ী, গত ৪ সপ্তাহ ধরে নিম্নমুখী করোনার সংক্রমণ। মৃত্যুর সংখ্যাও কমছে টানা দু’সপ্তাহ ধরে। সব মিলিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা সফল হচ্ছে এমন আভাস সপষ্ট। সিএনএনের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৮৮ হাজার মানুষ। এ সংখ্যা তার পূর্বের সপ্তাহ থেকে ১০ শতাংশ কম। একই সময়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ লাখের বেশি মানুষ যা তার পূর্বের সপ্তাহের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। ২০২০ সালের অক্টোবরের ২৬ তারিখের পর গত সপ্তাহেই বিশ্বজুড়ে সব থেকে কম সংক্রমণ হয়েছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৯ লাখ মানুষ। তবে এই সংখ্যা এর আগের সপ্তাহের থেকে ১৯ শতাংশ কম। বিশ্বের সবগুলো অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশেই সব থেকে দ্রুত কমছে করোনার সংক্রমণ। এক সপ্তাহে সেখানে সংক্রমণ কমেছে ২২ শতাংশেরও বেশি। অপরদিকে সংক্রমণের হার প্রায় স্থির রয়েছে ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলীয় রাষ্ট্রগুলোতে। সেখানে মাত্র ২ শতাংশ কমেছে সংক্রমণের হার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী- ব্রাজিল, ফ্রান্স, রাশিয়া ও বৃটেনে গত সপ্তাহে সংক্রমণ কমেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ পূর্বের থেকে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভারতে গত বছরের শেষদিকে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা লাখের কাছাকাছি ছিল। তবে সেখানে এখন একদিনে ১০ হাজারেরও কম মানুষ করোনা শনাক্ত হচ্ছে। মৃতের সংখ্যাও কমে এসেছে একশ’র নিচে।
এদিকে, বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিন কার্যক্রম। এরইমধ্যে ইসরাইলসহ কয়েকটি দেশ জনসংখ্যার বড় একটি অংশকে ভ্যাকসিন প্রদান করেছে। সেসব দেশে করোনার প্রকোপ শিগগিরই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও ভ্যাকসিন কার্যক্রম নিয়ে বৈষম্যের বিষয়টিও ক্রমশ সপষ্ট হয়ে উঠছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এখনো ১৩০টির বেশি দেশ ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১০ কোটি ৭৫ লাখেরও বেশি। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ লাখ ৫৫ হাজার।
দেশে কমছে রোগী: দেশে টানা ৯ সপ্তাহ নতুন রোগী কমছে। আর ৭ সপ্তাহ ধরে মৃত্যুও কমছে। গত ৭ই ফেব্রুয়ারি সারা দেশে গণটিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী দিন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুসারে করোনা শনাক্তের হার ২ বা ৩-এর নিচে নামলে তা আস্তে আস্তে চলে যায়। বাংলাদেশে আমরা সেই পর্যায়ে চলে এসেছি।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ হাজার ২৪৮ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪১৮ জন। মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭১ জনে দাঁড়িয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
অন্যদিকে, দেশে গত ১০ দিনের করোনা শনাক্তের হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১০ই ফেব্রুয়ারিতে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ২ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এদিন শনাক্ত হন ৩৮৮ জন এবং মারা গেছেন ১০ জন। ৯ই ফেব্রুয়ারি ছিল শনাক্তের হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। শনাক্ত হন ৩৮৭ জন করোনা রোগী এবং মারা গেছেন ৮ জন। ৮ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ছিল ২ দশমিক ৩০ শতাংশ, শনাক্ত হন ৩১৬ জন এবং মৃত্যু ১৬ জন। ৭ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ছিল ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, শনাক্ত ২৯২ জন এবং মারা গেছেন ১৫ জন। ৬ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ২ দশমিক ৫১ শতাংশ, শনাক্ত ৩০৫ জন এবং মারা গেছেন ৮ জন। ৫ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ, শনাক্ত হন ৪৩৫ জন এবং মারা গেছেন ৭ জন। ৪ঠা ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, শনাক্ত হন ৪৮৫ জন এবং মারা গেছেন ১৩ জন। ৩রা ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯২ শতাংশ, শনাক্ত হন ৪৩৮ জন এবং মারা গেছেন ১৩ জন। ২রা ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ, শনাক্ত হন ৫২৫ জন এবং মারা গেছেন ১২ জন। ১লা ফেব্রুয়ারি নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ, এদিন শনাক্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১০ জন।
দেশে যখন এই পরিস্থিতি তখন দুনিয়াব্যাপীই কমে আসছে করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাটা অনুযায়ী, গত ৪ সপ্তাহ ধরে নিম্নমুখী করোনার সংক্রমণ। মৃত্যুর সংখ্যাও কমছে টানা দু’সপ্তাহ ধরে। সব মিলিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা সফল হচ্ছে এমন আভাস সপষ্ট। সিএনএনের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৮৮ হাজার মানুষ। এ সংখ্যা তার পূর্বের সপ্তাহ থেকে ১০ শতাংশ কম। একই সময়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ লাখের বেশি মানুষ যা তার পূর্বের সপ্তাহের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। ২০২০ সালের অক্টোবরের ২৬ তারিখের পর গত সপ্তাহেই বিশ্বজুড়ে সব থেকে কম সংক্রমণ হয়েছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৯ লাখ মানুষ। তবে এই সংখ্যা এর আগের সপ্তাহের থেকে ১৯ শতাংশ কম। বিশ্বের সবগুলো অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশেই সব থেকে দ্রুত কমছে করোনার সংক্রমণ। এক সপ্তাহে সেখানে সংক্রমণ কমেছে ২২ শতাংশেরও বেশি। অপরদিকে সংক্রমণের হার প্রায় স্থির রয়েছে ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলীয় রাষ্ট্রগুলোতে। সেখানে মাত্র ২ শতাংশ কমেছে সংক্রমণের হার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী- ব্রাজিল, ফ্রান্স, রাশিয়া ও বৃটেনে গত সপ্তাহে সংক্রমণ কমেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে করোনার প্রকোপ পূর্বের থেকে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভারতে গত বছরের শেষদিকে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা লাখের কাছাকাছি ছিল। তবে সেখানে এখন একদিনে ১০ হাজারেরও কম মানুষ করোনা শনাক্ত হচ্ছে। মৃতের সংখ্যাও কমে এসেছে একশ’র নিচে।
এদিকে, বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিন কার্যক্রম। এরইমধ্যে ইসরাইলসহ কয়েকটি দেশ জনসংখ্যার বড় একটি অংশকে ভ্যাকসিন প্রদান করেছে। সেসব দেশে করোনার প্রকোপ শিগগিরই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও ভ্যাকসিন কার্যক্রম নিয়ে বৈষম্যের বিষয়টিও ক্রমশ সপষ্ট হয়ে উঠছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এখনো ১৩০টির বেশি দেশ ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে ১০ কোটি ৭৫ লাখেরও বেশি। এরমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ২৩ লাখ ৫৫ হাজার।
দেশে কমছে রোগী: দেশে টানা ৯ সপ্তাহ নতুন রোগী কমছে। আর ৭ সপ্তাহ ধরে মৃত্যুও কমছে। গত ৭ই ফেব্রুয়ারি সারা দেশে গণটিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী দিন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুসারে করোনা শনাক্তের হার ২ বা ৩-এর নিচে নামলে তা আস্তে আস্তে চলে যায়। বাংলাদেশে আমরা সেই পর্যায়ে চলে এসেছি।
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ হাজার ২৪৮ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪১৮ জন। মোট শনাক্ত ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭১ জনে দাঁড়িয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
অন্যদিকে, দেশে গত ১০ দিনের করোনা শনাক্তের হার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১০ই ফেব্রুয়ারিতে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ২ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এদিন শনাক্ত হন ৩৮৮ জন এবং মারা গেছেন ১০ জন। ৯ই ফেব্রুয়ারি ছিল শনাক্তের হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। শনাক্ত হন ৩৮৭ জন করোনা রোগী এবং মারা গেছেন ৮ জন। ৮ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ছিল ২ দশমিক ৩০ শতাংশ, শনাক্ত হন ৩১৬ জন এবং মৃত্যু ১৬ জন। ৭ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ছিল ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, শনাক্ত ২৯২ জন এবং মারা গেছেন ১৫ জন। ৬ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ২ দশমিক ৫১ শতাংশ, শনাক্ত ৩০৫ জন এবং মারা গেছেন ৮ জন। ৫ই ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ, শনাক্ত হন ৪৩৫ জন এবং মারা গেছেন ৭ জন। ৪ঠা ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, শনাক্ত হন ৪৮৫ জন এবং মারা গেছেন ১৩ জন। ৩রা ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯২ শতাংশ, শনাক্ত হন ৪৩৮ জন এবং মারা গেছেন ১৩ জন। ২রা ফেব্রুয়ারি শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ, শনাক্ত হন ৫২৫ জন এবং মারা গেছেন ১২ জন। ১লা ফেব্রুয়ারি নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ, এদিন শনাক্ত হয়েছিলেন ৪৪৩ জন এবং মারা গেছেন ১০ জন।