নির্বাচনী সহিংসতা

মৌলভীবাজারে রেস্তোরাঁয় ঢুকে বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা, ভাঙচুর

স্টাফ রিপোর্টার, মৌলভীবাজার থেকে

অনলাইন (১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৭, ২০২১, বুধবার, ৯:৫৩ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৩৯ অপরাহ্ন

মৌলভীবাজারে রেস্তোরাঁয় ঢুকে বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার বিকালে বিএনপির দলীয় মেয়র প্রার্থী অলিউর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে শহরের শাহমোস্তফা সড়কে একটি রেস্তোরাঁয় চা পানের সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় হোটেলে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশ উপস্থিত হওয়ার আগেই হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনায় শহরজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলের পাশে বিএনপি নেত্রী সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসভবনেও হামলার চেষ্টা চালায় দুস্কৃতিকারীরা।

জানা যায়, বুধবার সকাল থেকে জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি এম. নাসের রহমান দলের জেলার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দলীয় মেয়র প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগে অংশ নেন। দুপুর আড়াইটার দিকে শহরের সুলতানপুর এলাকায় গণসংযোগ শেষে নাসের রহমান চলে যান।
এরপর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি মিজানুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বক্স, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের সাধারণ সম্পাদক জিএম মুক্তাদির রাজুসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী গণসংযোগ শেষে শাহমোস্তফা সড়কের ইসমাইল হোটেলে অবস্থান করছিলেন। সেখানে তারা নির্বাচন কেন্দ্রিক দলীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একে অন্যের সঙ্গে  কথা বলছিলেন। এরই একপর্যায়ে মোটরসাইকেলে করে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের শতাধিক নেতাকর্মী হোটেলে অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা বিএনপি নেতাদের ওপর লাটিসোটা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। রেস্তোরাঁয় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ইসমাইল হোটেলের কর্মচারি জাকির মিয়া জানান, কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ হামলার ঘটনায় হতভম্ভ হয়ে যাই। কোনরকম প্রাণ বাঁচাতে পেছন থেকে পালিয়ে যাই। তবে কি কারণে হামলা হয়েছে তা নিয়ে  কোন মন্তব্য করতে চাননি জাকির।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি এম নাসের রহমান গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, এধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা মৌলভীবাজারের রাজনৈতিক ইতিহাসে কখনো ঘটেনি। সিনিয়র নেতাদের ওপর পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার দলীয় লোকজনের যে বর্বরোচিত হামলা তা চরম দুঃখজনক। এ ঘটনায় হোটেলে অবস্থানরত জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিন বক্সসহ ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। লাঞ্ছিত হয়েছেন অনেক সিনিয়র নেতা। তিনি বলেন, আমি গণসংযোগ থেকে চলে আসার কিছুক্ষণ পরই সিনিয়র নেতাদের ওপর হামলা হয়। এর আগে হামলাকারীরা আমাদের প্রচারণার ওপর নজরদারি চালায় জানিয়ে নাসের রহমান বলেন, মূলত ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে না আসে, সেকারণেই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এদিকে, নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সন্ধ্যায় পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন এম নাসের রহমান। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনেরও আয়োজন করা হয়েছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০২১-০১-২৭ ২০:৪৭:১৩

এসব নোংরা ব্যবহার । নির্বাচনে জন সংযোগ করা সব দলের অধিকার । এটাই তো নির্বাচনী কাজের অংশ। প্রার্থীর জন প্রিয়তা যাচাই হয় নির্বাচনে। বল প্রয়োগই যদিয়হ করতে হয় নির্বাচনের দরকার কি ? সরকারী দল মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনা করে দিলে সময় ও নির্বাচনের খরছ বেঁচে যায়।

samsulislam

২০২১-০১-২৭ ১৭:৫৭:২৬

নাসের রহমান ইদানিং কি খুব সভ্য হয়ে গেছেন?উনার পিতার হিন্দু শিক্ষক কে ষ্টেইজ থেকে নামানোর কথা জনগণ ভউলে নাই কিন্তু।

Sarwar

২০২১-০১-২৭ ১২:১৭:০৮

দেশ এখন গনতন্ত্রের মহাসড়কে

Mohammed Islam

২০২১-০১-২৭ ২২:৫৪:১৩

A criminalized society

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

পোপের শেষ ইচ্ছা

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিলের দাবি

স্বাধীনতার জন্য লড়েছি, মুখ বন্ধ করতে নয়: আইরিন খান

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর দাবি

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পেছানোর দাবি তুলেছেন পরীক্ষার্থীরা। করোনা মহামারির মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে ...



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন

এক প্রেমিকের প্রতারণার বলি দুই বোন

DMCA.com Protection Status