মানুষ ভয়ঙ্কর!

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন (১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৬, ২০২১, মঙ্গলবার, ৩:৪১ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

আগে (বামে) ও পরে
একজন মানুষ। তিনি নিজেকে সাধারণ মানুষ হিসেবে ভাবতে চান না। তিনি নিজেকে ভাবতে চান একজন ‘ব্লাক এলিয়েন’ বা ভিনগ্রহের কৃষ্ণাঙ্গ আগন্তুক। এ জন্য যত রকম পরিবর্তন সম্ভব করিয়েছেন। ট্যাট্টু পরেছেন সারা দেহে। এমন কোনো স্থান নেই শরীরে যেখানে তিনি পরিবর্তন আনেননি। এক পর্যায়ে নাকের অগ্রভাগ এবং উপরের ঠোঁট কেটে ফেলতে হয়েছে। জিহ্বাকে কেটে দু’ভাগ করিয়েছেন।
উদ্ভট এমন নেশায় তিনি শরীরে আরো পরিবর্তন আনতে চান। কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো। এখন তিনি ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না। তার নাম অ্যান্থনি লেফ্রেডো। তার বাড়ি ফ্রান্সে। তিনি বলেছেন, এরপর শরীরের অন্য যেসব অঙ্গে পরিবর্তন আনতে চান তার মধ্যে রয়েছে হাত, পা, আঙ্গুল ও মাথার পিছনের অংশ। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী আছেন ২ লাখ ২৭ হাজার মানুষ। তাদের উদ্দেশে তিনি নতুন নতুন নাটকীয় পরিবর্তনের ছবি পোস্ট করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, অ্যান্থনি লোফ্রেডোর বয়স মাত্র ৩২ বছর। এর মধ্যে তিনি শরীরে যে পরিবর্তন এনেছেন তাতে তার দিকে তাকিয়ে যেকেউ ভয় পেয়ে যাবেন। নাকের সম্মুখভাগ কেটে ফেলেছেন স্পেনে। এটা তিনি নিজের দেশ ফ্রান্সে করাতে পারেননি। কারণ, এসব প্রক্রিয়া ফ্রান্সে নিষিদ্ধ। শরীর ফুটো করা, ট্যাট্টু করা এবং শরীরের কোনো রকম পরিবর্তন করা- যার ফলে শরীরে ক্ষত হতে পারে, এমনটা ইউরোপের অনেক দেশেই নিষিদ্ধ। ফলে কবে, কোথায় কার দ্বারা লোফ্রেডো এসব করিয়েছেন তা প্রকাশ করেননি। ইনস্টাগ্রামে সরাসরি প্রশ্নোত্তরে তিনি কথা বলেছেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Jewel

২০২১-০১-২৬ ০৫:২৯:২৬

এসব রিপোর্ট গুলো কোনভাবেই কারো উপকারে তো লাগেই না বরং কিছু বিকারগ্রস্ত জীব আছে তাদের উদ্বুদ্ধ করে।

Fazlu

২০২১-০১-২৬ ১৬:২৩:৫১

এমনি বিকৃত রুচির একটা মেয়েকে ইরান সরকার জেলে পাঠিয়েছে। এদের বিকৃত চিন্তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব শীঘ্রই শুরু হবে, তখন উপলব্ধি করবে নিজের ভুলের। ততটুকু পর্যন্তই একজন মানুষের ফিলিওলজি চাপ নিতে পারবে যতটুকু স্ট্রেইন সহ্য করার মত ক্ষমতা তার ডিএনএ-তে স্রষ্টা প্রোগ্রামিং করে দিয়েছে। এর বাইরে এতটুকুও না।

সুষমা

২০২১-০১-২৬ ০৩:০৪:৩১

পৃথিবী দ্রুতগতিতে ঘুরছে।সামনে এর গতি আরও বাড়বে বৈকি কমবে না।এর সাথে সম্পর্কিত সবকিছুই দ্রুতগতিতে ছুটছে।কোনকিছুই আর আগের মত সুস্থ আর সুস্থির নেই।আর হবেও না কখনো।এরপর কোনদিন দেখা যাবে মানুষ পা ছেড়ে হাত দিয়ে হেঁটে চলছে।কত কিছুই যে দেখবো আরও !

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা

২৭ বছর আগে ধর্ষণ, মামলা এখন

মিস পানামা প্রতিযোগিতা

অংশ নিতে পারবেন হিজড়াও

DMCA.com Protection Status