পররাস্ট্রমন্ত্রীকে মেয়র আরিফ

‘১০০ কোটি টাকা দেন, বাদাঘাট বাইপাস আমি করে দেব’

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে

অনলাইন (১ মাস আগে) জানুয়ারি ২৩, ২০২১, শনিবার, ৮:৪৯ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ২:৩২ অপরাহ্ন

বাদাঘাট বাইপাস সড়ক নিয়ে সিলেটে আলোচনা তুঙ্গে। এই সড়কটির গুরুত্ব এখন অনুধাবন করছেন সবাই। কারন- বাইপাস না থাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হচ্ছেন নগরের মানুষ। কোম্পানীগঞ্জের বিকল্প বাইপাস না থাকার কারনে বাধ্য হয়ে নগর দিয়ে চলছে ট্রাক। এই অবস্থায় গত শুক্রবার রাতে জেলা প্রশাসনের হলরুমে পররাস্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের উপস্থিতিতে সিলেটের উন্নয়ন সম্বলিত বৈঠকেও আলোচিত হয় বাদাঘাট বাইপাস সড়কটি। বৈঠকে উপস্থিত থাকা অনেকেই মন্ত্রীর সামনে এই বাইপাস সড়কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মন্ত্রীও নিজে এই সড়কটি গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। এ কারনে সড়কটির কাজ দ্রুত শুরু করতে তিনি ডিও’র পর ডিও দিচ্ছেন বলে বৈঠকে জানান।
এক পর্যায়ে আলোচনায় আসে সড়কের উন্নয়ন কাজের নির্মান ব্যায় নিয়ে। সড়ক বিভাগ থেকে জানানো হয়- এই সড়কটি উন্নয়ন করতে হলে ৭০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। পররাস্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনও এতো ব্যয় নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এতো টাকা ব্যয় শুনে চমকে উঠেন। তিনি এ সময় মন্ত্রীকে আশ্বস্থ করে বলেন- ‘এতো টাকা লাগবে না। আমাকে ১০০ কোটি টাকা দেন, আমি এই সড়কটি করে দেবো।’ তার কথায় আশ্বস্থ হন পররাস্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। এ সময় পররাস্ট্রমন্ত্রী মেয়রকে জানান- ‘আপনি একটি প্রস্তাবনা দেন। এটি নিয়ে আমি আলোচনা করবো।’ বৈঠকে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভও ঝাড়েন। এদিকে- সিলেটের বাদাঘাট বাইপাস সড়কের গুরুত্ব অনেক আগেই অনুধাবন করেছিলেন সিলেট-১ আসনের এমপি ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার শাসনামলেই ওই সড়কটিকে বাইপাস সড়ক নির্মানের প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু সড়ক বিভাগ থেকে সেটি ঝুলিয়ে রাখা হয়। এখন বাদাঘাট এলাকায় নির্মান করা হয়েছেন নতুন কেন্দ্রীয় কারাগার। ফলে বাদাঘাট বাইপাস সড়কের গুরুত্ব আরো বেড়েছে। এরপরও কাজ শুরু না হওয়ায় পররাস্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে কয়েক দফা ডিও দিয়েছেন। তার ডিও’র প্রেক্ষিতে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা চার মাস আগে সিলেটে এসে সরজমিনে পরিদর্শন ও সার্ভে করে গিয়েছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০২১-০১-২৪ ০৩:৫২:৩৩

All government employees are crooked. 7 times more pricing 600 crore to cheat government. So, money laundering list shows employees involved more than politicians.

আবুল কাসেম

২০২১-০১-২৩ ১১:১৬:৩১

শুধু সড়কপথের নয় যোগাযোগ সহ অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের ক্রিম খেয়ে ফেলছে দুর্নীতিবাজরা। করোনার তাণ্ডবে কর্মহীন বেকার মানুষের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ব্যবসা বানিজ্য অর্থনীতি পড়েছে নাজুক অবস্থায়। সড়ক বিভাগ থেকে বলেছে বাইপাস সড়কটি উন্নয়ন করতে ৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে। অথচ, মাননীয় মন্ত্রী এতো টাকার কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং মেয়র বলছেন মাত্র ১০০ কোটি টাকায় সড়কটি নির্মাণ করা যাবে। সড়ক বিভাগের লোকেরা এই করোনা মহামারির মধ্যেও মানবিক হতে পারেনি। সিলেটের সড়ক বিভাগের যারা ৭০০ কোটি টাকার কথা বলেছে তাদের কাছ থেকে হিসেব চাওয়া উচিত কোথায় কিভাবে ৭০০ কোটি টাকা খরচ হবে। যদি তারা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। করোনার ভয়াল তাণ্ডবের মধ্যেও অনেকে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। এদের লাগাম টেনে ধরা অপরিহার্য। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। নাহলে, পিঁপড়া যেমন গুড় খেয়ে ফেলে, তেমনি এরাও উন্নয়ন খেয়ে হজম করে ছাড়বে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

রোহিঙ্গা নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতই প্রধান চ্যালেঞ্জ

ক্যাম্পে নারী দিবস-২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তারা

৮ মার্চ ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



তালাকের পরও পাসপোর্টে রাকিবের নাম

পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে তামিমাকে

গাজীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

সভাপতি-সম্পাদকসহ ৫ পদে বিএনপি বিজয়ী

DMCA.com Protection Status