ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্কে নতুন হাওয়া, কোনো ঘোষণা দিতে পারেন ইমরান খান

মিজানুর রহমান

প্রথম পাতা ১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০৫ অপরাহ্ন

আচমকা ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্কে ‘সুবাতাস’ বইতে শুরু হয়েছে। এক বছরের বেশি সময় ধরে সম্পর্কোন্নয়নে দেশটির তৎপরতা বেশ দৃশ্যমান। কিন্তু এতে ইসলামাবাদ কতোটা সফল হয়েছে? বা ঢাকা কতোটা সাড়া দিয়েছে- তা নিয়ে বিতর্ক বা ভিন্নমত রয়েছে। পেশাদার কূটনীতিক ও বিশ্লেষকরা এটা মানছেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন এক যুগবয়সী সরকারের প্রায় ১১ বছরই ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্ক প্রায় তলানিতে ছিল। কিন্তু গত ক’মাসে তাতে বেশ ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। অনেকে এর জন্য চীনকে ক্রেডিট দিতে চান। তারা মনে করেন দৃশ্যপটে না থাকলেও বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক মেরামতে উভয়ের বন্ধু চীনই মুখ্য ভূমিকা রেখেছে এবং রাখছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আপত্তি বিদ্যমান।
এ নিয়ে সরকারের ভেতরে যে অস্বস্তি নেই তা কিন্তু নয়। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে পাকিস্তানি ঘাতকদের সহযোগিতার দায়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচার ও মৃত্যুদণ্ড প্রশ্নে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কটা একেবারে ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি তলব ও বহিষ্কারের ঘটনা চলেছে বহুদিন। উভয় পক্ষে কূটনীতিকদের ভিসা প্রদানও বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি এতটাই ঘোলাটে হয়েছিল যে, প্রায় দু’বছর ঢাকায় পাকিস্তানের হাইকমিশনারের পদটি শূন্য ছিল। অবস্থা যখন চরমে তখন নাটকীয়ভাবে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী হয় ইসলামাবাদ। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক চেয়ে প্রস্তাব পাঠান। ঢাকায় খবর আসে সরকার গঠনের পর থেকেই নাকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান চেষ্টায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলার জন্য। ঢাকায় নড়াচড়া শুরু হয়। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইনে ইমরান খান সুযোগটি গ্রহণ করেন। সেদিনের আলাপে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রশংসা করেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেরও। ওই সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন। ঢাকায় ফিরে তিনি তার একটি বর্ণনাও দেন। মূলত এক দশক পর বাংলাদেশ-পাকিস্তান শীর্ষ নেতৃত্বের এটাই ছিল প্রথম বাক্য বিনিময়। স্মরণ করা যায়, ২০১০ সালে সর্বশেষ পাকিস্তানের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের    বৈঠক এফওসি হয়েছিল। তারপর থেকে বাৎসরিক ওই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি ঝুলে আছে। মাঝখানে পাকিস্তানের বহুল আলোচিত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানী খার ঢাকায় এসেছিলেন, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ডি-এইট সম্মেলনের দাওয়াত দিতে। কিন্তু ঢাকা থেকে কেউ পাকিস্তানে পা ফেলেননি। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিউ ইয়র্কে ইমরান খানের সাক্ষাৎ পরবর্তী নানা ঘটনা ঘটেছে- যা বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। নাটকীয়ও বটে। নিউ ইয়র্ক থেকে ফেরার একদিনের মাথায় ইমরান খান ঢাকায় হাইকমিশনারের শূন্য পদে পাকিস্তান ফরেন সার্ভিসের ‘চৌকস অফিসার’ ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীকে নিয়োগ দেন। মিস্টার সিদ্দিকী তখন টরোন্টোতে কন্সাল জেনারেল। রাষ্ট্রদূত হিসেবে ঢাকায় তার প্রথম পোস্টিং। কানাডায় যাওয়ার আগে তিনি দুই বছর পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের যুগ্ম সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। তাছাড়া জাতিসংঘ এবং ওআইসিতেও কাজ করেছেন। বলাবলি আছে মিস্টার সিদ্দিকী পাকিস্তানের ক্ষমতার ভরকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মহলটির বিশেষ আস্থাভাজন। ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রেক্ষাপটে এ অঞ্চলে চীনের প্রভাব বৃদ্ধির বিষয়টিকে পাকিস্তানের জন্য সম্ভাবনাময় করে তুলতে বিশেষ অ্যাসাইনমেন্টে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। নতুন দূত নিয়োগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেন ইমরান খান। ২রা অক্টোবর ২০১৯-এর ওই ফোনে তখন কূটনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় লেগে যায়। কারণ পরদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফর। ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার ক’ঘণ্টা আগে ইমরান খানের ফোনটি বিশেষ ইঙ্গিতবাহী বলে সেদিন নড়েচড়ে ওঠেছিলেন বিশ্লেষকরা। সেই ফোনালাপে ইমরান খান আদতে কি বলেছেন? তা নিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের নানা বিশ্লেষণ ছিল। অবশ্য ঢাকা আগেভাগেই জানায়- ফোনালাপটি ছিল স্রেফ ‘কুশল বিনিময়’। নিউ ইয়র্ক যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে চোখের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ঢাকায় ফিরেও তিনি চোখ পরীক্ষা করান। ইমরান খান তার চিকিৎসার খোঁজখবর নিতেই ফোন করেছিলেন। সেই ফোনালাপ এবং নিয়োগের চার মাসের মাথায় ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেন হাইকমিশনার মিস্টার সিদ্দিকী। তখন ফেব্রুয়ারি মাস। মার্চে করোনা ঠেকাতে ঢাকায় প্রায় লকডাউন অবস্থা। পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা আটকা। হাইকমিশনার নিজের লোকদের নিরাপত্তা এবং ফেরত পাঠানো নিয়ে ব্যস্ত। অবশ্য ওই সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সরকারি অন্য দপ্তরে সাক্ষাৎকে নিরুৎসাহিত করা হতো। ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফরমেই ছিল সব যোগাযোগ। জুলাই মাসে পরিস্থিতি খানিকটা শিথিল হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অনেকটা নীরবে সাক্ষাৎ করতে যান পাকিস্তানি দূত। সেখানে তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করেন। তার্কিশ নিউজ এজেন্সি আনাদুলু সাক্ষাৎটির খবর প্রকাশ করে দেয়ায় ঢাকায় শোরগোল পড়ে যায়। সেই শোরগোলে নতুন মাত্রা যুক্ত হয় ওই মাসেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ইমরান খানের দ্বিতীয় দফায় ফোন করায়। ১০ মাস আগের ফোন আর জুলাই ২০২০-এর প্রেক্ষাপট ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তখন চীন-ভারত উত্তেজনা চরমে। লাদাখ সীমান্তে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশ নীরব, শান্তির পক্ষে। ভারতের সব প্রতিবেশীকে নিজেদের বলয়ে টানার চেষ্টা করছে চীন। এটা তখন ওপেন সিক্রেট। এমন সময়ে ঢাকায় বার্তা আসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে চান। ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ মিশন তখনো অন্ধকারে। ঢাকাস্থ পাকিস্তান মিশন সেগুনবাগিচার সঙ্গে যোগাযোগ করে ফোনালাপের সময়ক্ষণ চূড়ান্ত করে ফেলে। চটজলদি ইসলামাবাদ মিশনকে খোঁজখবর নিয়ে রিপোর্ট পাঠাতে বলে সেগুনবাগিচা। কিন্তু মিশনের রিপোর্ট আসার আগেই ঢাকায় ফোন করে বসেন ইমরান খান। এবার আর রাখঢাক নয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার সরাসরি প্রস্তাব করেন ইমরান খান। অতীতকে পেছনে ঠেলে নিয়মিত যোগাযোগে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার অনুরোধ জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস ফোনালাপের খবরটি প্রকাশ করে। খবরে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে ইমরান খান বাংলাদেশের করোনা আর বন্যা পরিস্থিতির খবর জানতে চেয়েছেন। ফোনালাপের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বিবৃতি প্রচার করে। তাতে আলাপের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। বলা হয়- বন্যা ও পরিস্থিতি নিয়ে দুই প্রধানমন্ত্রীর আলাপ ছাড়াও পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বমূলক সম্পর্ক গভীর করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের গুরুত্বের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন। সার্কের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থনের কথা জানিয়ে ইমরান খান বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যৌথভাবে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই শান্তি ও উন্নয়নে কাজ করতে পারে। ফোনালাপে ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের অবস্থা বিষয়ে পাকিস্তানের দৃষ্টিভঙ্গিও তুলে ধরেন ইমরান খান। একই সঙ্গে তিনি শেখ হাসিনাকে পাকিস্তান সফরেরও আমন্ত্রণ জানান। ফোনালাপ প্রশ্নে ঢাকা ও ইসলামাবাদের বক্তব্য স্পষ্ট হওয়ার পর পর্যবেক্ষকদের মূল্যায়ন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের প্রকাশ্য অবস্থান গ্রহণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যে জটিল অবস্থায় পৌঁছেছে পাকিস্তানের সরকার প্রধান তা ‘সহজ’ করতে চাইছেন। এ ফোনের নেপথ্যে যে পাকিস্তানের বরাবরের বন্ধু চীন রয়েছে- সেটাও বলছিলেন বিশ্লেষকরা। ১২ মাসে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে ৩ দফা সংলাপে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বরফ এতটাই গলেছে যে, ডিসেম্বর মাসেও পাকিস্তান দূত সরকার প্রধানের দেখা পেয়েছেন। কূটনৈতিক অঙ্গনে এমন গুঞ্জন আছে ৩রা ডিসেম্বর গণভবনে পাকিস্তানের হাইকমিশনার নাকি রীতিমতো অনুযোগ করে এসেছেন। মন্ত্রী-এমপি, আমলা ও ব্যবসায়ীদের দেখা না পাওয়ার বিষয়ে তিনি সরকার প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার নালিশ যে বৃথা যায়নি তার প্রমাণ নতুন বছরের সূচনাতেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ। ওই সাক্ষাতে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম স্পষ্ট করেই বলেন, সম্পর্ক বাড়াতে চাইলে পাকিস্তানকে আগে ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে অমীমাংসিত সব ইস্যুর নিষ্পত্তি করতে হবে। জবাবে পাকিস্তান দূত ’৭৪ সালে সম্পাদিত বহুল আলোচিত ত্রিদেশীয় চুক্তির একটি কপি হস্তান্তর করে জানান, তারা এরইমধ্যে বাণিজ্য বাধা নিরসন এবং বাংলাদেশিদের জন্য পাকিস্তানকে উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য সব ধরনের ভিসা জটিলতা দূর করেছেন। নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া প্রশ্নে বাংলাদেশের কঠোর মনোভাবের বিপরীতে পাকিস্তানের ‘সব কিছু সহজ করার’ ঘোষণাকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে কূটনৈতিক অঙ্গনে চাউর হয়েছে- স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর উজ্জ্বল মুহূর্তে অর্ধশত বছর বয়সী বাংলাদেশকে নিয়ে পাকিস্তানের পরিবর্তিত নেতৃত্ব এবং দেশটির নতুন প্রজন্মের যে উপলব্ধি তার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ নাকি আগামী ২৬শে মার্চের আগেই ঘটতে যাচ্ছে! ৭১ প্রশ্নে পাকিস্তানের উপলদ্ধি প্রসঙ্গে ঢাকার কর্তারা আগাম কোনো মন্তব্য করার ঝুঁকি নিতে চাননি। তারা মাথা নেড়ে, শারীরিক ভাষায় এটা বুঝিয়েছেন যে, কিছু একটা আছে। তবে তা এখনো ‘যদি’ এবং ‘কিন্তু’র ব্র্যাকেটে বন্দি।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

শেখ মাহাবুব আলম

২০২১-০১-২০ ০৫:২৪:১২

পাকিস্তান আমাদের বন্ধু হতে পারে না, এখন ঠেলায় পড়ছে বলে আমাদের সাথে আসে সম্পর্ক ঠিক করতে, কথায় কথায় বলে নোংরা বাঙ্গালী জাতি আমরা নাকি ঠিক মত খেতে পাই না, ৭১ সালের আগের কথা বাদই দিলাম, আবার ভারত আমাদের কেমন বন্ধু আমাদের মারার জন্য বার্মা কে সাবমেরিন দেয়,

Amir

২০২১-০১-২০ ০৯:৪৯:৩৬

মোঃ মজিবুর রহমান ২০২১-০১-১৯ ২০:২৭:২২ " পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের আপত্তি আছে " এটা পুরোপুরি সত্য। আপত্তি নাই রাজাকারদের বংশধরদের। ৭১ এ পাকিস্তানের তান্ডব যারা দেখেছে তারা মনে প্রাণে ওদেরকে ঘৃণা করে। ওদেরকে ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ আরও এগিয়ে যাব। ওদেরকে আমাদের প্রয়োজন নাই, বরং আমাদেরকে ওদের প্রয়োজন। সম্পর্ক হতে পারে কয়েকটা শর্তে, প্রথমত জাপান যেভাবে তাদের পার্লামেনটে বিল পাস করে সর্বসম্মতভাবে কোরািয়ার কাছে ক্ষমা চেয়েছিল ঠিক একইভাবে ৭১ র জন্য পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত আমাদের পাওনা কড়ায় গন্ডায় মিটিয়ে দিতে হবে। তৃতীয়ত পাকিস্তানের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে, তারপর আমরা চিন্তা করবো ওদের সঙ্গে কতটুকু সম্পর্ক থাকবে সেই ব্যপারে, তার আগে কোন সম্পর্ক না। ওদের মত একটা ঘৃণিত দেশকে ছাড়াই আমরা অনেক ভাল আছি, থাকবোও ইনশাআল্লাহ।--------আমি এই বক্তব্যটি সম্পুর্ন সমর্থন করি , কারণ এটা আমার অভিমতের প্রতিদ্ধনী !

দিপক

২০২১-০১-১৯ ১৬:৫৪:১৬

এই ইমরান তো চিরো দিন থাকবে না, যা করবেন তা অন্তত (২১)বার ভেবে চিন্তে করবেন। উদের নজর পড়েছে বাংলার উন্নতিতে, সুযুগ পেলে, আবার খাবে!!! এতে সন্দেহ নেই। (সাধু... সাভধান...)

মোঃ মজিবুর রহমান

২০২১-০১-১৯ ২০:২৭:২২

" পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের আপত্তি আছে " এটা পুরোপুরি সত্য। আপত্তি নাই রাজাকারদের বংশধরদের। ৭১ এ পাকিস্তানের তান্ডব যারা দেখেছে তারা মনে প্রাণে ওদেরকে ঘৃণা করে। ওদেরকে ছাড়াই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ আরও এগিয়ে যাব। ওদেরকে আমাদের প্রয়োজন নাই, বরং আমাদেরকে ওদের প্রয়োজন। সম্পর্ক হতে পারে কয়েকটা শর্তে, প্রথমত জাপান যেভাবে তাদের পার্লামেনটে বিল পাস করে সর্বসম্মতভাবে কোরািয়ার কাছে ক্ষমা চেয়েছিল ঠিক একইভাবে ৭১ র জন্য পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত আমাদের পাওনা কড়ায় গন্ডায় মিটিয়ে দিতে হবে। তৃতীয়ত পাকিস্তানের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে, তারপর আমরা চিন্তা করবো ওদের সঙ্গে কতটুকু সম্পর্ক থাকবে সেই ব্যপারে, তার আগে কোন সম্পর্ক না। ওদের মত একটা ঘৃণিত দেশকে ছাড়াই আমরা অনেক ভাল আছি, থাকবোও ইনশাআল্লাহ।

Abu Aslam Ahad

২০২১-০১-১৯ ০৪:৩৪:৩৩

বর্তমান সময়ে দেশের স্বার্থে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত কিংবা চীনের দিকে তাকিয়ে নয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের দিকে তাকিয়ে।

Md sujon

২০২১-০১-১৮ ২০:১২:১৪

নির্বাক মিত্রের চেয়ে স্পটভাষী শত্রু ভালো । ভারত হলো আমাদের সেই নির্বাক মিত্র।

আসাদুজ্জামান

২০২১-০১-১৮ ১৭:৩৮:৩৯

এক কথায় বলতে গেলে সার্বিক দিক বিবেচনায় সম্পর্ক উন্নয়নের পক্ষে বলিষ্ঠ মতামত ব্যক্ত করবো। আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা বিজয়ী, আমরা বিনয়ী,আমরা বীর, আমাদের চির উন্নত মম শির, আমারা মাটি ও মায়ের সূর্য সন্তান, অর্জন আমাদের রবে চীর অম্লান, আমরা ধার্মিক আবেগময় জাতী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জীবন গড়ি। সময় এখন আমাদের,করা যাবেনা ভুল, প্রতিবেশীর চক্ষু রাঙ্গানী করবো না কবুল...

ইমাম চৌধুরী

২০২১-০১-১৮ ১১:৫৬:৩৭

পাকিস্তানকে অবশ্যই মাফ চাইতে হবে। এ ব্যাপারে সবাই একমত।

sknath

২০২১-০১-১৮ ১১:৪২:২১

একাওর(৭১)যুদ্ধের সময় সব ঘরে একজন করে যদি মারা যেত তাহলে পাকিস্তানের পক্ষে কমেন্ট গুলি আসত না,যাহারা পক্ষে কমেন্ট গুলি করছেন আমার বিশ্বাস তাহাদের জন্ম যুদ্ধের পরে,নয় মাসের যুদ্ধ নয় নয় বছর যুদ্ধ হতো যদি ভারত না আসতো তাহলে সব ঘরে একজন করে হলেও মারা যেত তাহলে এদেশের মানুষের দেশের জন্য ভালবাসার ? থাকিত না, যাহাদের ঘরে মা বোনের অপমান, ইজজত দিয়েছেন, শহীদ হয়েছেন,তাহাদের মনের দুঃখ বেদনাদায়ক, পীড়া,পক্ষে কমেন্ট কারীরা বুঝিবেনা।

Sknath

২০২১-০১-১৮ ১১:১৬:৪০

এিশ লক্ষ শহীদ ও মা বোনের অপমান ও ধর্ষন, ১০ হাজার অবৈধ সন্তান যাহারা কানাডায় খৃস্টান হিসাবে আছে,সবকিছু একবৈঠকে শেষ?

[email protected]

২০২১-০১-১৮ ১১:০৫:৫৬

পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে একটা মিল চোখ উল্টা নো,বা,বেইমানি করা পাকিস্তান করে গরম মাথায় আর চীন ঠান্ডা মাথায়।

Murshed hasan

২০২১-০১-১৮ ০৭:৫৯:৫১

পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক যতো ভালোই হোক পাকিস্তানের মাটিতে যেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী কখনো না যায়,পাকিস্তানের মাটি জঙ্গিবাদের ঘাঁটি ।এখানে সফর করা মানে জীবন হাতে নিয়ে যাওয়া।প্রানপ্রিয় নেত্রী ভালো থাকুক সুস্থ থাকুক,নিরাপদে থাকুক আর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে অগ্রনায়ক এর ভূমিকায় থাকুক বহু বছর।জয় বাংলা ,জয় বঙ্গবন্ধু ।

সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলী

২০২১-০১-১৮ ০৭:১৫:২৫

মাননীয় প্ততিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম যে বক্তব্য দিয়েছেন ওই বক্তব্যর সাথে আমি একমত۔পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রীকে বাংলাদেশে এসে প্রকাশ্য ক্ষমা চাইতে হবে۔আমরা যে সম্পদ পাবো আগে তা দিতে হবে۔বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের সকল নাগরিকই লেখক যে প্রতিবেদন ছাপিয়েছেন তার সাথে সকলেই একমত۔কিছু কিছু লোকের দেখছি আনন্দ আর ধরে না۔ভারত আমাদের 1 কোটি লোককে আশ্রয় দিয়েছে۔মুক্তিযোদ্দাহদের প্রশিক্ষণ দিয়া পাকিস্তানী জারজ আর্মি,এদেশীয় জারজ রাজাকারদের ধ্বংস করতে অস্ত্র দিয়েছিলো۔আমাদের বীর মুক্তিযোদ্দাহদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে সহযোগিতা করেছিল۔মহান বন্ধু দেশ ভারতের 11 হাজার সৈনিক ও অফিসার শহীদ হয়েছিলেন۔বন্ধু ভারত হবে۔ পাকিস্তান এর সাথে সম্পর্ক হলেও কোনোদিনই আন্তরিক হবে না۔যারা ভারত বিরোধিতা করছেন তাদের বেশিরভাগই জামাত- বি এন পি۔

নাফিজ ইফতেখার

২০২১-০১-১৮ ০৭:০০:২২

1971 সালের জন্য অবশ্যই অবশ্যই পাকিস্তান সরকারকে ক্ষমা চাইতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক।। আর বর্তমানে ভারতের বাংলাদেশের প্রতি অন্যায় আচরণের জন্য পাকিস্তানের সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা একান্তই জরুরী বলে আমি মনে করি! এতে করে ভারত কিছুটা হলেও চাপে থাকতে পারে এবং নিজেকে শুধরে নিতে পারে, অন্যথায় ভারত, বাংলাদেশের সাথে দাদাগিরি দেখাবেএবং অন্যায় ভাবে সীমান্তে নিরীহ বাঙ্গালীদের হত্যা করবে। আর উক্ত প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে (বাংলাদেশি জনগণ পাকিস্তানকে পছন্দ করেনা) তা মোটেও সত্য নয়।। বাংলাদেশের জনগণ 1971 সালের পাকিস্তানকে পছন্দ করেনা কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা জরুরি বলে বাংলাদেশি সাধারণ জনগণ মনে করে!!

সৈকতুর রহমান মামুন

২০২১-০১-১৮ ০৬:৩৬:১৮

আমি যদিও আওয়ামী লীগ করিনা। তারপর ও সরকারের সাহসী পদক্ষেপকে সাদুবাদ জানাই, সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে তখন যখন দেখি দেশ এগিয়ে যাচ্ছে,, ভারত, পাকিস্তান আমাদের ফলো করে, আমাদের উন্নয়ন ও মাথাপিছু আয় দেখে ভারত অনেক আফসোস করে, দেশ মোটামুটি ভালো চলছে তখন মনে মনে সরকার প্রধান এবং তার বিবেচনা স্যালুট জানাই।

Muhammad nazrul isla

২০২১-০১-১৮ ০৬:২১:৫৪

Pakistan and Bangladesh they are siblings. they fought together with Hindus and British then got freedom from both. If there was not Pakistan come to in existence ,then dream of bangladesh never could come in existence .example is Kashmir. Some times siblings they are fighting among them then reconcile. We all of Bangladeshis will be very happy to see our lost bother come back. Our prophet Muhammad (p.b.u.h) said : Muslim mustn't be angry from his Muslim brother more then three days. Our holy book also encourages us to forgive our brothers and reconcile with them . now imran Khan mustn't delay , officially admit whatever pak army did in 1971 with former East Pakistanis. Today is better then tomorrow. India doesn't want by any cost reconciliation between these two siblings.

নজরুল ইসলাম।

২০২১-০১-১৮ ০৬:১৮:৫৩

বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগণ ভারতকে তীব্র ঘৃণা করে, বরং পাকিস্তানকে ভারতের চেয়ে বেশী ভালবাসে। ভারত বাংলাদেশকে শুরু থেকেই ধ্বংসের খেলায় নিয়োজিত। বর্তমান সরকার যেহেতু অবৈধ ও বিনা ভোটের তাই তাদের ভারত তোষণ নীতি। দেশের ভারতীর র মদদপুষ্ট মিডিয়া সত্য কথা কখনোই বলে না।

মোতাহার

২০২১-০১-১৮ ১৯:০৪:১৩

পাকিস্তানের সংগে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশে জনগনের আপত্তি রয়েছে মর্মে যা বলা হয়ে মর্মে যা বলা হযেছে তা প্রতিবেদকের নিজস্ব মন্তব্য। ভারতের মত দুরাচারকে প্রতিহত করতে পাকিস্তানের সাথে বন্ধুত্ব অবশ্যই প্রয়োজন। এখানে মুসল্লিম উম্মাহ্র স্বার্থ জড়িত রয়েছে।

Abdullah Al Mamun

২০২১-০১-১৮ ০৫:৩২:০৩

Actually.আমি যদিও পাকিস্তানকে ৭১ এর ঘটনার জন্য পছন্দ করিনা।তবে ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান করতে পাকিস্তানকে আমাদের ব্ন্ধু রুপে দরকার বলে আমি মনেকরি।

রিয়াদ মাহমুদ

২০২১-০১-১৮ ০৫:১৭:২৫

৭১ সালে আমাদের সাথে যা হয়েছে এটার জন্য অবশ্যই পাকিস্তানের অনুশোচনা করা উচিত.. আর পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নতুন একটা সম্পর্ক তৈরি করলে দুই দেশের জন্য মঙ্গল.... কারণ আগামীতে যদি নতুন কোন সরকার ক্ষমতায় আসে তারা কিন্তু পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক ভালো করবে।এক্ষেত্রে আওয়ামীলীগের উচিত বিষয় টা নিয়ে ভাবা

Shahjahan Sarkar Sha

২০২১-০১-১৮ ১৮:০৮:৫৭

ইমরান খান বাংলাদেশে এসে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এমন কোনো অপমানের বেপার না মোটেও I সবারও হয়তো মনে আছে যে জার্মানের চ্যাঞ্চেলর উইলি ব্র্যান্ড পোল্যান্ডে প্রকাশ্যে দ্বিতীয় বিশ্ব যোদ্দের অপরাধ শিকার করে পোল্যান্ডের ভুমিতে নতজানু হয়ে ক্ষমা চেয়েছিলো I তাতে ওর সন্মান অনেক গুণ বেড়ে গিয়েছিলো I ইমরান পাকিস্তানী মিলিটারি দ্বারা কন্ট্রোলড প্রেসিডেন তাই সে চাইলো ও তা করতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে I

আনিস উল হক

২০২১-০১-১৮ ০৪:৫৩:০৮

১।একাত্তরের যুদ্ধঅপরাধের জন্য পাকিস্তান কে ক্ষমা চাইতে হবে। ২।ইয়াহিয়া ভূট্ট নিয়াজি টিক্কাদের মরনোত্তোর যুদ্ধ অপারাধী ঘোষণা করতে হবে পাকিস্তানকে। ৩।বাংলাদেশ থেকে সকল পাকিস্তানি নাগরিকদের পাকিস্তানে ফেরত নিয়ে যেতে হবে। ২।একাত্তর পূর্ব সম্পদের অংশ বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিতে হবে। পাকিস্তান এসব বিষয় মানলেই কেবল তাদের সাথে বাংলাদেশের স্বাভাবিক সম্পর্কের বিষয়ে বিবেচনা করা যেতে পারে।

Joynal Abedin

২০২১-০১-১৮ ১৭:২৪:২৭

পাকিস্তানের সংগে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশে জনগনের আপত্তি রয়েছে মর্মে যা বলা হয়ে মর্মে যা বলা হযেছে তা সঠিক নয়।

Md Helal Karim

২০২১-০১-১৮ ১৭:২০:৫৭

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আপত্তি বিদ্যমান। এই কথাটি সঠিক নয়। এটা লেখকের ভ্রান্ত ধারণা। বাংলাদেশের গুটি কয়েক ভারতপন্থী লোক ছাড়া বাকী সবাই চায় পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক সৃষ্টি হোক। ভারত আমাদের বন্ধুত্বের নামে শোষণ করে যাচ্ছে। সীমান্ত হত্যা, পানির ন্যায্য হিৎসা থেকে বঞ্চিত করছে। এরা আমাদের বন্ধু নয় শত্রু।

Shahjahan Sarkar Sha

২০২১-০১-১৮ ১৭:১৭:২৯

পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা যেতে পারে শুধু এই ভাবে I ইমরান খানকে ঢাকায় এসে শহীদ মিনারে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, শহীদ বুদ্দিজীবীদের কবরে জিয়ারত এবং বাংলাদেশকে অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা I আর বাকি গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় হলো কোনো পাকিস্তানী মওলবাদী, জামাতি, আলকায়দা, মুসলীমলীগার, আফগান দুকৃতিকারী যেন কোনো অবস্থায় বাংলাদেশে ঢুকতে না I পারে এখানে কঠোর থেকে ও কঠোর হতে হবে তা হলে হয়তো বা সম্পর্ক সাভাবিক হতে পারে Iপাকিস্তানে অসংখ ধর্মের আবরণে খুনি অবাদে বিচরণ করে এরা পাকিস্তানকে ধ্বংস করে দিয়েছে পাকিস্তানকে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে ওরা বাংলাদেশে ও চেষ্টা করেছে সুযোগ পেলে আবারো করবে এরা মানব জাতির কলঙ্ক এরা জীবন্ত পশু কথিত আছে পাকিস্তানী মিলিটারি যাদের পৃষ্টপোষক I

সারোয়ার হোসেন

২০২১-০১-১৮ ০৪:০৮:৩৪

বর্তমান সময়ে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকাটা খুবই ভালো। সব ভেদাভেদ ভুলেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

কাজী এনাম উদ্দীন

২০২১-০১-১৮ ১৬:৩৫:১০

"পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আপত্তি বিদ্যমান"- প্রতিবেদকের এই অংশে একমত হতে পারলাম না। যাদের আপত্তি আছে ওরা বাংলাদেশের কত শতাংশের মানুষ? ওদের ভরসার স্থলই বা কোথায়? ওরা কাদের খুশি করতে প্রতিনিধিত্ব করেন? এই বিষয়ে আরো একটু যত্নশীল হয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা উচিত ছিল। - আবুধাবি থেকে।

Mohammed Ali Noor

২০২১-০১-১৮ ০৩:০০:৩২

আমাদের পররাষ্ট্র নীতিমালা হচ্ছে সবার সাথে বন্দুত্তু কারো সাথে শত্রুতা নয়। কিন্তু পাকিস্তানি হায়েনারা ১৯৭১ এ যা করেছে, তারই কোন ক্ষমা হয় না তার উপর যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার নিয়ে পাকি এ বর্বর জাতি যে সীমাহীন ঐদত্ত‍্য ও অন‍্যায় আচরণ দেখিয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে আমাদের স্বাধীনতার প্রতি চেলেন্চ করাই বটে। তাই এদেরকে খবুই শক্ত কূটনৈতিক কৌশলে এবং আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সময়কে স্মরণে রেখে বিচক্ষনতার সাথে হ‍্যান্ডেল করতে হবে। আমাদের সুযোগ‍্য প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা মানবতার আধার দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র ভরষারস্থল চৌকুষ কুটনৈতিক রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনা তা সফলতার সাথেই করবেন আশা করি।

AKM Nurul Islam

২০২১-০১-১৮ ১৫:৪৮:৫৭

There is a saying in diplomacy there is no permanent enemy , no permanent friend too. Every thing changes in this rotating earth . You have to gain through your diplomatic and negotiation skill. Burning example is North Korea. Keep it in mind we have Rohingay issue which has to resolved immediately which may turn a regional security issue which will affect Bangladesh most. As we know CHINA is the main actor. Again Pakistan is the most trusted and friendly neighbor of CHINA.

Dr.Md.Abdur Rahman

২০২১-০১-১৮ ১৪:৪৫:০৭

Alhamdulillah Qatheeran. I have been trying to improve the relation with Pakistan since the inception of NRC, CAA, Teesta Barrage, Border Killing, non support in Rohingya Isuue etc by the enemy state India. Definitely I have mentioned all the points and crimes committed by Pakistan with Bangladesh in 1971 and susequently after the killing of Banga Bandhu Sk, Mujibur Rahman. My letter was directly sent to to the PM Mr. Imran Khan of Pakistan by a Registered mail from outside of Bangladesh. For the new strategy our relation could start a new chapter but unconditional apology by Pakistan is a must. I think PM Mr. Imran Khan has accepted our coditions. Before that I have met with the Pakistan Embassy official in Riyadh. Whaever may be the situation we must not be the colony of India/UK/USA/CHINA etc. Bangladesh,China and Pakistan can make a new Military and Economic pact

Murari Mohan Mondal

২০২১-০১-১৮ ০১:৩৮:০১

আমরা দিন দিন স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সাথে ঐক্য গড়ে তুলছি। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকাশ্য অসম্মানের এর থেকে বড় হাতিয়ার কি হতে পারে!

Aminul Aminul

২০২১-০১-১৮ ০১:২১:২৪

ভারত তাদের নিজেদের সার্থের জন্য, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমাদের পক্ষ পাতিত্ব করেছে। আমরা আমাদের প্রয়োজনে যুদ্ধ করেছি। অনেক জীবন ও ইজ্জতের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস। সত্যিকার অর্থে ভারত আমাদের উপর যে ভাবে কর্তৃত্ব করছে। দাদা গিরি দেখিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে, মাঝে মধ্যে বডার এলাকায় আমাদের লাশ উপহার দেয়। ভারতের ভালো বাসায় হৃদয় দাগ লেগে গেছে অনেক বেশি। পাকিস্তান তাদের ভুল সিকদার বুঝতে পেড়েছে। অনেক বড়ো ধরনের ষড়যন্ত্রের সিকার হয়েছি আমরা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি করছে ভারত। ভারতীয় বর্তমান শাসক মুসলিম বিদ্বেষী। আমরা সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দেশ। তাই আমাদের উপর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে প্রকাশ্যে। মিয়ানমারের সঙ্গে বর্তমান চলমান সংকট ভারত এবং চীন উভয় দেশের সৃষ্টি। তাই আমার মতামত, আমাদের দেশের সার্থে যে কোন দেশের সাথে কৌশল অবলম্বন করে। দেশ ও জাতির মঙ্গলের সার্থে। যে কোন ধরনের পদক্ষেপ সরকার নিতে পারে। রাজনীতিতে চির শক্র বলতে কিছু নাই। দেশ ও জাতির মঙ্গলের জন্য রাষ্ট্রে যে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার আছে।

আমির হোসেন

২০২১-০১-১৮ ০১:১১:৫৬

মানুষ বলতেই ভুল, আর মানুষই আশরাফুল মাখলুকাত। তাই আমি বলবো, সম্পর্ক বজায় রেখে পথ চলা ভালো...

Jashim uddin

২০২১-০১-১৮ ০১:১১:৪৯

পাকিস্তান ইন্ডিয়ার থেকে ভালো কারণ একটাই বিজেপি সরকার

Kazi

২০২১-০১-১৮ ০০:৪৭:৫৩

পরের হক মারলে ভিক্ষুক হতে হয়। পাকিস্তান আমাদের হক মেরে বড় লোক হতে পারে নি। আমাদের ভাগ্য নিয়ে যেতে পারেনি । তা পাকিস্তানের আজকের অবস্থা প্রমাণ । বাংলাদেশী নেতারা শিক্ষা নিন। সরকারী গরীবের বরাদ্দ মেরে সাময়িক লাভবান মনে হলেও ভবিষ্যৎ বংশধর ভিক্ষুক হবে।

Kazi

২০২১-০১-১৮ ০০:৪২:৩০

বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ জাতির পিতার যোগ্য বিজ্ঞ প্রধান মন্ত্রী সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন । আমাদের সেই ভরসা আছে।

Mahmud

২০২১-০১-১৮ ০০:১৮:৩১

পাকিস্তান একটি স্বাধীন দেশ এবং বাংলাদেশও একটি স্বাধীন দেশ। দুটো স্বাধীন দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক থাকবে এটা স্বাভাবিক । যেহেতু পাকিস্তানের সাথে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়েছিলো চরম তিক্ততার মাধ্যমে সেহেতু পাকিস্তানকেই উদ্যোগী হতে হবে সেই তিক্ততার অবসান ঘটিয়ে সুন্দর সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করা। সেটা যদি Sorry বলার মাধ্যমেও হতে পারে।

advocate iqbal akhte

২০২১-০১-১৮ ১২:৪৬:০৫

ukti judder somoy india last er dike help korleo korece ,ekhon pakisthani ra aste casse asuk ki bolte cae boluk, china ra ki pump potti ditace hasina ar imran dakhajak ,kintu amra tader ottacar konodin vulbo na. babosha banijjo kora gae .indiato babosha o korce bordareo bangali marce .channel babosa kore india amader jubo somaj dhonso kore dicce saradin channel nie ace face book nie ace.

Amir Hossain

২০২১-০১-১৭ ২৩:২৩:৩১

I think by making normal relation with Pakistan Bangladesh will be gainer particularly at that situation India will not be so desperate to treat us as their colonial state.

হাসানুজ্জামান

২০২১-০১-১৭ ২২:৩৬:১১

স্বাধীনতার পর থেকে ক্রমাগত আগ্রাসনের উপযুক্ত প্রতিরোধ অস্তিত্ব রক্ষায় সময়ের দাবী। সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কের উন্নতি শাসকদের কূটনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয়ে নতুন মাত্রা সংযোজন করবে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ আগ্রাসন রুখতে চায় এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট।

বিপু

২০২১-০১-১৭ ২২:২৭:১৩

পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করলে বাংলাদেশের কোন লাভ নেই। পাকিস্তান পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র বার্থ রাষ্ট্র।

মুক্তিযোদ্ধা

২০২১-০১-১৮ ১১:২৪:৩৩

আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধে রক্ত দিয়েছি, আর মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে এসে স্বাধীন বাঙলাদেশ পেয়েছি, পরিষ্কার বলে যেতে চাই, আমরা আমরা আমাদের স্বাধীনতা পাকিস্তান বা ভারত - বা চীন বা আমেরিকা, কারো কাছেই বন্ধক রাখতে দেব না, এই নীতির ভিত্তিতে আমরা দুনিয়ার সবার সঙ্গে সদ্ভাব ও সহযোগীতা গড়ে তুলব। আমরা নেতাজ্বীর মত বাঙালীর স্বাধীন অবিভক্ত বৃহত্তর বাঙলাদেশের নেতৃত্বে আফগানিস্তান থেকে বা্মা পর্যন্ত এমন এক "আজাদ হিন্দ" কনফেডারেশনের অ্বপ্ন দেখি যেখানে হিন্দু-মুসলমান, বাঙালী-পান্জাবী- সকলেই সম মর্যাদার ভিত্তিতা সহযোগীতায় বহির্বিশ্বের সকল সাম্রাজ্যবাদী-আধিপত্যবাদী ঔপনিবেশিক- নব্য ঔপনিবেশিক শক্তির প্রতিরোধে হবে অদম্য - আর, স্বপ্ন দেখি সেই কনফেডারেল ভারতীয় ইউনিয়নের ভেতর হবে শেরে বাঙলার লাহোর প্রস্তাব, সোহরাবরদ্দীর পরিকল্পনা, মওলানা ভাসানীর চাওয়া আর আার বঙ্গ শার্দুল শেখ মুজিবের উচ্চারিত ৬ দফার ভিত্তিতে সেই বৃহত্তর স্বাধীন বাঙলাদেশের নেতৃত্বে বাঙলাদেশ আর আাসাম, পাকিস্তান, কশ্মীর, নেপাল, ভূটান ও মাল্দীপ, জুনাগড়, দাক্ষি্ন্যাত্মযর মত বৃহত্তর জনগোষ্ঠির নৃগোশ্ঠিগত বা ধর্মীয় সাম্প্রদাীকতার মোকাবেলায় পারস্পরিক সম্মান, স্বীকৃতি ও সহযোগীতার ভিত্তিতে আরেকটি সাব-কনফেডারেশন। দু'খানেই থাকবে সাম্প্রদায়িকতামুক্ত বীর বাঙালীর নেতৃত্ব। এই স্বপ্ন অর্জনে যখন যা দরকার, তার প্রতিই আমাদের সমর্থন - এর প্তিবন্ধক যা বা যারা, তার প্রতিই আমাদের প্রতিরোধ। অস্ত্র জমা দিয়েছিলাম মুক্তি যোদ্ধারা - মহানায়ক শেখ মুজিবের নির্দেশে - চেতনা জমা দিইনি, তাঁর আর তাঁর পূর্বসূরীদের স্বপ্ন ও না।

ফজলে রাববী

২০২১-০১-১৭ ২২:২০:৪৫

যদি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশের কোন সার্থ থাকে তাহলে আমি মনে করি অবশ্যই সম্পর্ক উন্নতি করা উচিৎ।

মনিরুল ইসলাম

২০২১-০১-১৭ ২১:৫৪:৫৫

যদি জাপান আমেরিকার সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করে দেশের মর্যাদা ও স্বার্থ বাড়াতে পারে, তবে আমরা কেন না। তাছারা আমাদের পররাষ্ট্র নীতি তো তা বলে না। সুতরাং আমরা দেশের স্বার্থে বিষয়টি আমলে নিতে হবে। নতুন সমস‍্যা সমাধানে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে পথ চলতে হবে। হোক সেটা পাকিস্তান বা প্রতিবেশির অন‍্য কোন দেশ। সবার উপরে দেশ!

habib

২০২১-০১-১৮ ১০:৩৯:৩৭

Pakistan is better than India for Bangladesh India is a common enemy of Bangladesh many evidence behind it....

Amir

২০২১-০১-১৮ ১০:৩৪:৪৩

প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম স্পষ্ট করেই বলেন, সম্পর্ক বাড়াতে চাইলে পাকিস্তানকে আগে ক্ষমা চাইতে হবে।একই সঙ্গে অমীমাংসিত সব ইস্যুর নিষ্পত্তি করতে হবে।------আমরা মুক্তিযোদ্ধা যারা বেঁচে আছি এদের সামনে আমাদের মন্ত্রীর বক্তব্যের একটা দাড়ি কমাও যদি পাকিস্তান না মানে, তাহলে পাকিস্তানের সাথে কোনো সম্পর্কই সহজ হওয়ার সম্ভাবনা নেই; আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলতেই থাকবে এই ব্যাপারে অন্য কোন দেশের হস্তক্ষেপ একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, এটা পাকিস্তানকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে। পৃথিবীতে কেউ কারো জন্য অপরিহার্য নয় এটা সংশ্লিষ্ট সবার বোঝা উচিত!

nobe

২০২১-০১-১৮ ১০:২৩:৩৯

still we al hate nasty pake look allover the world you are the number one terrorist nation

Amir

২০২১-০১-১৮ ১০:২৩:৩৮

প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম স্পষ্ট করেই বলেন, সম্পর্ক বাড়াতে চাইলে পাকিস্তানকে আগে ক্ষমা চাইতে হবে।একই সঙ্গে অমীমাংসিত সব ইস্যুর নিষ্পত্তি করতে হবে।------আমরা মুক্তিযোদ্ধা যারা বেঁচে আছি এদের সামনে আমাদের মন্ত্রীর বক্তব্যের একটা দাড়ি কমাও যদি পাকিস্তান না মানে, তাহলে পাকিস্তানের সাথে কোনো সম্পর্কই সহজ হওয়ার সম্ভাবনা নেই; আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলতেই থাকবে এই ব্যাপারে অন্য কোন দেশের হস্তক্ষেপ একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, এটা পাকিস্তানকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে। পৃথিবীতে কেউ কারো জন্য অপরিহার্য নয় এটা সংশ্লিষ্ট সবার বোঝা উচিত!

Quazi M. Hassan

২০২১-০১-১৮ ০৯:১৭:৫৩

ok carry on

Aftab Chowdhury

২০২১-০১-১৭ ১৯:৪৭:৪৫

গুটি কয়েক ইন্ডিয়ার পেইড দালাল ছারা বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানের সাথে সুসম্পর্ক চায় ,এর মাধ্যমেই ইন্ডিয়ার উদ্ধত্য আর বেয়াদবির মোকাবিলা করতে পারে বাংলাদেশ।

* মুঃওয়াসিউল হক

২০২১-০১-১৭ ১৯:০০:০৪

পাকিস্তানের সংগে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশে জনগনের আপত্তি রয়েছে মর্মে যা বলা হয়ে মর্মে যা বলা হযেছে তা সঠিক নয়।

* মুঃওয়াসিউল হক

২০২১-০১-১৭ ১৮:৫৯:০১

পাকিস্তানের সংগে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশে জনগনের আপত্তি রয়েছে মর্মে যা বলা হয়ে মর্মে যা বলা হযেছে তা সঠিক নয়।

* মুঃওয়াসিউল হক

২০২১-০১-১৭ ১৮:৪২:৩০

পাকিস্তানের সংগে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশে জনগনের আপত্তি রয়েছে মর্মে যা বলা হয়ে মর্মে যা বলা হযেছে তা সঠিক নয়।

Shirsendu Saha

২০২১-০১-১৭ ১৭:৫৮:১৭

Pakistan is Pakistan- and that is the fact.

Sayed, Freedom Fight

২০২১-০১-১৮ ০৫:০৫:২৫

We want peace as all are friend, none is enemy. But Pakistan deprived us sine the beginning of independence of Pakistan in 1947. They must provide us (Bangladesh) with the proper share and then Pakistan can be a friend, that will be only friendship.

Mohammad Sirajullah,

২০২১-০১-১৮ ০৪:২৯:১৪

Pakistan must: 1 Appologise to Bangladesh unconditionally for its failure to try the War criminals of 1971. 2. Must sit down with accounting of financial affairs and settler it with interest due. In that case We should become Imran Khan to come to Dhaka to sign it.

Mortuza Huq

২০২১-০১-১৭ ১৩:৩৬:৫৪

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আপত্তি বিদ্যমান।" এটা কার অভিমত? এ ব্যাপারে জনগনের মনোভাব কি তা জানতে হলে একটা গনভোটের ব্যবস্থা করতে হবে।

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের দিনভর বিক্ষোভ

পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ব্যভিচারের অভিযোগ, মামলা

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

পরীক্ষা বন্ধ করা হলো কেন?

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

আরো ১৮ জনের মৃত্যু

ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ ৭ই এপ্রিল

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

দেশে করোনার গণটিকাদান কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যেই আগামী ৭ই এপ্রিল থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেয়ার ...

অবৈধ বিট কয়েনের রমরমা বাজার

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

দূতাবাসের ই-মেইল বার্তা

চীনের টিকার অনুমোদন দেয়নি বাংলাদেশ

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

কর্মকর্তা হত্যা

সিলেটে ব্যাংকাররা রাস্তায়

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

না ফেরার দেশে সৈয়দ আবুল মকসুদ

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

খ্যাতিমান কলামিস্ট, গবেষক, সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ আর নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ...



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত



দূতাবাসের ই-মেইল বার্তা

চীনের টিকার অনুমোদন দেয়নি বাংলাদেশ

সাক্ষাৎকারে জোনায়েদ সাকি

বৃহত্তর ঐক্যের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি

৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের দিনভর বিক্ষোভ

পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

DMCA.com Protection Status