মেডিকেলের ছাত্রীকে একরাতের জন্য ডেকেছিলেন অভিনেতা

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) জানুয়ারি ১৬, ২০২১, শনিবার, ১:১৭ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৮:০৬ অপরাহ্ন

খুব পরিচিত মুখ। দেশের প্রথম সারির এক অভিনেতা। হুমকিটা তিনিই দিলেন, তার সঙ্গে যে কোনোভাবেই হোক একটি রাত কাটাতে হবে। নইলে সর্বনাশ করে ছাড়বেন। মেডিকেল কলেজের এই ছাত্রীর সকল নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেবেন। এভাবেই হুমকি দিচ্ছিলেন।

মেডিকেলের ছাত্রী শান্তা আনজুম একদম দিশেহারা। ছবিগুলো প্রকাশ পেলে মুখ দেখাতে পারবেন না।
স্বল্পবসনা ছবি, সুইমিং পুলের ভেজা কাপড়ে তোলা ছবি, রাতের পোশাক পরিহিত অবস্থায় তোলা ছবি। এমনকি এই অভিনেতার অনুরোধে শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ প্রদর্শন করে সেলফি তুলেও পাঠিয়েছেন শান্তা।

এসব ছবি প্রকাশ পেলে কারও সামনেই যেতে পারবেন না তিনি। আত্মগোপনে চলে যেতে হবে তাকে। এসব ভেবে ভেবে অস্থির শান্তা। থানা পুলিশমুখো হলেও বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাবে। এদিকে ওই অভিনেতা সময় বেঁধে দিয়েছেন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার ডাকে সাড়া না দিলে তিনি আর অপেক্ষা করবেন না। নিরুপায় হয়ে বিষয়টি শেয়ার করেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু আদনান আবেদিনের সঙ্গে। তার মাধ্যমেই আশ্রয় নেন সিটিটিসি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের।

ঘটনাটি গত বছরের শুরুর দিকে। অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় সেই অভিনেতাকে। না, ফেসবুকে যার নাম, ছবি সেই অভিনেতা তিনি না। ফেইক আইডি ইউজ করতেন। তিনি মূলত একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ওই অভিনেতার নাম, পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুকে বন্ধুত্ব করেন শান্তার সঙ্গে। তারপর হোয়াটসঅ্যাপে, ফোনে কথা হতো। ছবি আদান প্রদান হতো।

এরমধ্যেই শান্তার সঙ্গে বাস্তবে ওই অভিনেতার দেখা হয় গুলশানের একটি হোটেলের পার্টিতে। না, কোনোভাবেই শান্তাকে তিনি চিনতে পারেননি। শান্তা জানান, ফেসবুকে, হোয়াটসঅ্যাপে কথা হয় প্রায়ই, সেই শান্তা তিনি। অভিনেতা হাসেন। জানান, ফেইক আইডি। ফেসবুকে তখনও তার কোনো আইডি ছিল না। সিটিটিসি’র অভিযানে আটকের পর আর মামলা করেননি শান্তা। ছবিগুলো উদ্ধার করে ওই ঘটনার সমাধান করা হয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

NARUTTAM KUMAR BISHW

২০২১-০১-১৭ ১১:৩৩:২৫

হয়তো মেডিকেলে চান্সও পেয়েছেে এভাবেই।

Shahid

২০২১-০১-১৬ ১৭:৫৬:১৭

এত গুলো পোজ দিয়ে ছবি দিয়েছে নায়ককে নিশ্চয় কোন সতি সাধ্বী নারী নয়। পুরুষটা তো অলরেডি দুশ্চরিত্রের নায়ক। যাক, শেষে যদি ইজ্জত রক্ষা অনুভুতিতে লাগে তার জন্য ধন্যবাদ। বেয়াদবটার কঠোর শাস্তি হোক এটা চাই।

Md. Harun al-Rashid

২০২১-০১-১৬ ১৪:০৭:৪৩

শান্তার মত মেধাহীন একটা অর্বাচিন যুবতি মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেল কি করে। কেবল জিপিএ -৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী- ভাল মন্দ বুঝতে পারার বা নৈতিক শিক্ষাকে সেকেলে ধারনায় অবজ্ঞা করেছে। আদনান আবেদিনের শিক্ষায় সিদ্ধান্ত নেবার সক্ষমতা যথার্থভাবে তৈরী হয়েছে। তাকে ধন্যবাদ।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আশুলিয়ায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আটক ২

২ মার্চ ২০২১

সাভারের আশুলিয়ার ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ইউনিয়নের ৬ ...



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



বিদায় সংবর্ধনায় বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার-

বাস্তবে বিচার বিভাগ কতটুকু স্বাধীন, তা আমরা সকলেই জানি

তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন

এক প্রেমিকের প্রতারণার বলি দুই বোন

DMCA.com Protection Status