প্রতারকের সঙ্গে ডাক্তার নারীর তিন রাত

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ সপ্তাহ আগে) জানুয়ারি ১১, ২০২১, সোমবার, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৯:২৫ অপরাহ্ন

সুইমিং পুল। সাঁতার কাটছেন দু’জন। স্বল্পবসনা তরুণী। স্লিম, লম্বা, শ্যাম বর্ণের মেয়েটির আনন্দের শেষ নেই। প্রেমিকের সঙ্গে বেড়াতে এসেছেন। ঢাকা থেকে সিলেটে। শাহজালাল উপ-শহর এলাকার একটি তারকা হোটেলে ওঠেছেন দু’জন। প্রেমিক ছেলেটির নাম জুয়েল মাহবুব।
দেখতে লম্বা না হলেও বেশ সুদর্শন। অনেকটা বোম্বের হিরোদের মতো। তরুণী মেয়েটির নাম তাহমিনা তাবাসসুম। একটি প্রাইভেট মেডিকেলের ডাক্তার। জুয়েল বারবার পুল থেকে ওঠে ছবি, ভিডিও ধারণ করছে। কখনও সেলফি। ক্যামেরা তাক করে বুকের সঙ্গে জড়িয়ে ধরছে ডাক্তার তাহমিনাকে। ভেজা কাপড়ে তখন চরম আবেদনময়ী তিনি।

এখানেই শেষ না। চা বাগানে, ইকোপার্কেও ধারণ করা হয়েছে অসংখ্য ছবি। তাহমিনা অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছেন কয়েকবার, তুমি এতো ছবি, ভিডিও পাগল কেন? জুয়েলের সহজ উত্তর, তোমার সঙ্গে ছবি, ভিডিও তুলতে ভালো লাগে। যখন পাশে থাকবে না তখন এগুলো দেখবো।

ওই হোটেলে থাকাকালে যে ভিডিও ধারণ করা হয় তা পর্নোমুভির চেয়েও কম না। শেষ পর্যন্ত ওই ডাক্তার মেয়েটির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মিরপুর থেকে  গ্রেপ্তার করা হয় জুয়েল মাহবুবকে। উদ্ধার করা হয় হাজার হাজার ছবি ও কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে পুরো বর্ণনা দিয়েছে জুয়েল।

প্রথম দেখাতেই সিলেটে বেড়াতে গিয়েছিলেন জুয়েল-তাহমিনা। তিন রাত ছিলেন ওই তারকা হোটেলে। সেখানেই পর্নো স্টাইলে বিভিন্ন ভিডিও ধারণ করা হয়। ভিডিওগুলোর বেশিরভাগই গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত। অবশ্য দু’জনের দেখা হওয়ার আগেই পর্নো বিষয়ে জুয়েল বেশ শিখিয়েছে তাহমিনাকে। ভার্চুয়াল শিক্ষা। চ্যাট করতো রাতভর। কথা হতো অডিও, ভিডিও কলে। তারপর দুপুর পর্যন্ত ঘুম। হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারে পর্নোভিডিও পাঠাতো জুয়েল। পাঠাতো এ ধরণের ছবি। শুরুতে তাহমিনা বকা দিতেন খুব। তবুও থামতো না জুয়েল। যদিও কৌতূহল ছিলো তাহমিনারও। এভাবেই প্রশিক্ষিত হয়ে ওঠেন এই ডাক্তার।

দেখা না হলেও ততদিনে তাদের সম্পর্ক বেশ গভীর। কথায় কথায় উত্তেজনা সৃষ্টি করতো জুয়েল। পরিচয়টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বেশ কয়েক বছর আগে। ফেসবুকের ছবি দেখইে একে-অন্যকে পছন্দ করেন। ঢাকার ইন্দিরা রোডের এক ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান জুয়েল। ব্যবসায়িক সুবিধার কারণে পরিবারের সঙ্গে থাকেন উত্তরা। সেখানে গাড়ির ব্যবসা রয়েছে তার। প্রায়ই ছুটে যান বিভিন্ন দেশে। এই ব্যস্ততার মধ্যেই যতœ করে সময় দেন তাহমিনাকে। এমনটিই জানতেন ডাক্তার তাহমিনা।

তাহমিনা তখন ধানমন্ডি এলাকার একটি প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব। তারপর প্রেম। চুটিয়ে প্রেম বা লং ড্রাইভ.. সবকিছুতেই দু’জনের প্রচন্ড আগ্রহ। কিন্তু শর্ত দিয়ে দেন জুয়েল। প্রথম দেখাতেই স্বামী-স্ত্রীর মতো সময় কাটাবেন। একদম হানিমুন বলা যায়। সেটা ঢাকার বাইরে কোথাও। তারপরও অন্যকিছু।

আমতা আমতা করছিলেন তাহমিনা। এটা কিভাবে সম্ভব। চতুর জুয়েল বুঝিয়ে সম্মতি আদায় করেন। ঘটনাটি ২০১৯ সালের শুরুর দিকে। কথানুসারেই দেখা হয় এক সকালে। দু’জনের সঙ্গে দুটি ব্যাগ। রেস্টুরেন্টে সকালের নাস্তা সেরে সোজা বিমানবন্দর। তারপর পৌঁছে যান সিলেটে। সেখানে হোটেল কক্ষে যাওয়ার পর ফ্রেশ হওয়ার আগেই শুরু হয় জুয়েলের ভালোবাসার অত্যাচার। অবশ্য তার আগেই মাথায় হাত রেখে জুয়েলের প্রতিশ্রুতি নেন তাহমিনা। শিগরিই বিয়ে করবেন তারা। কখনও একে-অন্যকে ছেড়ে যাবেন না ইত্যাদি। তাহমিনা যেনো স্বপ্নের রাজ্যে। উদার মনে নিজেকে উজাড় করে দেন। এভাবে একে একে তিন রাত। ফিরে যাবেন তারা। এরমধ্যেই ঘটে ঘটনাটি।

জুয়েল তখন ওয়াশ রুমে। সময় কম। দ্রুত বিমানবন্দর যেতে হবে। আজই ফিরতে হবে ঢাকায়। জুয়েলের ফোনটি বাজছিলো বেশ কয়েকবার। এর আগেও এরকম অনেকবার কল এসেছে কিন্তু তাহমিনা রিসিভ করেননি। এবার আনমনেই কলটি রিসিভ করেন। ওই প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে একটি নারী কণ্ঠ। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি জুয়েলের স্ত্রী বলছি। আপনি কে?

ডাক্তার তাহমিনা হতভম্ব। যেনো মাথার ওপর আকাশটা ভেঙ্গে পড়ছে। আর সহ্য করা সম্ভব হয়নি। লাইন কেটে দেন চিকিৎসক তরুণী। যদিও তখন বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মধ্যেই ছিলেন তিনি। মনে হচ্ছিলো কেউ হয়তো মজা করছে। জুয়েলের কোন বান্ধবী হতে পারে। তবুও বিমর্ষ চেহারা, দগ্ধ মন নিয়ে ঢাকায় ফেরেন। পথে, বিমানে বারবার জুয়েল জানতে চেয়েছে কি হলো? নিশ্চুপ তাহমিনা। বিমানে ওঠার আগে জুয়েলের ফোনটি বারবার বাজছিলো কিন্তু রিসিভ করেনি। এতে তাহমিনা নিশ্চিত হয়ে যান তিনি এক প্রতারকের খপ্পড়ে পড়েছেন।

বিষয়টি আরও যাচাই করতে ঢাকায় ফিরে জুয়েলের এক বন্ধুকে মেসেঞ্জারে কল দেন। যার সঙ্গে এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই পরিচয়। সন্দেহের সত্যতা পান তরুণী। তার প্রেমিক বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। মিথ্যা পরিচয়েই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠেছিলো তাদের।

চিকিৎসক তরুণী বেশ কয়েকদিন ফোন বন্ধ করে বাসায় বন্দি জীবন কাটান। ফোনটি খোলার পর প্রেমিকের কল। তিনি সম্পর্ক রাখতে চান। বিয়ের দরকার নেই। তরুণী জানিয়ে দেন, কোনোভাবেই তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা সম্ভব না।

তারপর থেকেই হুমকি-ধমকি দিতে থাকে ছেলেটি। ফোনে, মেসেঞ্জারে একই হুমকি। সম্পর্ক না রাখলে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি, ভিডিওগুলো ফেসবুকে, ইউটিউবে ছড়িয়ে দেয়া হবে। ফোন, ফেসবুক বন্ধ রাখেন। ডাক্তার তাহমিনা ঢাকা ছেড়ে চট্টগ্রামে চলে যান। সেখানেও শান্তি নেই। স্বস্তি নেই। ঠিকানা সংগ্রহ করে হাজির হয় জুয়েল। যে কোনোভাবে এই তরুণীকে তার চাই।

শেষ পর্যন্ত সিটিটিসি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহযোগিতা নেন এই তরুণী। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই তরুণের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। জব্দ করা হয় ছবি, ভিডিও। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রতারক এরকম বেশ কয়েক তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করেছে। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে সম্পর্কে জড়িয়ে জিম্মি করে ভোগ করতো। কারও কারও কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায় করতো।

সিটিটিসি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের উপ-পুলিশ কমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, এরকম অনেক ঘটনা রয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমকে সুরক্ষা দিয়ে তদন্ত করেছি। আমরা মামলা ছাড়াও অনেককে সহযোগিতা করি। অভিযোগকারীদের মধ্যে মামলা করতে চান খুবই কম। তাদের হার ৩০ ভাগের বেশি না বলে জানান তিনি।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

4d world

২০২১-০১-১২ ১৩:৪৩:৩৭

এ ধরনের ছবি সাংবাদিকতার আদর্শের সাথে সঙ্গতিপূর্ন নয়। এ কথা বলাতে আপনারা আমার মতামত ছাপেননি। যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবন। বাকস্বাধীনতায় আপনারা কতটুকু বিশ্বাস করেন!

মামুন

২০২১-০১-১১ ২৩:৪৭:৩৪

প্রথম দেখাতেই একজন বাঙালি মুসলিম মেয়ে বিবাহপূর্বক অবৈধ দৈহিক সম্পর্কে নিজেকে বিলিয়ে দেয় তার প্রতি ঘৃনা ছাড়া কোন মন্তব্য করতেও আমার বিবেকে বাধে, ধিক এসব বেশ‍্যারা।।।।

mizan

২০২১-০১-১১ ১৭:৪৩:০৯

Viveker kache proshno ekjon sikkito muslim meye ki vabe onno ekti cheler sathe hotele rat katay..er theke amader komol moti sisura ki sikkha pabe ?

নুরুল হুদা

২০২১-০১-১১ ০৪:২৬:০১

এই সংবাদটির সাথে আপনাদের যুক্ত করে দেয়া এই অশ্লিল ছবি টিও এ ধরণের অন্যায় কাজে সুড়সুড়ি দিয়ে থাকে ৷

নুরুল হুদা

২০২১-০১-১১ ০৪:১৩:২৭

এ ধরণের মর্মান্তিক ঘটনাগুলোতে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ছেলে-মেয়েদের গালমন্দ করা অমানবিকতা ছাড়া আর কিছুই নয় ৷ এজন্য কি গোটা সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাই প্রধানত দায়ী নয়? আমাদের শিক্ষা,মিডিয়া জগত,নাটক,ছায়াছবি,গল্প-উপন্যাস,লেখক-লেখিকা,সাংবাদিক,রাজনীতি,রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, আলেম,শিক্ষক,বুদ্ধিজীবি,মা-বাবা,সাধারণ মানুষ,সর্বোপরী প্রশাসন ও আইনের সাথে জড়িত সবাইকি সরাসরি দায়ী নয়? অবশ্যই দায়ী৷ সর্বপ্রথম মানুষের ভেতরের (অন্তর)এবং বাইরের বাস্তব সমাজ ও রাষ্ট্রকে আল্লাহর আলো দিয়ে আলোকিত করুন৷আধুনিকতার নামে যাবতীয় নির্লজ্জতা,বর্বরতা,অপশাসন,স্বৈরশাসন বন্ধ করুন ৷ আইনের শাসন ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করুন ৷ তাহলেই এগুলো বন্ধ হবে এবং মানবতা প্রতিষ্ঠিত হবে ৷

monir hossain

২০২১-০১-১১ ১৬:১২:০৪

আর এসমস্ত কাজে মেয়েরাই বেশি আগ্রহী হয়ে উঠে। সর্বশান্ত হ্ওয়ার পর বলে আমাকে ধর্ষণ করেছে। এখানে ছেলের কি দোষ মেয়েটি কেনো নিজের নিরাপত্তার কথা না ভেবে একজন ছেলে বন্ধুর সাথে এভাবে দূরদুরান্তে ঘুরতে গেলো।

NARUTTAM KUMAR BISHW

২০২১-০১-১১ ১৫:১৮:২৭

এই সমস্ত বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণেই করোনা ভাইরাসের জন্ম। এদেররকে বিচারের মুখোমুখি করুন। আমার দৃষ্টিতে মেয়ের দোষ বেশী ছিল। মেয়েদের বার বার বিভিন্ন মহল থেকে সাবধান করার পরও কেন তারা বোঝে না। স্বাধীনতার নামে নোংরামী করতেই ভাল বাসে। যদি সে ছেলেটি বিবাহিত নাও হত যেটা ঘটেছে সেটা কি ঠিক? আপনি মেডিকেলের ছাত্রী মেডিকেলে আপনার দু চারটা বন্ধু থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু এর বাইরে বন্ধুত্ব হওয়াটাও অস্বাভাবিক শারিরীক সম্পর্কের কথা ভাবাও যায় না। আসলে মেয়েরা বড়লোকের ছেলেদের দেখলে অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রশাসনের উচিৎ ঐ ছেলেটি যাতে ছবিগুলো ছাড়তে না পারে তার ব্যবস্থা করা। তারপর অন্য সকল ব্যবস্থা।

Aftab Chowdhury

২০২১-০১-১১ ০১:৫৭:৪৯

দুইটাকেই ক্রসফায়ার করা হোক ।

জ্ঞানী বালক

২০২১-০১-১১ ১৩:৪৯:০৭

যেতুটুকু উঠে আসছে সেটাই তো ভয়াবহ। যা অগোচরে তা তো এক ভয়ংকর অধ্যায় মনে হচ্ছে।

আবুল কাসেম

২০২১-০১-১১ ০০:১৩:৩২

এসকল হৃদয় বিদারক পাপ-প্রতারণার ঘটনা থেকেই প্রমাণিত হয়, ইসলামের পর্দার বিধানের গুরুত্ব ও আবশ্যকতা অপরিসীম। কিন্তু, মানুষ ভোগে আর কামনায় অস্থির। প্রেম হবে। ভালোবাসা হবে। কিন্তু, তা বিয়ের পরে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। বিয়ের আগে যা হবে তা পাপ, অন্যায়, গুনাহ। আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে নিষিদ্ধ। আল্লাহ তায়ালার আদেশ অমান্য করার ফলে মানুষের জীবনে নেমে আসে দুঃখ, মুসিবত, বিপদআপদ। ঘটে মারাত্মক সব দুর্ঘটনা। অহরহ এসকল ঘটনা ঘটে চলছে। তবুও মানুষ আল্লাহ তায়ালার আদেশ অমান্য করে চলছে। পর্দার বিধান পুরোপুরি কার্যকর করা গেলে একটি এমন ঘটনা ঘটবেনা। পর্দার বিধান কার্যকর করার সাথে সাথে সেই বিধান লঙ্ঘনের জন্য শাস্তির বিধানও কার্যকর করা অপরিহার্য। মেডিকেলে পড়ুয়া একটা মেয়ের এতোটা অসংযত হওয়ার কারণ মেডিকেলে ইসলামী শিক্ষা না থাকা। ধর্মীয় শিক্ষার বাধ্যবাদকতার আবশ্যকতা বলার অপেক্ষা রাখেনা। ধর্মের অনুশীলন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক না করলে এসকল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার দ্বিতীয় কোনো উপায় নেই।

Salam

২০২১-০১-১১ ১২:৪১:২৭

ছেলের চেয়ে মেয়ের দোষটাই বেশী আমার দৃষ্টিতে। তিন একটা হোটেলে থাকার প্রস্তাব দিল আর সে মেনে নিল! লজ্জা লজ্জা ভাবে ছেলেটার মাথা খাওয়ার পর পুলিশের মাথা খাইতেছে।

rasu

২০২১-০১-১১ ১২:৪০:৪৪

গ্রেফতারতো দুজনকেই করা উচিত। লোভ ও ব্যভিচার।।

ঊর্মি

২০২১-০১-১১ ১২:৩৪:১১

এই ধরণের একটি কুলাঙ্গার মেয়েকে সাহায্য করত্র গেলো কেন পুলিশ!!!

Kazi

২০২১-০১-১০ ২৩:২৮:১৩

প্রায়ই পত্রিকার প্রেম ও প্রতারণার খবর আসে। অশিক্ষিত হয়ত পত্রিকা পড়তে পারে না। ডাক্তারী পাশ করে পত্রিকায় এসব ঘটনা পড়ার পর সাবধান হয় নি । তার মানে সেও দেহ ভোগ করতে চেয়েছিল। যেমন কর্ম তেমন ফল । কাউকে দোষারোপ করতে পারবে না। ডাক্তার হয়ে নিজেকে মহাজ্ঞানী মনে করে অভিভাবকের পরামর্শ প্রয়োজন মনে করে নি।

মামুন

২০২১-০১-১১ ১২:১৬:১১

বোন তাহমিনা , আপনি একটি ছেলের সাথে হোটেলে তিন দিন থকালেন। আপনার কি কিছুই খাওয়ার ইচ্ছা ছিলনা? ঘটনা শুনে মনে হয় আপনার পরিবারে আপনি একা। আপনার বাবা মা আত্মীয় সজন কেউ নেই।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

কোর্ট রিপোটার্স ইউনিটির

সভাপতি হাসিব, সম্পাদক জাহাঙ্গীর

১৮ জানুয়ারি ২০২১

আর জীবনে ভোট করবো না

নির্বাচনে হেরে প্রার্থীর কান ধরে পানিতে ডুব (ভিডিও)

১৮ জানুয়ারি ২০২১

কবিতা

জীবনের অভিযাত্রা

১৮ জানুয়ারি ২০২১

সাকারায় প্রাচীন ইতিহাস

১৮ জানুয়ারি ২০২১

দেশে জনশুমারি অক্টোবরে

১৮ জানুয়ারি ২০২১

কক্সবাজারের ‘পাওয়ার আলী’

গৃহপরিচারক থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

১৮ জানুয়ারি ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status