মির্জা কাদের মিথ্যা বলেছেন?

শামীমুল হক

মত-মতান্তর ৭ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:১৮ অপরাহ্ন

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র মির্জা আবদুল কাদেরের বক্তব্য এখন ভাইরাল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বক্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে। প্রশ্ন হলো তিনি কি মিথ্যা বলেছেন? এ দেশে সাহস করে সত্যি কথা বলার মানুষ খুব কমই আছে । এ কারণেই তার বক্তব্য দৃষ্টি কেড়েছে সবার। আসন্ন  বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীও তিনি। তার বক্তব্য নিয়ে ঝড় বইছে সর্বত্র। তিনি নানা অভিযোগের পাশাপাশি বলেছেন আমি সত্যি বলেই যাব। দল থেকে বহিস্কার হলেও বঙ্গবন্ধুর কথা বলে যাব।
শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বলে যাব। তাকে হত্যা করার জন্য অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ এনেছেন। তার এ বক্তব্যের জন্য মানুষের কাছে তিনি নন্দিত হচ্ছেন। দেশের মানুষের অন্তরে তিনি নিজেকে স্থান করে নিয়েছেন।  তিনি আর কি বলেছেন? মির্জা কাদের জনতার উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘শুনেন দুঃখের সহিত বলছি। আমাদের নোয়াখালীকে বলে বৃহত্তর নোয়াখালী। কিছু চামচা কয়, অমুক নেতার নেতৃত্বে বিএনপি’র দুর্গ ভেঙেছি। ফেনীতে কয়, অমুক নেতা। নোয়াখালীতে কয়, অমুক নেতা। লক্ষ্মীপুরে কয় অমুক নেতার নেতৃত্বে বিএনপি’র দুর্গ ভাঙছি। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপি’র দুর্গ ভেঙেছে? উত্তর আসে, না। এ সময় তিনি বলেন, তিন চারটা সংসদীয় এলাকা ছাড়া বৃহত্তর নোয়াখালীতে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমাদের এমপি’রা দরজা খুঁজে পাবেন না। দরজা, দরজা। আর এটাই হচ্ছে সত্য কথা। আমি সাহস করে সত্যি কথা বলি। ফের জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এটা কি মিথ্যা। জনতা জবাব দেন, না। আবদুল কাদের মির্জা বলেন, শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বেড়েছে। কজন এমপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের জনপ্রিয়তা বাড়েনি। আপনারা ডেইলি ভোট কমান। শয়তানি থামান। নোংরা ছেলেদের পালেন। গুণ্ডা পালেন। সন্ত্রাসী পালেন। এদের নিয়ে বড় বড় মিছিল করেন। টাকা দিলে ঢাকা শহরে বস্তির লোকের অভাব আছে নাকি? বিরাট মিছিল করা যায়। তিনি বলেন, নোয়াখালীর সাংবাদিকরা লেখে না। এত জঘন্য ঘটনা আজ নোয়াখালীতে ঘটছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালীতে ওবায়দুল কাদের, মওদুদ সাহেব আর আবু নাছের ছাড়া কোনো নেতা সৃষ্টি হয়নি। ওনারা তিনজন অসুস্থ। ওনারা মারা গেলে কার নামটা বেচুম? একটা লোক দেখান। আছেনি? উপস্থিত জনতা উচ্চস্বরে বলেন, নাই। তিনি বলেন, এখন প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে তারা হলো নেতা। টেন্ডারবাজি করে যারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করছে তারা হচ্ছে নেতা। পুলিশে চাকরি দিয়ে যারা পাঁচ লাখ টাকা নেয় তারা হচ্ছে নেতা। গরিব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিয়নের চাকরি দিয়ে যারা তিন লাখ টাকা নেন তারা হচ্ছে নেতা। যারা ‘ওবায়দুল কাদেরের মতো নেতার গালে গালে জুতা মারো তালে তালে’ স্লোগান দেয় তারা হচ্ছে নেতা।  মির্জা কাদের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে নিজের দলকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। তিনি সমাজের অন্য মানুষদের থেকে ব্যতিক্রম। স্বাভাবিক যা দেখা যায়, তা হলো মানুষ সব দোষ অন্যের উপর চাপিয়ে দেন। কখনো কখনো চাপিয়ে দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেন। মির্জা কাদের তা করেননি। তিনি উচ্চস্বরে নিজ দলের নেতাদের দোষত্রুটি তুলে ধরেছেন। আর এটা বলে তিনি নিজ দলকেই বাঁচাতে চেষ্টা করেছেন।
এ মুহূর্তে একটি গল্প মনে পড়ছে। দুই বন্ধু প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল। একে তো বৃষ্টি, তার ওপর রাত। কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ এক বন্ধু পা পিছলে পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আকাশে বিজলি চমকায়। এ সময় পড়ে যাওয়া বন্ধু অপর বন্ধুকে বলছে, ‘দেখছোস আল্লায় আমারে ফালাইছে তো ফালাইছে, আবার লাইট মাইরা দেখতাছে, ঠিকঠাক মতো পড়ছি কিনা। আমাদের সমাজের অবস্থাও হয়েছে এখন তাই। সর্বত্র চলছে অন্যের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা। এদেশে হ্যাঁ-কে না বলানো যায় নিমিষে। আবার না-কে হ্যাঁ বলানো যায় নিমিষে। মির্জা কাদের এমন এক সময় কথাগুলো বললেন, যখন দেশের মানুষ চাইছিলেন কিছু কিছু নেতার চিত্র সামনে আসুক। কিছু কিছু এলাকার চিত্র দেশবাসী জানুক। মির্জা কাদের সত্যিটা তুলে ধরে যেমন তিনি তার দায়িত্ব পালন করেছেন। তেমনি তার দলকেও ভালোবাসার প্রমাণ দেখিয়েছেন। দলকে বাঁচানোর জন্যই বলেছেন- কিছু নেতার কারণে ডেইলি ভোট কমছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০২১-০১-০৭ ০৫:১৬:৩০

ভাইয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে মেয়র হয়েছে। সত্য কথা কিভাবে বলবে। খবরের শিরোনামা হতে কিছু প্রলাপ করছে মাত্র। সে কি নৈশ ভোটে মেয়র হয় নি ?

SM.Rafiqul Islam

২০২১-০১-০৭ ০৩:৫৮:১২

Thanks a lot for telling the truth.

ওমর ফারুক

২০২১-০১-০৭ ০১:২২:৩৭

রাজনৈতিক নেতা হও তো মির্জা আঃ কাদেরের মতো নেতা হও। দেশ ও জনগনের উন্নয়ন মির্জা কাদেরের মতো নেতারা ই করতে পারে। তারা ই পারে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে।

আবুল কাসেম

২০২১-০১-০৭ ০০:১৩:৪১

প্রতিবেদনটির শিরোনাম হচ্ছে, "মির্জা কাদের মিথ্যা বলেছেন?" এক কথায় উত্তর হচ্ছে না, মিথ্যা বলেননি। যখন সত্য বলাদের বড়োই আকাল তখন তিনি সাহস করে জোর গলায় সত্য উচ্চারণ করেছেন। তাঁকে শুধু ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করবার ইচ্ছে নেই। তিনি মহান। তাঁর সত্য প্রিয়তার প্রতিদান এ জাতি নিশ্চয়ই দেবে। আল্লাহ তায়ালা মানুষ সৃষ্টি করেছেন সত্যের উপর ভিত্তি করে। তিনি মানুষকে সত্যবাদী হয়ে জীবন যাপন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সত্য-মিথ্যার মিশ্রণ করতে তিনি নিষেধ করেছেন। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে, "তোমরা মিথ্যা দিয়ে সত্যকে পোশাক পরিয়ে দিয়োনা এবং সত্যকে জেনে বুঝে লুকিয়ে রেখোনা।" সূরা আল বাক্কারাঃ৪২। সত্য এমন একটা জিনিস তা সূর্যের আলোর চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। শত চেষ্টা করেও সত্য গোপন করে রাখা যায় না। সত্য চিনতে এবং বুঝতেও কারো অসুবিধা হয় না। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশের পরও অনেকেই সত্য গোপন করে এবং সত্যকে না চেনার ভান করে। ইরশাদ হচ্ছে, "যাদেরকে আমি কিতাব দান করেছি, তারা একে এতো ভালো করে চেনে, যেমন করে তারা নিজেদের ছেলেদেরকে চেনে। নিশ্চয়ই এদের এক দল জেনে বুঝে সত্যকে গোপন করার চেষ্টা করছে।" সূরা আল বাক্কারাঃ১৪৬। তবুও আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে সতর্ক করছেন। সত্য উপলব্ধি করতে মানুষকে তাগিদ দিচ্ছেন। ইরশাদ হচ্ছে, "হে কিতাবধারীরা সত্যকে বাতিলের সাথে মিশিয়ে দিচ্ছো? তোমরা তো সত্যকেই গোপন করে দিচ্ছো। অথচ তোমরা তা ভালো করেই জানো।" সূরা আলে ইমরানঃ৭১। সত্যকে স্বীকার করে সত্যের পথে চলতে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে বার বার তাগিদ দেয়া সত্বেও যারা সত্য অস্বীকার করেছে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে এবং তাদের পরিণাম সম্পর্কে ইরশাদ হচ্ছে, "তাদের কাছে যতোবারই আমার পক্ষ থেকে সত্য এসেছে ততোবারই তারা তা অস্বীকার করেছে। অচিরেই তাদের কাছে সে খবরগুলো এসে হাজির হবে যা নিয়ে তারা হাসি তামাশা করেছিলো। তারা কি দেখেনি, তাদের আগে আমি এমন বহু জাতিকে বিনাশ করে দিয়েছি, যাদেরকে আমি পৃথিবীতে এমন ভাবে প্রতিষ্ঠা দান করেছিলাম, যা তোমাদেরও করিনি। আকাশ থেকে তাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করেছি। আবার মাটির নিচ থেকেও ঝর্ণাধারা প্রবাহিত করে দিয়েছি। অতপর পাপের কারণে তাদেরকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি। আর তাদের পর আমি এক নতুন জাতির উত্থান ঘটিয়েছি।" সূরা আল আনআমঃ৫-৬। কিন্তু পরিনামে আল্লাহ তায়ালা সত্যকেই প্রতিষ্ঠা করে ছাড়েন। যদিও মিথ্যাবাদীদের নিকট সত্য ভীষণ রকমের অপ্রিয়। ইরশাদ হচ্ছে, "আল্লাহ তায়ালা স্বীয় বানী দ্বারা সত্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা দান করেন। যদিও নাফরমান মানুষেরা একে খুবই অপ্রীতিকর মনে করে।" সূরা ইউনুসঃ৮২। আল্লাহ তায়ালা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে মিথ্যাকে নির্মূল করে দেন। তাই তো ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে সত্যের বিজয় লক্ষ্য করা যায়। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, "বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর ছুঁড়ে মারি, অতপর সত্য মিথ্যাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয়। ফলে তা (মিথ্যা) সাথে সাথেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। দুর্ভোগ তোমাদের জন্য তোমরা যা কিছু উদ্ভাবন করেছো।" সূরা আল আম্বিয়াঃ১৮। যারা সত্যবাদী তাদের বৈশিষ্ট্য এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য পুরষ্কারের ঘোষণা কুরআন মজিদের বহু জায়গায় বিবৃত হয়েছে। এখানে একখানা আয়াতের উল্লেখ করা হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে, "রাসুলের উপর যা কিছু নাযিল করা হয়েছে, তা যখন এরা শোনে তখন সত্য চেনার কারণে তুমি এদের অনেকের চোখকেই অশ্রুসজল দেখতে পাবে। তারা বলে উঠে, হে আমাদের রব আমরা ঈমান এনেছি, তুমি আমাদের (নাম) সত্যের সাক্ষ্যদাতাদের দলে লিখে নাও। আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে আমাদের কাছে যা কিছু সত্য এসেছে তার উপর আমরা ঈমান আনবোনা কেনো? অতপর তারা যা বললো আল্লাহ তায়ালা সেজন্য সন্তুষ্ট হয়ে তাদেরকে এমন এক জান্নাত দান করবেন যার তলদেশ দিয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহমান থাকবে। সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। আর এটা হচ্ছে নেককার লোকদের পুরষ্কার।" সূরা আল মায়েদাঃ ৮৩-৮৫। মিথ্যাবাদীর শাস্তি এবং সত্যবাদীর পুরষ্কার সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারিমে আরো ইরশাদ হচ্ছে, "সে ব্যক্তির চাইতে বড়ো জালেম আর কে হতে পারে, যে আল্লাহ তায়ালার উপর মিথ্যা আরোপ করে এবং একবার তার কাছে সত্য এসে যাওয়ার পরেও যে ব্যক্তি তা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, এমনসব কাফেরদের ঠিকানা কি জাহান্নামে হওয়া উচিত নয়? যে ব্যক্তি স্বয়ং এ সত্য নিয়ে এসেছে এবং যে ব্যক্তি এ সত্যকে সত্য বলে মেনে নিয়েছে তাদেরকে আজাব থেকে বাঁচিয়ে দেয়া হবে। তাদের জন্য তাদের রবের কাছে সেসব কিছুই থাকবে যা তারা চাইবে। এটা হচ্ছে নেককার সৎকর্মশীল লোকদের পুরষ্কার।" সূরা আঝ্ ঝুমারঃ৩২-৩৪। বস্তুত প্রতিটি মানুষ যদি মিথ্যা ত্যাগ করতো এবং সত্যকে আঁকড়ে ধরতো তাহলে আল্লাহ তায়ালার এই পৃথিবীটা কল্যানের প্লাবনে সয়লাব হয়ে যেতো। পৃথিবীতে দুঃখ দুর্দশার যে তান্ডব তা কেবল মিথ্যার জন্য। মিথ্যার ভিড়ে দাঁড়িয়ে আবদুল কাদের মির্জা সত্য বলতে কুন্ঠা করেননি। সত্য কথা বলে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শুধু দলেরই কল্যানকামী নন, তিনি দেশ-জাতি-রাষ্টেরও কল্যানকামী। তিনি দলের আদর্শের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। স্যালুট তাঁকে। সব দলের সবাই এবং জাতির লোকজন সকলেই সত্য কথা বলুক। সত্যের বিজয় সুনিশ্চিত। সত্যের জয় অবিশ্বস্যম্ভাবী।

Razaul Islam

২০২১-০১-০৭ ১২:৫০:৫৭

বাস্তব চিত্র নিঃশঙ্কোচে তুলে ধরায় আব্দুল কাদের সাহেবকে ধন্যবাদ।

motiur Rahman

২০২১-০১-০৬ ২২:৪৭:৪৯

Thanks him lot.

মোঃ কবির হোসেন

২০২১-০১-০৬ ২২:২২:২০

বাস্তব চিত্র নিঃশঙ্কোচে তুলে ধরায় আব্দুল কাদের সাহেবকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ শ্রদ্ধাভাজন শামীমুল হক ভাইকে।

Md. Mofazzal Hossain

২০২১-০১-০৭ ১১:১৪:০৮

Truth is always bitter for all who are habitually like to propagate false. Everybody we know better regarding the mechanism of last election and it is very clear in front of our eye. Those who are blind without eye, mind or well education, they have not seen the actual scenario. But truth is always truth neither it is respected nor it is talked.

আপনার মতামত দিন

মত-মতান্তর অন্যান্য খবর

মত মতান্তর

কাশিমপুর থেকে আজিমপুর

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

পর্যালোচনা

'বীরত্বসূচক পদক' বাতিল করা যায় না

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

পরামর্শক সেবা বা কনসালটেন্সি

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১



মত-মতান্তর সর্বাধিক পঠিত



হাজী সেলিমপুত্র ইরফানকাণ্ড

আল্লাহর মাইর, দুনিয়ার বাইর

ড্রাইভার মালেকের বালাখানা

দরজা আছে, দরজা নেই

আইন পেশায় বিরল এক মানুষ ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক

অ্যাটর্নি জেনারেল পদে বেতন নেননি, লড়েছেন দু'নেত্রীর মামলা নিয়ে

DMCA.com Protection Status