‘বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবে না’

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন (১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৫, ২০২০, শনিবার, ৩:৩৯ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।  

আজ শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মভিত্তিক বই বিতরণ’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মুজিববর্ষের শেষের দিকে এসে নানাভাবে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রসঙ্গ টেনে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। যারা সমাজকে পিছিয়ে নিতে চায় এবং তাদেরকে যারা পৃষ্ঠপোষকতা করছে তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালাউদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, প্রেস কাউন্সিলের সদস্য আব্দুল মজিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Mrkachoudhury .

২০২০-১২-০৫ ২০:৩৬:৪৫

Assalamu Alaikom ,Abul kasem n selim vai. Wonderful ur comments.so true but sad to say govorment dont see ur comments.they r blind . How they ignoring The Quran n Hadis...??? They are all become Nastik. May ALLAH(SWT) give them hedayot or give them punishment.Aameen.

Shahid

২০২০-১২-০৫ ২০:৩৫:৪৫

শেখ মুজিবুর রহমান একজন মুসলিম ছিলেন। কিন্তু তাঁর ভাস্কর্য নির্মাণ এবং উক্ত ভাস্কর্যে বিশেষ দিবসে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ইসলাম সম্মত নয়। কোন অমুসলিমের ভাস্কর্য নির্মাণে কোন মুসলিম বা আলেম বিরোধীতা করছে না। করবেও না। সুতরাং একজন মুসলিমের ভাস্কর্য নির্মাণ করে তার ভাস্কর্যকে “সুবিধা” লাভের হাতিয়ার বানানো শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা।

আবুল কাসেম

২০২০-১২-০৫ ০৬:৫৫:৫০

মানুষের আবেগ এমনই একটা হাতিয়ার, যা দ্বারা যে কোনো আকাঙ্ক্ষা বা ইচ্ছা পূরণের জন্য মানুষ জীবন বাজি রাখতে পারে। বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব ও জীবনেতিহাস নিসন্দেহে অত্যন্ত মোহনীয়। তাই তিনি বরণীয়। চির জাগরূক প্রতিটি হৃদয় কন্দরে। তাঁকে নিয়ে কারো মধ্যে বিতর্কের কোনো অবকাশ নেই। বিতর্ক কেবল ভাস্কর্য নিয়ে। কয়েকদিন ধরে ইউটিউবে যতোগুলো ভিডিও দেখলাম, সবাই একবাক্যে বলেছেন, মূর্তি ও ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও ইহুদি সহ সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থের বিধান মতে যে কোনো রকম প্রাণীর ছবি, প্রতিমা, ভাস্কর্য ও মূর্তি তৈরি করা ও পূজা করা নিষিদ্ধ। ইসলাম ধর্মের অনুসারিরা ছাড়া অন্য ধর্মের লোকেরা তবুও তাদের ধর্ম গ্রন্থের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নিছক মনের আবেগের বশবর্তী হয়ে ভাস্কর্য বা প্রতিমা পূজা করে যাচ্ছেন। আলেমদের বক্তব্যের বিশ্লেষণে পাওয়া যায়, মুসলমান নামধারী কোনো লোক যদি কোনো অন্যায় করে থাকে তাহলে অন্য মুসলিমের জন্য সেটা উদাহরণ এবং অনুসরণীয় হতে পারে না। সুতরাং অন্য কোনো মুসলিম দেশে ভাস্কর্য থাকলেও সেটা আমাদের জন্য উদাহরণ এবং অনুসরণীয় হতে পারে না। সৌদি আরবে যেমন কুরআনের ভাস্কর্য রয়েছে, তেমনি কুরআনের ভাস্কর্য নির্মাণ করে এবং ব্যতিক্রমধর্মী কারুকাজ সংবলিত এবং দৃষ্টি নন্দন শৈল্পিক নিদর্শনের একটি বিশালাকৃতির মসজিদ অথবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি স্থাপনা নির্মাণ করে সেটা বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করা যেতে পারে। তাতে যতো মুসল্লী ঐ মসজিদে দৈনিক নামাজ আদায় করবেন তাদের প্রত্যেকের নামাজের সওয়াব আল্লাহ তায়ালা বঙ্গবন্ধুর রুহ মোবারকে পৌঁছিয়ে দেবেন। ফলে তাঁর ওপর আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি ও রহমত বর্ষিত হবে। আমরা মুসলমান হিসেবে কবরের সওয়াল জওয়াব এবং আল্লাহর আজাবকে ভয় না করে গত্যন্তর নেই। তাই আমরা এমন কোনো কাজ থেকে আমরা বিরত থাকতে চাই, যে কাজ আল্লাহর আজাবের কারণ হতে পারে। যে কাজ আল্লাহর আজাব থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে সে কাজ আমরা করে থাকি। আমরা চাই পুরো মুসলিম জাতির প্রত্যেকেই পরকালে আল্লাহর আজাব থেকে মুক্তি পাক এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব হোক। আমাদের মহান নেতা, তাঁর পরিবারবর্গ এবং কোটি কোটি অনুসারীও পরকালের জীবনে সুখে শান্তিতে জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা হবেন বলেই আমরা আশা পোষণ করি। যেহেতু ইসলাম ধর্মে মানবাকৃতির অথবা অন্য যে কোনো প্রাণীর অবয়বে ভাস্কর্য নির্মাণ করা নিষিদ্ধ তাই তাঁদের কল্যান কামনা থেকেই আমরা আমাদের মহান নেতার ভাস্কর্য নির্মাণ করা থেকে সতর্ক করতে চাই। এটা শুধুমাত্র পরকালের শাস্তি থেকে বাঁচার এবং কেবলমাত্র আল্লাহর আজাব থেকে মুক্তি পাওয়ার নিয়তেই আমরা বলছি। আলেমদের দ্বায়িত্ব জাতিকে আল্লাহর আজাব সম্পর্কে সতর্ক করা। না করলে দ্বায়িত্বে অবহেলার দায়ে তাঁরাও পরকালে আল্লাহর দরবারে দ্বায়ী হবেন এবং আল্লাহর আজাবের সম্মুখীন হবেন। বনী ইসরাইলের একটি ঘটনা আছে এমনঃ বনী ইসরাইলের জাতির লোকেরা পাপাচারের সীমা ছাড়িয়ে গেলে তাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে আসমানী আজাবের ফায়সালা হয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে শায়েস্তা করার জন্য আজাবের ফেরেশতাকে যখন পাঠালেন, তিনি এসে দেখলেন, সেখানে আল্লাহ তায়ালার একজন আবেদ বান্দা ইবাদতে মশগুল হয়ে রয়েছেন। তখন আজাবের ফেরেশতা দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়ে গেলেন। তিনি জাতির ওপর আজাব না দিয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেন এবং ঐ আবেদ বান্দার কথা আল্লাহর দরবারে পেশ করলেন। যদিও আলেমুল গায়েব আল্লাহ তায়ালা সবই অবগত রয়েছেন। ফেরেশতার কথা শুনে আল্লাহ তায়ালা তাঁকে আদেশ দিলেন, ঐ আবেদ লোকটাকে সহ জমিন উল্টিয়ে দিতে। কারণ হিসেবে আল্লাহ তায়ালা বল্লেন, তাঁর অসংখ্য বান্দারা পাপাচারের মধ্যে ডুবে আছে। অথচ ঐ আবেদ নেককার লোকটা আল্লাহর বান্দাদেরকে ভয় প্রদর্শন করালোনা এবং তাদেরকে পাপাচরণের পরিণাম সম্পর্কে সতর্কও করালোনা। সুতরাং যে লোক নিজেই একা একা নেক আমল করে এবং আল্লাহর অন্যান্য বান্দাদেরকে পাপের কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেনা তার মতো নেককার বান্দার আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। তাই সমাজের পাপীদের মধ্যেই সে গণ্য হলো এবং পাপীদের সঙ্গে তাকেও আসমানী আজাব দিয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। জাতিকে সতর্ক করার ব্যপারে এখানেই আলেমদের বাধ্যবাদকতা। এখন বিতর্ক থাকলো মূর্তি ও ভাস্কর্য একটাই বস্তু কিনা। কুরআন ও হাদিসের ব্যাখ্যানুযায়ী আলেমদের বক্তব্য হলো, মূর্তি ও ভাস্কর্য একই জিনিস। এটার সাথে উদ্দেশ্য সম্পর্কিত নয়। রাসুল স. বলেছেন, যে লোক কোনো প্রাণীর অবয়বে ভাস্কর্য, মূর্তি অথবা ছবি বানাবে কেয়ামতের দিন তাকে কঠোর শাস্তি দেয়া হবে এবং আল্লাহ তায়ালা বলবেন, আমার সৃষ্টির অনুরূপ যে জিনিস তুমি সৃষ্টি করেছো তার মধ্যে তুমি এখন জীবন দাও। কিন্তু সে তা পারবেনা। ফলে তার আজাব আরো বৃদ্ধি করা হবে। রাসুল স. আরো বলেছেন, যে ঘরে কোনো প্রাণীর অবয়বে ছবি থাকবে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। সুতরাং যে দেশের মধ্যে ভাস্কর্য, মূর্তি ও প্রাণীর ছবি থাকবে সে দেশেও রহমতের ফেরেশতা থাকার কথা নয়। এগুলো কুরআন-হাদিসের কথা এবং আলেমদের বক্তব্য। আবার, ইসলামে যেহেতু কোনো জোর জবরদস্তি নেই তাই ইসলাম ধর্ম কাউকে ভাস্কর্য নির্মাণ করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করেনা। সুতরাং এটা নিয়ে বাড়বাড়ির পর্যায়ে উপনীত হওয়া উচিত নয়। সবাইকে সহনশীল থাকাই বাঞ্ছনীয়।

salim khan

২০২০-১২-০৫ ১৬:৪০:১৩

হাসান মাহমুদ সাহেব, আপনি ঠিক ই বলেছেন। আমরাও বলি যে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা সহ্য করা হবে না। কেন অবমাননা করা হবে? কিন্তু কারা সেই অবমাননা করছে? উলামায়ে কেরাম তো উনার অবমাননা করছেন না। উনারা উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন। উনার মুক্তি বানিয়ে অসম্মান করা থেকে জাতিকে বিরত রাখার চেষ্টা করছেন। অবমাননা তো আপনারাই করছেন। আপনারা মূর্তি বানিয়ে পূজা করবেন, তার কবরে আজাব হবে, আপনারাও গুনাহ্গার হবেন। সেজন্যই তো উলামায়ে কেরাম আপনাদেরকে মূর্তি বানানো থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছেন এবং উনার নাম কোন মহৎ কাজ করার তাগিদ দিচ্ছেন। পাশাপাশি আপনারা উলামায়ে কেরামদেরকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করছেন। উলামাদেরকে অসম্মান করছেন। জঙ্গি, মৌলবাদী, পাকিস্তানী, ইত্যাদি বলছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী বলছেন। আপনারা চেতনার ব্যবসা আর কত করবেন? চেতনাটা আসলে কি? বলবেন? চেতনার অর্থ কি নাস্তিকতা? আপনারা মুসলমান না? যদি মুসলমান হন, তাহলে আপনারা কোরআন সুন্নাহের কথা মানতেছেন না কেন? কোরান সুন্নাহের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে নিজেদের খেয়াল খুশি মতে যা ইচ্ছা তাই করছেন। এগুলা তো নাস্তিকদের কাজ। উপরোন্ত মূর্তি বানাবেন কাদের পয়সায়? জনগণের পয়সায় কিভাবে মূর্তি বানাবেন? যেখানে ৯২% মুসলমান যারা মূর্তির বিপক্ষে তাদের পয়সা দিয়ে মূর্তি বানানোর চিন্তা করতে একটু ও লজ্জা করলো না আপনাদের? আপনাদের এক নেতা বললো যে তালিবানি মোল্লাতন্ত্রের হাতে দেশটা ছেড়ে দিতে পারি না। এটা যে নেতা বলেছে সে একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী, যে ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলো। তার এতটুকু লজ্জা করলো না একথাটা বলতে? আসলে আপনাদের লজ্জা থাকলে সে হতো। এখন সেই কুলাঙ্গার নেতার সুরে সুর মিলিয়ে আমরাও বলতে পারি যে ভোটবিহীন, ভোট চোর, ভোট ডাকাত, সন্ত্রাসী, খুনি, গুন্ডা, জবরদখলদার, গণতন্ত্র-হরণকারী, ভোটাধিকার হরণকারী, দুর্নীতিবাজ, ধর্ষক, জালিম, তাবেদার, লুটেরা এদের সেই গুন্ডাতন্ত্রের হাতে আমরা দেশ দিয়ে রাখতে পারি না। দ্বিতীয়তঃ উলামায়ে কেরাম মূর্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। এর সাথে দেশের ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার (মোল্লাতন্ত্রের হাতে) কি সম্পর্ক? কেউ কি আপনাদেরকে ক্ষমতা ছাড়ার কথা বলেছে? আপনারা মূর্তি বানানো থেকে ফিরে আসুন। সব শেষ। কোন প্রতিবাদ থাকবে না, আন্দোলন থাকবে না। আসলে আপনারা ভোট ডাকাতির সরকার তো সেজন্য আপনাদের ভিতরে সব সময় একটা ভীতি কাজ করে। যার জন্য আপনারা আন্দোলন সংগ্রাম করতে দেন না। আন্দোলনকে ভয় পান। অপরদিকে উলামাদের মূর্তি বিরোধী আন্দোলনকে বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন। মিথ্যাচার করছেন। আর এই মিথ্যাচার আপনাদের চিরাচরিত অভ্যাস। উলামায়ে কেরাম বলছেন মূর্তি সে যার ই হউক না কেন? যদি সেটা কোন অলি আওলিয়া, পীর মুর্শিদ, বরং রাসূল (সাঃ) এর হলেও সেটা হতে দেয়া হবে না। সেটা হারাম। মানুষকে কত বোকা ভাববেন? আরেকটি কথা না বললেই নয় যারা উলামাদের বিরুদ্ধাচারন করে, গালাগাল করে, হুমকি দেয়, অসম্মান করে, হেয় প্রতিপন্ন করে, মিথ্যা অভিযোগ তা অপবাদ দেয়, কুশপুত্তলিকা দাহ করে, সেটাকে অত্যন্ত নোংরা ভাবে অসম্মান করে, শুধু এজন্য যে উলামারা কোরান সুন্নাহের কথা বলে, হক কথা বলে, কোরান সুন্নাহ বিরোধী কর্মকান্ড থেকে উম্মাতকে ফিরানোর চেষ্টা করে, তাহলে সে কি ঈমানদার থাকে? এটা একটু জানার চেষ্টা করবেন। কোন বিশ্বস্ত প্রাজ্ঞ আলেমকে (যে আলেম আপনাদের তাবেদার নয়) জিজ্ঞাসা করে জেনে নিলে ভালো হবে।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অভিবাদন চীনের

বাইডেনের অভিষেকে মোদি-ইমরানের অভিনন্দন, দু’জনই তার সাথে কাজের অপেক্ষায়

২১ জানুয়ারি ২০২১

ভ্যাকসিন কূটনীতি

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত-চীন প্রতিযোগিতা

২১ জানুয়ারি ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত

DMCA.com Protection Status