পল্টনে মিছিলে বাধা, সংঘর্ষ (ভিডিও)

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন (১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৪, ২০২০, শুক্রবার, ২:৩৫ অপরাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ২:০৯ অপরাহ্ন

রাজধানীর পুরানা পল্টনে ভাস্কর্য বিরোধী মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও মুসল্লিদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এখন পুরো এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের একটি অংশ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট দিয়ে বেরিয়ে যায়। আরেকটি অংশ মসজিদের সিঁড়ির ওপর অবস্থান নেয়। পরে পুলিশের বিশেষ শাখার একজন সদস্য মুসল্লিদের সেখান থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিয়ে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর মিছিল নিয়ে উত্তর গেট দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশি বাধায় তা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
বেলা সোয়া দুইটার দিকে মুসল্লিরা সড়কে বেরিয়ে আসেন। এ সময় ব্যারিকেড ভেঙে তারা পল্টনের দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান।
তখনই পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
পুলিশের মতিঝিল জোনের এডিসি এনামুল হক সাংবাদিকদের জানান, অনুমতি ছাড়া যোকোনো কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা ছিল। জুমার নামাজ শেষে একদল মুসলিম বিক্ষোভ মিছিল বের করেছেন। তারা শাহবাগের দিকে যেতে চেয়েছেন। পুলিশ তাদেরকে পল্টন মোড়ে থামিয়ে দেয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

সাগর

২০২০-১২-০৫ ০৫:২৭:২৬

ইলিয়াস ভাই কে মেনশন দিতে পারলাম না, এখানে হয়তো সে ফিচার নাই, কারো কাছে সে ক্ষমতা থাকলে তাকে জিজ্ঞেস করবেন বাংলাদেশ কি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারীদের নাকি সকল বাঙালিদের? এ দেশ স্বাধীন হোক সেটা এদেশের মৌলবাদী ও উগ্রপন্থী কোনো সম্প্রদায়ই কখনো চায়নি, তারা আজও মনে প্রাণে বাংলাকে আরেকটি পাকিস্তান বা আফগানিস্তান বানানোর দিবাস্বপ্ন ‌দেখে। সুতরাং তারা পূর্বেও বাংলাদেশের কোনো উপকারে আসে নাই, ভবিষ্যতে ও আসবে না, দেশদ্রোহী ও সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্প প্রচার ছাড়া। অতয়ব তাদের ফতোয়া বা কাল্পনিক সংবিধান দিয়ে পৃথিবীর কোনো রাষ্ট্র চলতে পারে না, চলেও না।

ইলিয়াস

২০২০-১২-০৪ ১১:৩৪:০৫

মুসলমানদের করের টাকায় অনৈসলামী কর্ম চলতে পারেনা। মোল্লারা সকল ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে । আগে ঘোষণা দিয়ে ভাস্কর্য তৈরী হয়নি; অনেকটা গোপনেই সেগুলো বসানো হয়েছিল। একটি অন্যায়ের প্রতিবাদ আগে হয়নি বলে কখনো হতে পারবেনা- এটা যৌক্তিক কথা নয়।

ফরিদ আহম্মেদ

২০২০-১২-০৪ ০৫:৩০:৪৭

বাইডেনের দৃস্ট আকর্ষন করার জন্য ইসু সৃস্টি করে হুজুরদের মাঠে নামানুর চেস্টা চলছে।

আবুল কাসেম

২০২০-১২-০৪ ০৩:৪৯:২৭

যাদের দৃষ্টিতে মূর্তি আর ভাস্কর্য একই বস্তু তাদের চরম আপত্তি বাংলাদেশের স্বাধীতার স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা যাবেনা। এই একটা ইস্যুতে কিছুদিন ধরে বাকবিতন্ডায় দেশের আকাশ বাতাস অনেকটা চঞ্চল হয়ে ওঠেছে। ভাস্কর্য ছাড়া অন্য কোনো ইস্যু নিয়ে কথা বলতে বা প্রতিবাদী হতে তেমন একটা দেখা যায়না। ভাস্কর্য নিয়েই যদি আপত্তি থাকবে তাহলে বাংলাদেশে ইতোপূর্বে যতো ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে তখন তারা প্রতিবাদী হলেননা কেনো? তাদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখা বাঞ্ছনীয় মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে। এই ভাস্কর্যটির নাম 'স্বাধীনতা সংগ্রাম'। ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয়ে 'অপরাজেয় বাংলা' নামে তিনজন মুক্তিযোদ্ধার অবয়বে রয়েছে আরেকটি ভাস্কর্য। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' নামে গাজীপুর চৌরাস্তায় রয়েছে আরো একটা ভাস্কর্য। জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে 'সংশপ্তক' নামের একটি ভাস্কর্য। 'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা' নামে একটি ভাস্কর্য আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পশ্চিম পাশে। 'সাবাস বাংলাদেশ' নামের ভাস্কর্যটি রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। 'বিজয় ৭১' নামে একটা ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে 'অদম্য বাংলা' নামের ভাস্কর্যটি। এছাড়া রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন সংলগ্ন 'মধু দা'র ভাস্কর্য। আরো রয়েছে সারা দেশে অসংখ্য ম্যুরাল। নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় জিয়া হলের চূড়ায় রয়েছে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি ম্যুরাল। নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনসে্ রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত অনেকের ভাস্কর্য। এসকল ভাস্কর্য ছাড়াও সারাদেশে আরো বহু ভাস্কর্য রয়েছে। আমরা দেখে আসছি এতোকাল ধরে নির্মিত কোনো ভাস্কর্য নিয়ে কেউ কোনো রকম আপত্তি উত্থাপন করেননি। হঠাৎ যতো শোরগোল শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণকে কেন্দ্র করে। নিছক রাজনৈতিক স্বার্থে বা উদ্দেশ্য যদি এই শোরগোলটা বেঁধে থাকে তাহলে তা নিন্দনীয়। এতোকাল ধরে অবস্থিত অন্যান্য ভাস্কর্যের কারণে যদি ঈমান আকিদার কোনো রকম ক্ষতি না হয়ে থাকে তাহলে এখন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের কারণে তা হবার কী যুক্তি থাকতে পারে? বলতে পারেন এতোদিন বুঝতে সক্ষম ছিলেননা। এখন উপলব্ধি করতে পেরেছেন, ভাস্কর্য ও মূর্তি একই জিনিস এবং তা ঈমান আকিদার জন্য হুমকি স্বরূপ। তাই ভাস্কর্য নির্মাণ করা হারাম। তবে এতো কাল ধরে না বুঝতে পারার একটা যুতসই কারণ ও যুক্তি উত্থাপন করা উচিত। সর্বশেষ কথা হলো, দেশে আরো বহু রকমের সমস্যা রয়েছে। সেগুলো নিয়ে কথা না বলে ভাস্কর্যের বিষয়টি সামনে এনে ওইসব সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হচ্ছে না তো? আর আলেমদের কাজ কি শুধু মাত্র ভাস্কর্য নিয়েই কথা বলা? আর কোনো সমস্যা কি তাঁদের চোখে সমস্যা নয়? আলেমদের মতে ভাস্কর্য নির্মাণ করা নাজায়েজ কাজ। এখন তাঁরা তাঁদের কথা বলেছেন। এরপরও যদি কেউ তা নির্মাণ করেন, তাহলে তরা দ্বায়ীত্ব নির্মাণকরীর ওপর বর্তাবে। এটা নিয়ে ঝগড়া ফাসাদ, দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করা উচিত নয়। যারা যার কর্ম নিয়ে সবাই আল্লাহর কাছে দায়ী থাকতে হবে।

Kazi

২০২০-১২-০৪ ০২:৫৭:৩৮

পদ্মা সেতুর স্প্যান বসানো যখন সমাপ্তির পথে জনগণের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে চলছে যা সরকারী দলের অর্জন হিসাবে জনগণের প্রশংসা কুড়াবে তা বানচাল করার জন্য মোল্লাদের এই আন্দোলন । যাতে সে দিকে জনগণ মনোযোগ না দেয়। পদ্মাসেতুর বাস্তবায়ন আওয়ামিলীগের আগামী নির্বাচন সমুহ এক চেটিয়া বিজয় সুনিশ্চিত করবে। ভাস্কর্য একটি বাহানা। জিয়ার ভাস্কর্য ও খালেদা জিয়ার পাশে বসে মৌলানা দোয়া মোনাজাত করলেন। এখানে এক দিকে ভাস্কর্য অন্য দিকে মহিলার পাশে বসে মৌলিনা কোন ইসলাম পালন করেছিলেন ? ভাস্কর্য সমস্যা নয়। সমস্যা পদ্মাসেতুর সফল বাস্তবায়ন যা আওয়ামিলীগকে আজীবন নিরঙ্কুশ বিজয়ের নিশ্চয়তা দিবে তা বিএনপি ও মোল্লাদের সহ্য হচ্ছে না ।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

পররাস্ট্রমন্ত্রীকে মেয়র আরিফ

‘১০০ কোটি টাকা দেন, বাদাঘাট বাইপাস আমি করে দেব’

২৩ জানুয়ারি ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



কক্সবাজারের ‘পাওয়ার আলী’

গৃহপরিচারক থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

DMCA.com Protection Status