‘কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী ভাস্কর্য ও মূর্তি একই’

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন (১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৩, ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৬:১৬ পূর্বাহ্ন | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০০ পূর্বাহ্ন

কোরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী ভাস্কর্য ও মূর্তি একই জিনিস দাবি করে ইসলামে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ হারাম বলে উল্লেখ করেছেন আলেমরা।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, যারা বলছেন মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয় তারা ভুল বলছেন। সত্যকে গোপন করছেন। এটি কোরআন ও সুন্নাহকে অমান্য করা।


মুফতি ইনামুল হক বলেন, ইসলামে ভাস্কর্য ও মূর্তি উভয়ই নিষিদ্ধ। এটি নির্মাণ কঠোরভাবে হারাম ও পাপের কাজ।


সংবাদ সম্মেলনে হেফাজত ইসলামের নায়েবে আমীর আব্দুর রব ইউসুফীসহ বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া-বেফাকের মহাসচিব মুফতি মাহফুজুল হক এবং বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md. Emdadul Haque Ba

২০২০-১২-০৪ ০৭:৩৮:৫৩

জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর আত্মার প্রশান্তির জন্য উনার ভাস্কর্য না করাই উত্তম--জেনেশুনে বিষ পানের মত কতিপয় চিন্তাবিদের কথা শুনে কেন মান্নীয় ধরররম্প্রান প্রধানমন্ত্রী এই হারাম কাজে দেশের অর্থ ব্যয়ের অনুমতি দিলেন? ভাস্আকর্ল্লায নির্হমান করে বংগবঙ্গবন্ধুকে ছোট করা হচ্ছে এবং দেশের মেজরিটি জন্তার মন থেকে মান্নীয় প্রধানমন্ত্রীকে অজনপ্রিয় করার করার অপকৌ শল করে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে । আমাদেরকে সঠিক ইসলাম বুঝে আমল করার তোফিক দিন আমীণ >।

মোহাম্মদ দেলোয়ার হোস

২০২০-১২-০৩ ১২:২৮:৪২

ভাই আবুল কাসেম আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর অতি মূল্যবান লিখার জন্য। আল্লাহ আপনাকে রহমত দান করুন।

জিলানী

২০২০-১২-০৩ ০৮:৩৬:২২

হেদায়েত মালিক, রাব্বুল আলামীন। আমাদের দ্বীনি কাজ হল কোরান ও হাদীসে প্রচার ও প্রসার। আল্লাহ সবাই কে সত্য ও সুন্দর বুঝার যেন তৌফিক দান করেন। স্বাধীনতা র প্রকৃত স্বাদ কি বাংলা র মানুষ কোন দিন অর্জন করবে!

Mrkachoudhury .

২০২০-১২-০৩ ২০:১৯:৩৫

SALAM n Salute for does scolers who said true about it. May Allah (SWT)Bless them ,protect them.Aameen.

Aftab Chowdhury

২০২০-১২-০৩ ০৭:০৭:২০

আলেমগণ ঠিক বলেছেন।জেনে শুনে হারাম অশ্বিকার কারিরা কাফির ।

Mohammed Muslim Uddi

২০২০-১২-০৩ ২০:০১:৫৬

পবিত্র কোরানের সুরা বাকারায়, “ আনতামাওলানা ফারছুরনা আলল কওমিল কাফেরিন” আল্লাহকে বোঝানা হয়েছে । মোল্লারা কেন নিজেদের নামের সাথে “ মাওলানা” উপাধি ব্যবহার করেন ?ইহা তো জঘণ্য শিরিক। এছাড়া রাসুলের ( দঃ) মূল বংশধর ব্যতিত অন্য কেউ আওলাদে রাসুল উপাধি লিখা জঘণ্য বেদাত! মোল্লারা কেন নিজেদেরেকে তথাকথিত আওলাদে রাসুল বলে উপাধি লিখেন ?

আবুল কাসেম

২০২০-১২-০৩ ০৬:৪৯:৫৮

জল অর্থ যদি পানি হয় তাহলে ভাস্কর্য অর্থও মূর্তি। কেউ যদি বলতে চান, জল দূষিত হতে পারে কিন্তু পানি দূষিত হয়না অথবা যদি বলেন যে, পানি দূষিত হতে পারে, জল দূষিত হয়না, একথার কি কোনো মানে হয়? যেমন কেউ কেউ বলে থাকেন, মূর্তি দিয়ে পূজা করা যায় ভাস্কর্য দিয়ে পূজা করা যায় না ; এটাও পানি ও জলের দূষিত হওয়া আর দূষিত না হওয়ার মতো। পূজা করার জন্য মূর্তি তৈরি করা হয় সত্য। আর ভাস্কর্য পূজা করার জন্য তৈরি করা না হলেও মাত্রারিক্ত ভক্তি ও বাঁধভাঙা আবেগের কারণে মনের অজান্তেই কখনো কখনো ভাস্কর্যকে এমনই মহত্ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বের আসেন আসীন করা হয়ে যেতে পারে যা সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার কোনো না কোনো গুণাবলির সাথে সম্পর্কিত। এই আশংকা থেকেই ভাস্কর্য বা মূর্তি নির্মাণ করতে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। ভাস্কর্য থেকেই শিরকের উৎপত্তি হয়েছে হযরত নূহ আ. এর সময়ে। ঐ সমাজে আল্লাহভীরু ও সম্মানিত পাঁচজন লোক ছিলেন। তাঁদের মৃত্যুর পরে ভক্তরা পূজা করার জন্য নয়, তাঁদের স্মৃতি স্মরনীয় করে রাখতে তাঁদের ভাস্কর্য নির্মাণ করলো। পরবর্তীতে মানুষ তাঁদের প্রতি এতোটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে, আবেগে-ভক্তিতে তাঁদের ভাস্কর্যে মাথা নত করে দেয়। এভাবেই শিরকের উৎপত্তি ও প্রচলন শুরু হয়। তবে মহান ব্যক্তিদেরকে স্মরণীয় করে রাখতে তাঁদের জীবন ও কর্মের চর্চা বেশি জরুরি। আর ইসলামী বড়ো বড়ো স্থাপত্যের নামকরণও তাঁদের নামে করা উচিত। এভাবে তাঁদের স্মৃতি মনের মধ্যে চিরস্মরণীয় এবং বরণীয় করে রাখা যায়। ভাস্কর্য নির্মাণ করলেই কাউকে বরণীয় করে রাখা যায় না ; যদি তাঁর কীর্তিময় মহান জীবন, কর্ম ও শিক্ষাকে অন্তরে ধারণ করা না যায়। হিটলারের ভাস্কর্য এবং ফেরাউনের মমি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও তাঁরা সমাদৃত হতে পারেননি। অপরদিকে হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং খুলাফায়ে রাশেদার চার খলিফা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুম, চার মাজহাবের চার ইমাম, ইমাম গাজ্জালী ও বড়ো পীর আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহিহুমদের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়নি এবং তাঁদের ভাস্কর্যের কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও তাঁরা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হিসেবে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে শ্রদ্ধার আসনে চির ভাস্বর হয়ে আছেন। সর্বোপরি কথা হলো, ইসলামে কোনো জোরজবরদস্তি ও বাড়াবাড়ি নেই। কারো মনে যদি এধারণার উদয় হয় যে, ভাস্কর্য তৈরি করে স্বাধীনতার মহান স্থপতিকে চিরকাল স্মরণীয় ও বরণীয় করে রাখা হবে তাহলে তিনি তা করতে পারেন। এতে কারো আপত্তি থাকলে সতর্ক করে দেয়া যেতে পারে। তবে আপত্তি উত্থাপন যেনো বাড়াবাড়ির পর্যায়ে না যায় সেদিকেও খেয়াল রাখা বাঞ্ছনীয় একারণে যে, আপত্তি উত্থাপন আক্রমণাত্মক হলে বিবাদ-বিসম্বাদের সম্ভাবনা রয়েছে। যাঁরা ভাস্কর্য নির্মাণ করা সঠিক মনে করেন না তাঁরা তাঁদের মতের পক্ষে থাকতে পারেন। যেহেতু ইসলামে কোনো বাড়াবাড়ি নেই তাই বিবাদে জড়ানো কোনো অবস্থাতেই ঠিক হবে না। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে, "দ্বীনের ব্যপারে কোনো জোর জবরদস্তি নেই। সত্য মিথ্যা থেকে পরিষ্কার হয়ে গেছে। তোমাদের মধ্যে যদি কেউ বাতিল মতাদর্শকে অস্বীকার করে আল্লাহর (দেয়া জীবনাদর্শের) উপর ঈমান আনে, সে যেনো এর মাধ্যমে এমন এক শক্তিশালী রশি ধরলো যা কোনো দিনই ছিঁড়ে যাবার নয়। আল্লাহ তায়ালা সবকিছুই শোনেন এবং জানেন।" সূরা আল বাক্কারা। আয়াত-২৫৬। এখন যার যার অবস্থা আল্লাহ তায়ালার উপর ছেড়ে দেয়াই উত্তম। কারণ আল্লাহ তায়ালাই চূড়ান্ত সুবিচারক এবং সব বিচারকের চেয়ে বড়ো বিচারক। ইরশাদ হচ্ছে, "আল্লাহ তায়ালা কি সকল বিচারকের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বিচারক নন?" সূরা আত্ ত্বীন। আয়াত-৮। ভাস্কর্যের পক্ষ বিপক্ষদের মধ্যে ইতোমধ্যে উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। সবাই নিজ নিজ মতের উপর অটল থেকেও শান্তি বিনষ্ট হওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। সরকার আলেমদের সাথে পরামর্শ করে যেটা ভালো হবে সেটাই করবেন। তবে নশ্বর জগতে কেউ চিরন্তন ও অবিনশ্বর নয়। তাই দুদিনের জীবনের অবসান হবে আমাদের সকলেরই। মৃত্যুর পরে সকলকেই আল্লাহর আদালতে হিসেব দিতে হবে। সুতরাং আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করা আবশ্যক। সেদিন আল্লাহর আজাব থেকে আমাদের কেউ রক্ষা করতে পারবেনা। ইরশাদ হচ্ছে, "তোমরা সেদিনটিকে ভয় করো যেদিন একজন আরেক জনের কোনো কাজেই আসবেনা, একজনের কাছ থেকে আরেক জনের জন্য কোনো সুপারিশ গ্রহণ করা হবেনা, কারো কাছ থেকে কোনো মুক্তিপণ নেয়া হবে না, না তাদেরকে কোনো রকম সাহায্য করা হবে!" সূরা আল বাক্কারা। আয়াত-৪৮। অতএব অতিরঞ্জিত আবেগাপ্লুত হয়ে এমন একটা কিছু করা উচিত নয় যার কারণে আল্লাহর দরবারে আমাদের জবাব দীহি করতে হতে পারে।

Zahedul Haque

২০২০-১২-০৩ ০৫:২০:২৬

মৃত‍্যু থেকে বাঁচতে চাও সম্ভব নয়, মহা দূর্গের মধ‍্যে অবস্থান করলেও। আর তারা ভয় করে মানুষকে বরং আল্লাহর চাইতেও বেশী।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

পুতিন-ট্রাম্প সম্পর্ক নির্ধারণে তদন্ত কমিশনের প্রস্তাব

ক্যাপিটলে হামলার সময় হয়তো পুতিনের সাথে কথা বলছিলেন ট্রাম্প: হিলারি

১৯ জানুয়ারি ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



কক্সবাজারের ‘পাওয়ার আলী’

গৃহপরিচারক থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

DMCA.com Protection Status