মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার, শিক্ষক গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন (১ মাস আগে) নভেম্বর ২৮, ২০২০, শনিবার, ১২:৫১ অপরাহ্ন

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ৯ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. বাকী বিল্লাহ মানিক (৩৮) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের মানিকরাজ গ্রামের আজিম উদ্দিন মাস্টারের পালিত ছেলে। শুক্রবার রাতে সহনাটি ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মানিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার সকালে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, মো. বাকী বিল্লাহ মানিক সহনাটি ইউনিয়নের করফুলনেছা নূরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসায় নূরানী শাখার প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। চলতি বছরের ১৫ই নভেম্বর সকালে প্রধান শিক্ষক মানিক মাদরাসার পাঠদান কক্ষের ব্লাকবোর্ডের পেছনে নিয়ে ওই মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকার করে। এরপর প্রধান শিক্ষক মানিক পরবর্তী সময়ে আরো একদিন মাদরাসার পাঠদান কক্ষে ওই ছাত্রকে বলাৎকার করে। এ ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্র মাদরাসায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
গত ২৫শে নভেম্বর ওই ছাত্রকে তার বাবা বাড়ি থেকে ফের মাদরাসায় দিয়ে আসলেও সে বাড়ি ফিরে আসে। তার বাবা বাড়ি ফেরার কারণ জানতে চাইলে সে বলাৎকারের ঘটনা খোলে বলে। এঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা শুক্রবার রাতে গৌরীপুর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ওইদিন রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষককে আদালতে প্রেরণের প্রস্ততি চলছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

ইউসুফ কুয়েত

২০২০-১১-২৮ ০৮:০৯:৪৩

এই লোক গুলো সত্যি আমাদের কলঙ্কের অধ্যায়, কারণ নিজের বউ বাচ্চা থাকার পরও এমন কাজ সত্যিই অমার্জনীয়,,, মাননীয় সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করবো বলৎকার আর ধর্ষন একই সুতায় গাঁথা, এদেরকে আমরণ জেলের সাজায় আনা দরকার কারণ মৃত্যুদন্ড আসামী ও আইনের জাল থেকে বেরিয়ে যায়।।আর আমার চোখে সব চেয়ে বড় অপরাধী একজন উকিল, টাকা দেখলে স্বীকার করেছে এমন জঘন্য অপরাধীর পাশেও নিজের ঈমান বিক্রি করে।। যদি জানতে চান বলবে ""This is my Occupation '' কোন পেশায় ঈমান বিক্রির সাপোর্ট করে না।

Shahid

২০২০-১১-২৮ ২০:৪৪:৩৩

সেটা কেটে দেয়া হোক।

খোন্দকার মোস্তাবুল হ

২০২০-১১-২৮ ১৯:৩১:৪১

এটা নুতন কোন খবর নয়। পত্রিকা খুল্লেই এমন সংবাদ প্রায় প্রতিদিনই চোখে পরে। দেশের অধিকাংশ মাদ্রাসা গুলোতে চিরুণী অভিযান চালনা করে শিক্ষক নামের পশুগুলোকে ধরা হোক। আইনে সোপর্দ করা হোক। এই ধরণের বেশীর ভাগ ঘটনাই গোপনে মিটমাট করা হয়। কারণ আক্রান্ত শিশুদের বাবারা হয় গরীব না হয় মূর্খ। কিছু কাটমোল্লারা বিনা বিচারে জান্নাতের লোভ দেখিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করে কোমলমতি শিশুদের মাদ্রাসায় ভর্তি করে তাদের ওপর নিদারুণ অত্যাচার করা সহ ধর্ষন ও বলৎকার করা হয়। ফলে দেশের ভালো মাদ্রাসাগুলোকেও এই বদনামের ভাগী হতে হয়। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন যন্ত্রকে এ ব্যপারে দৃষ্টান্ত মুলক ব্যবস্থা নেয়র জন্য বিনীত নুরোধ করছি ।

মোঃ মনির হোসেন

২০২০-১১-২৮ ১৮:২৮:৪৪

এই সমস্ত বদমাইশদের সর্ব ঊচ্ছো শাস্তি হওয়া দড়কার তো বটেই তার সাথে এদের পুরুষত্ব ধ্বংস করে দেওয়া দরকার না হয় এরা আইনের ফাঁক ফোকরে বের হয়ে আবার এই ধরনের আচরণে লিপ্ত হবে ।।

আনিস উল হক

২০২০-১১-২৮ ০৩:৩৪:২১

মুস্কিল এরা ইহকালেই গিলমান খুজে।

MAJUMDER SANTOSH

২০২০-১১-২৮ ১৪:৫৬:০৯

He Is not a teacher but a DOG...

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

১৮ই মার্চ থেকে বইমেলা

২৫ জানুয়ারি ২০২১



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status