৩০ বছর ভোটে অংশ নেবে না জামায়াত!

আল-আমিন

প্রথম পাতা ২৮ নভেম্বর ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০০ পূর্বাহ্ন

সংস্কার। নতুন দল। জামায়াতে এসব আলাপ পুরনো। কথা হয়েছে অনেক। এমনকি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামান এ নিয়ে কারাগার থেকে দলকে লিখিত পরামর্শ দেন। মুক্তিযুদ্ধ আর সংস্কার ইস্যুতে দলত্যাগ করেন আরেক শীর্ষ নেতা ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। পরিস্থিতি সামলাতে কমিটিও হয়েছিল জামায়াতে। শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত নেয় দলটি? জামায়াত এখন চলছে নয়া নেতৃত্বে।
পুরনো শীর্ষ নেতাদের বেশির ভাগের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে যুদ্ধাপরাধের মামলায়। কারো কারো স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা কারাগারে। এক দশক ধরে কার্যত জামায়াত নিষিদ্ধ। দলের নিবন্ধন নেই। তারপরও দলটি নির্বাচনের ময়দানে ছিল। কখনো স্বতন্ত্র, কখনো ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছিলেন দলটির নেতারা। তবে সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনের পর নতুন কোনো নির্বাচনে অংশ নেয়নি জামায়াত। একাধিক সূত্র বলছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জামায়াতের কৌশল হচ্ছে প্রচলিত রাজনীতি থেকে দূরে থাকা। অন্তত ৩০ বছর কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না দলটি। পরিস্থিতির যদি বড় কোনো ওলট-পালট না হয়। প্রচলিত রাজনীতির পরিবর্তে সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের নিয়োজিত রাখবেন নেতাকর্মীরা। দলীয় সাহিত্য জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। এক গোয়েন্দা রিপোর্টেও ৩০ বছর ভোটের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জামায়াতের  কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার মানবজমিনকে বলেন, ’১৮ সালের নির্বাচন যখন হয়ে গেলো তখন বিএনপি এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হলো, নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ছাড়া আমরা আর নির্বাচনে যাবো না। এ সিদ্ধাতের ওপর আমরা এখনও আছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি সেটা এখনো ছাড়তে পারেনি। কিন্তু, আমরা এ সিদ্ধান্তের ওপর এখনো আছি।’

ওদিকে, একটি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালে দিন বদলের ডাক দিয়ে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর থেকেই বিতর্কিত, সাজা হওয়া এবং যুদ্ধাপরাধীদের সংগঠন জামায়াতে ইসলাম বেকায়দায় পড়ে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের। পরে তাদের যুদ্ধাপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় দলের আমীর ও সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি  জেনারেল এবং সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মুজাহিদসহ ৫ শীর্ষ নেতার ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। সাবেক আমীর গোলাম আযম কারাগারে মারা গেছেন। এ ছাড়াও আদালতের সাজা মাথায় নিয়ে সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা একেএম ইউসুফ, নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুস সোবহান মারা গেছেন। আমৃত্যু কারাদণ্ড নিয়ে কারাগারে আছেন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী। সাজা কার্যকরের অপেক্ষায় আছেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি  জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে দলটি মাঠ পর্যায়ে দুর্বল হয়ে যায়। এ ছাড়াও দলটির কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ব্যাপক নজরদারি গড়ে তোলে এবং তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নেয়। এ কারণে গত আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যেভাবে দলটি সারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিল তা এ সরকারের সময় পায়নি। এতে দলটির অধিকাংশ নেতারা আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যান।

এর মধ্যে আদালতে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হয় ২০১৩ সালের পহেলা আগষ্ট। নিবন্ধন বাতিলের ফলে মাঠ পর্যায়ের নেতা ও সমর্থকদের  মধ্যে হতাশা নেমে আসে। তারা প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশ থেকে বিরত থাকে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপজেলা নির্বাচন করেনি নিবন্ধন হারানো জামায়াত। এ ছাড়াও একাধিক সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও পৌরসভার নির্বাচনেও অংশ নিতে দেখা যায়নি দলটির নেতাদের। নতুন দল খোলার ব্যাপারে গণমাধ্যমগুলোতে সংবাদ প্রকাশিত হলেও এ ব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। কেন তারা নির্বাচনে অংশ নিবে না সে ব্যাপারে মাঠ পর্যায়ের নেতারা কোনো তথ্য দেননি।  তবে দলের গ্রেপ্তার হওয়া নেতাদের কাছে ভোটে অংশ না নেয়ার তথ্যটি জানা যায়।
২০১৮ সালের ২৬শে অক্টোবর চট্টগ্রামের সুগন্ধা আবাসিক এলাকায় একটি বাসা থেকে গোপন বৈঠকের সময় নগর জামায়াতের নেতা মুহাম্মদ শাহজাহানসহ ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ছাড়াও ২০১৮ সালে জামায়াতের ঢাকা মহানগর নেতা নুরুল ইসলাম বুলবুল, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিকুল ইসলামসহ আরো কয়েক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশসহ আরো অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা তাদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তারা জানায়, বর্তমান সরকারের সময় তাদের রাজনীতি অনুকূলে নয়। এ ছাড়াও দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে শক্ত সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে না। তাই দলগত সর্বোচ্চ ফোরাম নির্বাহী কমিটিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, তাদের দল আগামী ৩০ বছর গতানুগতিক নির্বাচন থেকে দূরে থাকবে। শুধু দলের দাওয়াত এবং  দলের  যে ইসলামী সাহিত্য আছে তা জনগণের কাছে তুলে ধরবে।

ওদিকে, জামায়াতের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামাজিক কার্যক্রমে জোর দিয়েছেন দলটির নেতারা। দলটির আমীর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহায়তামূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। প্রচলিত রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে যতটা সম্ভব দূরে রয়েছেন জামায়াত নেতারা। শিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জুর উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন হলেও এতে জামায়াতের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতা যোগ দেননি। তবে সংস্কার নিয়ে জামায়াতে দীর্ঘদিন থেকেই আলোচনা ছিল। যুদ্ধাপরাধের বিচারের ইস্যুটি বড় মাত্রায় সামনে আসার আগেই সংস্কারপন্থি অংশটি নিজেদের মধ্যে আলোচনায় ৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছিল। ওই প্রস্তাবে প্রচলিত ইসলামী ধারার রাজনীতির পরিবর্তে সমাজকল্যাণমূলক কাজ, সুশাসন ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে রাজনীতির কথা বলা হয়েছিল। তবে ওই প্রস্তাব জামায়াতের কোনো নীতি নির্ধারণী ফোরামে উত্থাপন করা হয়নি। ২০১১ সালে জামায়াতের তৎকালীন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক পত্রিকায় লেখা এক কলামে নিজের রাজনৈতিক ভাবনা প্রকাশ করেছিলেন। ওই লেখায় তিনি লিখেছিলেন, ভারতে ৬০ বছরের জামায়াত তার নাম পরিবর্তন করে ওয়েল ফেয়ার পার্টি অব ইন্ডিয়া নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেছে পুরনো জামায়াতের ব্যর্থতার কারণে। ভারতের নতুন দলটিতে ১৬ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ক্যাথলিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একজন ফাদারসহ ৫ জন অমুসলিমকে রাখা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং সংস্কার ইস্যুতে শেষ পর্যন্ত জামায়াত ত্যাগ করেন ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। জামায়াতের আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান কারাগার থেকে লেখা এক চিঠিতে দলে সংস্কারের পরামর্শ দেন। ওই চিঠিতে তিনি নতুন নামে দল গঠনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। চিঠিতে গণতান্ত্রিক ধারায় রাজনীতি অব্যাহত রাখতে নেতাদের পরামর্শ দেয়া হয়। পরে অবশ্য যুদ্ধাপরাধের মামলায় তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

 জামায়াতে ইসলামীর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৬শে আগস্ট বৃটিশ ভারতে। শুরুতে সংগঠনটির নাম ছিল জামায়াতে ইসলামী হিন্দ। মাওলানা সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী দলটির প্রতিষ্ঠাতা। নিষিদ্ধ হওয়াও জামায়াতের জন্য নতুন কিছু নয়। ১৯৫৯ এবং ’৬৪ সালে পাকিস্তানে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

mohammed

২০২০-১১-৩০ ১৩:৩৬:০৫

Fake news,

Mohammed Ali Bhuiyan

২০২০-১১-২৯ ১৪:৪০:১৮

জামাত সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে মন্তব্য করার অনুরোধ করছি। জামাত হলো এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্টান যার ছাত্ররা সৎ দেশপ্রেমিক এবং আদর্শ চরিত্রবান। দুনিয়ায়র লোভ লালসা জামাতের কর্মীদের পিছু হটাতে চাইলেও পারে না। একবার নিরপেক্ষ নির্বাচন হলেই বুঝতে পারবেন দেশের জনগণ জামাতের কর্মী নেতাদের কতোটা ভালোবাসেন।

সাইফুলইসলাম

২০২০-১১-২৯ ২১:০৯:১২

মানবজমিন পত্রিকায় ‘৩০ বছর ভোটে অংশ নেবে না জামায়াত!’ শিরোনামে প্রকাশিত ভিত্তিহীন খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ২৮ নভেম্বর দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় ‘৩০ বছর ভোটে অংশ নেবে না জামায়াত!’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে যে ভিত্তিহীন মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি জনাব মতিউর রহমান আকন্দ ২৮ নভেম্বর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “২৮ নভেম্বর দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় ‘৩০ বছর ভোটে অংশ নেবে না জামায়াত!’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তের বরাত দিয়ে যে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তা সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের মনগড়া, বানোয়াট ও কল্পনানির্ভর বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। রিপোর্টের অপর এক জায়গায় ‘গত আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যেভাবে দলটি সারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিল তা এ সরকারের সময় পায়নি’ মর্মে জামায়াতের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর খবর ছাপা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা সুস্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই, জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। জামায়াত কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে না। এমনকি সমর্থনও করে না। বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী কখনো কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল না এবং এখনো নেই। আশি ও নব্বইয়ের দশকে সারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করার জামায়াতের বিরুদ্ধে যে অপবাদ দেয়া হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা এবং সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের মনগড়া বক্তব্য ও জামায়াতের বিরুদ্ধে নগ্ন প্রচারণারই অংশ মাত্র। বিগত এক বছরেরও বেশি সময় যাবত একই ধরনের খবর বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে অব্যাহতভাবে একই উদ্দেশ্যে প্রচার করা হচ্ছে। দেশের জনগণ ও বিশ্ববাসী অবগত আছেন যে, প্রায় এক যুগ যাবত বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার এমন কোনো যুলুম নেই যা জামায়াতের উপর করেনি। যুলুম-নির্যাতন সত্ত্বেও জনগণের ভালোবাসা ও সহনুভূতিতে এ দলটি টিকে আছে এবং নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এরপরও যারা জামায়াতের ভাবমর্যাদা বিনষ্ট করার জন্য মিথ্যা ও মনগড়া প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদের জন্য আমাদের আফসোস হয়। ভবিষ্যতে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এ ধরনের কাল্পনিক, মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমরা দৈনিক মানবজমিন পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”

আব্দুল্লাহ আল মামুন

২০২০-১১-২৯ ০৫:২১:০৩

মানবজমিন আমার প্রিয় পত্রিকার একটি! কিন্তু এমন তথ্য হীন একপেশে সংবাদ কাম্য নয়। এতে করে সাংবাদিকদের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালবাসা নষ্ট হয়।

Amir

২০২০-১১-২৯ ১০:২৪:২৯

"গাজা গুলাইয়া খাইলে যা হয়"---মোঃ হাফিজুর রহমান ভাই এর শতকরা ১০০ ভাগ সমর্থন যোগ্য মন্তব্য!

Mohammed Ali Bhuiyan

২০২০-১১-২৮ ২০:০৮:২৫

মানবজমিন কতৃপক্ষের নিরপেক্ষ অবস্থান আশা করি। জামাত সম্পর্কে অনেকের এলার্জি আছে। আশা করি মানবজমিন ঐ ধরনের একপেশে সংবাদ প্রকাশ করবে না।

মোঃ হাফিজুর রহমান

২০২০-১১-২৮ ০৯:৫৯:২৭

গাজা গুলাইয়া খাইলে যা হয়

Mohammed Ali Bhuiyan

২০২০-১১-২৮ ০৯:৫৫:২৬

মানবজমিন পত্রিকার কাছে নিরপেক্ষ খবর প্রত্যাশা করি। ৮০ এবং ৯০ এর দশকে জামাত কোন সন্ত্রাসী কাজ করেনি। বরং ৯১ এর নির্বাচনের পর জামাতের দেওয়া ফর্মুলা অনুসরণ করে আওয়ামীলীগ আন্দোলনের মাধ্যমে কেয়ার টেকার সরকার সিস্টেম চালু করতে বিএনপিকে বাধ্য করেছিল।

আনিস উল হক

২০২০-১১-২৭ ২০:৩৫:৪৩

ইসরাইলের সাথে সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক সমঝোতা হলে বিশ্বের ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতির বিস্তার কমে আসবে।নিকট ভবিষ্যতে আমারা তাই দেখতে চলেছি।

Shahid

২০২০-১১-২৮ ০৮:২৬:৩৮

জামায়াত একটা প্রতিবাদ দিয়ে ক্ষান্ত থাকবে। বাস্তবে তারা যদি 30 বছর রাজনীতি থেকে দুরে থাকে ইহ জিন্দেগীর জন্যই দুরে থাকবে।

Ashraful Alam

২০২০-১১-২৭ ১৬:৩০:৩৯

ইহুদীদের নীতিমালা বাদ দিয়ে সত্য প্রকাশ করুন। ৮০ ও ৯০ দশকে জামায়াত কি কি সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছিল এবং কোথায় সেটা তো বললেন না

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

যেভাবে হবে করোনা টিকার রেজিস্ট্রেশন

৫০ লাখ ভ্যাকসিন এসেছে, দু’-একদিনের মধ্যে যাবে সারা দেশে

২৬ জানুয়ারি ২০২১

মন্ত্রিসভা বৈঠকে সশরীরে প্রধানমন্ত্রী

২৬ জানুয়ারি ২০২১

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে প্রায় ১০ মাস পর মন্ত্রিসভা বৈঠকে সশরীরে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ...

কাল থেকে রেজিস্ট্রেশন শুরু

৫০ লাখ ভ্যাকসিন আসছে আজ

২৫ জানুয়ারি ২০২১

করোনায় দারিদ্র্য বেড়েছে

২৫ জানুয়ারি ২০২১

অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমোদন

২৫ জানুয়ারি ২০২১

কিট দিয়ে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) অ্যান্টিবডি পরীক্ষার অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ...



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত



নতুন স্ট্রেইন কিনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেই, উদ্বেগ

বৃটেন থেকে আসছে করোনা আক্রান্ত রোগী

DMCA.com Protection Status