'ধর্ম নিয়ে কটূক্তি', ইবি শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ

ইবি প্রতিনিধি

শিক্ষাঙ্গন (২ মাস আগে) অক্টোবর ৩১, ২০২০, শনিবার, ৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র ফ্রান্সের ম্যাগাজিনে ছাপানোর পক্ষে যৌক্তিকতা তুলে ধরা এবং পবিত্র মক্কা শরীফ ও যমযম কূপকে তাচ্ছিল্য করার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক ছাত্রকে বিভাগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। ওই ছাত্রের নাম সাইফুল্লাহ আল হাদী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটির এক জরুরী সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেয় বিভাগটি। বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোস্তাক আলী তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে জরুরী মিটিং করেছি। সভায় সর্বসম্মতভাবে ওই ছাত্রের স্থায়ীভাবে ছাত্রত্ব বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সুপারিশ করা হবে। প্রশাসন বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার দুপুরে হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র ফ্রান্সের ম্যাগাজিনে ছাপানোর পক্ষে যৌক্তিকতা তুলে ধরে এবং পবিত্র মক্কা শরীফ ও যমযম কূপকে তাচ্ছিল্য করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন ওই শিক্ষার্থী।


এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা ওই ছাত্রের শাস্তি দাবি ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান।

তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ইসলাম ধর্ম নিয়ে একের পর এক কটুক্তি করে আসছেন বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা। ঈদের কোরবানীকে ধর্মের নামে অন্ধবিশ্বাসে প্রকাশ্য বলিদান ও রক্তারক্তির খেলা বলে কটূক্তি করারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, শুনেছি মিটিং হয়েছে। তবে রেজুলেশন এখনও আমাদের কাছে পৌঁছায়নি। পেলে আমরা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

নাঈম

২০২০-১১-০২ ২৩:৩১:৩১

আমরা শুধু সমস্যার ডালপালা নিয়ে কথা বলছি। এর মূল নিয়ে কাজ করছিনা। উপরের অধিকাংশ কমেন্ট দেখে আমার মনে হচ্ছে আমরা জানিনা মুসলিম হিসাবে এমন ক্ষেত্রে আমাদের কি করনীয় এবং এটাই আমাদের সমস্যা। যারা এই ধরনের ঘৃন্য কাজ করছে তারা যেমন আসল ইসলাম সম্পর্কে জানেনা আমরাও জানিনা এবং আমাদের অজ্ঞতার কারনে তারা আমাদের কর্মকান্ড থেকে ইসলাম সম্পর্কেও ভুল জানছে। দুঃখজনক হলো ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মত জায়গায়ও ইসলাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান দেয়া হচ্ছেনা। অথচ নবী ও তাঁর সাহাবীগন তাদের আমল আর আখলাক দিয়েই মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন। নবীর প্রতি ভালোবাসা হলো তাঁর আদর্শকে জীবনে ধারন করা আর সে জন্য তাঁর জীবন সম্পর্কে সঠিক ভাবে জানা। আসুন জানি আর সেভাবে নিজেকে বদলাই। নবী বলেছেন যে, একজন মুসলিম যখন কথা বলবে তখন সে ভালো কথা বলবে অথবা চুপ থাকবে।

NARUTTAM KUMAR BISHW

২০২০-১১-০১ ১৫:০৪:০৪

দুর্ভাগ্যজনক ভাবে তার নামের সাথে কাজের কোন মিল পেলাম না। খবরটা দেখে মনে করলাম কোন হিন্দু বা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কি না। খুলে দেখি মুসলমান। তবুও যেন তেন মুসলমান নয়। তার নাম সাইফুল্লাহ আল হাদী পুরো নাম জুড়ে আছে ইসলামিক লেবাস। অথচ এরা দিন দিন ইসলামকে কলুষিত করছে। আজ এরকম মুসলিমদের জন্যই ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছে নাস্তিক্যবাদীরা। ভাই আপনার প্রতি অনুরোধ নিজের নামের সাথে মিল রেখে বক্তব্য বিবৃতি দিন। Allah will forgive to you. Amin

ঊর্মি

২০২০-১১-০১ ১১:০৯:১৯

ছেলেটার মা-বাপকে (বিশেষ করে মাকে) জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয় তারা কি ছেলেঢ় সঠিক পিতৃপরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত ???

z Ahmed

২০২০-১১-০১ ১০:০২:৪৩

He needs to be sent to "Pakla Gharoth" at Pabna for mental and psychological treatment as soon as possible.

shakhawat Hossain

২০২০-১১-০১ ০৯:২২:১১

এই শালাকে আগের জুতার বারি দেওয়া হোক

Obak

২০২০-১০-৩১ ১৮:১৭:১৬

হাবিব সাহেব অবাক হলাম ইউরোপ ফ্রি সেক্স নেই সেখানে সেক্স অনেক দামী রে ভাই . সেখানে ফ্রীডম অফ সেক্স আছে . আইন অনুযায় সেটা এদেশে ও আছে , অবশ্য সেটা জানার জন্য পর্যাপ্ত লেখা পড়া জানা থাকা দরকার. যে কোনো ধর্ম নিয়ে কুটুক্তি গর্হিত কাজ অন্ধের মতো কোন কিছু কে গালি দেয়া ও গর্হিত জনাব .

সালমান শেখ

২০২০-১০-৩১ ১৮:১৪:৫৮

এই সব বেজন্মাদের পিষে মারা উচিৎ

হাজি আলি

২০২০-১১-০১ ০৬:১৭:৪৭

নবীকে কেউ অশ্রদ্ধা করলে তাকে হত্যা করা পুরোপুরি বৈধ,পরিবারের ভেতর সন্তানরা যা শোনে, তার ভিত্তিতেই তাদের এ ধরণের মনোবৃত্তি তৈরি হয়, ফ্রান্সের ঘটনার পর পরই তা প্রমাণ হলো,

SJ

২০২০-১০-৩১ ১৩:০১:৩৫

ব্রেইন প্রতিবন্ধী। বাস্তবে সে মুসলমান নয়।ধর্ম সম্পর্কে বিন্দু মাত্র জ্ঞেয়ান ই নেই তথাপিও অদক্ষের অপ্রিয় যুক্তি তর্কে মেতে উঠে। নির্বোধ।।

মোঃসেলিম হেলালী

২০২০-১০-৩১ ০৯:২৯:৫০

ছেলেটি আসলে অতি চালাক। এ ঘটনা তার ইচ্ছেমতো। বাংলাদেশে অতীতে ইসলাম নিয়েকটুক্তিকারীগণকে খ্রিস্টান রাষ্ট্র কর্তৃক আশ্রয় প্রদানের মাধ্যমে উৎসাহিত করা হয়েছে। এখন অনেক বিধর্মী লোক বা ছাত্র এটিকে পুজি করে উক্ত সুযোগ গ্রহণ করা চেষ্টা করছে। তবে বর্তমান সরকার অতীতের অন্য সরকারের চেয়েও এ ব্যপারে কঠোর।

আবুল কাসেম

২০২০-১০-৩১ ০৮:৫৫:৩৩

আহারে আমাদের দৈন্যতা ! সমাজের মধ্যে ক্ষমতাবান কারো বিষয়ে কোনো সাংবাদিক রিপোর্ট করলে বা অন্যকেউ কোনো বিষয়ে মন্তব্য করলে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিতে কালবিলম্ব হয়না। কিন্তু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহানবী রাসুল স. কে অপমানের এমন জঘন্যতম নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ করেছে যার বিরুদ্ধে আইনগতভাবে এখনো কেউ কোনো মামলার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অথচ এদেশে রাসুল প্রেমিকের অভাব নেই। প্রায় সবাই মুসলমান। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত। এদিকে নোবিপ্রবিতেও দুইজন শিক্ষার্থী কয়েকদিন আগে রাসুল স. কে অপমানের ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। এরা বাংলাদেশে বসে বিদেশি কোনো এজেন্সির কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব পালন করতেছে কিনা খতিয়ে দেখা আবশ্যক । যদি তেমন কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আর তেমন কোনো কিছু পাওয়া না গেলে এদেরকে সংশোধনাগারে পাঠানো দরকার। আমরা যারা মুসলমান তারা সবাই জানি হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুপারিশ ছাড়া বিচারের দিনে আল্লাহ তায়ালার বিচারালয় থেকে মুক্তি পাওয়ার কারো কোনো উপায় থাকবেনা। আমাদের বিশ্বাস কতোটা ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়েছে এসকল শিক্ষার্থীদের মনোভাব থেকে সেটা বুঝা যাচ্ছে। এদের কারণেই আল্লাহ তায়ালা যখন রাগান্বিত হয়ে পড়েন তখন পৃথিবীতে আসমানী আজাব নেমে আসে। আর আল্লাহওয়ালা নেককার লোকদের উছিলায় দুনিয়ার মানুষ আসমানী আজাব থেকে বেঁচে যায়। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে এসম্পর্কে বহু আলোচনা রয়েছে। নাস্তিকতার প্রভাব ও প্রসারের কুফল থেকে শিক্ষার্থীরা ধর্ম বিশ্বাস হারিয়ে ফেলতেছে। কিন্তু নাস্তিকদের কাছে প্রশ্ন রইলো , তারাতো পরকালে বিশ্বাস করে না তাই তারা এই দুনিয়াকেই চাওয়া পাওয়ার কেন্দ্রবিন্দু মনে করে এবং তাদের দাবি অনুযায়ী পরকালে যেহেতু জবাবদীহি করতে হবেনা, তাই দুনিয়ায় তারা যা খুশি তা-ই করা সঙ্গত মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তারা কিসের ভিত্তিতে এমন একটা সিদ্ধান্তে পৌছালেন যে, পরকালের জীবন বলে কিছু নেই। তাদের কাছে কোনো অকাট্য প্রমাণ আছে কী যে পরকালীন শাস্তি ও পুরষ্কার বলে কিছুই নেই ? আর আমরা যারা বিশ্বাস করি পরকালের জীবন আছে। সেখানে আল্লাহর আদালত বসবে। সকলের ভালো কাজের পুরষ্কার ও পাপ কাজের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আমরা কুরআন-হাদিসের বক্তব্য ও আলোচনা থেকে এবং সৃষ্টির শুরুর নবী হযরত আদম আলাইহি সসালাম থেকে শেষ নবী, রাসূল মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত সকল নবী রাসূলদের জীবনী থেকে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। বিষ্ময়কর ব্যপার হচ্ছে এইসকল নবী রাসূলগণ স্বভাব চরিত্র আমল আখলাকের দিক থেকে সবচেয়ে উন্নত নৈতিকতার অধিকারী ছিলেন। সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা এবং মানুষেরা যতোটাই পাপাচারের মধ্যে নিমজ্জিত হয়ে পড়ুকনা কেনো নবী রাসূলরা কিন্তু একেবারে নিষ্পাপ ছিলেন এবং উন্নত নৈতিকতার মশাল জ্বালিয়ে জাতিকে আলোর পথে আহ্বান জানিয়েছেন। বিরুদ্ধবাদীদের সার্টিফিকেট অনুযায়ী তাঁরা ছিলেন সত্যবাদী এবং উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তাঁরা শত্রুদেরও কল্যানকামী ছিলেন। তাহলে তাঁদের কথা বিশ্বাসযোগ্য এবং অকাট্য প্রামাণিক ও যুক্তি দলিল দ্বারা প্রমাণিত। এখন আমাদের বিশ্বাস অনুযায়ী যদি পরকালের হিসাব নিকাশ থেকেই থাকে তাহলে নাস্তিকদের সেদিন কি উপায় হবে ? আর যদি তাদের দাবি অনুযায়ী পরকালের জীবন না থেকে থাকে তাহলে আমাদের তো কোনো কিছু হারানোর নেই। নাস্তিকরা মনে করেন যা কিছু অদৃশ্য তা নেই। অদৃশ্যতো বহু কিছুই আছে। সেগুলো প্রতিনিয়ত বিশ্বাস করেই আমাদের চলতে হচ্ছে। আমি শুধু একটু বলবো আমাদের পিতার পরিচয় কি আমাদের কাছে অকাট্যভাবে প্রমাণিত ? যাঁকে আমরা বাবা বলে ডাকি আমাদের কাছে এমন কি কোনো প্রমাণ আছে যে তিনিই আমার বাবা ? এখানে আমর মা'র কথা অনুযায়ী আমি বিশ্বাস করেছি যে তিনিই আমার বাবা। অথচ আমর মা তাঁর জীবনে একটিও মিথ্যা কথা বলেননি, এমন কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই। কিন্তু নবী রাসূলদের শত্রুরাই বলেছেন যে, তাঁরা জীবনে কোনো দিন একটি কথাও মিথ্যা বলেননি। সুতরাং নবী রাসূলদের কথা অকপটে বিশ্বাস ও স্বীকার করে নেয়াই যুক্তিসঙ্গত। অবাককরার মতো বিষয় হচ্ছে, নাস্তিকরা ইসলাম ধর্ম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মকে কখনো আক্রমণ করেনা। এতেই বুঝা যাচ্ছে তারা আসলে মতলব বাজ। ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে বাংলাদেশের নাস্তিকদের দেখা যায়না। শুধুমাত্র ইসলামের প্রতি তাদের যতো আক্রোশ। অথচ ইসলাম বিরোধিতার কোনো অকাট্য প্রমাণ তাদের কাছে নেই। আন্দাজ অনুমানের উপর নির্ভরশীল হয়ে নাস্তিককতার সিদ্ধান্ত গ্রহণ কোনো বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারেনা। সুতরাং আস্তিকতার মধ্যেই ইহকাল ও পরকালের শান্তি ও মুক্তি নিহিত রয়েছে। আর পরিনতির দিক থেকে সেটাই সর্বোত্তম এবং সেটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

Tushar

২০২০-১০-৩১ ২০:৫৬:৪০

ইউরোপ আমেরিকার মানুষ এখন উগ্র ডানপন্থী ইভানজেলিক্যাল হয়ে যাচ্ছে আর আমাদের গরিব দেশের মানুষ আমেরিকান আর ইউরোপিয়ানদের মন জয় করতে নাস্তিক হচ্ছে। এইগুলি দেখে আমার বড্ড হাসি পায়!!

Habib

২০২০-১০-৩১ ০৭:৫১:১৩

এসব কুলাংগারদের বাংলার সমাজে ঠাঁই নাই। ওদেরকে তাদের free sex দেশে পাঠাই দেন. বাপ মা বোন সহ অতপর তারা সেখানে সেই খেলাই মেতে উঠতে পারবে

Md. Harun al Rashid

২০২০-১০-৩১ ০৬:৫২:০২

Atheism or ignosticism is an addiction that makes the victim dogmatic and teach them to disrespect all religious rites.

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

অনশনরত দুই শিক্ষার্থীর একজন অসুস্থ

২১ জানুয়ারি ২০২১

আগামী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত জানাবে বুয়েট

প্রকৌশল গুচ্ছ পরীক্ষা নিয়ে দ্বিমত

২০ জানুয়ারি ২০২১



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত

DMCA.com Protection Status