আল জাজিরার প্রতিবেদন

মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্রের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ মুসলিম বিশ্ব

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ২৮ অক্টোবর ২০২০, বুধবার

ইসলামকে সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত করা এবং মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্রের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে মুসলিম দেশগুলোতে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। উত্তেজনা দেখা দিয়েছে তুরস্ক ও ফ্রান্সের মধ্যে। মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র অনুমোদনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের নিন্দা জানানো হয়েছে তুরস্কের পার্লামেন্টে। ওদিকে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের পরবর্তী সামিটে তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স। ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন ও ‘ইসলাম সঙ্কটময় অবস্থায় আছে’- ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মুসল্লি। সৌদি আরবেও এর ঢেউ লেগেছে। ইসলাম ইস্যুতে তেহরানে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ইরান। অনলাইন আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ঢাকায় বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। তারা ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছেন। এ সময় তারা প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পুলিশ জানিয়েছে এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন কমপক্ষে ৪০ হাজার মানুষ। ফরাসি দূতাবাসমুখী তাদের বিক্ষোভকে এক পর্যায়ে পুলিশ বাধা দিয়ে থামিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, ফরাসি একটি স্কুলে শিক্ষার্থীদেরকে মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র ব্যবহার করে শিক্ষা দিচ্ছিল ইতিহাসের শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি। এ জন্য ১৬ই অক্টোবর স্কুলের কাছে দিনের বেলায় তার শিরñেদ করে এক চেচেন যুবক। পরে পুলিশ তাকে হত্যা করে। ওই সময় থেকেই এটাকে ইসলামপন্থি সন্ত্রাস আখ্যা দিচ্ছেন ফরাসি কর্মকর্তারা। তারা ইসলামের সঙ্গে যুক্ত করে দিচ্ছেন সন্ত্রাস। এর বিরুদ্ধে প্রথমে কথা বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগান। তারপর নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ইসলাম ইস্যুতে ইমানুয়েল ম্যাক্রনের অবস্থানের জন্য তার মানসিক রোগ চিকিৎসার তাগিদ দেন এরদোগান। সৌদি আরব ও ইরান সহ মুসলিম বিশ্ব, নেতারা ফ্রান্স এবং ম্যাক্রনের নিন্দা জানিয়ে আসছেন। দেশে দেশে ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশেও এমন ডাক দিয়েছেন মুসল্লিরা।

মালয়েশিয়ার নিন্দা
স্যামুয়েল প্যাটিকে হত্যার পর মুসলিমদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান শত্রুতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিশামুদ্দিন হোসেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, উস্কানিমুলক বক্তব্য ও প্ররোচণামুলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে ধর্ম হিসেবে ইসলামকে অবমাননা করা হচ্ছে। নীতিগতভাবে আমরা কঠোরভাবে এর নিন্দা জানাই। উল্লেখ্য মালয়েশিয়ায় শতকরা ৬০ ভাগের বেশি মানুষ মুসলিম। এ ছাড়া এখানে বসবাস করেন বিভিন্ন ধর্ম, জাতির মানুষ। হিশামুদ্দিন বলেছেন, বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করে যাবে মালয়েশিয়া।

উদ্ভূত সংঘাত নিরসনের আশা করে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র আশা প্রকাশ করেছে যে, ন্যাটোর মিত্র ফ্রান্স ও তুরস্ক উত্তেজনা নিরসন করবে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, মিত্রদের মধ্যে অপ্রয়োজনে সংঘাত শুধু আমাদের প্রতিপক্ষকেই সুবিধা দেবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যুক্তরাষ্ট্র।

আপনি সন্ত্রাসে যুক্ত হতে বাধ্য করছেন মানুষকে
চেচেন নেতা রমজান কাদিরভ কড়া সমালোচনা করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের। বলেছেন, এর মাধ্যমে ম্যাক্রন মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র ব্যবহার করে মানুষকে উগ্রবাদী হতে অবদান রাখছেন। কারিদভ তার ইন্সটাগ্রামে লিখেছেন, আপনি মানুষকে সন্ত্রাসে যুক্ত হতে বাধ্য করছেন। মানুষকে এদিকে ঠেলে দিচ্ছেন। কারণ, তাদের সামনে কোনো বিকল্প রাখেন নি। এর মধ্য দিয়ে যুব সমাজের মাথায় আপনি উগ্রবাদ প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছেন। আপনার নিজের দেশে আপনি নিজেকে জোরালোভাবে সন্ত্রাসের নেতা এবং সন্ত্রাসে উৎসাহকারী হিসেবে ঘোষণা দিতে পারেন।

ফরাসি পণ্য বর্জন, সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র
কাতারের দোকানিরা বলছেন, ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাককে তারা সমর্থন করেন। দেশের একটি সবচেয়ে বড় সুপারমার্কেট চেইনের উল্লেখ করে জসিম ইব্রাহিম শাহবিক বলেছেন, আল মিরার সিদ্ধান্ত আমি সমর্থন করি। আশা করি দেশের অন্য কোম্পানিগুলোও এই উদাহরণ অনুসরণ করবে। কারণ, এটাই হলো আমাদের কাছে এই মুহূর্তে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। দোহা’র বাসিন্দা ওমর মোবারক আল আলি বলেন, এই সিদ্ধান্তে জনগণের দৃষ্টি প্রতিফলিত হয়েছে। আশা করি এই বর্জনের ডাক ফরাসি নেতাদের কান পর্যন্ত পৌঁছাবে এবং তারা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করবেন।

ফিলিস্তিনে বিক্ষোভ
বিক্ষোভ হয়েছে ফিলিস্তিনের জেরুজালেমের আল-রাম শহরে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের ইসলাম নিয়ে সমালোচনা এবং মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে মুসলিমদের অবমাননার নিন্দা জানানো হয় বিক্ষোভ থেকে। বিক্ষুব্ধ জনতা হাতে ব্যানার নিয়ে মহানবী (স.)-এর পক্ষ অবলম্বন করে স্লোগান দেন।
ওদিকে ম্যাক্রনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে ইরানে নিযুক্ত ফরাসি চার্জ দ্য অ্যাফেযার্সকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। ‘ইসলামের সঙ্গে সন্ত্রাসের সম্পর্ক আছে’- ম্যাক্রনের এমন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। নিন্দা জানিয়েছে মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্রের। তবে মুসলিম বিশ্ব এক্ষেত্রে যে ব্যবস্থা নিচ্ছে তার প্রতিধ্বনি শোনা যায়নি সৌদি আরব থেকে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নিন্দা জানায় সৌদি আরব, তা যে যেই ঘটাক না কেন।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

mannan abdul

২০২০-১০-২৯ ১৮:৩১:৪৭

মাইরের উপর কোন ঔষধ নাই । তবে তা একটু কৌশল করে মারতে হবে । ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রনের জন্য এখন ঔষধ শুধু একটাই সব ধরনের ফরাসি পণ্য বর্জন করতে হবে।সকল দেশের মুসলিম সমাজ একহও লড়াই কর।

আবু আশফাক নাঈম

২০২০-১০-২৯ ১৬:৩৪:৩০

নবীর শত্রু নিপাত যাক -আবু আশফাক নাঈম . নবীর শানে পড়ছি দরুদ সাল্লি আ’লা মুহাম্মদ পড়ছে দরুদ ফিরিস্তাকুল পড়ছে দরুদ সব উম্মত। . পড়ছে দরুদ গানে গানে বনের পশু পক্ষীকুল পড়ছে দরুদ হিমেল হওয়ায় গোলাপ জবা অযুত ফুল! . পড়ছে দরুদ আকাশ বাতাস মাঠ ঘাট আর প্রান্তরে নবীর শানের দরুদ আছে সব মুমিনের অন্তরে। . পড়ছে দরুদ ঝর্ণা পাহাড় পড়ছে দরুদ মাখলুকাত করছি দুআ খোদার কাছে নবীর শত্রু নিপাত যাক। === #We_Love_Mohammad_ﷺ

Mahmud

২০২০-১০-২৮ ১০:১৭:৪৮

ধৃষ্টতার শেষ সীমা অতিক্রম করেছে ফ্রান্সে জনগণ | ইহা আল্লাহ তালার হাবিব এর প্রতি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ | এই ধরণের অপরাধীর শীর্ষ ছেদ করাই ন্যায় কাজ | এবং ফ্রান্স এক অবর্ননিও শাস্তির সম্মুখীন অল্প কিছুদিনের মধ্যে ইনশাআল্লাহ |

Md. Touhidur Rahman

২০২০-১০-২৮ ০৩:২৩:২২

মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে একজন ধর্ম প্রবর্তককে হেয করা হচ্ছে, অথচ সেই একই দেশে মুসলিম নারীরা তাদের ইচ্ছা মতো পোশাক পরতে পারে না। এটা কি স্বাধীনতা খর্ব করা নয়? মুসলমানেরা কি খৃস্টানদের ধর্ম প্রবর্তকের কোন অপমান করে, না তাদের পোশাক বা ধর্ম পালনে বাধা দেয়? খৃসটানরা মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে কেন মুসলমানদের নবীর অপমান করে কোন বিবেকবান খৃসটান জবাব দিবেন কী?

আবুল কাসেম

২০২০-১০-২৮ ০২:৫৬:৪৯

মত প্রকাশের স্বাধীনতা আমাদেরও আছে। কিন্তু আমরা মানুষ। সৃষ্টির সেরা জীব। তাই আমরা পারছিনা ম্যাক্রনের দিগম্বর, বিকৃত ছবি আঁকতে। তার গলায় ফাঁশি দেওয়ার ছবি আঁকতে। সেই ছবিটা হাতে নিয়ে ক্লাসে উপস্থিত হয়ে ছাত্র ছাত্রীদের প্রদর্শন করে বলতে পারছিনা, "দ্যাখো দ্যাখো এটা হলো বিকৃত মস্তিষ্কের, পাগল ও উন্মাদ ইমানুয়েল ম্যাক্রনের ছবি। সে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বটে ! তার মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন পড়েছে। কিন্তু কেউ তার মানসিক চিকিৎসার ভার নিতে আগ্রহী নয়। কারণ সে বদ্ধ উন্মাদ। তাকে পাগলা গারদে পাঠানো অপরিহার্য। কারণ সে বাইরে থাকলে, তার পাগলামোতে যে দাবানল জ্বলে উঠেছে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত তাতে মনে হচ্ছে, সবকিছু জ্বলে পুড়ে চারখার হয়ে ভস্ম না হওয়া পর্যন্ত সে থামবেনা। চতুর্দিকে তার পাগলামোর জন্য সিডর আইলার চেয়েও ভয়ানক তীব্র গতিতে ঝড় বইছে। তার সীমা ছাড়া উন্মাদনায় বিশ্বের দেড়শ কোটি মুসলমানের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং সে হৃদয় ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাচ্ছে। মুসলিম দেশ তো বটেই অমুসলিম দেশেরও বহু রাজা বাদশা তার নিন্দায় মুখরিত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজপথ কাঁপিয়ে দিচ্ছেন প্রতিবাদী জনতা। দাহ করছেন তার কুশপুত্তলিকা। তবুও কিন্তু তার বেপরোয়া পাগলামো কিছুতেই থামছেনা। সুতরাং এখন সর্বশেষ সিদ্ধান্ত যদি এমন নেওয়া যায়, তাকে শূলে ছড়িয়ে দেখা যেতে পারে তার পাগলামো থামানো যায় কিনা। সে এমনই এক বেহায়া, যাকে বলা যায় বিশ্ব বেহায়া। লাজ লজ্জার মাথামুণ্ডু চিবিয়ে কচলিয়ে এক গ্রাসে অবলীলায় সে গলধকরণ করে ফেলেছে। তাই এখন শত সহস্র নিন্দাবাদের মধ্যেও সে নিজেকে নন্দিত ভাবছে । ভাবছে সে একজন বীরপুরুষ। আসলে সে একটা কাপুরুষোচিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাজ্ঞানী, মহামানব, বিশ্ব মানবতার বন্ধু ও মুক্তির দূত, সৃষ্টিকুলের প্রতি একান্ত দরদী রহমাতুল্লিল আলামীন মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্যাঙ্গ চিত্র প্রদর্শনের নিন্দনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে। যে মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পায়ের কেটে ফেলে দেয়া নখের সমান যোগ্যতাও হবেনা লক্ষ কোটি ম্যাক্রনের। এমন ধৃষ্টতাপূর্ণ কাজের নিন্দা জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছে বিবেকবান বিশ্ববাসী। তাই আমরা নির্বাক, নিস্তব্ধ, হতাশ, হতভম্ব এবং কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছি। এরপরও বুকের ভেতর ছাই ছাপা পড়া আগুন জ্বলে ওঠছে বিশ্বের আনাচকানাচে। দিক থেকে দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল। এই ইমানুয়েল ম্যাক্রন একটা অসভ্য, বর্বর, ইতর প্রাণীবিশেষ। রিমান্ডে নিয়ে তার বিশেষ ধরনের পাগলামোর কোনো কুলকিনারা করা যায় কিনা ভেবে দেখা যেতে পারে। অথবা কচুরিপানাভর্তি পুকুরে শীতের কাঁপুনি ওঠা ভোরবেলায় এক হাজার বার ডুব খাওয়ানোর ব্যবস্থাও করা যেতে পারা যায় কিনা ভেবে দেখা যেতে পারে।" এভাবে তার পরিচিতি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের নিকট আমরা তুলে ধরতে পারছিনা। কারণ আমরা মানুষ। আমরা মুসলমান। মানব জাতির কল্যানের জন্যই আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তাই আমরা কাউকে অপমান ও অপদস্ত করতে পারিনা। সে শিক্ষা আমাদের ধর্মে নেই। আমাদের ধর্ম উদার ও মহৎ। মানুষকে গালি দেয়া আমাদের কাজ নয়। বরঞ্চ ভালো কাজের আদেশ দেয়া আমাদের কর্তব্য। আমাদের ধর্ম গ্রন্থের শিক্ষা হলো, "তোমরাই হচ্ছো দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ জাতি। সমগ্র মানব জাতির কল্যানের জন্যই তোমাদের উপস্থিত করা হয়েছে। তোমরা দুনিয়ার মানুষদেরকে সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে। আর তোমরা নিজেরাও আল্লাহর উপর পুরোপুরি ঈমান আনবে। আহলে কিতাবরা যদি সত্য সত্যিই ঈমান আনতো তাহলে সেটা তাদের জন্য কতোইনা ভালো হতো। তাদের মধ্যে কিছু কিছু ঈমানদার ব্যক্তিও রয়েছে। তবে তাদের অধিকাংশই হচ্ছে সত্য ত্যাগী লোক।" সূরা আলে ইমরান। আয়াত -১১০। সুতরাং ইমানুয়েল ম্যাক্রনের প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান , আপনি সত্যের পথে আসুন, ন্যায়ের পথে আসুন এবং কল্যানের পথে আসুন। আর অসত্য, অন্যায় ও পাপের কাজ থেকে বিরত থাকুন।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

সিএনএনের রিপোর্ট

করোনায় মৃত্যুর চেয়ে এক মাসে জাপানে আত্মহত্যা বেশি

২৯ নভেম্বর ২০২০

ফাকরিজদেহর স্ত্রী বললেন

শহীদ হতে চেয়েছিলেন মোহসেন, তার আকাঙ্খা পূরণ হয়েছে

২৯ নভেম্বর ২০২০



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status