ঢাবি শিক্ষক জিয়ার বিরুদ্ধে দুই মামলা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রথম পাতা ২৬ অক্টোবর ২০২০, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৩৩

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের অধ্যাপক জিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল  বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে এ মামলা  দায়ের করা হয়েছে।
মাসিক আল বাইয়্যিনাত ও  দৈনিক আল ইহসান সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলম একটি এবং ইমরুল হাসান নামে এক আইনজীবী অপর একটি মামলা দায়েরের আবেদন করেন। এসময় ট্রাইব্যুনাল বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। জবানবন্দি শেষে ট্রাইব্যুনাল আদেশের জন্য রেখে দেন। তবে অভিযোগ তদন্ত করে কনট্রোলার অব সার্টিফাইং অথরিটিজকে (সিসিএ) ১লা নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার জিয়া রহমানকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন মুহম্মদ মাহবুব আলমের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ শেখ ওমর শরীফ।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলা ও ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলাকে গর্হিত, নিন্দনীয়, জঘন্য ব্যাখ্যা করেন অধ্যাপক জিয়া রহমান। এসবকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন তিনি।
সমপ্রতি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ‘উপসংহার’ নামক টকশোতে ‘ধর্মের অপব্যাখ্যায় জঙ্গিবাদ’ বিষয়ক আলোচনায় মুসলিমদের শুদ্ধ উচ্চারণে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলা ও ‘আল্লাহ হাফেজ’ বলাকে গর্হিত, নিন্দনীয়, জঘন্য ব্যাখ্যা করেন অধ্যাপক জিয়া রহমান।।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

শাজিদ

২০২০-১০-২৬ ১৮:২৩:৩৮

শিক্ষিত হাওয়া আর মানুষ হাওয়ার মধ্যে পার্থক্য আছে। যিনি নাঙ্গল বানাইতে জানেন তিনিও ঐ শিক্ষায় শিক্ষিত। সবাই কোনো না কোনো বিষয়ে শিক্ষিত হবে পারেন কিন্তু “মানুষ” হাওয়া খুবই কঠিন। জিয়া রহমান শিক্ষিতি তবে আফসোসের সাথে বলতে হয় তিনি মানুষ হতে পারেন নাই। এর জন্য জিয়া রহমান একক ভাবে দায়ী নয় কারণ সন্বাতানের জন্বায মায়ের চাইতে সর্রউচ্চ, সর্বউত্তম শিক্ষক পৃথিবীর কোথাও নেই, সন্তান মানুষ হয় বাবা মায়ের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তাই বলতে হয় জিয়া রহমান সাহেব সেই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন অথবা বাবা মায়ের শিক্ষা চর্চা না করে ক্রমান্নয়ে মনিষত্ব হারিয়ে অন্ধকারের জগতে চলে গেছেন। আমার এই লেখাটি যারা পড়বেন তারা সবাইর কাছে আমার জিজ্ঞাসা; ছোট বেলায় বাবা মায়ের আদর যত্ন, স্নেহ মমতা, তাদের দুঃখ কষ্টের কথা মনে পড়ে, সেগুলি অন্যোর কছে বলে বেড়ান সেই সময় তো বাবা মা এই কথাও বলেছেন খবরদার কারও সাথে ঝগড়া করবেনা, কার জিনিসে হাত দিবেনা কারও সাথে মন্দ কথা বলবেনা, খারাপ ছেলেদের সাথে মিশবেনা, মুরুব্বীর সাথে বেয়াদবী করবেনা, চুরি ডাকাতি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজী করবেনা এই রকম হাজারো উপদেশ বাবা মা দিয়ে থাকেন এগুলি মনে পড়েনা কনে?????

Mofazzal Hossain

২০২০-১০-২৬ ১৬:৫৭:৫৮

This teacher may be educated, but he has no idea on Quran and Islamic Culture. He is simple a Muslim bi birth. Almighty Allah obviously punish this type of educated person, while their education will not be able neither help him nor relax him from his punishment.

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

২০২০-১০-২৬ ০১:৩৭:৫১

ও কাজ টা ঐ জা.....টাকে যেথা হেথাই করা উচিত

Saydur

২০২০-১০-২৬ ১৩:৪৯:৩৪

ore Juta pita kore DU theke bar kora hok

নূর মোহাম্মদ নূরু

২০২০-১০-২৬ ০০:১৮:২৭

এ পৃথিবীতে যত প্রকারের পশু আছে ছাগল আছে, পেতী ছাগল এ্যরাবীরান রাম ছাগল, আমাদের মতো মুসলিম প্রধান দেশ গুলোরই হোক বা খৃষ্টান প্রধান, ইহুদি প্রধান, হিন্দু প্রধান বৌদ্ধ প্রধান যে কোনো দেশেরই হোক না কেন যে কোনো দেশের পশু বা ছাগলদের‌ও যদি আল্লাহ্ জবান খুলে দিতেন তাহলেও মনেহয় এমন কথা ঐ হাইওয়ান, পশু, ছাগল, রাম ছাগলেরাও বলতো না। কারণ তাদেরক‌ও আল্লাহর দেয়া রিযিক চিনে খাওয়ার জ্ঞান দিয়েছেন। এক ভ্যান গাড়ি না, এক ট্রাক‌ও না, এক টাইটানিক জাহাজ ভরতি (ওনাদের শিক্ষনীয়) ব‌ই পড়লেও একটি নেকী, ছোয়াব,বা একটি আযর‌ও লেখা হয়না। পক্ষান্তরে আল্লাহর পবিত্র বাণী কোরআনের মাত্র একটি হরফ বা অক্ষর মুখে উচ্চারণ করলে দশটি নেকী তার আমলনামায় লেখা হয়। আচ্ছালামু আলাইকুম (السلام عليكم ) ছালামের শব্দার্থ (আপনাদের প্রতি শান্তি) বা আপনাদের প্রতি আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক) উওর‌ও তাই) এখানে আরবি তে ১১ টি হরফ আছে ১১×১০=১১০ তাহলে ছালাম দাতা পেলেন ১১০টি নেকী গ্রহীতাও তাই।মহান আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত পবিত্র কোরআনে (ছুরা যুমার আয়াত ৭৩ বলেছেন سلام عليكم طبتم فدخلوهاخالدين (ছালামুন আলাইকুম তীবতুম ফাদখুলুহা খ লিদিন) সে দিন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দিয়ে বলা হবে "শান্তি তোমাদের প্রতি (তোমরা সু পথে ছিলে) প্রবেশ কর চিরস্থায়ী শান্তির উদ্যানে) দেড় হাজার বছরের অতি প্রচলিত এমন একটি সহজ সরল সুন্দর নেক্কার ও শ্রুতি মধুর‌ বাক্যের ভেতর‌, এমন কুৎসিত মহামারী করনার ভাইরসের চেয়েও ভয়ঙ্কর ভাইরাস আবিষ্কার করলেন,যা নাকি বিগত দেড় হাজার বছরেও কোন কাফের মুশরিক নাস্তিক আবুজাহেলদের বংশধরদের‌ও কেও পারে নাই। উনিতো তাদের‌ও গুরু। তবে উনার নামটায় কেমন যেন মুসলিম মুসলিম মানে হ্যাকা হ্যাকা গন্ধ,দাদা দাদা পারফিউম হলে খুব হয়। "দেখা হয় চক্ষু মেলিয়া ঘর হইতে দু'পা ফেলিয়া" মুসলমানে জন্মাইয়া জীবিল দীন হীন হইয়া।

Tuheen

২০২০-১০-২৫ ২৩:৫১:৫২

Zia mean is Light and Rahman meaning is Gracious. He knows he never object the meaning of his name. He knows what is the meaning of Assalamualaikum ar rahmutullah. Many people converted to Islam because of this greetings. Not understood how does he select as a professor of DU. It is time to check his educational certificates may be he is followers of others for rigging

আবুল কাসেম

২০২০-১০-২৫ ২৩:০২:৫৮

'সালাম' ইসলামি সংস্কৃতির একটি অঙ্গ। শরীরের কোনো একটি অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে একজন মানুষ যেমন পঙ্গুত্ব বরণ করে থাকে, তেমনি 'সালাম' বর্জিত ইসলামও পূর্ণাঙ্গ ইসলাম থাকেনা। 'সালাম' সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা একটি গুণবাচক নাম। 'সালাম' শব্দের অর্থ শান্তি। ইসলাম অর্থ আল্লাহর আনুগত্য। আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে শান্তি পাওয়া যায়। তাই ইসলামের আরেক নাম 'শান্তি'। মূলত ইসলামের লক্ষ্যই হচ্ছে শাস্তি প্রতিষ্ঠা। ইসলামের ভাতৃত্ববোধ চিরন্তন। ইসলামের ছায়াতলে সংঘবদ্ধ একজন আরেক জনের ভাই। ঈমানদারদের ভাতৃত্বের বন্ধন কখনো চিহ্ন হবার নয়। তাই একজন মুসলমান অপর মুসলমান ভাইয়ের নিরবধি শান্তি ও কল্যান কামনা করে থাকেন। এই শান্তি ও কল্যান কামনার মধ্যেই সালামের গুরুত্ব নিহিত। সেজন্যই সাক্ষাতে মুসলমানরা পরষ্পর সালাম বিনিময় করে থাকেন। যার মধ্য দিয়ে একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানের কাছে শান্তির বার্তা পৌঁছে দিয়ে থাকেন এবং এর মধ্য দিয়ে কল্যানও কামনা করে থাকেন। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমারা বেশি বেশি সালাম বিনিময় করো। এতে তোমাদের পরষ্পরের সম্পর্ক অটুট হবে। পরকালে বিচার ফায়সালার পর যারা বেহেশতে যাবে আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তাদেরকে 'সালাম দিয়ে অব্যর্থনা জানাবেন। বেহেশত বাসীদের অবস্থা সম্পর্কে কুরআনুল কারিমে বলা হয়েছে, "সেখানে তাদের জন্য থাকবে নানা রকমের ফলমূল , আরো থাকবে তাদের কাঙ্খিত সবকিছু। পরম দয়াময় রবের পক্ষ থেকে তাদেরকে স্বাগত জানিয়ে বলা হবে 'সালাম'। সূরা ইয়াসিন। আয়াত-৫৭-৫৮। জিয়া রহমান একজন উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি। দেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, ইসলাম ও ইসলামি সংস্কৃতির কোনো শিক্ষা এবং ধারণা তাঁর মধ্যে নেই। বলাই বাহুল্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কুরআন, হাদিস তথা ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা এখানেই নিহিত রয়েছে। 'জিয়া রহমান' একটি ইসলামি নাম। 'জিয়া' শব্দের অর্থ - আলোর উৎস, দীপ্তি বা যে বস্তু চতুর্দিক আলোকিত করে। আর 'রহমান' শব্দের অর্থ - দয়াময়, দয়ালু বা দয়ার সাগর। তাহলে 'জিয়া রহমান' নামের অর্থ হলো - দয়াময় আল্লাহ তায়ালার জ্যোতি, দীপ্তি বা আলো। এমন একটি সুন্দর অর্থপূর্ণ ইসলামি নাম ধারণ করেও ইসলাম সম্পর্কে জিয়া রহমানের অজ্ঞতা দেখে বিস্ময়বোধ করছি। আল্লাহ তায়ালা শুধু দয়াশীল ও ক্ষমাশীল -ই নন। অপরাধীদের জন্য তিনি কঠোর শাস্তিদাতাও । জিয়া রহমান যে ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তা যদি তিনি সজ্ঞানে দিয়ে থাকেন তাহলে তা কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মৃত্যুর পরে মানুষের কোনো রকম হিসাব নিকাশ হবেনা এই অবাস্তব, অমূলক ও কল্পনা প্রসূত ধারণার উপর নির্ভরশীল হয়ে জিয়া রহমান যদি জীবনের ভিত্তি রচনা করে থাকেন তাহলে নিঃসন্দেহে অচিরেই তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিঃসন্দেহে তোমার রবের পাকড়াও হবে ভীষণ শক্ত। নিশ্চয়ই তিনি প্রথম বার যেমন করে সৃষ্টি করেছেন, তেমন করে আবারও সৃষ্টি করবেন।" সূরা আল বুরুজ। আয়াত -১২-১৩। আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, "এ মানুষগুলো কি দেখেনা , আমি তাদেরকে ক্ষুদ্র একটি শুক্রকিট থেকে পয়দা করেছি। অথচ সে খোলাখুলি বিতন্ডাকারি হয়ে পড়লো। সে আমার সৃষ্টি ক্ষমতা সম্পর্কে নানা রকম কথা রচনা করলো এবং সে তার নিজের সৃষ্টি কৌশলই ভুলে গেলো। সে বললো, কে মানুষের এ হাড় পুনরায় জীবিত করবে যখন তা পচেগলে যাবে। হে নবী, এদের বলো তিনিই তাতে প্রাণ সঞ্চার করবেন যিনি প্রথমবার এতে জীবন দিয়েছিলেন এবং তিনি সমস্ত কিছুর সৃষ্টি কৌশল সম্পর্কে সম্যক অবগত রয়েছেন। তিনি তোমাদের জন্য সবুজ বৃক্ষ থেকে আগুন উৎপাদন করেছেন এবং তা দ্বারাই তোমারা আগুন জ্বালাচ্ছো। যিনি নিজের ক্ষমতা বলে একবার আকাশমন্ডল ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি পুনরায় তাদেরই মতো করে কিছু সৃষ্টি করতে সক্ষম নন ? নিশ্চয়ই তিনি মহাস্রষ্টা এবং সর্বজ্ঞ। যখন তিনি কিছু একটা সৃষ্টি করতে ইচ্ছা করেন, তখন কেবল এটুকুই বলেন, 'হও' - অতপর তা সাথে সাথেই হয়ে যায়। সুতরাং, পবিত্র ও মহান সে আল্লাহ তায়ালা, যিনি প্রত্যেক বিষয়ের উপর সার্বভৌম ক্ষমতার একচ্ছত্র মালিক এবং তাঁর দিকেই তোমাদের সবাইকে ফিরে যেতে হবে।" সূরা ইয়াসিন। আয়াত-৭৭-৮৩। জিয়া রহমানের নাম শুনে তো মনে হচ্ছে তিনি মুসলমান। কিন্তু ঈমানের পথ ত্যাগ করে তিনি যদি কুফরির পথ গ্রহণ করেন তাহলে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "যদি কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো জীবন বিধান অনুসন্ধান করে তবে তার কাছ থেকে সে বিধান কখনো গ্রহণ করা হবে না। পরকালে সে চরম ব্যর্থ হবে। যারা ঈমান আনার পর কুফরি করেছে আল্লাহ তায়ালা তাদের কিভাবে পথ প্রদর্শন করবেন, অথচ এরাই সাক্ষ্য দিয়েছিলো, আল্লাহর রাসুল সত্য এবং এদের কাছে উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ এসেছিলো। আল্লাহ তায়ালা কখনো সীমালঙ্ঘনকারী লোকদের সঠিক পথ প্রদর্শন করেননা। এসব সীমালঙ্ঘন জনিত কার্যকলাপের একমাত্র প্রতিদান হিসেবে তাদের উপর আল্লাহ তায়ালা, তাঁর ফেরেশতা ও অন্য সব মানুষের অভিশাপ বর্ষিত হবে। সে অভিশপ্ত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম। সেখানে তারা অনন্তকাল ধরে পড়ে থাকবে। তাদের উপর শাস্তির মাত্রা কমানো হবে না। আর আজাব থেকেও তাদের বিরাম দেয়া হবে না। তবে তাদের কথা আলাদা যারা তওবা করেছে এবং নিজের ভুল সংশোধন করে নিয়েছে। আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই ক্ষমাশীল ও দয়ালু । কিন্তু যারা একবার ঈমান আনার পর কুফরি অবলম্বন করেছে, অতপর তারা এই বেঈমানী দিন দিন বাড়াতেই থেকেছে তাদের তওবা কখনো কবুল করা হবে না। কারণ এধরণের লোকেরাই হচ্ছে পথভ্রষ্ট। যারা আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করেছে এবং কুফরি অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে তারা যদি নিজেদেরকে আজাব থেকে বাঁচানোর জন্য একটা পৃথিবীপূর্ণ স্বর্নও মুক্তিপণ হিসেবে খরচ করে তবুও তাদের কারো কাছ থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। বস্তুত এরাই হচ্ছে সেসব হতভাগ্য লোক যাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ আজাব, আর সেদিন তাদের কোনো সাহায্যকারীও থাকবেনা।" সূরা আলে ইমরান। আয়াত -৮৫-৯১। জিয়া রহমান যদি তওবা না করে তার কুফরির উপর অটল থাকেন তাহলে তার শেষ পরিনতি সম্পর্কে উপরে বর্ণিত আল্লাহর বক্তব্যই যথেষ্ট।

Sheikh Latif

২০২০-১০-২৫ ২১:৪৬:১৩

ঢাবির ক্রিমিওলজি বিভাগের এই নষ্ট ও পথভ্রষ্ট ক্রিমিনালটাকে বন্য পশুর সাথে চিড়িয়াখানায় রাখা উচিৎ

আরিফ

২০২০-১০-২৫ ২০:১৩:১৪

এ লোকের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে ইসলামের বিরুদ্ধে স্টান্টবাজি করা ভাঁড়দের টনক নড়ে।

Nazim Uddin Ahmed

২০২০-১০-২৬ ০৮:৫৮:৫০

I hope University of Dhaka is loosing its intrigant. This professor should be removed from my beloved University.

Nazim Uddin Ahmed

২০২০-১০-২৬ ০৮:৫৮:৩৭

I hope University of Dhaka is loosing its intrigant. This professor should be removed from my beloved University.

মোতাহার

২০২০-১০-২৬ ০৮:১৪:৫৮

তার কিছুই হবেনা, কারন সে কোন দলের লোক সবাই জানে।

আনিস উল হক

২০২০-১০-২৫ ১৯:১৩:০৭

আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কি সমকালিন বাংলাদেশে "বিদ্রোহী" কবিতা লিখতে পারতেন? বা তাঁর "রুবাইয়াৎ ই হাফিজ " বিষয়ে কি বলা যায়?

Mohammed Ali Bhuiyan

২০২০-১০-২৫ ১৮:২৬:০৬

শিক্ষক নামের এই জঘন্য অপদার্থকে বিচারের কাঠগড়ায় তোলা হোক এবং সুশীল নামধারী এই সুবিধাবাদি শ্রেণির লোকদেরকে বয়কট করার জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ রইলো।

এটিএম তোহা

২০২০-১০-২৫ ১৭:২৫:৩৪

দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, প্রধান বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান, রাজনৈতিক দলের প্রধান, উপাচার্য, চেম্বারের সভাপতি সবাইকে সালাম দিতে দেখেছি। একজন ক্রিমোলজির শিক্ষক ক্রিমিনালের মত জাতীয় গণমাধ্যমে অদ্ভুত কথা বলার পরও এখনও ক্ষমা চায়নি এতেই প্রমানিত হয় লোকটি মানসিকভাবে সুস্থ নয়। নরেন্দ্র মোদি, সোনিয়া গান্ধীর বিনয়াবনত নমস্কার জিয়ার কাছে জঙ্গি মনে হয়না, সালাম দেয়া জঙ্গিপনা! লোকটি জ্ঞানী না জ্ঞান পাপী? না বোকা? এই লোকটা যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসটাই জানেনা। ননসেন্স!

Abdulmalik

২০২০-১০-২৬ ০৬:০৩:৫৯

All are below standard elements who awarded him with doctorates and who appointed him a teacher in DU.

MSN

২০২০-১০-২৬ ০৪:১৯:৩১

Did he know what is the meaning of আসসালামু আলাইকুম? is the meaning represent Peace or Jongibadh?

শহীদ খোন্দকার

২০২০-১০-২৬ ০২:১৩:২১

বাংলাদেশের বুধিজীবিদের একাংশের বুদ্ধিহীনতা আমাকের দারুন ব্যথিত করে । তিনি যে বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়ান আমার শৈশব , কৈশোর যৌবন কেটেছে ওই এলাকায় আমার বাবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকার সুবাদে। আমার অনুজ ভাই এখনো অথনীতির শিক্ষক, আমার স্ত্রী দেশে থাকতে পরিসংখ্যান বিভাগে পড়াতেন আমার শ্বশুর ও শিক্ষক ছিলেন । তিনি আইন পড়াতেন। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক এরকম অর্বাচীনের মত কথা বলতে পারে এটা কল্পনার বাইরে। আমাদের বাংলাদেশে বিশের কোরে তথাকথিত আধ্নুনিক সমাজে (আস) সালামামালাকুম কে বিক্রত ভাবে উচ্চারন করা করা হয় স্লামালাইকুম বলে। এটা কারো দোষ নয়। আমরা অনেকেই সঠিক উচ্চারন জানি না বা জানতাম না আমিও বলতাম ছোট বেলায়। ভাবতাম এটাই ঠিক। গাইয়া রা ওভাবে বলে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এটা একটা আরবি শব্দ এবং এর একট্যাঁ অরথ আছে। কেউ যদি এটাকে সঠিক ভাবে উচ্চারন করেন তাহলে অসুবিধা কোথায়? জিয়া সাহেব ক্ক্কে কেউ যদি জয়া বলে সম্বোধন করেন তাহলে কি তিনি খুশী জবেন? আল্লাহ আরবি শব্দ এবং খোদা পার্শি । আমি এখনো অভ্যস বশতঃ খোদা হাফেজ ই বলি । কিন্তু যে আল্লাহ হাফেজ বলা বা সালাময়ালাইকুমের সঠিক উচচ্চারন এর চেস্টা কে গর্হিত, নিন্দনীয়, জঘন্য বলতে পারেন বা জঙ্গীবাদের সাথে তুলনা করতে পারেন তিনি একজন ডিগ্রীধারী মহামূর্খ ছাড়া আর কিছুই নয় এবং তাকে ধিক্কার জানাই। এই বোকা মূর্খ লোক টি কখনো ক্যনাডার প্রধান মন্ত্রী ঈদ রোজা বা অন্য কোন উৎসবে বা উপলক্ষে মুসলমানদের কি ভাবে সম্ভাসন করেন শুনেছেন? যদি শুনে না থাকেন তাহলে দয়া কোরে শুনবেন। এই ধরনের অশিক্ষিত গ্যান পাপী এবং সমাজে অনর্থক বিভাজনকারী মানুষ গুলির আসলেই বিচার হওয়া উচিৎ । তার উপর একজন ক্রিমিনোলজীর শিক্ষক যখন এই কথা বলেন তখন আইন প্রয়োগ কারী সংস্থা যদি আল্লাহ হাফেজ বলার কারনে কাউকে সন্ত্রাসি বলে তাহলে তার দায় ভার কে নেবে? জনাব জিয়া জবাব দেবেন কি? এই সব দুই পয়সার বুদ্ধি ব্যবাসায়দের নিয়ে হুমাইয়ুন আহমেদ একটি চমৎকার কথা বলেছিলেন তা শেয়ার না কোরে পারলাম না লেখক হুমায়ূন আহমেদ এর সাক্ষাতকার নেয়ার সময় অভিনেতা ও সাংবাদিক মাহফুজ আহমেদ একটি প্রশ্ন করেছিল.... প্রশ্নটি ছিল : ‘'এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?’' .হুমায়ূন আহমেদের সাবলীল উত্তর : .“আমাদের বুদ্ধিজীবী সমাজে যাঁরা আছেন, তাদের কার্যক্রম খুব একটা পরিষ্কার না। এরা কেন জানি ইসলাম ধর্মকে খুব ছোট করে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান অন্য যেকোনো ধর্মের প্রায় সব উৎসবে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা উপস্থিত থাকেন, বক্তৃতা করেন, বাণী দেন- কিন্তু ইসলামি কোনো জলসায় কেউ উপস্থিত থেকেছেন বলে শোনা যায় না। তাদের মতে, ইসলামি জলসায় কেউ উপস্থিত থাকা মানে তার বুদ্ধিবৃত্তি নিম্নমানের। সে একজন প্রতিক্রিয়াশীল, সাম্প্রদায়িক লোক। আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কাছে হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টানদের কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অর্থ মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা, প্রগতির চর্চা করা, সংস্কারমুক্ত হওয়া ইত্যাদি। নোবেলজয়ী প্রফেসর সালাম ঢাকায় এসে যখন বক্তৃতার শুরুতে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বললেন, তখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা হকচকিয়ে গেলেন। কারণ তাদের কাছে প্রগতিশীল হওয়া, বুদ্ধিজীবী হওয়া, মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা মানেই ইসলামবিরোধী হতে হবে। তাদের কাছে রামকৃষ্ণের বাণী, যিশুর বাণী সবই গ্রহণীয়। এসব তারা উদাহরণ হিসেবেও ব্যবহার করেন; কিন্তু হজরত মোহাম্মদ (সা:)'র বাণী কখনো তাদের মুখ থেকে শোনা যায় না। তাদের কাছে তিনি বাণী গ্রহণযোগ্য নন। আমার মতে, পৃথিবীর তাবৎ ঔপন্যাসিক যাঁর কোটের পকেট থেকে বেরিয়ে এসেছেন, তার নাম দস্তয়ভস্কি। আরেকজন আছেন মহামতি টলস্টয়। এক রেলস্টেশনে যখন টলস্টয় মারা গেলেন, তখন তাঁর ওভারকোটের পকেটে একটি বই পাওয়া গেছে। বইটি ছিল টলস্টয়ের খুব প্রিয়। সব সময় সঙ্গে রাখতেন। সময় পেলেই পড়তেন। বইটি হজরত মোহাম্মদ সা:-এর বিভিন্ন সময়ে বলা গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো নিয়ে গ্রন্থিত। আমি বিনয়ের সঙ্গে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কাছে জানতে চাইছি, আপনাদের ক’জন বইটি পড়েছেন? টলস্টয় যে বইটি পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, সেই বই আমাদের প্রত্যেকের একবার কি পড়া উচিত নয়? আমার মতে, প্রতিটি শিক্ষিত ছেলেমেয়ের বইটি পড়া উচিত।” Ref: ঘরে বাইরে হুমায়ুন আহমেদের হাজার প্রশ্ন ---- মাহফুজ আহমেদ টলস্টয়ের পকেটে পাওয়া বই - Saying of Prophet কৃতজ্ঞতা : Nasimul Gani Khan জিয়া সাহাবের বক্তব্য টি যদি ভুল ভাবে উত্থাপিত হয়ে থাকে তাহলে আমার এই মন্তব্য তার জন্য নয়। তবে এটা পরিষ্কার করার দায়িত্ব কিন্তু তাঁর

Md. Harun al-Rashid

২০২০-১০-২৬ ০২:১১:০৩

মনে হয়েছে তিনি অপরাধ বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ হয়ে বিশ্ব মুসলিমদের অপরাধ আবিস্কারে এনেন্সি খুলে বসে পড়েছেন। শুদ্ধ উচ্ছারনে মুসলমানগন পরস্পরের শান্তি কামনা করা ও আল্লাহ যে সৃষ্টিকূলের সকল কিছুর তত্ত্বাবধায়ক তাতে তার গার্ত্র দাহ হওয়া কারন বোধগম্য হচ্ছে না। তা হলে কি তার মুসলিম নামের আড়ালে এক ভয়ংকর মুনাফিক লুকিয়ে থাকতে পারে। আল্লাহ তাকে হেদায়ত দান করুন। তিনি আস্তাগফার পড়ে অনুশোচনা করুন। আল্লাহর নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করুন।

জাফর আহমেদ

২০২০-১০-২৫ ১১:৩৬:০০

সবচেয়ে আচার্য এবং দুঃখ লাগে যেখানে বাংলাদেশের মানুষ দেশের এমপি মন্ত্রী দের তো দুরের কথা একজন চোর কে চোর বললে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তাকে গ্ৰেপতার করা হয়, অথচ ৯৫ভাগ মুসলমানদের দেশে তাদের ধর্ম নিয়ে যাহ‌ ইচ্ছে তাই বলে কিন্তু তাদের কিছুই হয়না,

আপনার মতামত দিন

প্রথম পাতা অন্যান্য খবর

স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই

কক্সবাজার-কুয়াকাটায় পর্যটকদের ঢল

১ ডিসেম্বর ২০২০

তিন মাসে সর্বোচ্চ শনাক্ত

১ ডিসেম্বর ২০২০

দেশে করোনা শনাক্তের হার বেড়েছে। প্রায় তিন মাস পর গত ২৪ ঘণ্টায়  করোনা রোগী সর্বোচ্চ ...

সিলেট এমসি কলেজে গণধর্ষণ

ডিএনএ টেস্টে ৪ ছাত্রলীগ কর্মীর জড়িত থাকার প্রমাণ

১ ডিসেম্বর ২০২০

পর্যবেক্ষণ

রোহিঙ্গা ইস্যু: আঞ্চলিক পরাশক্তির খেলা

৩০ নভেম্বর ২০২০

সুজনের গোলটেবিল বৈঠক

বিবেক হারিয়েছে নির্বাচন কমিশন

৩০ নভেম্বর ২০২০

এমপি ছাড়া এক জনপদ

৩০ নভেম্বর ২০২০



প্রথম পাতা সর্বাধিক পঠিত

DMCA.com Protection Status