ফ্রান্স কার্টুন প্রকাশ চালিয়ে যাবে: ম্যাক্রন

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ২৩ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

ফ্রান্স কার্টুন প্রকাশ চালিয়ে যাবে বলে সপষ্ট জানিয়ে দিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। সমপ্রতি ফ্রান্সের একটি স্কুলে বাক-স্বাধীনতার ওপরে একটি পাঠ পড়ানোর সময় ইসলামের মহানবীর একটি বিতর্কিত কার্টুন ছাত্রদের দেখান সেখানকার শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি। গত সপ্তাহে ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে তাকে সন্ত্রাসের বলি হতে হয়। বুধবার হত্যার শিকার স্যামুয়েল প্যাটিকে সম্মান জানিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। সেখানেই এ কথা বলেন ম্যাক্রন। এ খবর দিয়েছে আল-অ্যারাবিয়া। প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্যাটির পরিবার। প্যাটির হত্যাকারীদের তিনি কাপুরুষ বলে আখ্যায়িত করেন।
তিনি বলেন, ফ্রান্সের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা জারি রাখতে গিয়েই প্রাণ দিতে হয়েছে প্যাটিকে। ম্যাক্রন আরো বলেন, প্যাটিকে জীবন দিতে হয়েছে। কারণ ইসলামপন্থিরা ফ্রান্সের ভবিষ্যৎ কেড়ে নিতে চাইছে। এরপর তিনি শপথ করে বলেন, কিন্তু এটি কখনো হতে দেয়া হবে না। নিহত শিক্ষকের কফিন ফ্রান্সের পতাকা দিয়ে ঢেকে সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাকে সম্মান প্রদর্শন করেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনসহ সেখানকার শিক্ষাবিদ, সহকর্মী, আপনজন ও সাধারণ মানুষ।
গত শুক্রবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুল্লাহ আন জোরফ নামের এক সন্ত্রাসীর হামলায় প্রাণ হারান প্যাটি। হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

মোঃ কিইয়ুম হোসেন

২০২০-১০-২৪ ২৩:৫৭:০০

যা ইচ্ছা তাই বানিয়ে বলবে আমাদের নবী আমাদের আল্লাহর পতিকক্রিতি । ওরা কি আকাশের লোক। ওরাও আল্লাহর গোলাম কিন্তু বেইমান। ওরা মুসলমানদের শক্তি ,একতা পরিক্ষা করতেছে চুরান্ত আক্রমনের আগে। আর এ সব কিছুর জন্য আমরা নামধারী মুসলমানরাই দাই । আমরা এখনও এক হতে পারি নাই। সময় এসেছে আন্তর্জাতিক একটি সক্রিয় মুসলিম সংগঠনের।তারা পৃথীবির যেখানেই মুসলমান সমস্যায় পরবে সেখানে তাদের পাশে দড়াবে। প্রয়োজনে প্রতেক মুসলমান এক টাকা করে চাঁদা দিয়ে এই সংগঠন চালাবে ।

md sahjahan pathan

২০২০-১০-২৫ ১১:১৮:৪০

ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন কাপুরুষ, সে ইসলামের দুশমন।

Adnan

২০২০-১০-২৪ ১২:৪৯:৪৪

বরং আপনার দুশমনরাই নিশ্চিত লেজকাটা, নির্বংশ। [সুরা কাউসার-৩]

আবুল কাসেম

২০২০-১০-২৩ ২০:৪৪:২২

বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহা মানব, মানবতার মুক্তির দূত রহমাতুল্লিল আলামীন মুহাম্মদুর রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবমাননা করার ধৃষ্টতা দেখিয়ে সভ্যতার দাবিদার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন বিকৃত মস্তিষ্কের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয় ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছেন। সৃষ্টি কর্তা মহান আল্লাহ তায়ালার শেষ নবীকে অপমান করে তিনি মূর্খতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি এতো বড়ো একজন অর্বাচীন ভাবতে অবাক লাগে। মুসলিম বিশ্ব তার কাছে বিজ্ঞতার প্রত্যাশা করেছিলো। কিন্তু তিনি মুসলিমদের হতাশ করেছেন। আরবসহ বিশ্ববাসী যখন বর্বরতা, মূর্খতা, নানাবিধ অনাচার, পাপাচার ও কুসংস্কারে নিমজ্জিত হয়ে আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়ে পড়েছিলো ঠিক তখনই মহান আল্লাহ তায়ালা বিশ্ববাসীর জন্য রহমত ও মুক্তির দূত হিসেবে রাসুল মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রেরণ করেন। ঐতিহাসিক পি কে হিট্টি সহ সকল ঐতিহাসিক একযোগে স্বীকৃতি দিয়েছেন, যদি আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মদ স. কে মানব জাতির ত্রাণকর্তা করে না পাঠাতেন তাহলে পৃথিবীর বুক থেকে মানব জাতি ধ্বংস হয়ে যেতো। মহান আল্লাহ বলেন, "হে নবী আমি তো আপনাকে সৃষ্টিকুলের জন্য দয়ার্দ্র হৃদয় ও রহমতের দিলদরিয়া বানিয়ে পাঠিয়েছি।" সূরা আল আম্বিয়াঃ১০৭। আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, "হে মানুষ তোমাদের নিকট তোমাদেরই মধ্য থেকে একজন রাসুল এসেছে, তোমাদের কোনো রকম কষ্ট ভোগ তার কাছে দুঃসহ, সে তোমাদের একান্ত কল্যানকামী, ঈমানদারদের প্রতি সে হচ্ছে স্নেহপরায়ণ ও পরম দয়ালু।" সূরা আত্ তওবাঃ১২৮। মহান মেহেরবান আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই ঈমানদার বান্দাদের উপর অনুগ্রহ করেছেন, তিনি তাদের মাঝ থেকে একজন ব্যক্তিকে রাসুল করে পাঠিয়েছেন, যিনি তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের আয়াত সমুহ পড়ে শোনায় এবং তিনি তাদের জীবনকে পরিশুদ্ধ করেন, তিনি তাদেরকে আল্লাহর কিতাব ও জ্ঞান বিজ্ঞান শিক্ষা দেন, অথচ এরা সবাই ইতোপূর্বে স্পষ্ট ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছিলো।" সূরা আলে ইমরানঃ১৬৪। উক্ত আয়াতে কারিমায় বলা হয়েছে রাসুল স. জ্ঞান বিজ্ঞান শিক্ষা দিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে রাসুল স. বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ছিলেন। ইতিহাস একথার সাক্ষ্য দেয়, রাসুলের স. জন্মের পূর্বে পৃথিবীতে কোনো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতা তো থাক দূরের কথা সে সবের আবিষ্কারই হয়নি। মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাজিলের পর থেকেই চিকিৎসা বিজ্ঞান, জোতির্বিজ্ঞান, গণিত ও অ্যালজেবরা শাস্ত্র এবং রেডিও, টেলিভিশন, উড়োজাহাজ, বাস, ট্রেন, লঞ্চ, স্টিমার, টেলিফোন ও আজকের অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির আবিষ্কার হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার স্বীকৃত বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী, মহামানব ও মানবতার ত্রাণকর্তাকে যদি কোনো অমানুষ অপমান করে তাহলে তার পরিণতির কথা আল্লাহ তায়ালা নিজেই বলেন, "যে ব্যক্তি তার কাছে প্রকৃত সত্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর রাসুলের বিরুদ্ধাচারণ করবে এবং ঈমানদারদের পথ পরিহার করে অন্য কোনো পথের নিয়ম-নীতির অনুসরণ করবে, আমি তাকে সেদিকেই ধাবিত করবো যেদিকে সে ধাবিত হচ্ছে এবং তাকে আমি জাহান্নামের আগুনে পুড়িয়ে ভস্ম করে দেবো। আর সেটা কতোইনা নিকৃষ্ট আবাসস্থল।" সূরা আন নিসাঃ১১৫। আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে সাবধান করে দিয়ে আরো বলেন, "এই অর্বাচীন লোকেরা কি একথা জানেনা, যদি কোনো ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসুলের সাথে বিদ্রোহ করে তবে তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন, সেখানে সে চিরকাল থাকবে, আর সেটা হবে চরম লাঞ্ছনা।" সূরা আত্ তওবাঃ৬৩। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "যারা আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দেয় দুনিয়া ও আখেরাতে আল্লাহ তায়ালা তাদের উপর অভিশাপ বর্ষণ করেন। আর কেয়ামতের দিন তিনি তাদের জন্য অপমানজনক আজব ঠিক করে রেখেছেন।" সূরা আল আহযাবঃ৫৭। শুধু আখেরাতেই নয় দুনিয়াতেও আল্লাহ তায়ালা তাদের উপর অভিশাপ বর্ষণ করেন। সম্ভবত সেই অভিশাপের ফলশ্রুতিতেই আজকের বিশ্বের বড়ো বড়ো দাম্ভিকেরা অদেখা একটি ক্ষুদ্রতর অণুজীব করোনার ভয়ে কম্পমান। মানুষ যখন আল্লাহর ও রাসুলের পথ পরিহার করে পাপের সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন আল্লাহ তায়ালা দয়াপরবশ হয়ে মানুষের সম্বিত ফিরিয়ে আনতে ও হেদায়েতের পথে ফিরে আসতে আজাবের চূড়ান্ত ফায়সালার আগে মাঝে মাঝে ছোটো ছোটো আকারে আজাব দিয়ে থাকেন। করোনা তেমনই একটি আসমানী আজাব। এরপরও যদি মানুষের হুঁশ ফিরে না আসে তাহলে অচিরেই চূড়ান্ত ধ্বংসের ফায়সালা অনিবার্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "জাহান্নামের কঠিন আজাবের আগে অবশ্যই আমি তাদেরকে দুনিয়াতে ছোটো খাটো আজাবও আস্বাদন করাবো। হয়তোবা এতে করে তারা আমার দিকে ফিরে আসবে।" সূরা আস্ সাজদাঃ২১। মানুষ ভোগ করে তার পাপের শাস্তি। তাই আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে বলেন, "যে বিপদ আপদই তোমাদের উপর আসুক না কেনো তা হচ্ছে তোমাদের নিজেদের হাতের কামাই। তা সত্ত্বেও আল্লাহ তায়ালা তোমাদের অনেক অপরাধ এমনিতেই ক্ষমা করে দেন।" সূরা আশ শূরাঃ৩০।

Amir

২০২০-১০-২৩ ১৯:০৭:১১

ফ্রান্স কার্টুন প্রকাশ চালিয়ে যাবে বলে সপষ্ট জানিয়ে দিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন।----একজন ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির কোন বিতর্কিত ধর্মীয় বিষয়ে জেদ করা কি ঠিক হবে?

Sadik md. iqball hos

২০২০-১০-২৩ ১০:৪৭:৩৮

কোন ব্যক্তির ধর্মিয় অনভূতি আঘাত দেওয়া কি অপরাধ নয় ? ম্যাক্রন যেটা বলেছেন সেটা অন্যায় সে কারনে বিশ্বের প্রতিটি দেশের উচিৎ তাঁর বিরুদ্ধে সত্য কথা বলা ।

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত



ম্যারাডোনার শেষ কথা

‘মে সিয়েন্তো মাল’

DMCA.com Protection Status