সরাসরি হবে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষাঙ্গন ২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:১৪

অনলাইনে নয়, সরাসরি হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। এইচএসসি ফলাফলের পর ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জানানো হবে।

আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির মিটিংয়ের পর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এখন ডিনস কমিটির সিদ্ধান্ত একাডেমিক কাউন্সিলে যাবে। জানা যায়, করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের নিজস্ব বিভাগে নেওয়ার কথাও হয়েছে। অর্থাৎ যে শিক্ষার্থী যে বিভাগের, তারা সেই বিভাগে পরীক্ষা দেবে। এর ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে ঢাকায় আসতে হবে না।

এ বিষয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাদেকা হালিম বলেন, আমরা অনলাইনে নেব না, সরাসরি পরীক্ষা নেব।  আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে চাই। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এ বিষয়ে আরো আলোচনা হবে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে হয়তবা বিভাগভিত্তিক হিসেবে পরীক্ষা নিয়ে নেব, যাতে শিক্ষার্থীদের ঢাকায় না আসতে হয়।।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Amir

২০২০-১০-২১ ১৮:২৫:২২

আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে চাই।-----তা জীবনের বিনিময়ে হলেও!

Amir

২০২০-১০-২১ ১৮:১৯:৩০

আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি মেইনটেইন করতে চাই।-----তা জীবনের বিনিময়ে হলেও!

আবুল কাসেম

২০২০-১০-২০ ০৬:২০:৫১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সরাসরি নেয়ার সিদ্ধান্ত খুবই যৌক্তিক। ভর্তি পরীক্ষার মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা পরীক্ষা অনলাইনে নেয়ার মতো উপযুক্ত পরিস্থিতি ও পরিবেশ এবং যান্ত্রিক ব্যবস্থপনা নানা কারণে বাংলাদেশে এখনো আসেনি। তাই অফলাইনে ভর্তি পরীক্ষা হওয়াই যুক্তিযুক্ত। তা ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা স্বাতন্ত্র্য ঐতিহ্য রয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নিতে হলে বিভাগওয়ারি ভাগে ভাগে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তটাও সময়োপযোগী হয়েছে। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বুয়েটেরও রয়েছে একান্ত নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য। সারা দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ দুটো প্রতিষ্ঠানের প্রতি সঙ্গত কারণেই ভীষণ ভাবে আগ্রহী। সুতরাং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষাও অফলাইনে সরাসরি নেয়া হলে মেধাবীরা তাদের মূল্যায়নের সুযোগ পাবে। বুয়েট সাধারণত দশ হাজার পরীক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে থাকে। উক্ত সংখ্যক পরীক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষা একবারে নেয়া সম্ভব না হলে দুই বারে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নপত্রে নেয়া যায়। তবুও অপরীক্ষিত, অপ্রমাণিত ও অনুমান নির্ভর সফটওয়্যার এর উপর নির্ভর করে অনলাইনে গুরুত্ববহ একটি ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সঠিক হবে না। আরেকটি কথা হলো জাতি হিসেবে আমরা কিন্তু মানবিক। তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ হলো রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া এবং করোনা সংক্রমণের শুরুতে ব্যতিক্রমী ত্রাণ চোর ছাড়া সকলেই সকলের প্রতি সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। রাস্তায় বাসা বাড়িতে বস্তিতে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। অনেক বাড়িওয়ালা বাড়ি ভাড়া আংশিক আবার কেউ পুরোটা মওকুফ করেছেন। অনেকে অনেকেরে আর্থিক সাহায্য করেছেন। এভাবেই আমরা আমাদের মানবিকতার মর্যাদা রক্ষা করতে চেষ্টা করেছি। এই করোনার তান্ডবে বহু অভিভাবক কর্মহীন হয়েছেন এবং অনেক শিক্ষার্থী তাদের টিউশনি হারিয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এবার বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল , ইন্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি কমানোর সিদ্ধান্ত নিলে বহু সংখ্যক অস্বচ্ছ পরীক্ষার্থীরা ভীষণভাবে উপকৃত হবে। এবং সকালেই অপ্রমাণিত অনলাইন পদ্ধতি বাদ দিয়ে অফলাইনে সরাসরি পরীক্ষা কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত আগাম জানিয়ে দিলে পরীক্ষার্থীদের এবং অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা দূর হবে।

এটিএম তোহা

২০২০-১০-২০ ০৩:৫৫:২৭

ভর্তি পরীক্ষায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আয় শতকোটি। এটাকার কারণেই তারা কেন্দ্রীয় ভর্তির সিদ্ধান্তে আসছেনা। অনলাইনে না হোক সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে একসাথে পরীক্ষায় আনতে বাধ্য না করলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি এবং অর্থের অপচয় বন্ধ হবেনা। আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাল নিবে অন্যটা।

আপনার মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন অন্যান্য খবর

এইচএসসি পরীক্ষার ফল ডিসেম্বরেই

পিছিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা

২৫ নভেম্বর ২০২০



শিক্ষাঙ্গন সর্বাধিক পঠিত



DMCA.com Protection Status