পাবনায় আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ১৮ অক্টোবর ২০২০, রোববার, ১০:২৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫০

পাবনার আটঘরিয়ায় মকবুল হোসেন (৪২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার চান্দাই বিল পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মকবুল হোসেন আটঘরিয়া উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের রইজ উদ্দিন মাস্টারের ছেলে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন।

এছাড়া আলাউদ্দিন ওরফে আলম (৪২) নামে আরেক যুবককেও আহত করা হয়। তিনি যাত্রাপুর গ্রামের চাঁদ মোল্লার ছেলে। পুলিশ বলছে, এলাকার আধিপত্য নিয়ে বিরোধে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের চাচাতো ভাই আবদুল মতীন জানান, শনিবার সন্ধ্যায় তারা ফরিদপুর উপজেলার ধানুয়াঘাটা হাট থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। রাতে তারা চাঁন্দাই বিলের কাছে আসার পর সন্ত্রাসীরা তাদের বহনকারী গাড়ি থেকে জোর করে নামায়।
এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।

ঘটনাস্থলেই মকবুল মারা যান। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত আলমকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থাও আশংকাজনক বলে জানান তিনি।

আহত আলমের ভাই বাকী ও ছেলে আজিজুল জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (লাল পতাকা) সদস্যরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

আটঘরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল মালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মকবুলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md.Shamsul Alam

২০২০-১০-১৮ ১৫:০৮:০৮

বিদেশ থেকে টাকা ধার করে এনে মেগা প্রকল্পে অর্থ ব্যয়ে রাস্তা ঘাট সেতু তো দৃশ্যমান হবেই। সেই সুযোগে কিছু লোক কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করবে এবং সেকেন্ড হোম ও বেগম পাড়া বানাবে আর মাঝে মাঝে চা পান করতে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক দিল্লি যাবে।অসুস্থ হলে কেউ যাবে লন্ডনে চেক আপ করতে আর কেউ বিনা চিকিৎসায় হাসপাতালের বারান্দায় মরবে। আর যাদের নিয়তি নদীর ভাঙ্গনে বা বন্যায় গৃহহীন তাদের ভিক্ষার হাত প্রসারিত থাকবেই।ধনী আরো ধনী হবে ,আর গরীব আরো গরীব হতে থাকবে।

Kazi

২০২০-১০-১৭ ২২:২৮:২৩

সরকার নিজ দলের লোককেও রক্ষা করতে অপারগ । স্থানীয় নেতৃত্ব জনগণের সঙ্গে অত্যাচারী হলে জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে এ কাজ করতে পারে। অন্যথায় ভোটাধিকার হরণেও মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উছৃঙ্খল হতে পারে। সরকারের উচিত নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচন করা। যদি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণ তুষ্ট থাকে ভোটে পরাজিত হওয়ার ভয় নাই। অন্ততপক্ষে জনগণ বুঝুক তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। তাতে আক্রোশ কমবে। তাছাড়া স্থানীয় নেতৃত্ব ও শালীন ও নিরপেক্ষ আচরণ জনগণের আক্রোশ দমন করবে। অত্যাচার করলে প্রতিশোধ নিতে এরকম হত্যাকাণ্ড চলতে থাকবে। এটা শুভ লক্ষণ নয়।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত